২০১০ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
২০১০ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০
২০১০ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০.svg
তারিখসমূহ ৩০ এপ্রিল – ১৬ মে
ব্যবস্থাপক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল
ক্রিকেটের ধরন টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতার ধরন গ্রুপ পর্ব ও নক-আউট
আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ
বিজয়ী  ইংল্যান্ড (১ম শিরোপা)
অংশগ্রহণকারীরা ১২
খেলার সংখ্যা ২৭
প্রতিযোগিতার সেরা
খেলোয়াড়
ইংল্যান্ড কেভিন পিটারসন
সর্বোচ্চ রান শ্রীলঙ্কা মাহেলা জয়াবর্ধনে (৩০২)
সর্বোচ্চ উইকেট অস্ট্রেলিয়া ডার্ক নানেস (১৪)
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Official website

২০১০ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতা তৃতীয় আসর। আন্তর্জাতিক টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতারূপে এটি ৩০ এপ্রিল, ২০১০ তারিখ থেকে ১৬ মে, ২০১০ তারিখ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হয়।[১] চূড়ান্ত খেলায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় মনোনীত হন কেভিন পিটারসন

২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতাটি প্রতি দুই বছর পরপর আয়োজনের কথা ছিল। পূর্বঘোষিত একদিনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতারূপে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া স্বত্ত্বেও তা টুয়েন্টি২০ পর্যায়ে পরিবর্তিত হয়। কারণ ২০০৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতা আয়োজনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতার সময়সূচী সংশোধনের প্রয়োজনীয়তাই এর প্রধান কারণ।[১]

আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতাটি সর্বশেষ প্রতিযোগিতার ১০ মাসের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়। টেস্টভূক্ত দেশ ও সহযোগী সদস্যভূক্ত দেশের সর্বমোট ১২ দল এতে অংশ নেয়। কেনসিংটন ওভাল, প্রভিডেন্স স্টেডিয়াম ও বিউসেজুর স্টেডিয়াম - এ তিনটি স্টেডিয়ামেই সবগুলো খেলার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি মহিলাদের প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রুপ[সম্পাদনা]

৪ জুলাই, ২০০৯ তারিখে গ্রুপ ঘোষণা করা হয়। ২০০৯ সালের প্রতিযোগিতার ন্যায় এবারও চারটি গ্রুপ করা হয়। বন্ধনীতে দলের বাছাই উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রুপ এ
গ্রুপ বি
গ্রুপ সি
গ্রুপ ডি

দলের সদস্য[সম্পাদনা]

সময়সূচী[সম্পাদনা]

পূর্ব ক্যারিবীয় সময়সূচী (ইউটিসি-০৪:০০) অনুযায়ী সকল সময়

প্রস্তুতিমূলক খেলা[সম্পাদনা]


গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপ এ[সম্পাদনা]

দল বাছাই খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 অস্ট্রেলিয়া (১০) এ২ +১.৫২৫
 পাকিস্তান (১) এ১ −০.৩২৫
 বাংলাদেশ (৯) −১.২০০
১ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৭২/৩ (২০ ওভার)
 বাংলাদেশ
১৫১/৭ (২০ ওভার)
সালমান বাট ৭৩ (৪৬)
সাকিব আল হাসান ২/২৭ (৪ ওভার)
  • পাকিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

২ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৯১ (২০ ওভার)
 পাকিস্তান
১৫৭ (২০ ওভার)
মিসবাহ-উল-হক ৪১ (৩১)
শন টেইট ৩/২০ (৪ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে পাঁচ উইকেটের পতন ঘটে। মোহাম্মাদ আমির মেইডেন ওভারসহ তিন উইকেট লাভ করেন; বাকি দুইটি উইকেট রান-আউটের মাধ্যমে হয়।[২]
  • এ ফলাফলে অস্ট্রেলিয়া সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

৫ মে
১৩:০০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৪১/৭ (২০ ওভার)
 বাংলাদেশ
১১৪ (১৮.৪ ওভার)
মাইকেল হাসি ৪৭* (২৯)
সাকিব আল হাসান ২/২৪ (৪ ওভার)
সাকিব আল হাসান ২৮ (২৮)
ডার্ক নানেস ৪/১৮ (৪ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ২৭ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সেরা খেলোয়াড়: মাইকেল হাসি (অস্ট্রলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এ ফলাফলে পাকিস্তান সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

গ্রুপ বি[সম্পাদনা]

দল বাছাই খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 নিউজিল্যান্ড (৫) বি২ +০.৪২৮
 শ্রীলঙ্কা (২) বি১ +০.৩৫৫
 জিম্বাবুয়ে −১.৫৯৫
৩০ এপ্রিল
১৩:০০
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১৩৫/৬ (২০ ওভার)
 নিউজিল্যান্ড
১৩৯/৮ (২১৯.৫ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে বিজয়ী
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া) ও রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: নাথান ম্যাককুলাম (নিউজিল্যান্ড)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৩ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১৭৩/৭ (২০ ওভার)
 জিম্বাবুয়ে
২৯/১ (৫ ওভার)
মাহেলা জয়াবর্ধনে ১০০ (৬৪)
রে প্রাইস ২/৩১ (৪ ওভার)
শ্রীলঙ্কা ১৪ রানে বিজয়ী (ডি/এল)
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ও ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির জন্য জিম্বাবুয়ের ইনিংস ৫ ওভার স্থায়ী হয়। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ রান।
  • মাহেলা জয়াবর্ধনে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ৪র্থ ব্যক্তি, আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় ৩য় ব্যক্তি এবং প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে সেঞ্চুরি করেন।
  • এ ফলাফলে নিউজিল্যান্ড সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

৪ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
৮৪ (১৫.১ ওভার)
 নিউজিল্যান্ড
৩৬/১ (৮.১ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ৭ রানে বিজয়ী (ডি/এল)
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: আসাদ রউফ (পাকিস্তান) ও স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: নাথান ম্যাককুলাম (নিউজিল্যান্ড)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির জন্যে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ৮.১ ওভার স্থায়ী হয়। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৯ রান।
  • এ ফলাফলে শ্রীলঙ্কা সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

গ্রুপ সি[সম্পাদনা]

দল বাছাই খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 ভারত (৭) সি২ +১.৪৯৫
 দক্ষিণ আফ্রিকা (৩) সি১ +১.১২৫
 আফগানিস্তান −২.৪৪৬
১ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
১১৫/৮ (২০ ওভার)
 ভারত
১১৬/৩ (১৪.৫ ওভার)
নূর আলী ৫০ (৪৮)
আশীষ নেহরা ৩/১৯ (৪ ওভার)
মুরালি বিজয় ৪৮ (৪৬)
হামিদ হাসান ১/৮ (৩ ওভার)
  • ভারত টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

২ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৮৬/৫ (২০ ওভার)
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৭২/৫ (২০ ওভার)
জ্যাক ক্যালিস ৭৩ (৫৪)
ইউসুফ পাঠান ২/৪২ (৪ ওভার)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় ২য় এবং ১ম ভারতীয় হিসেবে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সেঞ্চুরি করেন।
  • এ ফলাফলে ভারত সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকা 
১৩৯/৭ (২০ ওভার)
 আফগানিস্তান
৮০ (১৬ ওভার)
জ্যাক ক্যালিস ৩৪ (৩৩)
হামিদ হাসান ৩/২১ (৪ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৯ রানে বিজয়
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বারবাডোস
আম্পায়ার: ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড) ও সাইমন টাওফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: মরনে মরকেল (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • আফগানিস্তান টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এ ফলাফলে দক্ষিণ আফ্রিকা সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

গ্রুপ ডি[সম্পাদনা]

দল বাছাই খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৪) ডি১ +২.৭৮০
 ইংল্যান্ড (৬) ডি২ −০.৪৫২
 আয়ারল্যান্ড −৩.৫০০
৩০ এপ্রিল
১৭:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৩৮/৯ (২০ ওভার)
 আয়ারল্যান্ড
৬৮ (১৬.৪ ওভার)
ড্যারেন স্যামি ৩০ (১৭)
জর্জ ডকরেল ৩/১৬ (৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭০ রানে বিজয়ী
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: আসাদ রউফ (পাকিস্তান) ও বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: ড্যারেন স্যামি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৩ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৯১/৫ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৬০/২ (৫.৫ ওভার)
ক্রিস গেইল ২৫ (১২)
গ্রেইম সোয়ান ২/২৪ (২ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে বিজয়ী (ডি/এল)
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: টনি হিল (নিউজিল্যান্ড) ও রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: ড্যারেন স্যামি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টিজনিত কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস ৬ ওভার স্থায়ী হয়। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে তাদরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০ রান।
  • এ ফলাফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

৪ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১২০/৮ (২০ ওভার)
 আয়ারল্যান্ড
১৪/১ (৩.৩ ওভার)
ফলাফল হয়নি
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, প্রোভিডেন্স, গায়ানা
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও টনি হিল (নিউজিল্যান্ড)
  • আয়ারল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির ফলে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস ৩.৩ ওভার পর্যন্ত গড়ায়। ফলে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
  • এ ফলাফলে ইংল্যান্ড সুপার এইট পর্বে উত্তীর্ণ হয়।

সুপার এইট[সম্পাদনা]

সুপার এইট পর্বে প্রতিগ্রুপের শীর্ষ দুই দলকে নিয়ে গঠিত হয়েছে। দলগুলোকে ই এবং এফ গ্রুপে বিভক্ত করা হয়েছে। এ ও সি গ্রুপের শীর্ষ দল এবং বি ও ডি গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল নিয়ে গ্রুপ ই গঠিত। আবার, বি ও ডি গ্রুপের শীর্ষ দল এবং এ ও সি গ্রুপের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল নিয়ে গ্রুপ এফ গঠিত।

গ্রুপ ই[সম্পাদনা]

দল খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 ইংল্যান্ড (ডি২) +০.৯৬২
 পাকিস্তান (এ১) +০.০৪১
 নিউজিল্যান্ড (বি২) −০.৩৭৩
 দক্ষিণ আফ্রিকা (সি১) −০.৬১৭
৬ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১২৪/৯ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৫১/৪ (১৯.৩ ওভার)
কেভিন পিটারসন ৭৩* (৫২)
সাঈদ আজমল ২/১৮ (৩.৩ ওভার)
ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: কেভিন পিটারসন (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৬ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
১৭০/৪ (২০ ওভার)
 নিউজিল্যান্ড
১৫৭/৭ (২০ ওভার)
জেসি রাইডার ৩৩ (২৮)
যোহন বোথা ২/২৩ (৩ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: আলবি মরকেল (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৮ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৩৩/৭ (২০ ওভার)
 পাকিস্তান
১৩২/৭ (২০ ওভার)
সালমান বাট ৬৭* (৫৪)
ইয়ান বাটলার ৩/১৯ (৪ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ১ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ও ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: ইয়ান বাটলার (নিউজিল্যান্ড)
  • পাকিস্তান টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৮ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৬৮/৭ (২০ ওভার)
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১২৯ (১৯ ওভার)
কেভিন পিটারসন ৫৩ (৩৩)
যোহন বোথা ২/১৫ (৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ৩৯ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: কেভিন পিটারসন (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১০ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৪৮/৭ (২০ ওভার)
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৩৭/৭ (২০ ওভার)
পাকিস্তান ১১ রানে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ও ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: উমর আকমল (পাকিস্তান)
  • পাকিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ।

১০ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৪৯/৬ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৫৩/৭ (১৯.১ ওভার)
রস টেলর ৪৪ (৩৩)
গ্রেম সোয়ান ২/৩১ (৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া) ও সাইমন টাউফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: টিম ব্রেসনান (ইংল্যান্ড)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে পাকিস্তান সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ।

গ্রুপ এফ[সম্পাদনা]

দল খেলা ফহ এনআরআর পয়েন্ট
 অস্ট্রেলিয়া (এ২) +২.৭৩৩
 শ্রীলঙ্কা (বি১) −০.৩৩৩
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ডি১) −১.২৮১
 ভারত (সি২) −১.১১৭
৭ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৮৪/৫ (২০ ওভার)
 ভারত
১৩৫ (১৭.৪ ওভার)
রোহিত শর্মা ৭৯* (৪৬)
শন টেইট ৩/২১ (৩.৪)
অস্ট্রেলিয়া ৪৯ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সেরা খেলোয়াড়: ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)
  • ভারত টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৭ মে
১৩:৩০
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১৯৫/৩ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৩৮/৮ (২০ ওভার)
শ্রীলঙ্কা ৫৭ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও সায়মন টাওফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৯ মে
০৯:৩০
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৬৯/৬ (২০ ওভার)
 ভারত
১৫৫/৯ (২০ ওভার)
ক্রিস গেইল ৯৮ (৬৬)
আশীষ নেহরা ৩/৩৫ (৪ ওভার)
সুরেশ রায়না ৩২ (২৫)
কেমার রোচ ২/৩৮ (৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও সায়মন টাওফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ভারত টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৯ মে
১৪:০০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৬৮/৫ (২০ ওভার)
 শ্রীলঙ্কা
৮৭ (১৬.২ ওভার)
তিলকরত্নে দিলশান ২০ (১২)
মিচেল জনসন ৩/১৫ (৩.২ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৮১ রানে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড) ও রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: ক্যামেরন হোয়াইট (অস্ট্রেলিযা)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১১ মে
১৩:০০
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৬৩/৫ (২০ ওভার)
 শ্রীলঙ্কা
১৬৭/৫ (২০ ওভার)
শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও স্টিভ ডেভিস (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (শ্রীলঙ্কা)
  • ভারত টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১০৫ (১৯ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১০৯/৪ (১৬.২ ওভার)
ব্র্যাড হাড্ডিন ৪২ (৪৬)
ক্রিস গেইল ১/৫ (০.২ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও রুডি কোয়ের্তজেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ।

নক-আউট পর্ব[সম্পাদনা]

সেমি-ফাইনাল ফাইনাল
১৩ মে – সেন্ট লুসিয়া
  ইংল্যান্ড ১৩২/৩  
  শ্রীলঙ্কা ১২৮/৬  
 
১৬ মে – বার্বাডোস
      ইংল্যান্ড ১৪৮/৩
    অস্ট্রেলিয়া ১৪৭/৬
১৪ মে – সেন্ট লুসিয়া
  অস্ট্রেলিয়া ১৯৭/৭
  পাকিস্তান ১৯১/৬  

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

১৩ মে
১১:৩০
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১২৮/৬ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৩২/৩ (১৬ ওভার)
ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও সায়মন টাওফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: স্টুয়ার্ট ব্রড (ইংল্যান্ড)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৪ মে
১১:৩০
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৯১/৬ (২০ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১৯৭/৭ (১৯.৫ ওভার)
উমর আকমল ৫৬* (৩৫)
স্টিভ স্মিথ ১/২৩ (২ ওভার)
মাইকেল হাসি ৬০* (২৪)
মোহাম্মদ আমির ৩/৩৫ (৪ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে বিজয়ী
বিউসেজাউর স্টেডিয়াম, গ্রোস আইলেট, সেন্ট লুসিয়া
আম্পায়ার: বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ও ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: মাইকেল হাসি (অস্ট্রেলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

ফাইনাল[সম্পাদনা]

১৬ মে, ২০১০ তারিখ বার্বাডোসে চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়।[৩] খেলায় ইংল্যান্ড জয়লাভ করে। এরফলে দলটি প্রথমবারের মতো বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত কোন প্রতিযোগিতায় জয়লাভে সক্ষম হয়।[৪] এটি ছিল তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল প্রদত্ত ট্রফি।[৫] অস্ট্রেলিয়া প্রথমে ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৪৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ১৮ বল বাকী থাকতেই ইংল্যান্ড নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ইংল্যান্ডের পক্ষে ক্রেগ কাইজওয়েটার ৪৯ বলে ৬৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, কেভিন পিটারসনের ৩১ বলে ৪৭ রান উল্লেখযোগ্য। ডেভিড হাসি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন।[৬] প্রতিযোগিতায় ২৪৮ রান সংগ্রহ করায় পিটারসনকে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট এবং কাইজওয়েটারকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার প্রদান করা হয়।[৭]

১৬ মে
১১:৩০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৪৭/৬ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৪৮/৩ (১৭ ওভার)
ডেভিড হাসি ৫৯ (৫৪)
রায়ান সাইডবটম ২/২৬ (৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে বিজয়ী
কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও বিলি ডকট্রোভ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সেরা খেলোয়াড়: ক্রেগ কাইজওয়েটার (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ইংল্যান্ড প্রথমবারের মতো আইসিসি’র কোন প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করে।

রেকর্ড ও পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

প্রচার মাধ্যম[সম্পাদনা]

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

দেশ/মহাদেশ সম্প্রচারক[৮]
 আফগানিস্তান আরিয়ানা টেলিভিশন নেটওয়ার্ক কেবলমাত্র আফগানিস্তানের খেলা
লিমার টিভি
 অস্ট্রেলিয়া ফক্স স্পোর্টস[৯]
 আফ্রিকা সুপারস্পোর্ট
 বাংলাদেশ বাংলাদেশ টেলিভিশন
 সিঙ্গাপুর স্টার ক্রিকেট
 ক্যারিবীয় অঞ্চল ক্যারিবিয়ান মিডিযা কর্পোরেশন
 কানাডা এশিয়ান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক
 ইউরোপ (যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড ব্যতীত) ইউরোস্পোর্ট২
 চীন ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস
 ভারত ইএসপিএন
স্টার ক্রিকেট
ডিডি ন্যাশনাল অধিকাংশই ভারতের খেলা
 জামাইকা টেলিভিশন জ্যামাইকা
 জাপান হাম টাম টিভি
 মধ্যপ্রাচ্য ক্রিকওয়ান
   নেপাল ইএসপিএন
স্টার ক্রিকেট
 ফিজি ফিজি টিভি
 নিউজিল্যান্ড স্কাই স্পোর্ট
 প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ স্কাই প্যাসিফিক
 পাকিস্তান জিও সুপার
পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন
 দক্ষিণ আফ্রিকা সুপারস্পোর্ট
এসএবিসি৩ স্পোর্ট
 শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা রূপবাণী কর্পোরেশন
 যুক্তরাজ্য স্কাই স্পোর্টস
 আয়ারল্যান্ড
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডাইরেক্টটিভি ক্রিকেটটিকেট

রেডিও[সম্পাদনা]

দেশ সম্প্রচারক[৮]
 অস্ট্রেলিয়া এবিসি লোকাল রেডিও
 ভারত অল ইন্ডিয়া রেডিও
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্যারিবিয়ান মিডিয়া কর্পোরেশন
 বাংলাদেশ বাংলাদেশ বেতার
 কানাডা ইকোস্টার
 মধ্য আমেরিকা
 যুক্তরাজ্য বিবিসি রেডিও
 আয়ারল্যান্ড
 পাকিস্তান হাম এফএম
 সংযুক্ত আরব আমিরাত হাম এফএম

ইন্টারনেট[সম্পাদনা]

দেশ/মহাদেশ সম্প্রচারক[৮]
 যুক্তরাজ্য বিস্কাইবি (skysports.com)
 আয়ারল্যান্ড বিস্কাইবি (skysports.com)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্যারিবিয়ান মিডিয়া কর্পোরেশন (Cananews.com)
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডাইরেকটিভি (Willow.tv)
 ভারত ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 পাকিস্তান ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 বাংলাদেশ ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
   নেপাল ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 ভুটান ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 শ্রীলঙ্কা ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 মালদ্বীপ ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (Espnstar.com)
 ইউরোপ (বাকী) ইউরোস্পোর্ট (ইউরোস্পোর্ট প্লেয়ার)
 অস্ট্রেলিয়া ফক্স স্পোর্টস (Foxsports.com.au)
 নিউজিল্যান্ড স্কাই স্পোর্ট (skysport.co.nz)
 আফ্রিকা সুপারস্পোর্ট (supersport.com)
অন্যান্য দেশ ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস (espnstar.com)

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Third World Twenty20 set for 2010" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৪ মে ২০১০ 
  2. Bull, Andy (২ মে ২০১০)। "Pakistan's five-wicket maiden is too late to prevent Australia win"guardian.co.uk (ইংরেজি ভাষায়) (Guardian News and Media)। ৬ মে ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ৩ মে ২০১০ 
  3. "England cruise to World Twenty20 title"ninemsn (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মে ২০১০। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১০ 
  4. Reekie, Harry (১৬ মে ২০১০)। "England beat Australia to win World Twenty20 title" (ইংরেজি ভাষায়)। BBC Sport। ১৮ মে ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১০ 
  5. "Collingwood – We are ready"Sky Sports (ইংরেজি ভাষায়) (BSkyB)। ১৬ মে ২০১০। ১৮ মে ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১০ 
  6. "England clinches World Twenty20 title"ABC News (ইংরেজি ভাষায়) (Australian Broadcasting Corporation)। ১৭ মে ২০১০। ১৯ মে ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১০ 
  7. "KP lauds 'hungry' England"Sky Sports (ইংরেজি ভাষায়) (BSkyB)। ১৬ মে ২০১০। ২০ মে ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৬ মে ২০১০ 
  8. ICC World T20 2010 Broadcasters list
  9. "Every game of ICC World Twenty20 LIVE and exclusive on Fox Sports"। Fox Sports। সংগৃহীত ৪ মে ২০১০  Retrieved 26 April 2010

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]