গ্রামীণফোন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
গ্রামীণফোন লিমিটেড
লিমিটেড
শিল্প টেলিযোগাযোগ
প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৭
প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূস , ইকবাল কাদির
সদরদপ্তর বাংলাদেশ জিপি হাউজ, বসুন্ধরা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
পণ্যসমূহ টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট
আয় বৃদ্ধি৳১০,২৭০ কোটি(২০১৪)[১]
বৃদ্ধি ৳৩,৬৯০ কোটি (২০১৪)[১]
বৃদ্ধি ৳১,৯৮০ কোটি (২০১৪)[১]
মালিকসমূহ নরওয়ে টেলিনর ৫৫.৮%,
বাংলাদেশ গ্রামীণ টেলিকম ৩৪.২%
পাবলিক ১০%
কর্মীসংখ্যা
৪,২৬০[২]
স্লোগান চলো বহুদূর
ওয়েবসাইট www.grameenphone.com

গ্রামীণফোন বাংলাদেশের জিএসএমভিত্তিক একটি মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারী কোম্পানি। এটি ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ৫ কোটিরও বেশী,[৩] গ্রাহক নিয়ে গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন সেবাদাতা কোম্পানি।[৪] গ্রামীণফোন বাংলাদেশের মোবাইল ফোন বাজারের ৫০ শতাংশেরও বেশি অংশ দখল করে আছে।

প্রদেয় সেবাসমূহ[সম্পাদনা]

গ্রামীনফোনের সিম কার্ড

সংযোগের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন দুই ধরনের মোবাইল সেবা দিয়ে থাকেঃ পোস্ট-পেইড সংযোগ এবং প্রি-পেইড সংযোগ

প্রি-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-

  • স্মাইল (শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মোবাইল থেকে মোবাইল সংযোগ)
  • স্মাইল পিএসটিএন (অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • ডিজ্যুস (তরুণদের জন্য বিশেষ সংযোগ)

গ্রামীণফোন এক নাম্বারে সেবা প্রদান করে থাকে +৮৮০ ১৭ XXXXXXXX যেখানে +৮৮০ হলো ইন্টারন্যাশনাল কলিং কোড আর ১৭ হলো সরকার বরাদ্দকৃত কোম্পানি কোড এবং শেষ ৮ টি ডিজিট মোইবাইল নাম্বার XXXXXXXX এছাড়াও বর্তমানে চালু হয়েছে আরো কয়টি প্যাকেজ ৷ যেমনঃ সহজ, বন্ধু, আপন, নিশ্চিন্ত এবং ডিজুস ।

পোস্ট-পেইড সংযোগের মধ্যে রয়েছেঃ-

  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ১ (অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)
  • এক্সপ্লোর প্যাকেজ ২ (অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মোবাইল এবং পিএসটিএন সংযোগ)

এছাড়াও গ্রামীণফোন এসএমএস, ভয়েস এসএমএস, এসএমএস পুশ-পুল সার্ভিস, ভিএমএস, ফ্যাক্স এবং ডাটা সার্ভিস, ওয়েলকাম টিউন, রিংব্যাক টোন, মিসড কল এলার্ট প্রভৃতি সেবা প্রদান করে থাকে।

সম্প্রতি এটি তার গ্রাহকদের জন্য ইডিজিই বা এ্যাজ সেবা চালু করেছে যার ফলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষজনও ইন্টারনেটের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পাচ্ছে।

গ্রামীনফোন বন্ধু প্যাকেজে একসময় ফ্রি মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ চালানোর সুবিধা ছিল। ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে গ্রামীনফোন ফ্রি টুইটার ব্রাউজিংয়ের সুবিধা প্রদান করে। এছাড়াও ২০১৫ এর মার্চে বাংলা উইকিপিডিয়ার দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছিল অপারেটরটি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গ্রামীণফোনের সিম কার্ড

গ্রামীণফোন ১৯৯৬ সালের ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায়। লাইসেন্স পাওয়ার পর গ্রামীণফোন ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে তার কার্যক্রম শুরু করে। উল্লেখ্য যে এ অপারেটরটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয়। এবং দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলেও উন্নত মানের সেবা প্রধান করে থাকে। বর্তমানে গ্রামীন ফোনের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Annual Report 2014" (PDF)। Grameenphone। সংগৃহীত ৯ জুন ২০১৫ 
  2. "Telenor Group - Grameenphone, Bangladesh"Telenor Group 
  3. [১]
  4. Reference