বিষয়বস্তুতে চলুন

মুশফিকুর রহিম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুশফিকুর রহিম
২০১৮ সালে মুশফিকুর রহিম
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1987-05-09) ৯ মে ১৯৮৭ (বয়স ৩৯)
বগুড়া, বাংলাদেশ
উচ্চতা৫ ফুট ২ ইঞ্চি[১]
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ-ব্রেক
ভূমিকাউইকেটরক্ষক ব্যাটার
সম্পর্কমাহমুদুল্লাহ (ভায়রা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় দল
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৪১)
২৬ মে ২০০৫ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৩ নভেম্বর ২০২৫ বনাম আয়ারল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৮১)
৬ আগস্ট ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই শার্ট নং১৫ (fসাবেক ৯)
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ ৬)
২৮ নভেম্বর ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টি২০আই১ সেপ্টেম্বর ২০২২ বনাম শ্রীলঙ্কা
টি২০আই শার্ট নং১৫
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৬; ২০০৮–২০২৪রাজশাহী বিভাগ
২০০৭; ২০২৫সিলেট বিভাগ
2012দূরন্ত রাজশাহী, Nagenahira Nagas
2013Sylhet Royals
2015Sylhet Super Stars
২০১৬Karachi Kings, Barisal Bulls
২০১৭রাজশাহী কিংস
২০১৮নাঙ্গরহার লেপার্ডস
২০১৯/২০; ২০২১/২২খুলনা টাইগার্স
২০২০বেক্সিমকো ঢাকা
২০২৩সিলেট স্ট্রাইকার্স
২০২৪–বর্তমানফরচুন বরিশাল
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই টুয়েন্টি-২০ প্রথম শ্রেণী
ম্যাচ সংখ্যা ৯৮ ২৭৪ ১০২ ১৫১
রানের সংখ্যা ৬,৩২৮ ৭,৭৯৫ ১,৫০০ ৯,১৫৮
ব্যাটিং গড় ৩৮.১২ ৩৬.৪২ ১৯.৪৮ ৩৮.৪৭
১০০/৫০ ১২/২৭ ৯/৪৯ ০/৬ ১৯/৪১
সর্বোচ্চ রান ২১৯* ১৪৪ ৭২* ২১৯*
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১১২/১৫ ২৪৩/৫৬ ৪২/৩০ ১৮০/২৩
পদক রেকর্ড
পুরুষ ক্রিকেট
 বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধিত্বকারী
এশিয়া কাপ
রানার-আপ২০১২ বাংলাদেশ
রানার-আপ২০১৬ বাংলাদেশ
রানার-আপ২০১৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত
উৎস: ESPNcricinfo, ১১ নভেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদ মুশফিকুর রহিম (জন্ম: ৯ মে, ১৯৮৭) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের তিন ফরম্যটে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন এবং ২০১৪ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে অধিনায়ক ছিলেন।[২] মূলত তিনি একজন উইকেট-রক্ষক ও মাঝারিসারির ব্যাটার। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি এবং সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হিসেবে কৃতিত্ব অর্জন করেন।[৩] ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ তিনি আন্তর্জাতিক টি২০ থেকে অবসর নেন এবং ২০২৫ সালের মার্চ মাসে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বাধিক রানসংগ্রাহক খেলোয়াড়ের কৃতিত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।[৪]

মুশফিকুর রহিম ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ১৮ বছর ১৭ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেন। তখন তাকে একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম টেস্ট ম্যাচে খেলানো হয়। ফলে তিনি লর্ডস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টেস্ট খেলার ইতিহাসে শচীন টেন্ডুলকরের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে নাম লেখান। এরপর থেকে তিনি ব্যাট হাতে নিয়মিতভাবে রান সংগ্রহ করতে থাকেন এবং নিজেকে একজন দক্ষ উইকেটরক্ষক হিসেবে প্রমাণ করেন। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক রানসংগ্রাহক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১,০০০-এরও বেশি রান এবং উইকেটরক্ষক হিসেবে ৪০০টিরও বেশি ডিসমিসাল করার কৃতিত্ব তার রয়েছে।[৫][৬]

বাংলাদেশের সাবেক কোচ জেমি সিডন্সের ভাষ্যমতে, "রহিমের ব্যাটিং এতটা বহুমাত্রিক যে তিনি এক থেকে ছয় পর্যন্ত যে কোন অর্ডারে খেলতে পারেন।"[৭] মুশফিক বগুড়া জিলা স্কুল এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুশফিক ইতিহাস বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী মুশফিক ইতিহাস বিভাগে প্রথম-শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন।

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ও একমাত্র উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান, যিনি টেস্টে দুইটি ডাবল সেঞ্চুরি করেন। [৮][৯][১০][১১][১২]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

মুশফিকুর রহিমের বাবার নাম মাহবুব হাবিব ও মাতার নাম রহিম খাতুন। তিনি বগুড়া জিলা স্কুলে মাধ্যমিক বিদ্যালয় শেষ করেন। ক্রিকেট খেলার সময়, তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস অধ্যয়ন করেন। তিনি ২০১২ সালে তার মাস্টার্স ডিগ্রি পরীক্ষায় বসেছিলেন। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে তিনি জান্নাতুল কিফায়াতকে বিয়ে করেন।[১৩]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

[সম্পাদনা]

২০০৫-২০০৮

[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে ইংল্যান্ড সফরে মুশফিক প্রথমবারের মত জাতীয় দলে সুযোগ পান। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটাই ছিলো বাংলাদেশের প্রথম সফর। অপরিচিত পরিবেশ এবং সীম বোলিংয়ের মোকাবেলায় তাই বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের যথেষ্ট ভুগতে হয়। প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলে মুশফিক পরিবেশের সাথে ধাতস্থ হয়ে নেন। যার প্রমাণ সাসেক্সের বিরুদ্ধে তার ৬৩ রানের ইনিংস এবং নটিংহ্যামশায়ারের বিরুদ্ধে করা অপরাজিত ১১৫* শুরুরদিকে যদিও তাকে কেবল উইকেট-কিপার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল, গা গরমের ম্যাচগুলোতে তার ক্রীড়া প্রদর্শন নির্বাচকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ফলশ্রুতিতে লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তিনি স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে জায়গা করে নেন। ১৬ বছর বয়সী এই তরুণ প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান। দল অল আউট হয় ১০৮ রানে এবং সাকুল্যে তিনজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছুতে সমর্থ হন। এ্যাংকেল ইনজুরির কবলে পড়ায় সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো তার আর খেলা হয়নি।

২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মুশফিক বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন। অন্যান্যদের মধ্যে এই দলে ছিলেন ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক তারকা সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল মুশফিকের নেতৃত্বে দলটি কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে সমর্থ হয়।[১৪]

২০০৬ সালের জিম্বাবুয়ে সফরে মুশফিক আবার জাতীয় দলে সুযোগ পান। এই ট্যুরে তার সাথে সাথে ফরহাদ রেজা এবং সাকিব আল হাসানেরও ওয়ানডে অভিষেক হয়।[১৫] হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মুশফিক তার প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি করেন এবং পরের বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের জন্য খালেদ মাসুদের স্থলাভিষিক্ত হন।

জুলাই, ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিক আবার দলে ডাক পান। এক ইনিংস ও ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশ পরাজিত হয়। মুশফিক, মোহাম্মদ আশরাফুলকে সঙ্গী করে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে রেকর্ড ১৯১ রান করেন।[১৬][১৭] ৮০ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন মুশফিক।[১৮]

সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব

[সম্পাদনা]

২০০৯ এর জিম্বাবুয়ে সফরে মুশফিক বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হন। তৎকালীন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় সাকিব তার স্থলাভিষিক্ত হন এবং সহ-অধিনায়ক সাকিবের দায়িত্ব পান মুশফিক।[১৯] ২০১০ এর ২১ জানুয়ারী ভারতের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের প্রথম টেস্টের পঞ্চম দিনে মুশফিক তার ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন। মাত্র ১১২ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি বাংলাদেশের দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক হন। ১১৩ রানের ব্যবধানে ভারত ম্যাচটি জিতে নেয়।[২০]

ঐ বছরের ৮ নভেম্বর ওয়ানডেতে মুশফিক তার সেরা ইনিংসটি খেলেন। জাতীয় ক্রিকেট লীগের একটি ম্যাচে তিনি রাজশাহীর হয়ে ১১৪ বলে করেন ১২০ রান।[২১] ডিসেম্বর, ২০১০ এ মুশফিকের জায়গায় তামিম ইকবাল সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পান।[২২]

অধিনায়কত্ব (২০১১ -২০১৪)

[সম্পাদনা]

২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এশিয়া কাপে নিজেদের সেরা সাফল্যে রানার্সআপ হয়।

টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকের অধিনায়কত্বেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে।[২৩]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে বিসিবি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।[২৪] এতে তিনিও দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।[২৫]

৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখে অ্যাডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ৫ম খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ম উইকেটে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বকাপের যে-কোন উইকেটে ১৪১ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়েন।[২৬] এছাড়াও একদিনের আন্তর্জাতিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মধ্যকার এ জুটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। এরফলে একদিনের আন্তর্জাতিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলগতভাবে সর্বোচ্চ রান তোলে।[২৭] পরবর্তীতে রুবেল হোসেনের প্রশংসনীয় বোলিংয়ে (৪/৫৩) বাংলাদেশ ১৫ রানের ব্যবধানে জয়ী হওয়াসহ কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়।

২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপে অনবদ্য ৭১ রানের ইনিংসের জন্য বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচে তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।[২৮]

২০২৪-২০২৫

[সম্পাদনা]

জানুয়ারি ২০২৫ সালে ২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য বাংলাদেশ দলে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[২৯]

রেকর্ড

[সম্পাদনা]
লর্ডসে মুশফিকুর রহিম[৩০]

প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিম আইসিসি'র প্লেয়ার অব দ্যা মান্থ (মে,২০২১) খ্যাতি অর্জন করেছেন।[৩১] তিনি ২০২১ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের মাটিতে একটি টেস্ট ও দেশর ভেন্যুতে তিনটি ওয়ানডে খেলেন। ম্যান অব দ্যা সিরিজ নির্বাচিত হয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদোশের প্রথম সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। মুশফিকুর রহিম প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।[৩২][৩৩] ৩২১টি বল মোকাবিলা করে ২২ চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২০০ রান করেন। ২০১৩ শ্রীলঙ্কা সফরে তিনি এই রেকর্ডটি করেন। তিনি ৮ম উইকেট-রক্ষক যিনি টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন এবং ৯ম ব্যাটসম্যান যিনি টেস্টে ৬ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিশতক করার মাধ্যমে ইতিহাসের প্রথম উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুইটি দ্বিশতক করার রেকর্ড গড়েন মুশফিক। এছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবেও দুইটি দ্বিশতকের রেকর্ড তার।[৩৪]

আন্তর্জাতিক শতকসমূহ

[সম্পাদনা]

টেস্ট আন্তর্জাতিক শতকসমূহ

[সম্পাদনা]
মুশফিকুর রহিমের টেস্ট আন্তর্জাতিক শতকসমূহ
#রানম্যাচপ্রতিপক্ষশহর/দেশমাঠবছরফলাফল
১১০১১৭ ভারতবাংলাদেশ চট্টগ্রাম, বাংলাদেশজহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম২০১০পরাজিত
২২০০৩১ শ্রীলঙ্কাশ্রীলঙ্কা গল, শ্রীলঙ্কাগল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম২০১৩ড্র
৩১১৬৩৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজসেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জ কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জআরনস ভেল স্টেডিয়াম২০১৪পরাজিত
৪১৫৯৫১ নিউজিল্যান্ডনিউজিল্যান্ড ওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ডবেসিন রিজার্ভ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম২০১৭পরাজিত
৫১২৭৫২ ভারতভারত হায়দ্রাবাদ, ভারতরাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম২০১৭পরাজিত
৬২১৯*৬৪ জিম্বাবুয়েবাংলাদেশ ঢাকা, বাংলাদেশশের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম২০১৮জয়ী
৭ ২০৩* ৭০ ২০২০ জয়ী

একদিনের আন্তর্জাতিক শতকসমূহ

[সম্পাদনা]
মুশফিকুর রহিমের একদিনের আন্তর্জাতিক শতকসমূহ
# রান ম্যাচ প্রতিপক্ষ শহর/দেশ মাঠ তারিখ ফলাফল
১১০১৯১ জিম্বাবুয়েজিম্বাবুয়ে হারারে, জিম্বাবুয়েহারারে স্পোর্টস ক্লাব১৬ আগস্ট ২০১১পরাজিত
২১১৭১২৮ ভারতবাংলাদেশ ফতুল্লা, বাংলাদেশখান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪পরাজিত
৩১০৬১৪৭ পাকিস্তানবাংলাদেশ ঢাকা, বাংলাদেশশের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম১৭ এপ্রিল ২০১৫বিজয়ী
৪১০৭ জিম্বাবুয়েবাংলাদেশ ঢাকা, বাংলাদেশশের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম৭ নভেম্বর ২০১৫বিজয়ী
৫১১০* দক্ষিণ আফ্রিকাদক্ষিণ আফ্রিকা কিম্বার্লি, দক্ষিণ আফ্রিকাডি বিয়ারস ডায়মন্ড ওভাল ১৫ অক্টোবর ২০১৭পরাজিত
৬১৪৪ শ্রীলঙ্কাসংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতদুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮বিজয়ী
৭ ১০২*  অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ড নটিংহাম, ইংল্যান্ড টেন্টব্রিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ড ২০ জুন ২০১৯ পরাজিত

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Quasem, Sameed (৬ মার্চ ২০২৫)। "Mushfiqur Rahim: The relentless Tiger"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। Dhaka: The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫। Despite this, there was still a lingering feeling that this 5'2 dog was going to be all bark and no bite.
  2. ↑ বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম’এর সাবেক ক্যাপ্টেন মুশফিক বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম’এর সাবেক ক্যাপ্টেন মুশফিক
  3. ↑ "দ্বিশতকে ইতিহাসের পাতায় মুশফিক"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১১ মার্চ ২০১৩। ১১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
  4. ↑ "Test+ODI+T20I matches | Batting records | Most runs in career | ESPNcricinfo"। ESPNcricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৫।
  5. ↑ "All-round records | Test matches | Cricinfo Statsguru"। ESPNcricinfo।
  6. ↑ "Outcry over Mushfiq's captaincy"। Prothom Alo। ৯ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১।
  7. ↑ রহমান, খন্দকার মিরাজুর। "We are not just about Ashraful anymore - Jamie Siddons"। ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
  8. ↑ "Mushfiq first ever to score two double tons as keeper in Test history (A third double century coming in 2020)"। Dhaka Tribune। ১২ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৮।
  9. ↑ "Mushfiqur double tops legends"। Cricket Australia। ১৩ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১।
  10. ↑ "Bangladesh's Mushfiqur Rahim Becomes First Ever Wicketkeeper To Hit Two Double Centuries In Test Cricket"। Outlook। ১৩ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১।
  11. ↑ "An innings of true merit"। The Daily Star (Bangladesh)। ১৩ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২১।
  12. ↑ "Twitter explodes as Mushfiqur Rahim races to second Test double-century in Dhaka"। CricTracker। ১২ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৮।
  13. ↑ আলো, আনন্দ (১১ ডিসেম্বর ২০১৬)। "ক্রিকেট তারকাদের বিয়ে সংসার সুখের হয় উভয়ের গুণে…আনন্দ আলো | আনন্দ আলো" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  14. ↑ Miller, Andrew, ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, ২০০৫, Wisden Cricketers' Almanack, সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১
  15. ↑ Cricinfo staff (২০ জুলাই ২০০৬), হোয়াটমোর: 'বাংলাদেশই ফেভারিট', Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১০
  16. ↑ Austin, Charlie, শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, ২০০৭, Wisden Cricketers' Almanac, সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১
  17. ↑ Austin, Charlie, দ্বিতীয় টেস্ট: শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, ২০০৭, Wisden Cricketers' Almanac, সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১
  18. ↑ দ্বিতীয় টেস্ট: শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, ২০০৭ (2nd Test), CricketArchive.com, সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১
  19. ↑ Cricinfo staff (২৮ জুলাই ২০০৯), জিম্বাবুয়ে ট্যুরে সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে মুশফিক, Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০০৯
  20. ↑ "India coast to win despite Mushfiqur century"। ESPNcricinfo।
  21. ↑ a20876 বরিশাল বিভাগ বনাম রাজশাহী বিভাগ: জাতীয় ক্রিকেট লীগ ২০১০-১১ (Second Phase), CricketArchive.com, সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১০
  22. ↑ অধিনায়কের দায়িত্বে আবারও সাকিব, Cricinfo, ৩১ ডিসেম্বর ২০১০, সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১১
  23. ↑ "Daily Amardesh -ঢাকা, শনিবার ২৪ মার্চ ২০১২, ১০ চৈত্র্য ১৪১৮, ৩০ রবিউস সানি ১৪৩৩ হিজরী"। web.archive.org। ২৭ মার্চ ২০১২। ২৭ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৯।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  24. ↑ Isam, Mohammad। "Soumya Sarkar in Bangladesh World Cup squad"। ESPNCricinfo। ESPN। ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৫।
  25. ↑ "Bangladesh Squad"। Cricinfo।
  26. ↑ "Bangladesh reach World Cup quarter-final"। ৯ মার্চ ২০১৫। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৫। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |pubisher= উপেক্ষা করা হয়েছে (|publisher= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  27. ↑ "Mahmudullah ton lifts Bangladesh to 275"। ESPN Cricinfo। ৯ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৫।
  28. ↑ "AFG vs BAN Cricket Scorecard, 7th Match, Pool A at Canberra, February 18, 2015"। ESPNcricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২৫।
  29. ↑ "Bangladesh Squad - ICC Champions Trophy, 2025 Squad"। ESPNcricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২৫।
  30. ↑ "Mushfiqur_Rahim_batting_against_England_at_Lords_in_2010"। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |url= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য); |সংগ্রহের-তারিখ= এর জন্য |ইউআরএল= প্রয়োজন (সাহায্য); |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); লেখা "https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Mushfiqur_Rahim_batting_against_England_at_Lords_in_2010,_cropped.jpg" উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  31. ↑ "Kathryn Bryce and Mushfiqur Rahim voted ICC Players of the Month for May 2021"। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। ১৪ জুন ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২১।
  32. ↑ "ইতিহাস গড়লেন মুশফিকুর"। দৈনিক প্রথম আলো। ১১ মার্চ ২০১৩। ১১ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৩।
  33. ↑ "টেস্টে সর্বোচ্চ রান মুশফিকের"। বিডিনিউজটুয়েন্টিফোর। ১৩ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৩।
  34. ↑ "নতুন উচ্চতায় মুশফিকুর এবং বাংলাদেশ"। ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৩।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
পূর্বসূরী
সাকিব আল হাসান
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
২০১১–২০১৩
উত্তরসূরী
পূর্বসূরী
মুশফিকুর রহিম
বাংলাদেশ ওডিআই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
২০১১-২০১৪
উত্তরসূরী
মাশরাফি বিন মর্তুজা
পূর্বসূরী
মোহাম্মদ আশরাফুল
টেস্টে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ রান
২০০
উত্তরসূরী
তামিম ইকবাল