জিম্বাবুয়ে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

স্থানাঙ্ক: ১৯°১′০.০১″ দক্ষিণ ৩০°১′০.০১″ পূর্ব / ১৯.০১৬৬৬৯৪° দক্ষিণ ৩০.০১৬৬৬৯৪° পূর্ব / -19.0166694; 30.0166694

জিম্বাবোয়ে প্রজাতন্ত্র
জিম্বাবুয়ে
পতাকা কোট অফ আর্মস
নীতিবাক্য"Unity, Freedom, Work"
"একতা, স্বাধীনতা, কাজ"
জাতীয় সঙ্গীত: Simudzai Mureza wedu WeZimbabwe  (শোনা)
Kalibusiswe Ilizwe leZimbabwe  (ন্ডেবেলে)
"Blessed be the land of Zimbabwe"

জিম্বাবোয়ের ভূমির আশীর্বাদ হক
রাজধানী
এবং বৃহত্তম নগরী
হারারে
১৭°৫০′ দক্ষিণ ৩১°৩′ পূর্ব / ১৭.৮৩৩° দক্ষিণ ৩১.০৫০° পূর্ব / -17.833; 31.050
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ইংরেজি
স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাসমূহ শোনা, ন্ডেবেলে
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ জিম্বাবুয়ান
সরকার একনায়কতন্ত্র , প্রভাবশালী দলতন্ত্র , রাষ্ট্রপতি শাসন
 •  রাষ্ট্রপতি জিম্বাবুয়ের সেনা অভ্যুত্থান
 •  উপরাষ্ট্রপতি খালি
স্বাধীনতা যুক্তরাজ্য থেকে
 •  প্রতিষ্ঠিত ১৯০১ 
 •  ঘোষিত ১১ই নভেম্বর ১৯৬৫ 
 •  পরিচিত ১৮ই এপ্রিল ১৯৮০ 
 •  বর্তমান সংবিধান ১৫ মে ২০১৩ 
 •  পানি (%)
জনসংখ্যা
 •  ২০০৯ আনুমানিক ১২,৫২৩,০০০[১] (৬৮তম)
মোট দেশজ উৎপাদন
(ক্রয়ক্ষমতা সমতা)
২০০৮ আনুমানিক
 •  মোট $১.৯২৫ বিলিয়ন[২] (১৮৩তম)
 •  মাথা পিছু $২০০[২] (২২৯তম)
মোট দেশজ উৎপাদন (নামমাত্র) ২০০৯ আনুমানিক
 •  মোট $৩.৫৫৬ বিলিয়ন[৩] (১৪৪তম)
 •  মাথা পিছু $৩০৩.১৫[৩] (১৭৬তম)
জিনি সহগ (২০০৬) ৫০.১[২] (২৪তম)
ত্রুটি: জিনি সহগের মান অকার্যকর
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৭) বৃদ্ধি ০.৫১৩
ত্রুটি: মানব উন্নয়ন সূচক-এর মান অকার্যকর · ১৫১তম
মুদ্রা জিম্বাবুয়ান ডলার a (ZWD)
সময় অঞ্চল কেন্দ্রীয় আফ্রিকার সময়
 •  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) পর্যবেক্ষণ করা হয়নি (ইউটিসি{{{utc_offset_DST}}})
গাড়ী চালনার দিক left
কলিং কোড +২৬৩
ইন্টারনেট টিএলডি .zw (বর্তমানে সক্রিয় না)
^a No longer in active use after it was officially suspended by the government due to hyperinflation. The United States dollar, South African rand, Botswanan pula, Pound sterling, and Euro are now used instead. The US dollar has been adopted as the official currency for all government transactions with the new power-sharing regime.

জিম্বাবুয়ে (ইংরেজি ভাষায়; Republic of Zimbabwe) আফ্রিকার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। দেশটি এর দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত ১৪শ শতকে পাথরে নির্মিত মহান জিম্বাবুয়ে শহরের নামে নামকরণ করা হয়েছে। জাম্বেজি নদীর উপর অবস্থিত ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত এবং বন্য জীবজন্তুর জন্য দেশটি বিখ্যাত। জিম্বাবুয়ের জনগণকে দুইটি প্রধান জাতিগত ও ভাষাগত দলে ভাগ করা যায় --- ন্‌দেবেলে ও শোনা ভাষা। ন্‌দেবেলেরা প্রধানত দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বাস করে। জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারে। শহরটি একটি বাণিজ্যিক খামারপ্রধান জেলার কেন্দ্রে অবস্থিত।

জিম্বাবুয়েতে ২০০০ বছর ধরে মানুষের বাস। বর্তমান জিম্বাবুয়ে এলাকাটি অতীতে একাধিক বৃহত্তর আফ্রিকান রাজত্বের কেন্দ্র ছিল, যাদের মধ্যে আছে মহান জিম্বাবুয়ে, মুতাপা ও রোজওয়ি সাম্রাজ্য। ১৮০০-এর দশক থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ দক্ষিণ রোডেশিয়া নামে পরিচিত ছিল। ১৯৬৫ সালে এখানকার শ্বেতাঙ্গ অধিবাসীরা রোডেশিয়াকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করলেও যুক্তরাজ্য এটিকে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৮০ সালে দেশের সংখ্যাগুরু কৃষ্ণাঙ্গ জনগণ জিম্বাবুয়ে নামে দেশটিকে স্বাধীন করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

১৯৬৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত স্বাধীন জিম্বাবুয়ের দাবীতে রোডেশিয়ান বুশ যুদ্ধ বা জিম্বাবুয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়। ১৯৮০ সালে ল্যাংকাস্টার হাউস এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়।

১৯৮০ সালের পর থেকে ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতাসীন রবার্ট মুগাবে। আশির দশকের শুরুতে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীন হয় আফ্রিকার এ দেশটি। তখন থেকেই ক্ষমতায় আছেন রবার্ট মুগাবে। বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। কিন্তু ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ ছিলেন তিনি।

৬ নভেম্বর ২০১৭, ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে বরখাস্ত এবং ক্ষমতাসীন দল জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন-প্যাট্রিওটিক ফ্রন্ট (জেডএএনইউ-পিএফ) থেকে বহিষ্কার করেন মুগাবে। এর ফলে সামরিক অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রণ এখন দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে।

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জিম্বাবুয়ে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম প্লাটিনাম উৎপাদক দেশ (দক্ষিণ আফ্রিকা ও রাশিয়ার পর) ।

জনসংখ্যা উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০০৯ সাল পর্যন্ত লোকসংখ্যা ১২,৫২৩,০০০ জন । জিম্বাবুয়েতে খৃষ্টধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ট ।

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

হারারে শহরে অবস্থিত ৬০,০০০ আসনবিশিষ্ট জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রীড়া স্টেডিয়াম দেশের প্রধান স্টেডিয়াম। ফুটবল খেলার জন্য এই স্টেডিয়ামটি ব্যবহৃত হয়। হারারে শহরে হারারে স্পোর্টস ক্লাব এর নিজস্ব ক্রিকেট মাঠ রয়েছে , যেখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া বুলাওয়ে শহরে কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব এর নিজস্ব ক্রিকেট মাঠ আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  2. সিআইএ পৃথিবীর ফেক্টবুক: জিম্বাবুয়ে
  3. "Zimbabwe"। International Monetary Fund। সংগৃহীত ২০০৯-১০-০১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারি
সাধারণ তথ্য
সংবাদ
পর্যটন, পরিবেশ, এবং সংস্কৃতি