মোহাম্মদ রফিক (ক্রিকেটার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মোহাম্মদ রফিক
Mohammad Rafique.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমোহাম্মদ রফিক
ডাকনামরফিক
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট আর্ম অর্থডক্স
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ )
১০ নভেম্বর ২০০০ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৭)
৫ এপ্রিল ১৯৯৫ বনাম ভারত
ওডিআই শার্ট নং৭৭
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০১–বর্তমানঢাকা বিভাগ
২০০০–২০০১সিলেট বিভাগ
২০০৮ঢাকা ওয়ারিয়র্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওয়ানডে এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩৩ ১২৫ ৬২ ১৬৪
রানের সংখ্যা ১,০৫৯ ১,১৯১ ১,৭৪৮ ১,৫৫১
ব্যাটিং গড় ১৮.৫৭ ১৩.৩৮ ১৮.০২ ১৩.১৪
১০০/৫০ ১/৪ ০/২ ১/৯ ০/৩
সর্বোচ্চ রান ১১১ ৭৭ ১১১ ৭৭
বল করেছে ৮,৭৪৪ ৬,৪১৪ ১৬,৩০৪ ৮,৪৩০
উইকেট ১০০ ১২৫ ২৩৭ ১৮৪
বোলিং গড় ৪০.৭৬ ৩৭.৯১ ২৮.০১ ৩১.৮৫
ইনিংসে ৫ উইকেট ১২
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৭৭ ৫/৪৭ ৭/৫২ ৫/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ২৮/– ২৩/– ৪৩/–
উৎস: ক্রিকেট আর্কাইফ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮

মোহাম্মদ রফিক (জন্ম: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। তিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের নেতৃত্বদানকারী উইকেট শিকারি ছিলেন। তিনি একজন বাঁ-হাতি স্পিনার।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

দেশীয় পর্যায়[সম্পাদনা]

তিনি খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেছিলেন বাঁ-হাতি সিমার হিসাবে বাংলাদেশের ২য় বিভাগ খেলায় ১৯৮৫ সালে। ১৯৮৮ সালে, তিনি বাংলাদেশ বিমান ক্রিকেট দলে যোগদান করেন। তারপর পাকিস্তানি অলরাউন্ডার ওয়াসিম হায়দারের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্লো অর্থোডক্স স্পিন বোলার হিসাবে রূপান্তর ঘটে।[১] ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে ২য় সার্ক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ নেন, সেখানে ভারতের দলের বিপক্ষে তিনি ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে অবদান রাখেন।[২] তিনি ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি বিজয়ী বাংলাদেশ দলের একজন সদস্য ছিলেন। সবমিলিয়ে তিনি ৯ ম্যাচে ১০.৬৮ গড়ে ১৯ উইকেট নিয়েছিলেন। তার সেরা ২৫ রানে ৪ উইকেট এসেছিল সেমি-ফাইনালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। তার স্পিন সহযোগী এনামুল হক মনি'র সাথে টুর্নামেন্টে ১২ উইকেট নিয়েছিলেন। এছাড়াও কেনিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে তিনি ১৫ বলে মূল্যবান ২৬ রান করেছিলেন। ২০০৮ সালের আগস্টে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগ (আইসিএল) এ নাম লেখানোর কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক রফিক ১৩ জন পেশাদার খেলোয়াড়দের সাথে দশ বছরের জন্য সকল ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন, কিন্তু এক বছর পরে আইসিএল এর সাথে তিনি সম্পর্ক ত্যাগ করেন এবং নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে পুনরায় ফিরে আসেন। তিনি এখনও ঢাকা বিভাগের হয়ে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলছেন এবং সম্প্রতি ফাইনালে আবাহনী লিমিটেডের হয়ে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি বিগ বস টি-টুয়েন্টি প্রিমিয়ার লীগ শুরু করেন।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় রফিকের। ১৯৯৫ সালের ওয়ানডে অভিষেকেও প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৩৩ টেস্ট ও ১২৫ ওয়ানডে খেলেছেন রফিক। টেস্টে তার বোলিং গড় ৪০.৭৬ ও ওয়ানডেতে বোলিং গড় ৩৭.৯১ ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Archived copy"। জুলাই ২৮, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৮, ২০০৮ "Playing for Bangladesh is the best thing that happened to my life" : An interview with Mohammad Rafique (সংগৃহীত ৫ আগস্ট ২০০৮)
  2. "Indian Cricket 1995" (Compiled by P.V. Vaidyanathan), Kasturi & Sons Limited,Madras. Published in December 1995.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]