২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০
2016 ICC World Twenty20 logo.png
তারিখ ৮ মার্চ – ৩ এপ্রিল, ২০১৬
ব্যবস্থাপক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল
ক্রিকেটের ধরন টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতার ধরন গ্রুপ পর্ব ও নক-আউট
আয়োজক  ভারত
বিজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২য় শিরোপা)
অংশগ্রহণকারী ১০ (সুপার টেন)
১৬ (সর্বমোট)
খেলার সংখ্যা ৩৫
প্রতিযোগিতার সেরা
খেলোয়াড়
ভারত বিরাট কোহলি
সর্বোচ্চ রান বাংলাদেশ তামিম ইকবাল (২৯৫)
সর্বোচ্চ উইকেট আফগানিস্তান মোহাম্মাদ নবী (১২)

২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নির্দেশনায় পরিচালিত আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার ৬ষ্ঠ আসর। ৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাটি ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো ভারতে ও সর্বশেষবারের মতো দুই বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।[১][২][৩][৪] পরবর্তী আসর ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম সভা শেষে আইসিসি ভারতকে প্রতিযোগিতার স্বাগতিক দেশ হিসেবে ঘোষণা করে। পূর্বতন চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা সুপার টেন পর্বে ইংল্যান্ডের কাছে ১০ রানে পরাজিত হয়ে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৫]

ভারতের সাতটি শহরে প্রতিযোগিতার খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। তন্মধ্যে, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে চূড়ান্ত খেলায় ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিরোপা জয় করে। ভারতীয় ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন, অন্যদিকে বাংলাদেশের তামিম ইকবাল এবং আফগানিস্তানের মোহাম্মাদ নবী যথাক্রমে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী এবং সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হন।

দলসমূহ[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের ন্যায় দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতায় ১৬-দল অংশগ্রহণ করে। আইসিসি'র পূর্ণ সদস্যভূক্ত ১০টি দল স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলে। পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে ৬-২৬ জুলাই, ২০১৫ অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ বাছাইপর্ব থেকে শীর্ষ ৬টি সহযোগী সদস্যভূক্ত দলও খেলার সুযোগ পায়। দলগুলো হচ্ছে - আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, আফগানিস্তান, হংকং, নেদারল্যান্ডস এবং ওমান। বাছাইপর্বের পূর্বে ওমানের শুধুমাত্র টুয়েন্টি২০ মর্যাদার অধিকারী ছিল। কিন্তু বিশ্ব টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে খেলার সুযোগ লাভের ফলে দলটি টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে খেলার মর্যাদা পেয়েছে।[৬]

৩০ এপ্রিল, ২০১৪ তারিখ অনুযায়ী আইসিসি টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশীপের র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ সদস্যভূক্ত শীর্ষ আট দল সুপার টেন পর্বে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলে। বাদ-বাকী আট দল গ্রুপ-পর্বে খেলে। গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ সুপার টেন পর্বে খেলার সুযোগ লাভ করে।

অক্টোবর, ২০১৫ সালে পিসিবি’র সভাপতি শাহরিয়ার খান বলেন যে, শ্রীলঙ্কায় প্রস্তাবিত সিরিজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত না খেললে তারা প্রতিযোগিতা বয়কট করবে।[৭] পরবর্তীতে সিরিজটি বাতিল হলেও ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে সরকারের সম্মতিক্রমে পাকিস্তান দল ভারত সফরে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।[৮] মার্চের শুরুতে প্রতিযোগিতা আরম্ভের পূর্বে পাকিস্তান থেকে একটি প্রতিনিধি দল নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে ভারত সফরে যায়।[৯] পরিদর্শনের পর পিসিবি খেলাটি ধর্মশালা থেকে কলকাতা কিংবা মোহালিতে স্থানান্তরের অনুরোধ জানায়।[১০] ৯ মার্চ আইসিসি কর্তৃপক্ষ ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজনের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়।[১১] ১১ মার্চ পাকিস্তান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে।[১০][১১][১২]

মাঠসমূহ[সম্পাদনা]

২১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) খেলা আয়োজনের লক্ষ্যে শহরের নাম ঘোষণা করে। বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, ধর্মশালা, মোহালি, মুম্বই, নাগপুর ও নয়াদিল্লির পাশাপাশি কলকাতায় চূড়ান্ত খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।[১৩]

তন্মধ্যে, চেন্নাইয়ের এম. এ. চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের তিনটি স্ট্যান্ডের অবকাঠামোগত বিষয়ে আইনাদেশ বলবৎ থাকায় কোন খেলা হয়নি।[১৪] নাগপুরের ভিসিএ স্টেডিয়ামে গ্রুপ বি ও ধর্মশালার এইচপিসিএ স্টেডিয়ামে গ্রুপ এ’র সকল খেলা হয়।[১৫]

এইচপিসিএ স্টেডিয়ামে পূর্ব-নির্ধারিত[১৬] চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের খেলাটিতে পাকিস্তান দলের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করায়[১৭] কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হয়।[১৮]

কলকাতা বেঙ্গালুরু মুম্বই ধর্মশালা
ইডেন গার্ডেন্স এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম হিমাচল প্রদেশ
ক্রিকেট সংস্থা
স্টেডিয়াম
আসন সংখ্যা: ৬৬,৩৪৯ আসন সংখ্যা: ৪০,০০০ আসন সংখ্যা: ৩২,০০০ আসন সংখ্যা: ২৩,০০০
Eden Gardens.jpg Chinnaswamy Stadium MI vs RCB.jpg Wankhede ICC WCF.jpg Dharamshala stadium,himachal pradesh.jpg
নতুন দিল্লি মোহালি নাগপুর
ফিরোজ শাহ কোটলা পাঞ্জাব ক্রিকেট
সংস্থা
আইএস বিন্দ্রা
স্টেডিয়াম
বিদর্ভ ক্রিকেট
সংস্থা স্টেডিয়াম
আসন সংখ্যা: ৪০,৭১৫ আসন সংখ্যা: ২৬,৯৫০ আসন সংখ্যা: ৪৫,০০০
Feroz Shah Kotla Cricket Stadium, Delhi.jpg LightsMohali.png VCA Nagpur,India.jpg
ভারতে অনুষ্ঠিত ২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলার মাঠসমূহ।
মাঠ শহর আসন সংখ্যা খেলার সংখ্যা
ইডেন গার্ডেন্স কলকাতা ৬৬,৩৪৯ ৫ (ফাইনাল)
এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম বেঙ্গালুরু ৪০,০০০
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম মুম্বই ৩২,০০০ ৪ (সেমি-ফাইনাল)
এইচপিসিএ স্টেডিয়াম ধর্মশালা ২৩,০০০ ৭ (গ্রুপ পর্ব)
ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ নয়াদিল্লি ৪০,৭১৫ ৪ (সেমি-ফাইনাল)
পিসিএ-আই.এস বিন্দ্রা স্টেডিয়াম মোহালি ২৬,৯৫০
ভিসিএ স্টেডিয়াম (জামথা) নাগপুর ৪৫,০০০ ৯ (গ্রুপ পর্ব)

প্রস্তুতিমূলক খেলা[সম্পাদনা]

খেলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

আইসিসি রেফারিদের সেরা তালিকা থেকে নিম্নোক্ত সাতজন সদস্য ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন:[১৯]

মাঠে খেলা পরিচালনার্থে আইসিসি’র সেরা আম্পায়ার তালিকা থেকে ১২জন, আম্পায়ার ও রেফারিদের আন্তর্জাতিক তালিকা থেকে ১০জন এবং আইসিসি সহযোগী ও অনুমোদিত আম্পায়ার তালিকা থেকে ২জন সদস্য যৌথভাবে সম্পন্ন করেন:[১৯]

দলীয় সদস্য[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে প্রত্যেক দল ১৫-সদস্যবিশিষ্ট খেলোয়াড়ের তালিকা প্রকাশ করে।

অংশগ্রহণকারী দল[সম্পাদনা]

যোগ্যতা দল
স্বাগতিক  ভারত
পূর্ণাঙ্গ সদস্য  অস্ট্রেলিয়া
 ইংল্যান্ড
 নিউজিল্যান্ড
 পাকিস্তান
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 শ্রীলঙ্কা
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
 বাংলাদেশ
 জিম্বাবুয়ে
বাছাই পর্ব  স্কটল্যান্ড
 আয়ারল্যান্ড
 হংকং
 নেদারল্যান্ডস
 আফগানিস্তান
 ওমান

ট্রফি প্রদর্শন[সম্পাদনা]

'নিশান ট্রফি প্রদর্শন' নামে পরিচিত এ বৈশ্বিক প্রদর্শনটি ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে। অংশগ্রহণকারী ১৬ দেশে ট্রফি প্রদর্শন করা হয়। বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে এ কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়।[২০] ১৩ ডিসেম্বর স্কটল্যান্ডে এ প্রদর্শন কার্যক্রমের সূত্রপাত হয় ও ১ ফেব্রুয়ারি নতুন দিল্লিতে শেষ হয়।

গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপ এ[সম্পাদনা]

দল খে ফ.হ. এনআরআর
 বাংলাদেশ +১.৯৩৮
 নেদারল্যান্ডস +০.১৫৪
 ওমান -১.৫২১
 আয়ারল্যান্ড -০.৬৮৫

     সুপার টেনে উত্তীর্ণ

৯ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
১৫৩/৭ (২০ ওভার)
 নেদারল্যান্ডস
১৪৫/৭ (২০ ওভার)
পিটার বোরেন ২৯ (২৮)
আল-আমিন হোসেন ২/২৪ (৩ ওভার)
  • নেদারল্যান্ডস টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

৯ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
১৫৪/৫ (২০ ওভার)
 ওমান
১৫৭/৮ (১৯.৪ ওভার)
গ্যারি উইলসন ৩৮ (৩৪)
মুনিস আনসারী ৩/৩৭ (৪ ওভার)
  • আয়ারল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১১ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
  • ওমান টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।
  • খেলার ফলাফলে নেদারল্যান্ডস প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[২১]

১১ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
৯৪/২ (৮ ওভার)
তামিম ইকবাল ৪৭ (২৬)
জর্জ ডকরেল ১/১১৮ (২ ওভার)
  • আয়ারল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে উভয় দলের ওভার সংখ্যা ১২ নির্ধারণ করা হয়।
  • বাংলাদেশের ইনিংস চলাকালে পুণরায় বৃষ্টি আঘাত হানে; পরবর্তীতে আর খেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।
  • খেলার ফলাফলে আয়ারল্যান্ড প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[২২]

১৩ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নেদারল্যান্ডস 
৫৯/৫ (৬ ওভার)
 আয়ারল্যান্ড
৪৭/৭ (৬ ওভার)
  • আয়ারল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে উভয় দলের ওভার সংখ্যা ৬ নির্ধারণ করা হয়।

১৩ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
১৮০/২ (২০ ওভার)
 ওমান
৬৫/৯ (১২ ওভার)
তামিম ইকবাল ১০৩* (৬৩)
খবর আলী ১/২৪ (৩ ওভার)
যতীন্দার সিং ২৫ (২০)
সাকিব আল হাসান ৪/১৫ (৩ ওভার)
  • ওমান টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে ওমানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১২ ওভারে ১২০ রান নির্ধারণ করা হয়।
  • খেলার ফলাফলে ওমান প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়; অন্যদিকে বাংলাদেশ সুপার টেন পর্বে খেলার সুযোগ পায়।[২৩]
  • প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে তামিম ইকবাল টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সেঞ্চুরি ও ১,০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।[২৪]

গ্রুপ বি[সম্পাদনা]

দল খে ফ.হ. এনআরআর
 আফগানিস্তান +১.৫৪০
 জিম্বাবুয়ে -০.৫৬৭
 স্কটল্যান্ড -০.১৩২
 হংকং -১.০১৭

     সুপার টেনে উত্তীর্ণ

৮ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
১৫৮/৮ (২০ ওভার)
 হংকং
১৪৪/৬ (২০ ওভার)
জিম্বাবুয়ে ১৪ রানে বিজয়ী
বিদর্ভ ক্রিকেট সংস্থা স্টেডিয়াম, নাগপুর
আম্পায়ার: আলিম দার (পাকিস্তানি) এবং ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: ভুসি সিবান্দা (জিম্বাবুয়ে)
  • হংকং টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • রায়ান ক্যাম্পবেলের (হংকং) টি২০আই অভিষেক হয়।
  • ৪৪ বছর ৩০ দিন বয়সে রায়ান ক্যাম্পবেল টি২০আইয়ে সর্বাপেক্ষা বয়োঃজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে অভিষিক্ত হন।[২৫]

৮ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
১৭০/৫ (২০ ওভার)
 স্কটল্যান্ড
১৫৬/৫ (২০ ওভার)
জর্জ মানসে ৪১ (২৯)
রশীদ খান ২/২৮ (৪ ওভার)
  • আফগানিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১০ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
১৪৭/৭ (২০ ওভার)
 স্কটল্যান্ড
১৩৬ (১৯.৪ ওভার)
শন উইলিয়ামস ৫৩ (৩৬)
মার্ক ওয়াট ২/২১ (৪ ওভার)
জিম্বাবুয়ে ১১ রানে বিজয়ী
বিদর্ভ ক্রিকেট সংস্থা স্টেডিয়াম, নাগপুর
আম্পায়ার: আলিম দার (পাকিস্তান) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: ওয়েলিংটন মাসাকাদজা (জিম্বাবুয়ে)
  • জিম্বাবুয়ে টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে স্কটল্যান্ড প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[২৬]

১০ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
হংকং 
১১৬/৬ (২০ ওভার)
 আফগানিস্তান
১১৯/৪ (১৮ ওভার)
অংশুমান রথ ২৮ (৩১)
মোহাম্মাদ নবী ৪/২০ (৪ ওভার)
  • হংকং টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে হংকং প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[২৭]

১২ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
১৮৬/৬ (২০ ওভার)
 জিম্বাবুয়ে
১২৭ (১৯.৪ ওভার)
  • আফগানিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে জিম্বাবুয়ে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। অন্যদিকে, আফগানিস্তান সুপার টেন পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।[২৮]

১২ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
হংকং 
১২৭/৭ (২০ ওভার)
 স্কটল্যান্ড
৭৮/২ (৮ ওভার)
ম্যাথু ক্রস ২২ (১৪)
আইজাজ খান ১/১১ (১ ওভার)
স্কটল্যান্ড ৮ উইকেটে বিজয়ী (ডি/এল)
বিদর্ভ ক্রিকেট সংস্থা স্টেডিয়াম, নাগপুর
আম্পায়ার: মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: ম্যাট মচন (স্কটল্যান্ড)
  • হংকং টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে স্কটল্যান্ডের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১০ ওভারে ৭৬ রান নির্ধারণ করা হয়।
  • আইসিসি প্রতিযোগিতায় স্কটল্যান্ডের প্রথম বিজয়।[২৯]

সুপার টেন[সম্পাদনা]

যোগ্যতা দল
স্বাগতিক  ভারত
পূর্ণাঙ্গ সদস্য  অস্ট্রেলিয়া
 ইংল্যান্ড
 নিউজিল্যান্ড
 পাকিস্তান
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 শ্রীলঙ্কা
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
প্রথম পর্বের উত্তীর্ণ দলসমূহ  বাংলাদেশ
 আফগানিস্তান

গ্রুপ ১[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ +০.৩৫৯
 ইংল্যান্ড +০.১৪৫
 দক্ষিণ আফ্রিকা +০.৬৫১
 শ্রীলঙ্কা -০.৪৬১
 আফগানিস্তান -০.৭১৫

     নক-আউট পর্বে উত্তীর্ণ      এলুমিনেট

১৬ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৮২/৬ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৮৩/৪ (১৮.১ ওভার)
জো রুট ৪৮ (৩৬)
আন্দ্রে রাসেল ২/৩৬ (৪ ওভার)
ক্রিস গেইল ১০০* (৪৮)
আদিল রশিদ ১/২০ (২ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ উইকেটে বিজয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকান।[৩০]
  • প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিস গেইল বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় দুইটি সেঞ্চুরি করেছেন।[৩১]
  • টুয়েন্টি২০ খেলায় ক্রিস গেইল সর্বাধিক ছক্কা (৯৮) ও বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় সর্বাধিক ছক্কা (৬০) হাঁকান।[৩২]

১৭ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
১৫৩/৭ (২০ ওভার)
 শ্রীলঙ্কা
১৫৫/৪ (১৮.৫ ওভার)
শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে বিজয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: ব্রুস অক্সেনফোর্ড (অস্ট্রেলিয়া) ও জোয়েল উইলসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সেরা খেলোয়াড়: তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা)
  • আফগানিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৮ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
২২৯/৪ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
২৩০/৮ (১৯.৪ ওভার)
হাশিম আমলা ৫৮ (৩১)
মঈন আলী ২/৩৪ (৪ ওভার)
জো রুট ৮৩ (৪৪)
কাইল অ্যাবট ৩/৪১ (৩.৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ২ উইকেটে বিজয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: এস. রবি (ভারত) ও পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: জো রুট (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়লাভের ঘটনা এটি এবং সকল টুযেন্টি২০ আন্তর্জাতিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের ঘটনা।[৩৩]
  • ইংল্যান্ড তাদের প্রথম পঞ্চাশ রান তোলে মাত্র ১৭ বলে যা টুযেন্টি২০ আন্তর্জাতিকে যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম রান সংগ্রহ।[৩৪]
  • দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সর্বাধিক ২২৪ রান তোলার পর আউট হন।[৩৪]
  • দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়দের পক্ষে কুইন্টন ডি কক যৌথভাবে দ্রুততম অর্ধ-শতক করেন ২১ বলে।[৩৪]

২০ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
২০৯/৫ (২০ ওভার)
 আফগানিস্তান
১৭২ (২০ ওভার)
মোহাম্মদ শাহজাদ ৪৪ (১৯)
ক্রিস মরিস ৪/২৭ (৪ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৭ রানে বিজয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড) ও পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: ক্রিস মরিস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা) বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় এক ওভারে যৌথভাবে-দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন (২৯)।[৩৫]
  • আফগানিস্তানের মোট রান টি২০আই ম্যাচে টেস্ট দলের বিপক্ষে একটি সহযোগী দলের তোলা সর্বোচ্চ রান।[৩৫]

২০ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১২২/৯ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১২৭/৩ (১৮.২ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে বিজয়ী
এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু
আম্পায়ার: আলিম দার (পাকিস্তান) ও যোহান ক্লোয়েত (দক্ষিণ আফ্রিকা)
সেরা খেলোয়াড়: আন্দ্রে ফ্লেচার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

ইংল্যান্ড 
১৪২/৭ (২০ ওভার)
 আফগানিস্তান
১২৭/৯ (২০ ওভার)
মঈন আলী ৪১* (৩৩)
মোহাম্মাদ নবী ২/১৭ (৪ ওভার)
রশীদ খান ২/১৭ (৪ ওভার)
শফিকুল্লাহ ৩৫* (২০)
আদিল রশীদ ২/১৮ (৩ ওভার)
ইংল্যান্ড ১৫ রানে বিজয়ী
ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ, দিল্লি
আম্পায়ার: এস. রবি (ভারত) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: মঈন আলী (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে আফগানিস্তান প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৩৬]
  • ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠে প্রথম টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠিত হয়।[৩৭]

দক্ষিণ আফ্রিকা 
১২২/৮ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১২৩/৭ (১৯.৪ ওভার)
কুইন্টন ডি কক ৪৭ (৪৬)
ক্রিস গেইল ২/১৭ (৩ ওভার)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেমি-ফাইনালে উন্নীত হয়।[৩৮]
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে মারলন স্যামুয়েলস দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টি২০আইয়ে ১,০০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন।[৩৯]
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ডোয়েন ব্র্যাভো তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টি২০আইয়ে ১,০০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন।[৩৯]

ইংল্যান্ড 
১৭১/৪ (২০ ওভার)
 শ্রীলঙ্কা
১৬১/৮ (২০ ওভার)
ইংল্যান্ড ১০ রানে বিজয়ী
ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ, দিল্লি
আম্পায়ার: পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: জোস বাটলার (ইংল্যান্ড)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উপনীত হয়; অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৪০]

আফগানিস্তান 
১২৩/৭ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১১৭/৮ (২০ ওভার)
ডোয়েন ব্র্যাভো ২৮ (২৯)
রশীদ খান ২/২৬ (৪ ওভার)
মোহাম্মাদ নবী ২/২৬ (৪ ওভার)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে এভিন লুইসের টি২০আইয়ে অভিষেক ঘটে।
  • বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় আফগানিস্তান সফলভাবে ২য় সর্বনিম্ন রান তুলে জয় পায়।[৪১]

২৮ মার্চ
১৯:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১২০/৩ (১৯.৩ ওভার)
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১২২/২ (১৭.৪ ওভার)
হাশিম আমলা ৫৬* (৫২)
সুরঙ্গা লকমল ১/২৮ (৩.৪ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে বিজয়ী
ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ, দিল্লি
আম্পায়ার: এস. রবি (ভারত) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: অ্যারন ফাঙ্গিসো (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শ্রীলঙ্কার তিলকরত্নে দিলশান বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক ৩৫ খেলায় অংশ নেন।[৪২]
  • দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৪র্থ খেলোয়াড় হিসেবে হাশিম আমলা টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ১,০০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন।[৪৩]

গ্রুপ ২[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 নিউজিল্যান্ড +১.৯০০
 ভারত -০.৩০৫
 অস্ট্রেলিয়া +০.২৩৩
 পাকিস্তান -০.০৯৩
 বাংলাদেশ -১.৮০৫

     নক-আউট পর্বে উত্তীর্ণ      এলুমিনেট

১৫ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১২৬/৭ (২০ ওভার)
 ভারত
৭৯ (১৮.১ ওভার)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
  • নিউজিল্যান্ডীয় স্পিনাররূপে মিচেল স্যান্টনার টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সেরা বোলিং পরিসংখ্যান (৪/১১) গড়েন।[৪৪]

১৬ মার্চ
১৫:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
২০১/৫ (২০ ওভার)
 বাংলাদেশ
১৪৬/৬ (২০ ওভার)
পাকিস্তান ৫৫ রানে বিজয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড) ও রিচার্ড কেটেলবরা (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: শহীদ আফ্রিদি (পাকিস্তান)
  • পাকিস্তান টসে জয়ী হয়ে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
  • সাকিব আল হাসান ২য় বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে টি২০আইয়ে ১,০০০ রান অতিক্রম করেন।[৪৫]
  • এছাড়া সাকিব আল হাসান দ্বিতীয় অল-রাউন্ডার হিসেবে টি২০আইয়ে ১,০০০ রান এবং ৫০ উইকেট লাভ করেন।[৪৫]

১৮ মার্চ
১৫:০০
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৪২/৮ (২০ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১৩৪/৯ (২০ ওভার)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১১৮/৫ (২০ ওভার)
 ভারত
১১৯/৪ (২০ ওভার)
বিরাট কোহলি ৫৫* (৩৭)
মোহাম্মদ সামি ২/১৭ (২ ওভার)
  • ভারত টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • মাঠ ভেজা থাকায় উভয় দলের ইনিংস ১৮ ওভারে নির্ধারিত হয়।
  • আইসিসি বিশ্বকাপের ওডিআই ও টি২০আইয়ের উভয় আসরে ভারত পাকিস্তানের বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে ১১শ খেলায় জয়লাভ করে।[৪৬]
  • আহমেদ শেহজাদ পাকিস্তানের ৫ম খেলোয়াড় হিসেবে টি২০আইয়ে ১,০০০ রান তোলেন।[৪৭]

২১ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
১৫৬/৫ (২০ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
১৫৭/৭ (১৮.৩ ওভার)
উসমান খাজা ৫৮ (৪৫)
সাকিব আল হাসান ৩/২৭ (৪ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বাংলাদেশের পক্ষে সাকলাইন সজিবের টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে।
  • অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার টুয়েন্টি২০ ক্রিকেটে ৪র্থ খেলোয়াড় হিসেবে ৬,০০০ রান অতিক্রম করেন।[৪৮]

২২ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৮০/৫ (২০ ওভার)
 পাকিস্তান
১৫৮/৫ (২০ ওভার)
শারজিল খান ৪৭ (২৫)
অ্যাডাম মিলেন ২/২৫ (৪ ওভার)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।[৪৯]
  • বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি সর্বোচ্চ উইকেট-সংগ্রাহক (৩৯) হন।[৫০]

২৩ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৪৬/৭ (২০ ওভার)
 বাংলাদেশ
১৪৫/৯ (২০ ওভার)
  • বাংলাদেশ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৫১]
  • এটি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় ৪র্থ ১ রানে জয়ের ফলাফল।[৫২]
  • টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে প্রথমবারের মতো শেষ তিন বলে তিন উইকেটের পতন ঘটে।[৫২]
  • ভারতের পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে এমএস ধোনি ১,০০০ রান সংগ্রহ করেন।[৫২]

২৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৯৩/৪ (২০ ওভার)
 পাকিস্তান
১৭২/৮ (২০ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ৬১* (৪৩)
ইমাদ ওয়াসিম ২/৩১ (৪ ওভার)
খালিদ লতিফ ৪৬ (৪১)
জেমস ফকনার ৫/২৮ (৪ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে পাকিস্তান প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৫৩]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১ম ও বৈশ্বিকভাবে ১৭শ খেলোয়াড়রূপে জেমস ফকনার টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ৫-উইকেট লাভ করেন।[৫৪]
  • টি২০আইয়ে অস্ট্রেলিয়া ষষ্ঠ ক্ষুদ্রতম ব্যবধানে (২১ রান) জয়লাভ করে।[৫৫]

২৬ মার্চ
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৪৫/৮ (২০ ওভার)
 বাংলাদেশ
৭০ (১৫.৪ ওভার)
শুভগত হোম ১৬* (১৭)
গ্রান্ট এলিয়ট ৩/১২ (৪ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ৭৫ রানে বিজয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: যোহন ক্লোয়েত (দক্ষিণ আফ্রিকা) ও মাইকেল গফ (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • নিউজিল্যান্ডের পক্ষে হেনরি নিকোলসের টি২০আই অভিষেক ঘটে।
  • বাংলাদেশের ২য় ও বৈশ্বিকভাবে ১৮শ খেলোয়াড়রূপে মুস্তাফিজুর রহমান টি২০আইয়ে ৫-উইকেট লাভ করেন।[৫৬]
  • টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন রান (৭০) সংগ্রহ করে।[৫৭]
  • খেলায় সর্বমোট ১০জন বোল্ড হন, যা টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সর্বাধিক।[৫৮]

২৭ মার্চ
১৯:৩০
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৬০/৬ (২০ ওভার)
 ভারত
১৬১/৪ (১৯.১ ওভার)
বিরাট কোহলি ৮২* (৫১)
শেন ওয়াটসন ২/২৩ (৪ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • খেলার ফলাফলে ভারত সেমি-ফাইনালে উন্নীত হয়; অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[৫৯]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে শেন ওয়াটসন তার সর্বশেষ আন্তর্জাতিকে অংশ নেন।[৬০]
  • ভারতের বিরাট কোহলি টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ৩৯ ইনিংসে ১,৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।[৬১]
  • টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে এক পঞ্জিকা বর্ষে বিরাট কোহলি সর্বাধিক (৬) ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও এক পঞ্জিকা বর্ষে সর্বাধিক ৫৩৬ রান তোলেন।[৬২][৬৩]
  • ভারতের পক্ষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ৫০ উইকেট পান।[৬৪]
  • ভারতের পক্ষে মহেন্দ্র সিং ধোনি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় উইকেট-কিপার হিসেবে সর্বাধিক ৩২ ডিসমিসাল করেন।[৬৫]

নক-আউট পর্ব[সম্পাদনা]

নিরাপত্তাজনিত কারণে আইসিসি ঘোষণা করে যে, পাকিস্তান যদি গ্রুপ ২-এ দ্বিতীয় স্থান দখল করে তাহলে ৩০ মার্চ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সেমি-ফাইনালে খেলবে। অন্যথায়, মুম্বয়েই খেলা হবে।[৬৬]

  সেমিফাইনাল ফাইনাল
                 
  নিউজিল্যান্ড ১৫৩/৭ (২০ ওভার)  
  ইংল্যান্ড ১৫৯/৩ (১৭.১ ওভার)  
      ইংল্যান্ড ১৫৫/৯ (২০ ওভার)
    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬১/৬ (১৯.৪ ওভার)
  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৬/৩ (১৯.৪ ওভার)
  ভারত ১৯২/২ (২০ ওভার)  

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

৩০ মার্চ
১৯:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
 নিউজিল্যান্ড
১৫৩/৭ (২০ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৫৯/৩ (১৭.১ ওভার)
কলিন মানরো ৪৬ (৩২)
বেন স্টোকস ৩/২৬ (৪ ওভার)
জেসন রয় ৭৮ (৪৪)
ইশ সোধি ২/৪২ (৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ৭ উইকেটে বিজয়ী
ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠ, দিল্লি
আম্পায়ার: কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: জেসন রয় (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বিশ্ব টুয়েন্টি২০ খেলায় ইংল্যান্ডের পক্ষে জেসন রয় ২৬ বলে দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধ-শতক করেন।[৬৭]
  • নিউজিল্যান্ডের পক্ষে টি২০আইয়ে মার্টিন গাপটিলকেন উইলিয়ামসন দ্বিতীয় জুটি হিসেবে ১,০০০ রানের জুটি গড়েন।

৩১ মার্চ
১৯:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
 ভারত
১৯২/২ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯৬/৩ (১৯.৪ ওভার)
লেন্ডল সিমন্স ৮২* (৫১)
বিরাট কোহলি ১/১৫ (১.৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে বিজয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: ইয়ান গোল্ড (ইংল্যান্ড) ও রিচার্ড কেটেলবরা (ইংল্যান্ড)
সেরা খেলোয়াড়: লেন্ডল সিমন্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার নক-আউট পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফলভাবে সর্বোচ্চ রানের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে।[৬৮]

ফাইনাল[সম্পাদনা]

৩ এপ্রিল
১৯:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
 ইংল্যান্ড
১৫৫/৯ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৬১/৬ (১৯.৪ ওভার)
জো রুট ৫৪ (৩৬)
কার্লোস ব্রাদওয়েট ৩/২৩ (৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে বিজয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: মারলন স্যামুয়েলস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

সর্বাধিক রান[সম্পাদনা]

খেলোয়াড় খেলা ইনিংস রান গড় এসআর সর্বোচ্চ ১০০ ৫০ চার ছক্কা
বাংলাদেশ তামিম ইকবাল ২৯৫ ৭৩.৭৫ ১৪২.৫১ ১০৩* ২৪ ১৪
ভারত বিরাট কোহলি ২৭৩ ১৩৬.৫০ ১৪৬.৭৭ ৮৯* ২৯
ইংল্যান্ড জো রুট ২৪৯ ৪৯.৮০ ১৪৬.৪৭ ৮৩ ২৪
আফগানিস্তান মোহাম্মাদ শেহজাদ ২২২ ৩১.৭১ ১৪০.৫০ ৬১ ২৩ ১২
ইংল্যান্ড জোস বাটলার ১৯১ ৪৭.৭৫ ১৫৯.১৬ ৬৬* ১৩ ১২

উৎস: ক্রিকইনফো[৬৯]

সর্বাধিক উইকেট[সম্পাদনা]

খেলোয়াড় খেলা ইনিংস উইকেট ওভার ইকো. গড় ইনিংসে সেরা এস/আর ৪-উইঃ ৫-উইঃ
আফগানিস্তান মোহাম্মাদ নবী ১২ ১৭ ৬.০৭ ১৩.৬৬ ৪/২০ ১৩.৪
আফগানিস্তান রশীদ খান ১১ ২৮ ৬.৫৩ ১৬.৬৩ ৩/১১ ১৫.২
নিউজিল্যান্ড মিচেল স্যান্টনার ১০ ১৮.১ ৬.২৭ ১১.৪০ ৪/১১ ১০.৯
নিউজিল্যান্ড ইশ সোধি ১০ ১৯.৪ ৬.১০ ১২.০০ ৩/১৮ ১১.৮
বাংলাদেশ সাকিব আল হাসান ১০ ২৩ ৭.২১ ১৬.৬০ ৪/১৫ ১৩.৮

উৎস: ক্রিকইনফো[৭০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "India to host ICC T20 Championship in 2016" (ইংরেজি ভাষায়)। 
  2. ICC committee proposes World Twenty20 expansion, 7 March, 2012, BBC Sport, retrieved: 16 February, 2014
  3. "India to host World Twenty20 Cup in 2016, World Test Championship in 2021"ইন্ডিয়া টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৪ 
  4. "India to Host T20 World Cup in 2016"cricketworld4u (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৪ 
  5. "Defiant Mathews falls short as England reach semis"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৬ 
  6. "Oman secure World T20 spot with memorable win"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৫ 
  7. "PCB moots World Twenty20 boycott"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫ 
  8. "Pakistan cleared to participate in World T20"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  9. "Pakistan delegation to assess security arrangements in India"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬ 
  10. "Pakistan wants India match shifted out of Dharamsala"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৬ 
  11. "India-Pakistan game moved to Kolkata"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৬ 
  12. "World Twenty20 2016: Pakistan confirms participation in tournament"BBC Sport 
  13. "Eden Gardens to host 2016 World T20 final"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  14. http://www.espncricinfo.com/india/content/story/943389.html
  15. http://www.icc-cricket.com/world-t20/fixtures/men
  16. "Dharamsala to host World T20 India-Pakistan match"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৬ 
  17. Gollapudi, Nagraj (১ মার্চ ২০১৬)। "Political tussle clouds India-Pakistan World T20 match"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৬ 
  18. "India-Pakistan game moved to Kolkata" (ইংরেজি ভাষায়)। ইএসপিএন ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৬ 
  19. "ICC announces umpire and match referee appointments for the ICC World Twenty20 India 2016"International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  20. "Nissan marks ICC association with World T20 trophy tour"ZigWheels.com। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৬ 
  21. "Netherlands ousted after Dharamsala washout"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৬ 
  22. "Persistent rain knocks Ireland out" (ইংরেজি ভাষায়)। ইএসপিএন ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৬ 
  23. "World Twenty20 2016: Tamim Iqbal century sends Bangladesh through"BBC। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৬ 
  24. "Tamim ton secures Bangladesh's berth"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৬ 
  25. "Hong Kong bowl, Ryan Campbell debuts"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৬ 
  26. "World Twenty20: Scotland knocked out after Zimbabwe loss"বিবিসি স্পোর্ট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৬ 
  27. "Nabi, Shahzad to the fore in easy Afghanistan win"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৬ 
  28. "Afghanistan progress to main draw with thumping win"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৬ 
  29. "Scotland end win drought at ICC global event"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৬ 
  30. "Gayle's 47-ball ton wipes out England"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৬ 
  31. "Chris Gayle century sees West Indies beat England at World Twenty20"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৬ 
  32. "Gayle closes on century of sixes"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৬ 
  33. "Root takes England to record WT20 chase"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৬ 
  34. "A pounding for fast bowlers"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৬ 
  35. "South Africa's Powerplay surge, and AB de Villiers' blitz"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৬ 
  36. "ICC World T20, Match 24, Super 10 Group 1: Afghanistan vs England"Zee News। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৬ 
  37. "Feroz Shah Kotla"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৬ 
  38. "West Indies in semi-finals, South Africa face exit"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৬ 
  39. "Twenty20 Internationals: Batting records"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৬ 
  40. "World Twnety20 2016: England hold on to reach semi-finals"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৬ 
  41. "Second-lowest total defended in World T20"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৬ 
  42. "World T20 / Records / Most matches"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৬ 
  43. "Twenty20 Internationals: Batting records"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৬ 
  44. "Bounty for spin, and a shocker for India"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৬ 
  45. "Explosive Afridi collects another T20 crown"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৬ 
  46. "Kohli special steers India home on a turner"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৬ 
  47. "The king of the run chase"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৬ 
  48. "Zampa's match-winning performance, Khawaja's maiden T20I fifty"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৬ 
  49. "New Zealand defend again to enter semi-finals"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৬ 
  50. "Guptill's run-filled year, and Pakistan's boundary drought"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৬ 
  51. "Bangladesh bow out of World Twenty20 losing last-over thriller against India by 1 run"BD News24। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৬ 
  52. "One-run wins, three-in-three at the death"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৬ 
  53. "World Twenty20 2016: Pakistan out as Australia keep hopes alive"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৬ 
  54. "Faulkner produces Australia's maiden T20I five-for"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৬ 
  55. "Records / Australia / Twenty20 Internationals / Smallest victories (including ties)" (ইংরেজি ভাষায়)। ইএসপিএন ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৬ 
  56. "Most batsmen bowled in a T20I"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৬ 
  57. "NZ read conditions and rout Bangladesh"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৬ 
  58. "World Twenty20: New Zealand beat Bangladesh for fourth win"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৬ 
  59. "World Twenty20 2016: Virat Kohli leads India to T20 semi-finals"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৬ 
  60. "Watson skips into T20 retirement"ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৬ 
  61. "Kohli's wizardy, and the bogey team for Australia and Faulkner"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৬ 
  62. "ICC World Twenty20: MOM awards this year is the most by any player in a calendar year in T20Is"India Today 
  63. "Records / Twenty20 Internationals / Batting records / Most runs in a calendar year"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। 
  64. "ICC World Twenty20: Ravichandran Ashwin first Indian to take 50 T20I wickets"India Today 
  65. "World T20 / Records / Most dismissals"ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৬ 
  66. "Dharamsala to host World T20 India-Pakistan match"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৬ 
  67. "The four-over difference, and Roy's high"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৬ 
  68. "Runs in boundaries - 146 v 92"ইএসপিএন ক্রিকইনফো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৬ 
  69. "Records / ICC World T20, 2016 / Most runs" (ইংরেজি ভাষায়)। ইএসপিএন ক্রিকইনফো। ১৭ মার্চ ২০১৬। 
  70. "Records / ICC World T20, 2016 / Most wickets" (ইংরেজি ভাষায়)। ইএসপিএন ক্রিকইনফো। ১৭ মার্চ ২০১৬। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]