আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আয়ারল্যান্ড
আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের লগো
আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের লগো
আইসিসি সদস্যপদ অনুমোদন ১৯৯৩
আইসিসি সদস্য মর্যাদা ওডিআই মর্যাদাসহ সহযোগী সদস্য
আইসিসি উন্নয়ন অঞ্চল ইউরোপ
বিশ্ব ক্রিকেট লীগ বিভাগ প্রযোজ্য নয়[N ১]
অধিনায়ক প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ড উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড
কোচ নিউজিল্যান্ড জন ব্রেসওয়েল
আনুষ্ঠানিকভাবে ১ম খেলা ১০ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৫ ব ইংল্যান্ডের ভদ্রলোকগণ, ডাবলিন
একদিনের আন্তর্জাতিক
খেলার সংখ্যা ৯৬
জয়/পরাজয় ৪৪/৪৪ (৩ টাই/৫ ফলাফলবিহীন)[২][৩]
টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক
খেলার সংখ্যা ৩৭
জয়/পরাজয় ২০/১৪ (৩ ফলাফলবিহীন)[৪]
প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট
খেলার সংখ্যা ১৫৩
জয়/পরাজয় ৪৬/৪১
লিস্ট এ ক্রিকেট
খেলার সংখ্যা ১৯০
জয়/পরাজয় ৬৫/১১৬
আইসিসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
অংশগ্রহণ ৫ (১৯৯৪-এ প্রথম)
সেরা ফলাফল বিজয়ী, ২০০৯
বিশ্বকাপ ক্রিকেট
অংশগ্রহণ ৩ (২০০৭-এ প্রথম)
সেরা ফলাফল ৮ম (২০০৭)
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ হিসাবে

আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দল (ইংরেজি: Ireland cricket team) ক্রিকেট দল হিসেবে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করছে। রাজনৈতিক কারণে আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়ন ১৯৯৩ সালের পূর্ব পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের অনুমোদন পায়নি। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। আইরিশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রয়েছে আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়ন। পেশাদার ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট বিশ্বের অন্যত্র অবস্থানকারী খেলোয়াড়দের নিয়ে দলটি গঠিত হয়েছে। আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়নের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। ২০০৯ সাল থেকে তারা খেলোয়াড়দের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে।[৫] এছাড়াও, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৩ খেলোয়াড়কেও পূর্ণাঙ্গভাবে চুক্তিতে এনেছে সংস্থাটি।[৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৫৫ সালে আইরিশ দল প্রথম খেলতে নামে। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথমবারের মতো অংশ নেয়। এ পর্যন্ত দলটি ৯৬ খেলায় অংশ নিয়ে ৪৪ জয়, ৪৪ পরাজয়, ৫ ফলাফলবিহীন এবং ৩টি খেলায় টাই করে।[৭]

আইসিসি’র অন্যতম সহযোগী সদস্য দেশ হিসেবে রয়েছে আয়ারল্যান্ড। টেস্ট ক্রিকেটের পূর্বের দলীয় অবস্থানই সহযোগী সদস্য। আন্তর্মহাদেশীয় কাপ এবং বিশ্বকাপে আইরিশদের দূর্দান্ত সফলতার কারণে দলটি শীর্ষস্থানীয় সহযোগী সদস্য দেশের মর্যাদা পেয়েছে।[৮] বর্তমানে আয়ারল্যান্ড প্রথম বিভাগের অন্যতম দল হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক এবং টি২০ আন্তর্জাতিকের মর্যাদাপ্রাপ্ত দল।

সাফল্যগাঁথা[সম্পাদনা]

আইসিসি ট্রফি, ইউরোপীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ এবং আইসিসি আন্তর্মহাদেশীয় কাপে অংশ নেয় আইরিশ দল। তন্মধ্যে ইউরোপীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপ তিনবার জয় করে ও বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত আইসিসি আন্তর্মহাদেশীয় কাপ জয় করেছে তিনবার। ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাউন্টির ফ্রেন্ডস প্রভিডেন্ট ট্রফিতেও অংশ নিয়েছে তারা।

আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ১৯২৮, ১৯৬৯ এবং ২০০৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান, বাংলাদেশকে পরাভূত করার পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের সাথে টাই করে দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হয়। এছাড়াও ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল দলটি।

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে দূর্দান্ত সাফল্যে উজ্জ্বীবিত হয়ে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ লাভের জন্য আইসিসি বরাবরে আবেদন করেছে। তারা ২০০৮ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ বাছাইপর্ব এবং ২০০৯ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে। এছাড়াও ২০০৯, ২০১০২০১৪ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতাসহ ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ সদস্য হলে আয়ারল্যান্ড একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণকারী দেশের মর্যাদা লাভসহ টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারবে।[৯]

আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০[সম্পাদনা]

দলটি ২০১৩ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ বাছাই-পর্বে শীর্ষস্থান অধিকার করে। এরফলে তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো ১৬ দলের অংশগ্রহণে অন্য দশটি পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের সাথে অংশগ্রহণ করে। গ্রুপ-পর্বে আইরিশ দল জিম্বাবুয়ে, সংযুক্ত আরব আমিরাতনেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

প্রথম খেলায় শক্তিশালী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ উইকেটে জয়ী হয়ে চমক দেখায়। ২১ মার্চ, ২০১৪ তারিখে সিলেটে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় গ্রুপ-পর্বে প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৮৯ রানের সম্মানজনক স্কোর দাঁড় করালেও দলটি জয়লাভে সক্ষম হয়নি ও সুপার টেন পর্বে প্রবেশের পূর্বেই প্রতিযোগিতা থেকে দলকে বিদায় নিতে হয়।[১০]

প্রতিযোগিতার ইতিহাস[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপ
  • ১৯৭৫-১৯৯২: যোগ্যতা নেই (আইসিসি সদস্য নয়)
  • ১৯৯৬-২০০৩: যোগ্যতা অর্জন করেনি
  • ২০০৭: ৮ম (সুপার এইট পর্ব)
  • ২০১১: প্রথম রাউন্ড
  • ২০১৫: গ্রুপ পর্ব
আন্তর্মহাদেশীয় কাপ
আইসিসি ৬-জাতি চ্যালেঞ্জ/বিশ্ব ক্রিকেট লীগ
  • ২০০০: ৩য় স্থান
  • ২০০২: অংশগ্রহণ করেনি
  • ২০০৪: অংশগ্রহণ করেনি
  • ২০০৭: ৫ম স্থান (প্রথম বিভাগ)
  • ২০১০: জয় (প্রথম বিভাগ)
  • ২০১১-১৩: জয় (আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ চ্যাম্পিয়নশীপ)
আইসিসি ট্রফি/আইসিসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
  • ১৯৭৯-১৯৯০: অংশগ্রহণের যোগ্যতা নেই (আইসিসি সদস্য নয়)
  • ১৯৯৪: দ্বিতীয় রাউন্ড
  • ১৯৯৭: ৪র্থ স্থান
  • ২০০১: ৭ম স্থান
  • ২০০৫: ২য় স্থান (যোগ্যতা অর্জন)
  • ২০০৯: জয় (যোগ্যতা অর্জন)
  • ২০১৪: আইসিসি ডব্লিউসিএল চ্যাম্পিয়নশীপের মাধ্যমে প্রাক-যোগ্যতা অর্জন
আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ বাছাইপর্ব
  • ২০০৯: জয় (যোগ্যতা অর্জন)
  • ২০১০: ২য় স্থান (যোগ্যতা অর্জন)
  • ২০১২: জয় (যোগ্যতা অর্জন)
  • ২০১৩: জয় (যোগ্যতা অর্জন)
আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০
ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপ
  • ১৯৯৬: জয়
  • ১৯৯৮: ৪র্থ স্থান (প্রথম বিভাগ)≥
  • ২০০০: ৪র্থ স্থান (প্রথম বিভাগ)
  • ২০০২: ৩য় স্থান (প্রথম বিভাগ)
  • ২০০৪: ২য় স্থান (প্রথম বিভাগ)
  • ২০০৬: জয় (প্রথম বিভাগ)
  • ২০০৮: জয় (প্রথম বিভাগ)
  • ২০১০: আয়ারল্যান্ড এ-দল হিসেবে ২য় স্থান (প্রথম বিভাগ)
ট্রিপল ক্রাউন (প্রতিযোগিতা বিলুপ্ত)
  • ১৯৯৩: ২য় স্থান
  • ১৯৯৪: ৩য় স্থান
  • ১৯৯৫: ৩য় স্থান
  • ১৯৯৬: জয়
  • ১৯৯৭: ৩য় স্থান
  • ১৯৯৮: ৩য় স্থান
  • ১৯৯৯: ৪র্থ স্থান
  • ২০০০: ২য় স্থান
  • ২০০১: ৪র্থ স্থান

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সালে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড ২৪জন খেলোয়াড়ের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। নিম্নের তালিকায় ২৪জন খেলোয়াড়সহ গত ১২ মাসে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের তালিকা তুলে ধরা হলো। পূর্ণাঙ্গকালীন খেলার জন্য ক্যাটেগরি এ, এবং খণ্ডকালীন হিসেবে ক্যাটেগরি বি ও সি রয়েছে। ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবে অংশগ্রহণকারীদেরকে ক্যাটেগরি বি চুক্তিতে রাখা হয়েছে।[১১]

নির্দেশিকা
  • সি/জি = চুক্তির ধরন
  • এস/এন = ওডিআই ও টুয়েন্টি২০ স্কোয়াড নম্বর
নাম বয়স (১৯ নভেম্বর ২০১৭) ব্যাটিংয়ের ধরন বোলিংয়ের ধরন সি/জি ঘরোয়া দল এস/এন
অধিনায়ক; উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান
উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড 7001330000000000000৩৩ বছর, 7001740000000000000৭৪ দিন বামহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক বি ওয়ারউইকশায়ার
সহ-অধিনায়ক; অল-রাউন্ডার
কেভিন ও’ব্রায়ান 7001330000000000000৩৩ বছর, 7002260000000000000২৬০ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট রেলওয়ে ইউনিয়ন ২২
ব্যাটসম্যান
জন অ্যান্ডারসন 7001350000000000000৩৫ বছর, 7001440000000000000৪৪ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক সি মেরিয়ন
ক্রিস ডগার্টি 7001290000000000000২৯ বছর, 7002307000000000000৩০৭ দিন বামহাতি  – সি
এড জয়েস 7001390000000000000৩৯ বছর, 7001580000000000000৫৮ দিন বামহাতি ডানহাতি মিডিয়াম বি সাসেক্স ২৪
লি নেলসন 7001260000000000000২৬ বছর, 7002349000000000000৩৪৯ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক সি ওয়ারিংসটাউন
অ্যান্ড্রু পয়েন্টার 7003103000000000000১,০৩০ বছর, 7002208000000000000২০৮ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক বি ক্লোনটার্ফ
জেমস শ্যানন 7001270000000000000২৭ বছর, 7002280000000000000২৮০ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক সি ইনস্টোনিয়ান্স
পল স্টার্লিং 7001270000000000000২৭ বছর, 7001770000000000000৭৭ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক বি মিডলসেক্স
অল-রাউন্ডার
অ্যালেক্স কুস্যাক 7001370000000000000৩৭ বছর, 7001210000000000000২১ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট ক্লোনটার্ফ ৮৩
জন মুনি 7001350000000000000৩৫ বছর, 7002282000000000000২৮২ দিন বামহাতি ডানহাতি মিডিয়াম নর্থ কাউন্টি ১০
এডি রিচার্ডসন 7001270000000000000২৭ বছর, 7002120000000000000১২০ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম বি নর্থ কাউন্টি
স্টুয়ার্ট থম্পসন 7001260000000000000২৬ বছর, 7001960000000000000৯৬ দিন বামহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট এগলিনটন ১৭
উইকেট-রক্ষক
অ্যান্ড্রু বালবির্নি 7001260000000000000২৬ বছর, 7002326000000000000৩২৬ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক বি মিডলসেক্স ৬৩
নায়ল ও’ব্রায়ান 7001360000000000000৩৬ বছর, 7001110000000000000১১ দিন বামহাতি  — বি লিচেস্টারশায়ার ৭৩
স্টুয়ার্ট পয়েন্টার 7001270000000000000২৭ বছর, 7001320000000000000৩২ দিন ডানহাতি  — বি ডারহাম
গ্যারি উইলসন 7001310000000000000৩১ বছর, 7002287000000000000২৮৭ দিন ডানহাতি  — বি সারে ১৪
পেস বোলার
পিটার চেজ 7001240000000000000২৪ বছর, 7001410000000000000৪১ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট ডারহাম ২৮
গ্রেইম ম্যাককার্টার 7001250000000000000২৫ বছর, 7001400000000000000৪০ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম বি গ্লুচেস্টারশায়ার
টিম মারতাগ 7001360000000000000৩৬ বছর, 7002109000000000000১০৯ দিন বামহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বি মিডলসেক্স
ম্যাক্স সোরেনসেন 7001320000000000000৩২ বছর, 7000100000000000000১ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম দ্য হিলস ২৬
ক্রেগ ইয়ং 7001270000000000000২৭ বছর, 7002229000000000000২২৯ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম ব্রেডি ৮৪
স্পিন বোলার
জর্জ ডকরেল 7001250000000000000২৫ বছর, 7002120000000000000১২০ দিন ডানহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বি সমারসেট ৫০
অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রায়ান 7001240000000000000২৪ বছর, 7002203000000000000২০৩ দিন বামহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক ডানমানা ৩৫

কোচিং কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

  • প্রধান কোচ: জন ব্রেসওয়েল
  • ম্যানেজার: রয় টরেন্স
  • সহকারী কোচ: পিটার জনস্টন
  • বোলিং কোচ: ব্রেট লি[১২]
  • স্ট্রেন্থ এন্ড কন্ডিশনিং কোচ: ব্রেন্ডন কনর
  • ফিজিও: কিরণ ও’রিলি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ireland & Afghanistan get 2019 World Cup qualification boost"। BBC Sport। ২৮ জানুয়ারি ২০১৫। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ 
  2. Ireland / Records / One-Day Internationals / Result summary। Cricinfo।  Retrieved 20 September 2011.
  3. Records / One-Day Internationals / Team records / Results summary। ESPN Cricinfo। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  4. Records: Twenty20 Internationals: Ireland। Cricinfo।  Retrieved 27 March 2012.
  5. "Cricket Ireland announce player contract details"। Cricketeurope4.net। ১৩ জানুয়ারি ২০১০। সংগৃহীত ২৫ আগস্ট ২০১২ 
  6. Coverdale, Brydon (৩ মার্চ ২০১১)। "Johnston says Ireland not ready for Tests"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ৩ মার্চ ২০১১ 
  7. Ireland Playing Record in ODI Matches। CricketArchive।  Retrieved 2 March 2011.
  8. Martin Williamson (১৭ অক্টোবর ২০০৮)। Zimbabwe should avoid another banana skin। Cricinfo।  Retrieved 3 November 2008.
  9. "Ireland in hot pursuit of Full Member status | Ireland Cricket News | ESPN Cricinfo"। Cricinfo.com। সংগৃহীত ২৫ আগস্ট ২০১২ 
  10. Netherlands stun rivals to qualify, espncricinfo, retrieved: 17 April, 2014
  11. "McBrine, Chase added to Ireland 'A' list"। ESPNcricinfo। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগৃহীত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  12. Brett Lee: Ireland appoint ex-Australian star as bowling coach

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. In January 2015, it was announced that Ireland and Afghanistan would join the 10 Test playing nations in a rankings-based qualification for the 2019 Cricket World Cup. As a result, Ireland will no longer take part in the World Cricket League.[১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]