পাংতুমাই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পান্তুমাই
পাংতুমাই।.jpg
অবস্থানগোয়াইনঘাট, সিলেট, বাংলাদেশ
ধরনঝরনা/গ্রাম

পান্তুমাই সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে অবস্থিত একটি সুন্দর গ্রাম[১][২] আমাদের প্রতিবেশী ভারতের মেঘালয়ের গহীন অরণ্যের কোল ঘেঁষে বাংলাদেশের বুকে নেমে এসেছে অপরূপ সুন্দর এক ঝরনাধারা।[১] ঝরনাটি প্রতিবেশী দেশ ভারতের মধ্যে পড়লেও পিয়াইন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে খুব কাছ থেকে উপভোগ করা যায় একে। সীমান্তের কাছাকাছি না গিয়েও ঝরনাটির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। ঝরনাটির স্থানীয় নাম ফাটাছড়ির ঝরনা। কেউ কেউ একে ডাকেন বড়হিল ঝরনা বলে। পান্তুমাই গ্রামকে যদিও অনেকে “পাংথুমাই” বলে ডাকে কিন্তু এর সঠিক উচ্চারণ “পান্তুমাই”[১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

এটি জাফলং থেকে প্রায় ২০-২৫ কিমি দূরে। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ের নিচে, একেবারে সীমান্ত ঘেঁষা এই গ্রামটির অবস্থান। মেঘালয় রাজ্যের সারি সারি পাহাড়, ঝর্না, ঝর্না থেকে বয়ে আসা পানির স্রোতধারা, আর দিগন্ত বিস্তৃত চারণভূমি দেখা যায় এই গ্রামটি থেকে। স্থানীয়রা ঝরনাটিকে ফাটাছড়ির ঝরনা বা বড়হিল ঝরনাও বলেন। [১]

যা যা দেখবেন[সম্পাদনা]

পাহাড় ঘেঁষা আঁকাবাঁকা রাস্তা। পাহাড়ি গুহা থেকে হরিণীর মতোই লীলায়িত উচ্ছল ভঙ্গিমায় চলা ঝরনার জলরাশি। গাঁয়ের মেঠো পথ, বাঁশ বাগান, হাঁটু জলের নদী পার হয়ে প্রতাপ্পুর গ্রাম। এর পরের গ্রাম পান্তুমাই।[১]

যাতায়াত ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে সিলেট গিয়ে আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সিএনজি ট্যাক্সি নিয়ে গোয়াইনঘাট বাজারে থানা সংলগ্ন বাজারে গিয়ে ট্যাক্সির সাহায্যে এখানে আসা যায়। পাংথুমাইয়ে যাওয়া যায় দুটি রাস্তায়। একটি হচ্ছে গোয়াইনঘাটের সালুটিকর হয়ে আর অন্যটি জৈন্তাপুরের সারিঘাট হয়ে।[১]

অরক্ষিত পর্যটন স্পট[সম্পাদনা]

প্রকৃতি সিলেটকে দুই হাত ভরে দিলেও এসব সৌন্দর্য সুরক্ষায় নেই কোনো উদ্যোগ। উল্টো অরক্ষিতভাবে ফেলে রাখায় একেকটি স্পট পরিণত হয়েছে মৃত্যুকূপে। ভয়ঙ্কর সুন্দরে রূপ নিয়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অনন্য সিলেট অঞ্চলে সারা বছরই ভিড় থাকে পর্যটকের। বিভিন্ন ছুটি বা উৎসবে এখানকার পর্যটন স্থানগুলোয় ঘুরতে আসেন তারা। অথচ পর্যটন স্পটগুলোর অধিকাংশই অরক্ষিত বলে প্রায়ই ঘটে প্রাণহানির ঘটনা। [৩][৪]

আশেপাশের আকর্ষণ[সম্পাদনা]

  1. জাফলং
  2. জাফলং নদী
  3. পিয়াইন নদী
  4. তামাবিল
  5. বাদুড়
  6. জলপ্রপাত

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]