বিষয়বস্তুতে চলুন

আর্মি ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন, সিলেট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আর্মি ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন, সিলেট
আর্মি আইবিএ, সিলেট
নীতিবাক্যজ্ঞানই শক্তি
ধরনবাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর অধীনে একটি শায়ত্বশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান
স্থাপিত১৫ জানুয়ারি, ২০১৫
পরিচালকব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, এনডিসি, পিএসসি, জি (অবসরপ্রাপ্ত)
অবস্থান,
অধিভুক্তিবাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
ওয়েবসাইটhttp://aibasylhet.edu.bd

আর্মি ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন, সিলেট বা আর্মি আইবিএ, সিলেট হচ্ছে জালালাবাদ সেনানিবাসে অবস্থিত একটি বিজনেস স্কুল। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর অধিভুক্ত।[] এটির শিক্ষাগত পাঠ্যক্রমটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর একাডেমিক কাউন্সিল এবং সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়। ইনস্টিটিউটটি - অপারেশন্স ম্যানেজমেন্ট, বিপণন, অর্থায়ন, অ্যাকাউন্টিং, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ চেইন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিশেষীকরণ ক্ষেত্রগুলিতে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক (বিবিএ) এবং ব্যবসায় প্রশাসনে মাস্টার (এমবিএ) ডিগ্রী প্রদান করে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আর্মি ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (আর্মি আইবিএ), সিলেট ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫ সালে জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট, সিলেটে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর অধিভুক্ত একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত হয়। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম জহিরুল ইসলাম, এনডিসি, পিএসসি, জি (অব.) ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন।

প্রতিষ্ঠার শুরুতে এর অস্থায়ী ক্যাম্পাস জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেটে স্থাপন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিইউপি-এর শিক্ষাক্রম অনুসরণ করে থাকে।[]

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাদের নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন করেন। সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সুবিধা পরিদর্শন করেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক উৎকর্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে প্রতিশ্রুতিকে প্রশংসা করেন। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আইবিএ ক্যাম্পাস।[]

অবস্থান

[সম্পাদনা]

ইনস্টিটিউটটি সিলেট থেকে আট কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাশে জালালাবাদ সেনানিবাসে অবস্থিত।

পরিচালনা

[সম্পাদনা]

ইনস্টিটিউটটি সিলেট আঞ্চলিক সদরের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত হয়। সিলেট এলাকার এরিয়া কমান্ডার হলেন ইনস্টিটিউটের প্রধান। সেনাবাহিনী, অনুষদ সদস্য, প্রশাসনিক কর্মী, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত আঠারো সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা ইনস্টিটিউটটি পরিচালিত হয়। একাডেমিক পাঠ্যক্রমটি বাংলাদেশ মঞ্জুরি কমিশনের বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস দ্বারা পরিচালিত হয়।

পাঠ্যক্রম

[সম্পাদনা]

ইনস্টিটিউটের বর্তমান পাঠ্যক্রমে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) এবং বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) প্রোগ্রাম রয়েছে। বিশেষায়িত প্রধান ক্ষেত্রগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অপারেশন পরিচালনা, অ্যাকাউন্টিং, আর্থিক, বিপণন, মানবসম্পদ পরিচালনা এবং সরবরাহ চেইন পরিচালনা।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Army Institute of Business Administration"www.aibasylhet.edu.bd। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৭
  2. Independent, The। "Delivering education by the army"Delivering education by the army | theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৭
  3. AIBA Photographic Society। "On 20 October 2025, Army IBA Sylhet had the honour of welcoming the Chief of Army Staff, Bangladesh Army, General Waker-Uz-Zaman, for the inauguration of its new permanent campus."AIBA, Sylhet। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬