বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বর্তমানে বাংলাদেশে ৩১টি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে।[১]

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়। প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।

সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র[সম্পাদনা]

সিলেটের জকিগঞ্জে আবিষ্কার হওয়া গ্যাসক্ষেত্রে ৪৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আছে বলে পরীক্ষায় পাওয়া গিয়েছে। অর্থের হিসেবে ১২৭৬ কোটি টাকার গ্যাস আছে বলে মত দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

তালিকা[সম্পাদনা]

প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রসমূহ
ক্রম নাম আবিষ্কার অবস্থান আবিষ্কারক সংস্থা মোট মজুদ

(ট্রিলিয়ন ঘনফুট)

উত্তোলনযোগ্য মজুদ উত্তোলন
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র ১৯৫৫ সিলেট বার্মাওয়েল ০.৪৪৪ ০.২৬৬ ০.১৫৮
ছাতক গ্যাসক্ষেত্র ১৯৫৯ সুনামগঞ্জ বার্মাওয়েল ১.৯০০ ১.১৪০ ০.০২৯
রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬০ হবিগঞ্জ পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ২.২৪২ ১.৩০৯ ০.০৮০
কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬২ সিলেট পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ৩.৬৫৭ ২.৫২৯ ০.১০৮
৫। তিতাস গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬২ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ৪.১৩২ ২.১০০ ০.৩৫৩
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৩ হবিগঞ্জ পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ৩.৬৬৯ ১.৮৯৫ ০.৫৬৭
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৯ খাগড়াছড়ি ওজিডিসি ০.১৬৪ ০.০৯৮
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৯ কুমিল্লা পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১.৪৩২ ০.৮৬৭ ০.৫০১
কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র ১৯৭৭ কক্সবাজার ইউনিয়ন ওয়েল ০.৭৮০ ০.৪৬৮
১০ বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৭৭ নোয়াখালী পেট্রোবাংলা ০.০২৫ ০.০১৪
১১ বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র ১৯৮১ সিলেট পেট্রোবাংলা ০.২৪৩ ০.১১৩
১২ ফেনী গ্যাসক্ষেত্র ১৯৮১ ফেনী পেট্রোবাংলা ০.১৩২ ০.০৮০ ০.০৩৬
১৩ কামতা গ্যাসক্ষেত্র ১৯৮১ গাজীপুর পেট্রোবাংলা ০.৩২৫ ০.১৯৫ ০.০২১
১৪ জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৮৯ সিলেট সিমিটার ১.৫০০ ০.৯০০
১৫ ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৮৯ সিলেট পেট্রোবাংলা ০.৩৫০ ০.২১০
১৬ মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯০ নরসিংদী পেট্রোবাংলা ০.১৯৪ ০.১২৬ ০.০০৪
১৭ নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯০ নরসিংদী পেট্রোবাংলা ১৫৯ ১১১ ২৯.০৩
১৮ শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯৫ ভোলা বাপেক্স ০.৫০৪ ০.৩৩৩
১৯ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯৬ চট্টগ্রাম কেয়ার্ল এনার্জি ১.০৩১ ০.৮৪৮
২০ সালদা গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাপেক্স ০.২০০ ০.১৪০
২১ মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯৭ মৌলভীবাজার ইউনিকল ০.১৪৭ ০.১১০
২২ বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র ১৯৯৮ হবিগঞ্জ ইউনিকল ২.৪ ১.৭৭ ১.৭৭
২৩ লালমাই গ্যাসক্ষেত্র ২০০৫ কুমিল্লা ট্যাল্লো
২৪ ভাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্র ২০০৫ কুমিল্লা বাপেক্স ০.৪৫৭
২৫ সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্র ২০১১ নোয়াখালী বাপেক্স
২৬ সুনেত্র গ্যাসক্ষেত্র ২০১১ সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা বাপেক্স
২৭ শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র ২০১২ কুমিল্লা বাপেক্স
২৮ পাবনা গ্যাসক্ষেত্র ২০১৭ মোবারকপুর,সাঁথিয়া,পাবনা বাপেক্স
২৯ ভোলা উত্তর-১[২] ২০১৭ শাহবাজপুর, ভোলা বাপেক্স ১.৫
৩০ শ্রিকাইল পূর্ব-১ ২০২০ কুমিল্লা বাপেক্স ০.০৭১
৩১ জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র[১][৩][৪] ২০২১ আনন্দপুর, জকিগঞ্জ, সিলেট বাপেক্স ০.০৪৮ [৫][৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান!"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-২৫ 
  2. ভোলার শাহবাজপুরে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান। বণিকবার্তা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৮ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "নতুন গ্যাসক্ষেত্র হতে পারে জকিগঞ্জ"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-২৫ 
  4. "সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান"ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-২৫ 
  5. "সিলেটে মিলেছে নতুন গ্যাসক্ষেত্র, ছয় মাসের মধ্যে উত্তোলনের আশা"BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-১০ 
  6. "সিলেটের জকিগঞ্জে ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান"Jugantor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-১০