শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্র হচ্ছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র,[১] যা সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৭ সালের ৮ই ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিলাম কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সিলেটে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ১৮৪৯ সালে ব্রিটিশ হার্ডসন এই উপমহাদেশে প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠা করেন।[৩] বাংলাদেশের ছোট-বড় মিলিয়ে ১৬৪টি চা বাগানের মধ্যে শুধুমাত্র বৃহত্তর সিলেটেই রয়েছে ১৩৫টি চা-বাগান। যার মধ্যে ৯২টি বাগান শুধু মৌলভীবাজার এবং শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।[৪] তাছাড়া, সিলেট জেলায় ২০টি এবং হবিগঞ্জ জেলায় ২২টি চা বাগান রয়েছে।[৩] কিন্তু বৃহত্তর সিলেটের বাগানগুলোয় উৎপাদিত চা নিলামের জন্য নিয়ে যেতে হত চট্টগ্রামের নিলাম কেন্দ্রে। ফলে অনেক আগে থেকেই এখানে চা নিলাম কেন্দ্র চালুর দাবি করা হচ্ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান যে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে নির্মাণ করা হবে দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।[৫]

বার্ষিক উৎপাদন[সম্পাদনা]

সিলেট বিভাগের চারটির জেলার মধ্যে (মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সিলেট) তিনটিই চা উৎপাদনকারী জেলা।[৬] ২০১৬ সালের বার্ষিক চা উৎপাদন সূচক মোতাবেক, ৭০,০০০ ম্যাট্রিক টন মোট চা উৎপাদনের মধ্যে শুধুমাত্র বৃহত্তর সিলেটেই উৎপাদিত হয় ৬০,০০০ ম্যাট্রিক টন চা[৭] সিলেটে উৎপাদিত এই চায়ের ৭৫ শতাংশ জন্মেছিল শুধুমাত্র মৌলভীবাজারের বাগানগুলোতে।[৭]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "শ্রীমঙ্গলে চালু হল দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র"দৈনিক যুগান্তর। ২০১৭-১২-১০। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  2. "শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন"বাংলা ট্রিবিউন। ২০১৭-১২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  3. "সিলেটের চা শিল্পে নতুন সম্ভাবনা"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২০১৭-১০-১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  4. "৭০ বছর পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা নিলাম কেন্দ্র উদ্বোধন"। somoy tv। ২০১৭-১২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  5. "শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন"দৈনিক ইত্তেফাক। ২০১৭-১২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  6. "Bangladesh Tea Board"। Teaboard.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১ 
  7. "Sreemangal gets 2nd tea auction centre in country"The Dailystar। ২০১৭-১২-০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২১