ড্রিমল্যান্ড পার্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ড্রিমল্যান্ড এমিউজমেন্ট ও ওয়াটার পার্ক
Dreamland Amusement Park
ড্রিমল্যান্ড পার্কের প্রধান গেট
ইতিহাস
শুরু২০০২ (2002)
সভাস্থল
ড্রিমল্যান্ড পার্ক কার্যালয়
ওয়েবসাইট
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

ড্রিমল্যান্ড ওয়াটার পার্ক সিলেট শহর থেকে মাত্র কিলোমিটার ১৫ দূরে এই থিম পার্কটি সিলেট জকিগঞ্জ রোডে গোলাপগঞ্জ উপজেলার হিলালপুরে অবস্থিত। বিনোদনের জন্য এই পার্কে আছে নানান রাইড এবং আয়োজন। সব বয়সের মানুষের বিনোদনের জন্য পার্কটি উপযুক্ত বলা যায়। ১০০টাকার প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে প্রবেশ করতে পারবেন এই থিম পার্কে। পরিবার পরিজন এবং বন্ধুবান্ধব নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য উপযুক্ত একটি স্থান, সব বয়সের মানুষের বিনোদনের জন্য এখানে আছে বিভিন্ন রাইড।

অবস্থান[সম্পাদনা]

ড্রিমল্যান্ড সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের ৮ কিলোমিটার সামনে গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেলালপুরে অবস্থিত[১]। প্রায় ১০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ড্রিমল্যান্ড বিনোদন পার্কটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদন পার্ক। বিভিন্ন রাইডের পাশাপাশি ওয়াটার পার্কের কারনে এই পার্কটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। প্রকৃতিপ্রেমী যে কোন মানুষকে সন্তুষ্ট করতে এই পার্কটিতে সব রকমের ব্যাবস্থা রয়েছে। মানুষের চিত্তবিনোদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত এই পার্কটি সোমবার থেকে শনিবার সপ্তাহে ৬ দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

মোঘল ঐতিহ্যে নির্মিত হয়েছে এর প্রবেশদ্বার। বিনোদনের জন্য এই পার্কে আছে ২৫টি রাইড। সব বয়সের মানুষের বিনোদনের জন্য পার্কটি উপযুক্ত। এতে স্থাপন করা হয়েছে বৃহত্তম ওয়েবপুলসহ আন্তর্জাতিক মানের ৯টি ওয়াটার রাইড। রয়েছে গানের তালে তালে জলরাশির নৃত্য।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের হিলালপুর এলাকায় গড়ে ওঠা দেশের অন্যতম বিােদন পার্ক ড্রীমল্যান্ড। এটি প্রায় ৪০ বিঘা জমি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জানুয়ারী। পরবর্তী সময়ে আরো ৬০ বিঘা জমি যুক্ত হয় বৃহৎ এ বিনোদন পার্কে। পৃথিবীর বিভিন্ন মিউজিয়াম পার্কের মতো এখানেও রয়েছে পর্যটকদের বিনোদন দিতে নানা রকম আয়োজন।[২]

সিলেট-গোলাপগঞ্জ সড়কের পাশে গড়ে ওঠা ড্রীমল্যান্ড পার্কে পর্যটকদের জন্য রয়েছে বাম্পার কার, স্কাই ট্রেন, রোলার কোস্টার, মিউজিক্যাল ফাউন্টেইন, জায়ান্ট উটল, প্যারাট্রুপার, মিনি ট্রেন, সুইমিং বোর্ড, ডেঞ্জার হোন্ডার রাইড, নাইনডি মুভিসহ বিভিন্ন ধরনের ভিডিও গেমস।[৩]

ড্রীমল্যান্ড পার্কে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে রয়েছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা। গোলাপগঞ্জের ড্রীমল্যান্ড পার্ক সিলেটের মধ্যে অন্যতম পার্ক হওয়ায় প্রতিদিন এখানে দর্শনার্থীর ভিড় লেগেই থাকে। বিশেষ করে ঈদ, পূজা বা বিভিন্ন দিবসে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে মনোমুগ্ধকর বিভিন্ন আয়োজন। এ সময় নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।[৪]

প্রবেশ মূল্য[সম্পাদনা]

১০০ টাকার প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে প্রবেশ করতে পারবেন এই থিম পার্কে।

সময়সূচি[সম্পাদনা]

সপ্তাহের ৭ দিনই এই পার্ক খোলা থাকে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে।

যেভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

সিলেট শহর থেকে অটোরিকশা নিয়ে সোজা চলে যাওয়া যায় ড্রিমল্যান্ড থিম পার্কে। নিজস্ব গাড়ি বা ভাড়া গাড়ি নিয়েও যেতে পারেন এখানে। এছাড়াও কদমতলী পয়েন্ট থেকে লকাল বাস রয়েছে। ভাড়া- বাস- ১২/=, সিএনজি- ১৫/=, লেগুনা-১০/=

বিবরণ[সম্পাদনা]

সিলেটের বিশাল এলাকা নিয়ে নির্মিত প্রথম অত্যাধুনিক থিম পার্ক ড্রিমল্যান্ড । বিনোদনপ্রেমী মানুষের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে এটি। সুযোগ হলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন। স্বপ্নের মতোই মনে হবে পার্কটি। মোঘল ঐতিহ্যে নির্মিত হয়েছে এর প্রবেশদ্বার। বিনোদনের জন্য এই পার্কে আছে ২৫টি রাইড। সব বয়সের মানুষের বিনোদনের জন্য পার্কটি উপযুক্ত। এতে স্থাপন করা হয়েছে বৃহত্তম ওয়েবপুলসহ আন্তর্জাতিক মানের ৯টি ওয়াটার রাইড। রয়েছে গানের তালে তালে জলরাশির নৃত্য।[২]

যে সব রাইড আছে[সম্পাদনা]

  • Ferris Wheel
  • Merry Go Round
  • Sky Train
  • Video Games
  • Bumper Car
  • Bumper Boat
  • Musical Fountain
  • Roller Coaster
  • Game of Danger
  • Wave Pool
  • Typhoon Tunnel
  • Family slider
  • Kids Pool
  • Ramp Slider
  • Multi-Lane Slider

[৪]

পরিচালক[সম্পাদনা]

মনসুর হোসেন মুন্না[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]