আনোয়ারা বাহার চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আনোয়ারা বাহার চৌধুরী
জন্ম(১৯১৯-০২-১৩)১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯১৯
মৃত্যু২৭ অক্টোবর ১৯৮৭(1987-10-27) (বয়স ৬৮)
দাম্পত্য সঙ্গীহাবিবুল্লাহ বাহার চৌধুরী
সন্তানইকবাল বাহার চৌধুরী

আনোয়ারা বাহার চৌধুরী (জন্ম: ফেব্রুয়ারি ১৩, ১৯১৯ - মৃত্যু: অক্টোবর ২৭, ১৯৮৭ ) বাংলাদেশের একজন সমাজকর্মী এবং লেখিকা ছিলেন।

পটভূমি এবং শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

আনোয়ারা বাহার চৌধুরী তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় এ। এবং তিনি সেখান থেকে সফলতার সাথে ১৯৩৪ সালে এসএসসি পাস করেন। তিনি কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে তার উচ্চ মাধ্যমিক ও বিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজ, কলকাতা থেকে ১৯৪১ সালে সম্মান ডিগ্রি প্রাপ্ত হন।[১]

পেশা[সম্পাদনা]

আনোয়ারা বাহার চৌধুরী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মহিলা ব্রাবর্নি কলেজে বাংলা সাহিত্যে শিক্ষকতার পেশায় নিযুক্ত ছিলেন। তিনি আনজুমানে খাওয়াতে ইসলামের সেক্রেটারী ছিলেন যেটা বেগম রোকেয়ার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বিদ্যময়ী মহিলা উচ্চ বিদ্যালয়, কামরুন্নেসা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবং বাংলা বাজার মহিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৫ সালে তিনি মহিলা শিক্ষার উপরে বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব পান। তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিরও একজন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। যেটা ঢাকাতে তিনি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।[২]

তিনি একাধিক বই লিখেছেন। এর মধ্যে সব চেয়ে উল্লেখযোগ্য কবিতার বই হল আমার চেতনার রঙ

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তখনকার একজন রাজনীতিবিদ হাবিবুল্লাহ বাহার চৌধুরীর[৩] সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার তিন মেয়ে - সেলিনা বাহার জামান, নাসরিন সামস, তাজিন চৌধুরী এবং একমাত্র ছেলে ইকবাল বাহার চৌধুরী নিয়ে তার সংসার।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.thedailystar.net/star-weekend/remembrance/anwara-bahar-choudhury-73712
  2. "ইউল্যাবে আনোয়ারা বাহার চৌধুরীকে নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শনী"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  3. "The art of recitation: Then and now"দ্যা ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। মার্চ ৩, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১৬ 
  4. "ULAB screens documentary on Anwara Bahar Choudhury"দ্যা ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। মার্চ ১৬, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১৬