কেন্দুয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
কেন্দুয়া
উপজেলা
কেন্দুয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কেন্দুয়া
কেন্দুয়া
বাংলাদেশে কেন্দুয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৯′১″ উত্তর ৯০°৫০′৩৩″ পূর্ব / ২৪.৬৫০২৮° উত্তর ৯০.৮৪২৫০° পূর্ব / 24.65028; 90.84250স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৯′১″ উত্তর ৯০°৫০′৩৩″ পূর্ব / ২৪.৬৫০২৮° উত্তর ৯০.৮৪২৫০° পূর্ব / 24.65028; 90.84250 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
জেলা নেত্রকোনা জেলা
আয়তন
 • মোট ৩০৩.৬০ কিমি (১১৭.২২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩,১৪,৪৫০
 • ঘনত্ব ১০০০/কিমি (২৭০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

কেন্দুয়া উপজেলা বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে নেত্রকোনা সদর উপজেলাআটপাড়া উপজেলা, পূর্বে মদন উপজেলা, দক্ষিণে কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলা এবং ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা এবং পশ্চিমে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাগৌরীপুর উপজেলা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বর্তমান কেন্দুয়া পার্শ্ববর্তীকামরুপ রাজ্যের ইকলিম মোয়াজ্জমাবাদ পরে নাসিরুজ্জিয়াল পরগনাভূক্ত ছিল। সম্রাট আকবারের সময়কালে এ অঞ্চল সরকার বাজুহা নামে পরিচিত ছিল।

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত নেত্রকোণা জেলার দশটি থানার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী থানা এই কেন্দুয়া। ভৌগোলিক অবস্থার বিচারে কিশোরগঞ্জময়মনসিংহ জেলার সীমানাকে বুকে ধারণ করে নিজ জেলাসহ তিনটি জেলার ভাষা, কৃষ্টি, সভ্যতায় কেন্দুয়া আরও মহিমান্বিত হয়েছে। কেন্দুয়া নামকরণে ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী রোয়াইলবাড়ী ও জাফরপুরে অবস্থানরত শাসক ও সেনানীদের ঐতিহ্য রক্ষার্থে এবং গোগবাজারে প্রসিদ্ধ পাট ক্রয় কেন্দ্র গড়ে উঠায় বিদেশী ব্যবসায়ীদের আনন্দ ফুর্তির জন্য মুঘল যুগে দিল্লী-লক্ষ্ণৌ হতে বাঈজীরা এসে আজকের থানা সদর থেকে ১ কিঃমিঃ উত্তরে সবুজ গাঁয়ে বাসস্থান গড়ে তুলে। ফরাসীরা এ অঞ্চলে আগমণ করে-বাঈজীদের এ স্থানটিকে ‘কান্দওয়া’ বলে সম্বোধন করে। কান্দওয়া শব্দটি ফার্সী এবং এর বঙ্গার্থ সবুজ ভূমি, ‘ওয়া’ শব্দটি সম্বোধন শব্দ। সেই ফার্সী ‘কান্দওয়া’ থেকে উচ্চারণ বিভ্রাটে কেন্দুয়া নামের উদ্ভব। বাঈজীরা সঙ্গীত ও জলসায় আগত অতিথিদের সাথে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করত। পরবর্তীতে চুক্তির ফার্সী শব্দ ‘পুণ’ সংযোজিত হয়ে ‘পূণকান্দওয়া’ নামে স্থানটি পরিচিত হয়, যা থেকে আজকের পণ কেন্দুয়া গ্রামের উদ্ভব।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

নদী-নালা, খাল বিল, হাওড়, ঝিলে পূর্ণ কেন্দুয়ার প্রাকৃতি এ অঞ্চলের মানুষকের করেছে গায়ক, সাধক, কবি; ফলে এ অঞ্চলের মানুষের মুখেই সৃষ্টি হয়েছে জারী, সারি, ভাটিয়ালী, কবিগান, কিসসা, পালাগান, যাত্রা, ঢপযাত্রা, ঘাটুগান, গাজীর গান, ধামালী গীত, গাইনের গীত আরও বিভিন্ন ধরণের গান।

ভৌগোলিক তথ্য[সম্পাদনা]

সূতী সাইঢুলি নদী, কইজানী সিংগুয়া নদী, রাজী খাল, বগাজান বিল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য জলাভূমি।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

কেন্দুয়ার মোট জনসংখ্যা ৩,১৪,৪৫০ জন; যার মধ্যে পূরুষ ১,৬৪,৫৯৮ জন ও মহিলা ১,৪৯,৮৫২ জন।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • রোয়াইলবাড়ীর প্রাচীন দুর্গ, মসজিদ, কবর, সুরম্য অট্রালিকা, প্রাচিরের ধ্বংশাবশেষ - রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়ন;
  • খোঁজার দিঘি এবং ধ্বংস প্রাপ্ত মসজিদ, অট্টালিকা - জফরপুর;
  • প্রাচীন গান্ধার শিল্পের নিদর্শন ধ্বংস-প্রাপ্ত পঞ্চরত্ন মন্দির, কালিমন্দির ও বিশালায়তন দিঘি - দনাচাপুর।

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কেন্দুয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. www.dcnetrokona.gov.bd

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]