আলি খামেনেই
| সহত্ত্ব আয়তুল্লাহ্ সৈয়দ আলি খামেনেই علی حسینی خامنه سید علی خامنهای |
|
|---|---|
| আয়তুল্লাহ্ আলি খামেনেই ২০১০-এ। | |
| ইরানের ২য় (বর্তমান) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা | |
| দায়িত্ব | |
| অধিকৃত অফিস ৪ জুন ১৯৮৯ |
|
| রাষ্ট্রপতি | আকবর হাশেমি রাফসানজানি মোহাম্মাদ খাতামি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ হাসান রুহানি |
| প্রধানমন্ত্রী | মির হুসেইন মুসাভি |
| পূর্বসূরী | রুহুল্লাহ্ খামেনেই |
| ইরানের ৩য় রাষ্ট্রপতি | |
| কার্যালয়ে ১৩ অক্টোবর ১৯৮১ – ৩ আগস্ট ১৯৮৯ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | মোহাম্মাদ রেজা মাহাভি কানি মির হুসেইন মুসাভি |
| সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা | রুহুল্লাহ্ খামেনেই |
| পূর্বসূরী | মোহাম্মাদ আলি রাজাজি |
| উত্তরসূরী | আকবর হাশেমি রাফসানজানি |
| ইসলামিক রিপাবলিক পার্টির প্রধান | |
| কার্যালয়ে ১৫ জুলাই ১৯৮১ – ১৫ মে ১৯৮৭ |
|
| Deputy | মির হুসেইন মুসাভি |
| পূর্বসূরী | মোহাম্মদ জাভেদ বাহোনার |
| উত্তরসূরী | দল ভেঙ্গে দেয়া হয় |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | সাইয়েদ আলি হুসেইন খামেনেই ১৭ জুলাই ১৯৩৯ মাসহাদ, ইরান |
| রাজনৈতিক দল | জামেয়ি রোওহানিয়েত মবারেয (১৯৭৭–বর্তমান) |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল |
ইসলামিক রিপাবলিক পার্টি (১৯৭৯–১৯৮৭) |
| সন্তান | মোজতাবা মোস্তফা মাসুদ মেয়সাম হোদা বুসরা |
| ধর্ম | শিয়া ইসলাম |
| স্বাক্ষর | |
| ওয়েবসাইট | ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট |
সাইয়েদ আলি হুসেইন খামেনেই (ফার্সি: علی حسینی خامنه ای, আজারবাইজানি: سید علی حسینی خامنهای /ছেইয়েদ এলি খেমেনেই , [ʔæˈliː hoseiˈniː xɒːmeneˈʔiː] (
শুনুন); জন্ম ১৭ জুলাই ১৯৩৯) [১] ইরানের বর্তমান (২য়) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা [২] এবং ইরানের এককোটি শিয়া সম্প্রদায়ের আধ্যাত্নিক নেতা।[২][৩] ১৩ অক্টোবর ১৯৮১ থেকে ৩ আগস্ট ১৯৮৯ পর্যন্ত তিনি ইরানের ৩য় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ফোর্বস সাময়িকী ২০১২ সালে তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ২১ জনের মধ্যে স্থান দেয়। [৪]
হুসেইন আলি খামেনেই ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ায় তিনি দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যাক্তি।[৫][৬] খামেনেই ১৯৮১-এর জুন মাসে একটি হত্যাচেষ্টার শিকার হন, তিনি সেখান থেকে বেঁচে গেলেও ডান হাতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। [৭][৮] খামেনেই পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে ফতোয়া জারি করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ও ব্যাবহার করা ইসলাম অনুযায়ী নিষিদ্ধ।[৯]
পরিচ্ছেদসমূহ
প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]
আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলি খামেনেই ১৯৩৯ সালের ১৫ জুলাই মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। খামেনেইর সাইয়েদ খেতাব ধারণ করেন যা সরাসরি বংশানুক্রমে ইসলামের শেষ খলিফা আলি ইবনে আবু তালিব হতে পাওয়া। খামেনেইর পূর্বপুরুষদের বেশিরভাগই বর্তমান ইরানের তাফরেজ থেকে আগত এবং তারা দেশান্তরিত হয়ে তাব্রিযে বসবাস শুরু করে।[১০] তার বাবা ছিলেন সাইয়েদ জাভাদ খামেনেই এবং মা খাদিজা মিরদামাদি।[১][১১][১২] তিনি তার মা-বাবার আট সন্তানের মধ্যে খামেনেই দ্বিতীয়, এর মধ্যে তার দুই ভাই-ই যাজক। তার ছোট ভাই হাদি খামেনেই একটি ইরানি সংবাদপত্রের সম্পাদক ও যাজক। [১৩]
প্রথম বয়সে খামেনেই তার গুরুদের কাছে যেমন; শেইখ হাশেম কযভিনি এবং আয়াতুল্লাহ মিলানির কাছে ধর্মশিক্ষায় দীক্ষিত হন। ১৯৫৭-এ মাশহাদ ত্যাগ করে তিনি বর্তমান ইরাকের শহর নাজাফের উদ্দেশে যান।[১৪] কিছু দিন নাজাফে থাকার পর তিনি কুমে বসবাস শুরু করেন। যেখানে তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত ইসলামী সামরিক একাডেমিতে ধর্মতত্ত্ব শিখেন। এই সময় তার সতীর্থ ছিলেন রুহুল্লাহ খামেনেই। এরপরে তিনি ১৯৬৩ সালে ইসলামিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত হন এবং এর জন্য তিনি কারাবরণ করেন। আলি খামেনেই সোভিয়েত ইউনিয়নের পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অফ রাশিয়া থেকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন,[১৫][১৬][১৭] যদিও এই বিষয়ে তার ওয়েবসাইটে কোনও কিছু উল্লেখ নেই।[১৮]
সাহিত্য পাণ্ডিত্য[সম্পাদনা]
অন্যান্য রাষ্ট্রনায়কদের চেয়ে খামেনেইর সাহিত্য অনুরাগ একটু বেশিই বলা চলে। খামেনেই খুবই শুদ্ধ ভাষায় আরবি বলতে পারেন[১৯] এবং তার মাতৃভাষা হচ্ছে ফার্সি। তিনি ফার্সিতে একধিক আরবি বই অনুবাদ করেছেন, এর মধ্যে বিখ্যাত মিশরীয় ইসলামিক চিন্তাবিদ সাইয়াদ কুতুবের কাজও রয়েছে। তিনি তার বাবার মাতৃভাষা আজারবাইজানি ভাষাতেও মোটামুটি শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারেন [২০] এবং কিছুটা ইংরেজি বুঝেন।[২১]
রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]
১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর, তিনি পর পর সংস্কার কমিশিনের সদস্য, উপ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, সংস্কার রক্ষী বাহিনীর সেনাপতি, তেহরানের ইসলামী ধর্মীয় নেতা, ইসলামী সংসদের স্পীকার ও সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা কমিশনে খোমেইনির প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন।
সাইয়দ খমেনেই ইরানী বিপ্লব চলাকালীন সময়ে রুহুল্লাহ খামেনির ঘনিষ্ঠ এবং বিপ্লবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি ছিলেন। তিনি খোমেইনির নেতৃত্বে রাজা রেজা শাহ পাহলবির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযানে অংশ নেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি বহুবার গ্রেফতার করা হন। ১৯৭৮ সালে তিনি বিদেশে আশ্রয় নেন।
১৯৮১-র জুন মাসে খুব কাছ থেকে হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা থেকে পালাতে সক্ষম হন, যখন তিনি সংবাদ সম্মেলন করছিলেন কাছাকাছি থাকা একটি টেপরেকর্ডার বোমা তার পাশে বিস্ফোরিত হয়। এর জন্য তার মূল্য দিতে হয়। তিনি তার ডান হাতের কার্যক্ষমতা সারাজীবনের জন্য স্থাহীভাবে হারান।[২২]
| প্রার্থী | ভোট | % |
|---|---|---|
| সাইয়েদ আলি হুসেইন খামেনেই | ১,৬০,০৩,২৪২ | ৯৫.০২% |
| আলী আকবর পারভারেস | ৩,৪২,৬০০ | ২.০৩% |
| হাসান গৌফিরাদ | ৭৮,৫৫৯ | ০.৪৭% |
| রেজা জাভেরি | ৬২,১৩৩ | ০.৩৭% |
| ফাঁকা অথবা অকার্যকর ভোট | ৩,৫৬,২৬৬ | ২.১২% |
| মোট | ১,৬৮,৪১,৮০০ |
১৯৮১-তে মোহাম্মাদ আলি রাজাজি হত্যার পর, ঐ বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ইরানের ৩য় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আলি খামেনেই ব্যাপক ব্যাবধানে ধর্মীয় নেতা হিসেবে জয়লাভ করেন।এই নির্বাচনে ইরানের ৯৫ শতাংশের উপরে অর্থাৎ ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তাকে ভোট দেয়। রুহুল্লাহ খামেনেই চেয়েছিলেন ধর্মীয় নেতাদের রাষ্ট্রপতি পদ থেকে আলাদা রাখতে, পরে অবশ্য তার মত বদলাতে হয়।
খামেনেই তার দেশ ইরানকে ১৯৮০র দশকে সংঘটিত হওয়া ইরান-ইরাক যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হন। এই যুদ্ধে সাদ্দাম হোসেনের ইরাক বর্তমান ও পূর্বের পরাশক্তিগুলোর সমর্থন পেলেও কৌশলগত দিক থেকে তারা ইরানের কাছে পরাজয় বরণ করে।
আলি খামেনেই রহুল্লাহ্ খামেনেইর উত্তরসূরি হিসেবে রুহুল্লাহ্ খামেনেই মারা যাওয়ার পর ১৯৮৯-র ৪ জুন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পরমাণু ক্ষমতা[সম্পাদনা]
খামেনেই পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে ফতোয়া জারি করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাবহার ইসলাম মোতাবেক নিষিদ্ধ। ইরানের পরমাণু কার্যক্রম বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিতর্কের অংশ। ইসরায়েল ও ইসরায়েলরপন্থী কিছু পশ্চিমা দেশের অভিযোগ যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে অন্যদিকে ইরানের দাবি তাদের লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন। যুক্তরাষ্ট্র ও কিছু পশ্চিমা দেশ তাদের দাবি এখন পর্যন্ত পুরো প্রমাণ করতে সক্ষম না হওয়াতেও ইরানের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে রেখেছে।
দেশীয় নীতি[সম্পাদনা]
অনেকের মতে খামেনেই রক্ষণশীল ইরানের প্রতিষ্ঠাতা। খামেনেই দেশটির সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। ইরানের বিচার বিভাগ এবং জাতীয় রেডিও ও টেলিভিশনের প্রধান।
খামেনেই পারমাণবিক ব্যাবহার সম্পর্কে বলেন যে; তিনি বেসামরিক কাজে পারমাণবিক পদক্ষেপে বিশ্বাসী, কারণ “তেল আর গ্যাস চিরকাল মজুদে থাকতে পারে না।” [২৩][২৪]
৩০ এপ্রিল ২০০৮ সাইয়েদ আলি খামেনেই আহমাদিনেজাদের অর্থনৈতিক নীতি সমর্থন দিয়ে বলেন; পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক “সঙ্কট” ইরনের চেয়ে বেশি ঘনীভূত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ প্রতিনিয়ত মুদ্রাস্ফীতিসহ আরও অনেক বাণিজ্যিক সমস্যার সাথে লড়াই করছে।[২৫][২৬][২৭][২৮]
বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি[সম্পাদনা]
খামেনেই ইরানের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির অন্যতম সহায়কারী ও সমর্থক। তিনি অন্যতম প্রথম ধর্মীয় নেতা যারা বিভিন্ন জৈবিক গবেষণা অনুমোদন ও সমর্থন দেন। [২৯][৩০] ২০০৪ সালে খামেনেই বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন সেই দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের উপর নির্ভর করে।
মানবাধিকার[সম্পাদনা]
মানবাধিকারকে ইসলামী শিক্ষার মূল বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন আলি খামেনেই। তিনি বলেন ইসলামী মানবাধিকার বেঁচে থকার অধিকার দেয়, স্বাধীনতার অধিকার দেয় এবং ন্যায়বিচার পাবার অধিকার দেয়। তিনি পশ্চিমাদের কঠোর সমলোচনা করেন যারা ইসলামী গণতন্ত্রকে জনগণের উপর অর্থনৈতিক অত্যাচার আর স্বৈরশাসন হিসেবে আক্ষা দেয়।[৩১]
পররাষ্ট্র নীতি[সম্পাদনা]
ইরানের পররাষ্ট্র নীতি সাধারণত খামেনেইর সরাসরি সম্পৃক্ততা বা অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈদেশিক নীতি[সম্পাদনা]
২০০৬ সালের মাসে সাইয়াদ আলী খামেনেই বলেন, ইরান পারস্য উপসাগর থেকে শক্তি চালানে ব্যাহত করবে (বিশ্বের দৈনিক ২০ শতাংশের অধিক জ্বালানী তেলের সরবরাহ আসে ইরানী উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি থেকে [৩২]) এর ফলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্মুখহীন হতে পারে, তিনি অনড় থেকে বলেন তেহরান তার পরমাণু জ্বালানী তৈরির অধিকার থেকে সড়ে আসবে না।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭-এ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই (রমযান মাসের প্রথম শুক্রবারের জুম্মার নামাযের সময়) বলেন, ইরাকে হামলার জন্য তিনি জর্জ বুশ এবং আমেরিকান কর্মকর্তাদের “দায়ী” উল্লেখ করে তিনি বলেন আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে বিচারের চেষ্টার করা হবে।[৩৩] তিনি আরও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক হামলার পর “অন্ধ সন্ত্রাসী কার্যকলাপের” জন্য দায়ী করেন।[৩৪] তিনি দাবি করেন যে ইরাকের নিরাপত্তাহীনতার মূল কারণ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলেন।
২০০৯ সালের ২১শে মার্চ মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা দুই চিরায়ত শত্রু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক প্রবৃত্তি শুরু করার প্রস্তাব পাস করেন। খামেনেই এ সম্পর্কে বলেন যে আমেরিকার কথা পরিবর্তনই শুধু যথেষ্ট নয় এবং যুক্ত করেন; “আমরা দেখব এবং বিচার করব (নতুন মার্কিন প্রশাসনকে).........তারা পরিবর্তন হলে আমরাও আমদের মনোভাব পরিবর্তন করব।” [৩৫]
২০১১ সালের জুন মাসে খামেনেই মার্কিন সরকারকে সন্ত্রাসবাদী বলে অভিযুক্ত করেন এবং সন্ত্রাসবাদের আমেরিকান সংজ্ঞা বাতিল করে দেন। তিনি উদ্ধৃত করে বলেন “মার্কিন এবং ইউরোপিও সরকারগুলো স্বাধীন রাষ্ট্র ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়া ফিলিস্তিনিদের সন্ত্রাসবাদী বলে অভিহিত করে।” [৩৬]
জুন ২০১২-তে তিনি আবারও বলেন “ঘৃণা করি পশ্চিমাদের।”[৩৭]
৯/১১ হামলার নিন্দা[সম্পাদনা]
সেপ্টেম্বর ১১, ২০০১ এর হামলার পর খামেনেই এই কাজের ও জড়িতদের নিন্দা জানান এবং সারা পৃথিবীর সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করেন। কিন্তু এই ঘটনার জন্য আফগানিস্তানে সামরিক হস্তক্ষেপের ব্যাপারে জোড়ালভাবে সতর্ক করেন।[৩৮] তিনি এই বিষয়ে উদ্ধৃত করে বলেন, “গণহত্যার মতো ধ্বংসাত্মক কাজ যেখানেই করা হোক না কেন বা যার দ্বারাই অপরাধ সংঘটিত হোক না কেন এবং যারাই এর শিকার হোক না কেন সারা পৃথিবী জুড়েই এটি নিন্দনীয়।” [৩৮]
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নিয়ে অবস্থান[সম্পাদনা]
২০০০ সালের ১৫-ই ডিসেম্বর সাইয়াদ আলী হুসেইন খামেনেই বলেন, “ক্ষতিকর টিউমার রাষ্ট্র (ইসরায়েল) এই অঞ্চল থেকে এই অঞ্চল থেকে অপসারণ করা উচিৎ।”[৩৯] ঐ অনুষ্ঠানেই তিনি একটি প্রস্তাব পেশ করে বলেন “ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ফিরে আসা উচিৎ এবং মুসলমান, খৃষ্টান ও ইহুদীরা (অভিবাসী ইহুদী ব্যাতিত) ঠিক করে তাদের নিজেদের জন্য একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।” "[৪০]
ব্যাক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]
thumbnail|সামরিক জীবনের সময়ে আয়াতুল্লাহ খামেনেই ব্যাক্তিগত জিবনে আলি খামেনেই খামেনেই ছয় সন্তানের পিতা।[৪১] তার এক পুত্র মোজতাবা বিয়ে করে গোলাম আলী হাদ্দাদ আদেলের মেয়েকে।[৪২] খামেনেই বলেছেন তিনি মাঝেমাঝে আমেরিকান সাময়িকী যেমন টাইম ও নিউজউইক পড়ে থাকেন।[৪৩]
চিত্রসম্ভার[সম্পাদনা]
-
Mohammad-Ali Rajai 1981.jpg
২৭ জুন ১৯৮১ মোহাম্মাদ আলি রাজাজি খামেনেইকে হত্যাচেষ্টার পর হাসপাতালে দেখতে আসেনে।
-
Khamenei in battlefield.jpg
খামেনেই ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়।
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ "The Office of the Leader, Sayyid Ali Khamenei" (ইংরেজি ভাষায়)। Leader। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ ২.০ ২.১ "Iran" (ইংরেজি ভাষায়)। State। ২৩ জুলাই ২০১০। ১৯ আগস্ট ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ২১ আগস্ট ২০১০।
- ↑ "Profile: Ayatollah Seyed Ali Khamenei"। বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৮ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "The World’s Most Powerful People"। ফোর্বস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Profile: Iran's 'unremarkable' supreme leader Khamenei"। বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ আগস্ট ২০১১।
- ↑ Ganji, Akbar, "The Latter-Day Sultan: Power and Politics in Iran", Foreign Affairs, November December 2008
- ↑ Khamenei has kept a low profile Agence France Presse,২০ জুন ২০০৯. Retrieved 24 September 2009.[[বিষয়শ্রেণী:অকার্যকর বহিঃসংযোগ সহ নিবন্ধ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ থেকে]][অকার্যকর সংযোগ]]]
- ↑ Maziar Bahari (৬ এপ্রিল ২০০৭)। "How Khamenei Keeps Control"। Newsweek (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ অক্টোবর ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০।
- ↑ "An Iran option the US prefers to ignore"। Asia Times (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মার্চ ২০০৬। সংগৃহীত ২০০৯-১৭-২৮।
- ↑ http://www.shia-online.ir/article.asp?id=17262&cat=1 (ফার্সি ভাষায়)
- ↑ Akbar Hashemi Rafsanjani। "پیام تسلیت هاشمی به آیتالله خامنهای/ اعلام برنامه وزرای کشاورزی و نیرو به هاشمی" (ফার্সি ভাষায়)।
- ↑ Eternal Iran, in 1721. Patrick Clawson, 2005, ISBN 1-4039-6276-6, p.5.
- ↑ Robin Wright, The Last Great Revolution: Turmoil and Transformation in Iran, Alfred A. Knopf, 2000 (ইংরেজি ভাষায়)
- ↑ "Historic Personalities of Iran: Seyed Ali Khamenei" (ইংরেজি ভাষায়)। Iran Chamber। ১১ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ http://www.youtube.com/watch?v=bN_oEJEp9Ro&feature=player_embedded
- ↑ Garver, John W (২০০৬)। China And Iran: Ancient Partners in a Post-Imperial World (ইংরেজি ভাষায়)। University of Washington Press। পৃ: ১০০। আইএসবিএন 978-0-295-98631-9। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Berman, Ilan (২০০৫)। Tehran Rising: Iran's Challenge to the United States। Maryland: Rowman & Littlefield। পৃ: ১২। আইএসবিএন 978-0-7425-4904-3।
- ↑ |http://english.khamenei.ir//index.php?option=com_content&task=view&id=57&Itemid=20
- ↑ "Khamenei sermon in Arabic"। Irannegah.com। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Khamenei speaking Azeri about poetry" (ইংরেজি ভাষায়)। Irannegah। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ Khamenei, Ali. "The History of Palestine and Its Occupation," Tehran Friday prayer sermons, 18 December 1999. Published 4 March 2008, Khamenei.ir – the Supreme Leader Seyed Ali Khamenei's official website. Retrieved 6 April 2009 Citation in the sixth paragraph from his speech: "In some American magazines and "Newsweek" – which I sometimes read" <http://english.khamenei.ir//index.php?option=com_content&task=view&id=702&Itemid=13 (ইংরেজি ভাষায়)>
- ↑ "Meet 'The Decider' of Tehran. It's Not the Hothead You Expect", Nasr, Vali, commentary article, Outlook section, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, 9 December 2007, page B01, Retrieved 9 December 2007 (ইংরেজি ভাষায়)
- ↑ "Khamenei: Iran's Nuclear Program Important to Nation's Future"। Voice of America। আসল থেকে ৩ এপ্রিল ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Iran says will not halt uranium enrichment | International" (ইংরেজি ভাষায়)। Reuters। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৭। ১৯ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Iran leader defends government handling of economy | Reuters"। Reuters। ৩০ এপ্রিল ২০০৮। ২১ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Middle East Online" (ইংরেজি ভাষায়)। Middle East Online। ৩০ এপ্রিল ২০০৮। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Iranians turn threats into opportunities: Leader"। তেহরান টাইমস। ১ মে ২০০৮। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Irna" (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ Barnard, Anne (২২ আগস্ট ২০০৬)। "Iran looks to science as source of pride – The Boston Globe"। Boston Globe। ২৬ মে ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Science over ethics? – Channel 4 News" (ইংরেজি ভাষায়)। Channel 4। ৮ মার্চ]] ২০০৬। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।[[বিষয়শ্রেণী:অকার্যকর বহিঃসংযোগ সহ নিবন্ধ সেপ্টেম্বর ২০১০ থেকে]][অকার্যকর সংযোগ]]]
- ↑ Human Rights in Islam, Islamic Republic of Iran Broadcasting, 31 January 1997. Retrieved 8 January 2007 (ইংরেজি ভাষায়).
- ↑ "Iran Will Close Strait of Hormuz If Attacked, Fars Reports" (ইংরেজি ভাষায়)। LiveLeak Liveleak.com। ৭ জুলাই ২০০৮। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ Karimi, Nasser (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Iran leader: Bush will be tried"। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Imam Khamenei: US trying to save Israel" (ইংরেজি ভাষায়)। Liveleak.com। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ "Iran sees no change in U.S. policy: Khamenei | International" (ইংরেজি ভাষায়)। Reuters। ২১ মার্চ ২০০৯। সংগৃহীত ১৯ জুন ২০০৯।
- ↑ http://winnipeg.ctv.ca/servlet/an/local/CTVNews/20110625/iran-leader-khamenei-accuses-us-terrorism-110626/20110625/?hub=WinnipegHome (ইংরেজি ভাষায়)
- ↑ "Khamenei threatens Israel with 'lightning' revenge" 4 Jun 2012, South Africa Mail&Guardian (ইংরেজি ভাষায়)
- ↑ ৩৮.০ ৩৮.১ BBC News, Middle East, Iran condemns attacks on US, 17 September 2001 (ইংরেজি ভাষায়)
- ↑ Richter, Elihu D.; Alex Barnea (২০০৯-এর গ্রীষ্ম)। "Tehran's Genocidal Incitement against Israel"। The Middle East Quarterly (ইংরেজি ভাষায়) XVI (3): 49–51। সংগৃহীত ১৪ আগস্ট ২০১৩।
|coauthors=প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Iran leader urges destruction of 'cancerous' Israel"। সিএনএন (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০০ সালের ১৫-ই ডিসেম্বর। ৭ এপ্রিল ২০০৭-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০০৭।
- ↑ "Ayatollah Khamenei" (ইংরেজি ভাষায়)। NNDB। ৪ জুন ১৯৮৯। ১৮ জুন ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Mehrzad Boroujerdi; Kourosh Rahimkhani। "Iran's Political Elite"। United States Institute of Peace (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৩০ জুলাই ২০১৩।
|coauthors=প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Khamenei, Ali. "The History of Palestine and Its Occupation," Tehran Friday prayer sermons,১৮ ডিসেম্বর ১৯৯৯. প্রকাশিত ৪ মার্চ ২০০৮, Khamenei.ir. সংগৃহীত হয়েছে: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ (ইংরেজি ভাষায়) <http://english.khamenei.ir//index.php?option=com_content&task=view&id=702&Itemid=13>
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
|
Ali Khamenei সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে
উইকিপিডিয়ার সহপ্রকল্পগুলোতে অনুসন্ধান করে দেখুন |
|
| উইকিঅভিধান হতে সংজ্ঞা | |
| উইকিসংবাদ হতে সংবাদ | |
| উইকিসংকলন হতে সংকলন লিপি | |
| কমন্স হতে মিডিয়া | |
| উইকিবই হতে পাঠ্যবই | |
| উইকিবিশ্ববিদ্যালয় হতে শিক্ষা উপকরণ | |
- দাপ্তরিক
- মিডিয়া
- C-SPAN-তে উপস্থিতি
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে আলি খামেনেই
- "Profile: Ayatollah Ali Khamenei"। BBC News। ১৭ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১০।
- আল জাজিরা ইংরেজিতে আলি খামেনেই সংগৃহীত সংবাদ ও মন্তব্য।
- আলি খামেনেই দ্যা গার্ডিয়ান-এর সংবাদ ও ধারাভাষ্যের সংগ্রহশালা।
- আলি খামেনেই collected news and commentary at The Jerusalem Post
- আলি খামেনেই - দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় সংবাদ ও প্রবন্ধের সংগ্রহ
- আলি খামেনেই এর কাজ — ওয়ার্ল্ডক্যাটের লাইব্রেরি ক্যাটালগ
- ভিডিও
- আয়তুল্লাহ্ আলি খামেনেইর ভিডিও সংকলন
- Ayatollah Khamenei in the city of Ardabil reading different poems in Azerbaijani language about Imam Hussein and events in Karbala.
|
||||||||
|
||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||
|