মুহাম্মাদ আসাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহাম্মাদ আসাদ
محمد أسد
জন্ম(১৯০০-০৭-০২)২ জুলাই ১৯০০
লেম্বার্গ, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি (বর্তমান লিভিভ,ইউক্রেন)
মৃত্যু২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২(1992-02-20) (বয়স ৯১)
মাইজাজ, স্পেন[১]
জাতীয়তাঅস্ট্রিয়ান[২]
পাকিস্তানী [৩]
অঞ্চলমধ্যপ্রাচ্য,পাকিস্থান
পেশাভাষাবিজ্ঞান, শিক্ষাবিদ, ভ্রমণকারী,ঐতিহাসিক
মূল আগ্রহইসলাম শিক্ষা, ইসলামি গনতন্ত্র, মুসলিম বিশ্ব
কুরআন
উল্লেখযোগ্য ধারণাইসলামি রাষ্ট্র[৪]
ইজতিহাদ[৫]
লক্ষণীয় কাজThe Message of Quran, মক্কার পথ[৬]
শিক্ষায়তনভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় (ঝরে পরেন ১৯২০ সালে)

মুহাম্মাদ আসাদ (উচ্চারিত [ˈmoʊ̯hämæd ˈæsæd] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন), আরবি: محمد أسد‎‎ /muħammad ʔasad/, উর্দু: محمد أسد‎‎, জন্ম লিওপোল্ড ওয়েসিস; ১২ জুলাই ১৯০০[১৮] – ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২[১৯][২০]) ছিলেন একজন ভাষাবিজ্ঞান, শিক্ষাবিদ, ভ্রমণকারী,ঐতিহাসিক, সাংবাদিক ও ইসলামি পন্ডিত।[৫] তিনি ২০ শতকের ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী মুসলিম।[২১]

তের বছর বয়সে সে হিব্রু এবং আরামায়িক অনর্গল কথা বলার দক্ষতা অর্জন করেন, এমনকি তার মাতৃ ভাষা জার্মান ও পোলিশ থেকেও ।[২২][২৩] ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময়ে তিনি ইংরেজি, ফরাসী, ফার্সি এবং আরবিতে পড়তে এবং লিখতে পারতেন।[২৪][২৫]মেন্ডেটরি প্যালেস্টাইন ওয়েইস, চেইম ওয়েজমানের মতো ইহুদিবাদী নেতাদের সাথে তর্ক-বিতর্কে জড়িত হয়ে ইহুদিবাদ আন্দোলনের কিছু দিক সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল।[২৬] সাংবাদিক হিসাবে আরব বিশ্ব জুড়ে ভ্রমণ করার পরে, তিনি ১৯২৬ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং "মুহাম্মদ আসাদ" নামটি গ্রহণ করেন-যেখানে আসাদ তার মূল নাম লিও (সিংহ) এর আরবি।[২৭]

সৌদি আরব অবস্থানকালে তিনি বেদুইনদের সাথে সময় কাটাতেন এবং রাষ্ট্রটির প্রতিষ্ঠাতা ইবনে সৌদের ঘনিষ্ঠতা ছিল। তিনি ইখওয়ান বিদ্রোহের জন্য অর্থের উত্সগুলি সন্ধান করার জন্য ইবনে সৌদের একটি গোপন মিশনও পরিচালনা করেছিলেন। এই ক্রিয়াকলাপগুলির কারণে, তাকে একটি Haaretz নিবন্ধে "আরবের লিওপল্ড" হিসাবে অভিহিত করা হয় যা লরেন্স অব আরব সাথে তা মিল রয়েছে।[২৩] ভারত সফরে আসাদ মুসলিম কবি-দার্শনিক মুহাম্মদ ইকবালের সাথে বন্ধুত্ব হয়, যিনি তাকে তাঁর ভ্রমণগুলি ত্যাগ করতে এবং "ভবিষ্যতের ইসলামী রাষ্ট্রের বুদ্ধিবৃতিক চর্চায় সহায়তা করার" জন্য প্ররোচিত করেন।[২৮]

পাশ্চাত্যে আসাদ তাঁর সর্বাধিক বিক্রিত আত্মজীবনী মক্কার পথ দিয়ে লেখক হিসাবে সুনাম অর্জন করেন।[২৯][৩০] তারপর সতেরো বছর গবেষণার পরে তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠ কাজ: কোরআনের বার্তা বা The Message of the Qur'an নামে কুরআনের একটি ইংরেজি অনুবাদ এবং কুরআনের তাফসির প্রকাশ করেন।[৩১] পিকথল ও ইউসুফ আলীর অনুবাদ সহ বইটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী অনুবাদ হিসাবে বিবেচিত।[৩০] তিনি ধর্মীয় গ্রন্থসমূহের ব্যাখ্যায় ইজতিহাদযৌক্তিকতার প্রবল প্রবক্তা। তিনি তাঁর রচনাগুলি "যারা চিন্তাভাবনা করেন" তাদের উদ্দেশ্যে উত্সর্গ করেছিলেন।[৩২] ২০০৮ সালে, ভিয়েনায় জাতিসংঘ অফিসের প্রবেশদ্বারটিতে তাঁর কাজের স্মরণে মোহাম্মদ আসাদ প্ল্যাটজ নামকরণ করা হয় এবং "ধর্মীয় সেতু নির্মাতা" হিসাবে বর্ণনা করা হয়।[৩৩] আসাদকে তাঁর জীবনীবিদরা "ইসলামের প্রতি ইউরোপের উপহার" এবং "ইসলাম ও পাশ্চাত্যের মধ্যস্থতাকারী" হিসাবে বর্ণনা করেছেন।[৩৪][৩৫]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

The Berliner Gedenktafel (বার্লিন) তার জন্য স্মৃতিফলক

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

তিনি ১৯০০ সালের ২ জুলাই তৎকালীন লেম্বার্গ, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি (বর্তমান লিভিভ,ইউক্রেন) জন্মগ্রহণ করেন। ওয়েইস ছিলেন ইহুদি রাব্বাইের দীর্ঘ প্রজন্মের বংশধর; তবে তার বাবা আকিভা ওয়েইস ঐতিহ্য থেকে বিরত হয়ে আইনজীবী হয়েছিলেন। লিওপল্ড ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন এবং অল্প বয়স থেকেই হিব্রু ভাষায় দক্ষ ছিলেন, পাশাপাশি আরামাইকের সাথেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ইহুদি বাইবেল বা তানাখ, তালমুদ, মিশনা এবং গেমারার পাঠ্য এবং ভাষ্যগুলি অধ্যয়ন করেছিলেন এবং বাইবেলের অনুচ্ছেদে এবং তারগমের জটিলতাও উপভোগ করেছেন।

চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি স্কুল ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে একটি মিথ্যা নামে অস্ট্রিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।  একসপ্তাহ বা তার পরে, তার বাবা পুলিশর সহায়তায় তাকে সন্ধান করেন এবং তাকে ভিয়েনায় ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।[৩৬]

ভবঘুরে জীবন (১৯২০–১৯২২)[সম্পাদনা]

ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করার পরে, ১৯২০ সালের দিকে ওয়েইস উদ্দেশহীন যাত্রা শুরু করে, অভিব্যক্তিবাদী চলচ্চিত্র পরিচালক ফ্রেটজ ল্যাং (এফ. ডব্লিউ. মুরনাউ, দ্য রোড টু মক্কা অনুসারে) এর জন্য কিছুদিন কাজ করেছিলেন।  তার নিজের পক্ষ থেকে, যৌথভাবে লিখিত চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট বিক্রি করার টাকা দিয়ে বার্লিনের ব্যয়বহুল রেস্তোঁরায় একটি পার্টি দিয়েছিলেন। বার্লিনে একটি আমেরিকান বার্তা সংস্থার টেলিফোন অপারেটর হিসাবে কাজ করার সময়, ওয়েইস রাশিয়ান লেখক ম্যাক্সিম গোর্কির স্ত্রীর আকাঙ্ক্ষিত সাক্ষাত্কার তাঁর প্রথম প্রকাশিত সাংবাদিকতার অংশ হিসাবে পেয়েছিলেন।[৩৭]

মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান (১৯২২–১৯২৬)[সম্পাদনা]

১৯২২ সালে ওয়েইস তাঁর মামা ডরিয়ান ফিগেনবাউমের আমন্ত্রণে প্যালেস্টাইনের ব্রিটিশ ম্যান্ডেটে চলে আসেন তার বাড়ি জেরুজালেমে অবস্থান করে।  ফিগেনবাউম ছিলেন মনোবিজ্ঞানী, ফ্রয়েডের শিষ্য এবং পরবর্তীতে Psychoanalytic Quarterly সাময়িকী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ফ্র্যাঙ্কফুর্টার জেইতুংয়ের বিদেশি সংবাদদাতা[সম্পাদনা]

তিনি ফ্রিল্যান্স ভিত্তিতে নিবন্ধ বিক্রি করত জার্মানি ও ইউরোপের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সংবাদপত্র ফ্র্যাঙ্কফুর্টার জেইতুং-র পক্ষে কাজ করেন।  তার কাজগুলো থেকে জায়নবাদী প্রকল্পের বিরুদ্ধে আরবদের ভয় এবং অভিযোগগুলি বোঝার জন্য উল্লেখযোগ্য ।  তিনি ১৯২৪ সালে এই বিষয়ে একটি ছোট বই প্রকাশ করেছিলেন এবং এটি ফ্রাঙ্কফুর্টার জাইতুংয়ের আত্মবিশ্বাসকে এতটাই অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে যে এটি একটি পূর্ণ-স্কেল বইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করার জন্য আরও বিস্তৃতভাবে ভ্রমণ করার নির্দেশ দেয়।  ওয়েইস এই ট্রিপটি করেছিলেন, যা দুই বছর স্থায়ী হয়েছিল।

গ্রন্থপুঞ্জ[সম্পাদনা]

আসাদকে চিত্রায়ন[সম্পাদনা]

প্রামাণ্যচিত্র:

নিবন্ধনে:

  • Goldman, Shalom. "Leopold Weiss, the Jew Who Helped Invent the Modern Islamic State", Tablet on-line magazine, July 1, 2016.

বইয়ে:

  1. Hasan, Pipip Ahmad Rifai (১৯৯৮)। The Political Thought of Muhammad Asad। Concordia University। 
  2. Windhager, Günther (২০০২)। Leopold Weiss alias Muhammad Asad : Von Galizien nach Arabien 1900–1927 (German)আইএসবিএন 978-3-205-99393-3 
  3. Butler-Bowdon, Tom (২০০৫)। 50 spiritual classics : Timeless Wisdom from 50 Great Books on Inner Discovery, Enlightenment and Purpose। London: Nicholas Brealey। আইএসবিএন 1-85788-349-7 
  4. Halilović, Safvet (২০০৬)। Islam i Zapad u perspektivi Asadovog mišljenja (Bosnian ভাষায়)। আইএসবিএন 978-9958-9229-2-3 
  5. Chaghatai, M. Ikram (২০০৬)। Muhammad Asad : Europe's gift to Islamআইএসবিএন 978-969-35-1852-8 
  6. Andrabi, Abroo Aman (২০০৭)। Muhammad Asad : His Contribution to Islamic Learningআইএসবিএন 978-81-7898-589-3। ১৩ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৩ 
  7. Wolfe, Michael (২০০৭)। One Thousand Roads to Mecca: Ten Centuries of Travelers Writing about the Muslim Pilgrimageবিনামূল্যে নিবন্ধন প্রয়োজন। New York: Grove Press। আইএসবিএন 978-0-8021-3599-5 
  8. Sherif, M. A. (২০০৯)। Why An Islamic State: The Life Projects of Two Great European Muslimsআইএসবিএন 978-967-5062-39-1। ২৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৩ 
  9. Hoenger, Tobias (২০১০)। Muhammad Asad: A Mediator Between the Islamic and the Western Worldআইএসবিএন 978-3-640-78219-2 
  10. Schlosser, Dominik (২০১৫)। Lebensgesetz und Vergemeinschaftungsform: Muhammad Asad (1900–1992) und sein Islamverständnis (German)আইএসবিএন 978-3-86893-182-2 

সাময়িকীত :

সাহিত্যে আসাদের কাজ[সম্পাদনা]

বই[সম্পাদনা]

  1. Unromantisches Morgenland: Aus dem Tagebuch einer Reise (১৯২৪), German, তাঁর প্রাক্তন নাম লিওপল্ড ওয়েইসের অধীনে প্রকাশিত। এই বইটিতে মধ্য-প্রাচ্যের বর্ণনা রয়েছে, যা তাঁর ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে লেখা হয়েছিল এবং জার্মান ভাষী পাঠকদের জন্য

The Unromantic Orient (২০০৪), এলমা রুথ হার্ডের ইংরেজিতে অনুবাদ করা

  1. ইসলাম এট ক্রসরোড (১৯৩৪), মুসলমানদের পশ্চিমা সমাজের অনুকরণ এড়াতে এবং পরিবর্তে ইংরেজিতে লিখিত মূল ইসলামিক ঐতিহ্যের দিকে ফিরে আসার আহ্বান
  2. মক্কার পথ (1954), ১৯০০ থেকে ১৯৩২ পর্যন্ত তাঁর আত্মজীবনী।
  3. কোরআনের বার্তা (১৯৮০),কুরআনের তাফসির
  4. সহীহ আল বুখারী: ইসলামের প্রথম বছরগুলো (1981), হাদিস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ, অনুবাদ এবং ব্যাখ্যা
  5. This Law of Ours and Other Essays (1987), collection of essays about Islamic law.
  6. Home-Coming Of The Heart (1932–1992). Part II of the Road to Mecca (2016), Al Abbas International, আইএসবিএন ৯৬৯-৮৪৬০-৪১-১.
  7. মেডিটেশন (অপ্রকাশিত), তাঁর অনুবাদ কোরআনের বার্তা (১৯৮০) থেকে উদ্ভূত অস্পষ্টতা স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে[৪০][৪১]
  8. দি স্পিরিট অব ইসলাম[৪২]

সাময়িকী[সম্পাদনা]

সাক্ষাৎকার[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

উৎস[সম্পাদনা]

Asad, Muhammad (২০০৪)। The Unromantic Orient। Kuala Lumpur: Islamic Book Trust। আইএসবিএন 978-983-9154-61-0 
Asad, Muhammad (২০০০)। The principles of state and government in Islam. ([New ed.] সংস্করণ)। Kuala Lumpur: Islamic Book Trust। আইএসবিএন 978-983-9154-09-2 
Asad, Muhammad (২০০০)। This Law of Ours and Other Essays (1. malaysian ed., 2. repr. সংস্করণ)। Kuala Lumpur: Islamic Book Trust। আইএসবিএন 978-983-9154-10-8 
Asad, Muhammad (১৯৯৯)। Islam at the Crossroads। Kuala Lumpur: Other Press। আইএসবিএন 978-983-9541-04-5 
Asad, Muhammad (১৯৮০)। The Road to Mecca (4th rev. সংস্করণ)। Louisville, KY: Fons Vitae। আইএসবিএন 978-1-887752-37-4 
Sherif, M. A. (২০০৯)। Why An Islamic State: The Life Projects of Two Great European Muslimsআইএসবিএন 978-967-5062-39-1। ২৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৩ 
Chaghatai, M. Ikram (২০০৬)। Muhammad Asad : Europe's gift to Islamআইএসবিএন 978-969-35-1852-8 
Andrabi, Abroo Aman (২০০৭)। Muhammad Asad : His Contribution to Islamic Learningআইএসবিএন 978-81-7898-589-3। ১৩ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৩ 
Hoenger, Tobias (২০১০)। Muhammad Asad: A Mediator Between the Islamic and the Western Worldআইএসবিএন 978-3-640-78219-2 
Windhager, Günther (২০০২)। Leopold Weiss alias Muhammad Asad : Von Galizien nach Arabien 1900 – 1927আইএসবিএন 978-3-205-99393-3 
Hasan, Pipip Ahmad Rifai (১৯৯৮)। The Political Thought of Muhammad Asad। Concordia University। 
Halilović, Safvet (২০০৬)। Islam i Zapad u perspektivi Asadovog mišljenja (Bosnian ভাষায়)। আইএসবিএন 978-9958-9229-2-3 
Fatah, Tarek (২০০৮)। Chasing a Mirage: The Tragic Illusion of an Islamic Stateআইএসবিএন 978-0-470-84116-7 
Butler-Bowdon, Tom (২০০৫)। 50 spiritual classics : Timeless Wisdom from 50 Great Books on Inner Discovery, Enlightenment and Purpose। London: Nicholas Brealey। আইএসবিএন 1-85788-349-7 
Wolfe, Michael (২০০৭)। One Thousand Roads to Mecca: Ten Centuries of Travelers Writing about the Muslim Pilgrimageবিনামূল্যে নিবন্ধন প্রয়োজন। New York: Grove Press। আইএসবিএন 978-0-8021-3599-5 
Asad, Muḥammad (২০০৯)। Muḥammad Asad Banda-e-Sehrai (Urdu ভাষায়)। Lahore: The Truth Society। আইএসবিএন 978-969-9363-00-9 
Harder, Elma Ruth (১৯৯৮)। "Muhammad Asad and 'The Road To Mecca': Text of Muhammad Asad's Interview with Karl Günter Simon"। Islamic Studies37 (4): 533–544। আইএসএসএন 0578-8072জেস্টোর 20837016 
Nawwab, Ismail Ibrahim (২০০০)। "A Matter of Love: Muhammad Asad and Islam"। Islamic Studies39 (2): 155–231। আইএসএসএন 0578-8072জেস্টোর 23076101 
Hofmann, Murad (২০০০)। "Muhammad Asad: Europ's Gift to Islam"। Islamic Studies39 (2): 233–247। আইএসএসএন 0578-8072জেস্টোর 23076102 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cug̲h̲tāʼī, Muḥammad Ikrām (2006) Muhammad Asad: Europe's Gift to Islam, Volume 1 Lahore: The Truth Society. page i & page 373. আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৯-৩৫-১৮৫২-৮
  2. "Muhammad Asad: A Jewish Lawrence of Arabia" 
  3. "Mohammad Asad"islamicencyclopedia.org। ইসলামিক এনসাইক্লোপিডিয়া। 
  4. Mirage, পৃ. 10।
  5. "Muhammad Asad's Journey into Islam"। ১৬ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 
  6. "মক্কার পথ"pathagar.com 
  7. "Salaam.co.uk's biography of Asad" 
  8. "Remembering Muhammad Asad, the West's gift to Islam" [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  9. "Renaissance.com.pk – From Leopold Weiss to Muhammad Asad"। ৩১ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  10. "Martin Kramer's research on Asad" 
  11. "Muhammad Asad Between Religion and Politics"। ২৯ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৩ 
  12. "Arabic Article"। ২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  13. "Huffington Post article" 
  14. "Tariq Ramadan's tribute to Muhammad Asad"। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  15. Khan, Imran (২০১১)। Pakistan: A Personal History। পৃষ্ঠা 53। 
  16. "Maryam Jameelah – Islamic Encyclopedia" 
  17. "Express Tribune on Maryam Jameelah" 
  18. "Muhammad Asad — a Pak-Saudi envoy"। ১২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  19. Windhager, Günther (2002). Leopold Weiss alias Muhammad Asad: Von Galizien nach Arabien 1900–1927 (in German). আইএসবিএন ৯৭৮-৩-২০৫-৯৯৩৯৩-৩. p. 203
  20. Vos, Pieter (২০১৪-১০-১৬)। The Law of God: Exploring God and Civilization (ইংরেজি ভাষায়)। BRILL। পৃষ্ঠা 32। আইএসবিএন 978-90-04-28184-4 
  21. "Leopold Weiss alias Muhammad Asad: Von Galizien nach Arabien 1900–1927" (PDF)। ৬ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  22. Harder, Elma Ruth (১৯৯৮)। "MUHAMMAD ASAD AND "THE ROAD TO MECCA": Text of Muhammad Asad's Interview with Karl Günter Simon"। Islamic Studies: 536। জেস্টোর 20837016 
  23. "Leopold of Arabia" 
  24. Asad, Muhammad, 1900-1992. (২০০০)। The road to Mecca (4th rev. ed সংস্করণ)। Louisville, KY: Fons Vitae। পৃষ্ঠা ৪৯। আইএসবিএন 1-887752-37-4ওসিএলসি 47776870 
  25. Asad, Muhammad (২০০৯)। Muḥammad Asad Banda-e-Sehrai (উর্দু ভাষায়)। Dī Ṭrūth Sosāʼiṭī। আইএসবিএন 978-969-9363-00-9 
  26. "Leopold of Arabia"Haaretz (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০১-১১-১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  27. "The unusual journey of Muhammad Asad" 
  28. "Muhammad Asad– The First Citizen of Pakistan"www.allamaiqbal.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  29. "A Road to Mecca"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  30. "Islamic studies journal of the Islamic Research Institute of Pakistan."Islamic studies journal of the Islamic Research Institute of Pakistan. (English ভাষায়)। আইএসএসএন 0578-8072ওসিএলসি 891514484 
  31. "Issues in Islam: Muhammad Asad Visionary Islamic Scholar"Washington Report on Middle East Affairs (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  32. "A Tribute Muhammad Asad | IRF"web.archive.org। ২০১৩-১১-১০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  33. "Austrian Times"www.austriantimes.at। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩০ 
  34. Hoenger, Tobias. (২০১০)। Muhammad Asad: a mediator between the Islamic and the Western world An interreligious discourse। München: GRIN Verlag GmbH। আইএসবিএন 978-3-640-78219-2ওসিএলসি 725410770 
  35. Muhammad Asad : Europe's gift to Islam। Cug̲h̲tāʼī, Muḥammad Ikrām.। Lahore: The Truth Society। ২০০৬। আইএসবিএন 969-35-1852-7ওসিএলসি 71348989 
  36. Road, পৃ. 56।
  37. "Muhammad Asad (1900-1992CE) مُحَمَّد أسد"islamicencyclopedia.org। Islamic Pedia। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-১৬ 
  38. "A Road to Mecca"www.aljazeera.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-১৬ 
  39. "Mischief Films site" 
  40. Banda-e-Sehrai, পৃ. 19।
  41. "IN MEMORIAM: Muhammad Asad – An Intellectual Giant" 
  42. Hofmann, পৃ. 238।