বিষয়বস্তুতে চলুন

ইসলাম ও গণতন্ত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ইসলামি গণতন্ত্র থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ইসলাম ও গণতন্ত্র এই দুটি শব্দের সম্পর্ক নিয়ে ইসলামী রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, সাধারণ মুসলিম জনগণ এবং পশ্চিমা লেখকদের মধ্যে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত আছে।

অনেক মুসলিম পণ্ডিত যুক্তি দেন যে, শুরা (পরামর্শসভা), মাসলাহাত (জনস্বার্থ) এবং আদল (ন্যায়বিচার) এর মতো ঐতিহ্যবাহী ইসলামী ধারণাগুলি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে ন্যায্যতা দেয় যা পশ্চিমা গণতন্ত্রের অনুরূপ, কিন্তু পশ্চিমা উদারনৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তে ইসলামী মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে।অন্য অনেকে বহুত্ববাদ ও চিন্তার স্বাধীনতার উপর ভিত্তি করে ইসলামী রাজনীতির উদার গণতান্ত্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন।[] কিছু মুসলিম চিন্তাবিদ ইসলামের ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থন করেন।[]

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যায় যে, সাধারণ মুসলিম জনগণের মধ্যেও গণতন্ত্র সম্পর্কে বিভিন্ন মনোভাব বিদ্যমান। মুসলিম বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ধর্মীয় গণতন্ত্র চায়, যেখানে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও মূল্যবোধ ইসলামের মূল্যবোধ ও নীতিগুলির সাথে সহাবস্থান করতে পারে এবং তারা এই দুইয়ের মধ্যে কোনো বিরোধ দেখেন না।[][][]

ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ধারণা

[সম্পাদনা]

কুরআন

[সম্পাদনা]

মুসলিম গণতন্ত্রপন্থীরা, যেমন আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুতের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আহমাদ মুসাল্লি যুক্তি দেন যে, কুরআনের বিভিন্ন ধারণা কোনো না কোনোভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে নির্দেশ করে, অথবা অন্তত স্বৈরতন্ত্র থেকে দূরে থাকার বার্তা দেয়। এই ধারণাগুলোর মধ্যে রয়েছে শুরা (পরামর্শ), ইজমা (ঐক্যমত্য), আল-হুররিয়াহ (স্বাধীনতা), আল-হুকুক আল-শরিয়াহ (বৈধ অধিকার)।উদাহরণস্বরূপ, শুরা (আল ইমরান – কোরআন ৩:১৫৯, আশ-শূরা – কোরআন ৪২:৩৮) এর মধ্যে সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব ও শাসন করার জন্য নেতা নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তাই জনগণের দ্বারা সরকার ইসলামী শাসনের সাথে অপরিহার্যভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যেখানে এও যুক্তি দেওয়া হয় যে, কোনো ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের শাসন এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধির শাসন এক নয়। তবে, এই দৃষ্টিভঙ্গিটি আরও ঐতিহ্যবাহী মুসলমানদের দ্বারা বিতর্কিত। মুসাল্লি বলেন, স্বৈরতান্ত্রিক ইসলামী শাসকরা কুরআনের বিভিন্ন ধারণাকে নিজেদের স্বার্থে অপব্যবহার করেছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “শূরা, যা মূলত সরকারের কার্যক্রমে সমাজের অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়, বাস্তবে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অভিজাতদের দ্বারা এমনভাবে বিকৃত করা হয়েছে যা তাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করেছে, অথচ সমাজের অন্যান্য অংশের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছে” (প্রগ্রেসিভ মুসলিমস, ২০০৩)।

সুন্নী ইসলাম

[সম্পাদনা]

খলিফায়েতের আলোচনাগুলি, বিশেষত রশিদুন খিলাফত, আধুনিক অর্থে গণতান্ত্রিক ছিল না, বরং সিদ্ধান্তের ক্ষমতা মুহাম্মাদ এর উল্লেখযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য সঙ্গীদের কাউন্সিল এবং বিভিন্ন উপজাতির প্রতিনিধির (তাদের বেশিরভাগ নির্বাচিত বা নির্বাচিত হয়েছিল তাদের নিজ জাতি কর্তৃক)। এটা অনেক জাতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার মতোই দেখা যায়।[]

বাংলাদেশী ইসলামী পণ্ডিত খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর বলেন,

সার্বভৌমত্ব মানে মালিকানা। এটা সহজ যে সার্বভৌম মানে মালিক। যেমন আমি এই জমির মালিক যা সত্য। আমি এখানে দালান তৈরি করতে পারি, ভেঙ্গে ফেলতে পারি, পার্টিশন করতে পারি, বিক্রি করতে পারি। এই মালিকানা আমার আছে। আবার এই জমি আল্লাহর। এটাও সত্য। আর আসল কথা হল, ইসলামের মতে এই জমি দিয়ে আমি অনেক কিছু করতে পারি, কিন্তু এখানে পতিতালয় বানাতে পারি না। মানুষের মালিকানা সীমিত; আল্লাহর মালিকানা অন্য সকল সার্বভৌমত্বের উপর সর্বোচ্চ। আমার মালিকানা পার্থিব, এবং যদি আমি তা আল্লাহর মালিকানার উপর রাখি তবে আমি আল্লাহর কাছে অপরাধী হব। একই সাথে, জনগণই দেশের মালিক, এটি একটি সহজ কথা। যারা বলেন, জনগণকে সার্বভৌম বলা ইসলাম বিরোধী এবং তারাই সকল ক্ষমতার উৎস, আমি তাদের সাথে একমত নই। এখানে ক্ষমতা বলতে ঝড়-বৃষ্টি বা রোগ-ব্যাধির ক্ষমতা বোঝায় না, এর মানে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা। এই ক্ষমতা আসলে মানুষের। ইসলামে জনগণের সম্মতিতেই ক্ষমতা অর্জিত হবে। একটি সমাজে যদি জনগোষ্ঠীর প্রধানরা সম্মতি দেয় এবং জনগণ তাতে সম্মত হয়, এটা ঠিক আছে, এটাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র ইসলামে জনগণের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব বাধ্যতামূলক। তাই জনগণই রাষ্ট্রের মালিক এবং জনগণই ক্ষমতার উৎস ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। তবে কেউ যদি মনে করে এই মালিকানা মানে যে কেউ যে কোন কিছু করতে পারে; হারামকে (নিষিদ্ধ) হালাল (বৈধ), এবং হালালকে হারাম, তাহলে স্পষ্টতই এটা ইসলাম বিরোধী।(২ এপ্রিল ২০১৪)[]

আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর তার হাদিসের নামে জালিয়াতি বইতে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ইসলামপন্থী দলগুলোর অংশগ্রহণ সম্পর্কে বলেন,

হাদীসের নামে মিথ্যা বলার একটি প্রকরণ হলো, অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদ না করে অনুবাদের সাথে নিজের মনমত কিছু সংযোগ করা বা কিছু বাদ দিয়ে অনুবাদ করা। অথবা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা বলেছেন তার ব্যাখ্যাকে হাদীসের অংশ বানিয়ে দেয়া। আমাদের সমাজে আমরা প্রায় সকলেই এ অপরাধে লিপ্ত রয়েছি। আত্মশুদ্ধি, পীর-মুরিদী, দাওয়াত-তাবলীগ, রাজনীতিসহ মতভেদীয় বিভিন্ন মাসআলা-মাসাইল-এর জন্য আমরা প্রত্যেক দলের ও মতের মানুষ কুরআন ও হাদীস থেকে দলীল প্রদান করি। এরূপ দলীল প্রদান খুবই স্বাভাবিক কর্ম ও ঈমানের দাবি। তবে সাধারণত আমরা আমাদের এ ব্যাখ্যাকেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে চালাই। যেমন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন, কিন্তু প্রচলিত অর্থে ‘দলীয় রাজনীতি’ করেন নি, অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের মত কিছু করেন নি। বর্তমানে গণতান্ত্রিক ‘রাজনীতি’ করছেন অনেক আলিম। ন্যায়ের আদেশ, অন্যায়ের নিষেধ বা ইকামতে দীনের একটি নতুন পদ্ধতি হিসেবে একে গ্রহণ করা হয়। তবে যদি আমরা বলি যে, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাজনীতি করেছেন’, তবে শ্রোতা বা পাঠক ‘রাজনীতি’র প্রচলিত অর্থ, অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কথাই বুঝবেন। আর এ রাজনীতি তিনি করেন নি। ফলে এভাবে তাঁর নামে মিথ্যা বলা হবে। এজন্য আমাদের উচিত তিনি কী করেছেন ও বলেছেন এবং আমরা কি ব্যাখ্যা করছি তা পৃথকভাবে বলা।[][][১০]

সালাফি দৃষ্টিভঙ্গি

[সম্পাদনা]

সালাফি আলেমগণ গণতন্ত্রকে হারাম বলে মত দেন,[১১] কিন্তু ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য গণতন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসার ও ভোট দেওয়ার সুযোগকে বৈধতা দেন[১২] এবং দুই খারাপের মাঝখানে উত্তমকে বেছে নেওয়ার জন্য ভোট দেওয়াকে উৎসাহিত করেন, এসব আলেমদের মধ্যে রয়েছেন শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বায, শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে উসাইমিন, আব্দুল্লাহ আল-গুদাইয়্যান, আব্দুল্লাহ কুয়ুদ, আব্দুর রাজ্জাক আফিফি, সৌদি আরবের বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমগণঃ গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ আশ-শাইখ, শায়খ আবদুল মুহসিন আল-আবাদ, শায়খ ওয়াসিউল্লাহ আব্বাস এবং সৌদি আরবের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমদের ফতোয়া প্যানেল, "ইসলামী গবেষণা ও ফতোয়া জারি করার জন্য স্থায়ী কমিটি", সকলেই মুসলমানদের ভোট দিতে উৎসাহিত করার অনুরূপ আহ্বানের প্রতিধ্বনি করেছেন।[১৩]

ফাহাদ বিন সালিহ আল আজলান তার মুহারররার ফী সিয়াসাতুশ শারিয়াহ গ্রন্থে বলেন, ইসলামে নির্বাচন পদ্ধতি বৈধ তবে তা প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নয়, এতে রাজনৈতিক পদপ্রার্থীদের অবশ্যই মুসলিম ও পুরুষ হতে হবে, ভোটারও মুসলিম ও পুরুষ হতে হবে, নারী ও অমুসলিম শূরায় অংশ নিতে পারবে কিন্তু ভোট দিতে পারবে না; রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার সময়সীমাও নির্ধারিত থাকতে পারে, তবে তা ফরজ নয়, বরং জায়েজ।[১৪] তিনি আরও বলেন, ইসলামী রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিধান হলো ব্যক্তি তার নিজস্ব ঈমান ঠিক রাখার পর যদি অতিরিক্ত হিসেবে সাধ্যমত রাজনৈতিক সংস্কারের সামর্থ রাখে, তবে সেক্ষেত্রে সেটি উৎসাহিত করা হয়েছে, নচেৎ তাতে অংশগ্রণ করা হারাম বলে গণ্য হবে। আর এমন বিষয়ে সংস্কার করতে হবে, যা আগে থেকে বিদ্যমান ছিল, যাতে সংস্কার ও মাসলাহাতের সুযোগ রয়েছে, তবে মাসলাহাতের নামে নতুন কোন হারাম বা বিদআত তৈরি করা যাবে না; আর এমন বিষয়বস্তুতে অংশগ্রহণ করা যাবে না যা সম্পূর্ণ হারাম, যেমন সুদ, মাদক উৎপাদন ইত্যাদি।[১৪]

ইসলামি দল ও সংস্থা

[সম্পাদনা]
Country or scopeMovement/s
আন্তর্জাতিক
 বাহরাইন
 বাংলাদেশ
 মিশর
 ফিনল্যান্ডফিনিশ ইসলামিক পার্টি
 ভারত
 ইন্দোনেশিয়া
 ইরান
 ইরাক
 IsraelRa'am
 JordanIslamic Action Front[২০]
 কুয়েতHadas
 লেবানন
 লিবিয়া
 মালয়েশিয়াUnited Malays National Organisation[৩০][৩১]

Malaysian United Indigenous Party

 Maldives
 মরোক্কোJustice and Development Party[৩২][৩৩]
 পাকিস্তান
 ফিলিস্তিন
 ফিলিপাইন
 রুয়ান্ডাIslamic Democratic Party
 সুদানNational Umma Party Sudan
 সোমালিয়াPeace and Development Party
 সিরিয়াMuslim Brotherhood of Syria[৩৮][৩৯][৪০]
 তাজিকিস্তানIslamic Renaissance Party of Tajikistan[৪১]
 Turkey
 ইয়েমেন

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; OEIW নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. Esposito, John L.। "Rethinking Islam and Secularism" (পিডিএফ)। Association of Religion Data Archives। পৃ. ১৩–১৫। ২৯ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১৯
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; polls নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; pew নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; gallup নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. Sultan, Sohaib N. (২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৪)। "Forming an Islamic Democracy"IslamOnline.net। ১ অক্টোবর ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  7. Islam, Md Nazrul; Islam, Md Saidul (২০ মার্চ ২০২০)। Islam and Democracy in South Asia: The Case of Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। Springer Nature। পৃ. ৮৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-০৩০-৪২৯০৯-৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২
  8. http://www.hadithbd.com/books/link/?id=4644
  9. জাহাঙ্গীর, প্রফেসর ড খন্দকার আ ন ম আব্দুল্লাহ (সেপ্টেম্বর ২০১০)। হাদীসের নামে জালিয়াতি: প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা - বাংলা - প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (পিডিএফ) (৪র্থ সংস্করণ)। ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স। পৃ. ৮৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২২
  10. জাহাঙ্গীর, খোন্দকার আব্দুল্লাহ (এপ্রিল ২০১৭)। হাদীসের নামে জালিয়াতি: প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা (৫ম সংস্করণ)। ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স। পৃ. ১৮৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯০০৫৩-৩-৯ {{বই উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর জন্য |ইউআরএল= প্রয়োজন (সাহায্য)
  11. "ইসলামের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র - ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব"ইসলামকিউএ. ইনফো। ২২ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২২
  12. "গণতন্ত্র ও নির্বাচনের হুকুম এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করা - ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব"ইসলামকিউএ.ইনফো। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২২
  13. "Scholars Urge Western Muslims to Vote: Saudi Arabia"Muslim World Journal। ৫ মে ২০১৫। ১০ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২২ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: |প্রথমাংশ1= এর জন্য |প্রথমাংশ1= অনুপস্থিত (সাহায্য)
  14. 1 2 العجلان, فهد صالح (১ জুন ২০২২)। المحرر في السياسة الشرعية (আরবি ভাষায়)। آفاق المعرفة للنشر। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  15. Guide to Bahrain's politics – 4 Sep 2008. Ambassador Ereli, US Embassy, Bahrain/Wikileaks/The Guardian
  16. Islamists Win 75% of Seats in the Egyptian Parliament The New York Times.
  17. Evans, Kevin R (2003). The history of political parties & general elections in Indonesia. Jakarta:Arise Consultancies.
  18. Schwarz, Adam (১৯৯৪)। A Nation in Waiting: Indonesia in the 1990s। Allen & Unwin। পৃ. ১৭২আইএসবিএন ০-৫২১-৭৭৩২৬-১
  19. Dhume, Sadanand. (December 1, 2005). Indonesian Democracy’s Enemy Within. Yale Global.
  20. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; atimes.com নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  21. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; meforum.org নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  22. "Muslim Brotherhood formally launches party"Libya Herald। ৩ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১২
  23. Soguel, Dominique (মার্চ ৩, ২০১২)। "Muslim Brother picked to lead new Libya party"Times of India। Tripoli। Agence France-Presse। জুলাই ১, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৮, ২০১২
  24. Beaumont, Peter (৩ ডিসেম্বর ২০১১), "Political Islam poised to dominate the new world bequeathed by Arab spring", The Guardian, সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১২
  25. "Islamists' Growing Sway Raises Questions for Libya"। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১২
  26. Spencer, Richard (১৯ নভেম্বর ২০১১), "Libyan cleric announces new party on lines of 'moderate' Islamic democracy", The Telegraph, সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১২
  27. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Haimzadeh নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  28. Grant, George (১ জুলাই ২০১২), "Party Profile: The National Forces Alliance", Libya Herald
  29. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (পিডিএফ)। ১১ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  30. UMNO Online. UMNO's Constitution: Goal 3.5. From:"Archived copy"। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক)
  31. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; ReferenceA নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  32. Chen, Cherice (২৫ নভেম্বর ২০১১)। "Morocco votes in first election since protests; Islamist party eyes victory"Taiwan News। ২৭ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১১
  33. Alami, Aida (২৫ নভেম্বর ২০১১)। "Moroccans Vote in Election Marking Shift of Power From King"Bloomberg Businessweek। ২৭ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১১
  34. Sidrah Moiz Khan "Pakistan's creation pointless if it fails to become Islamic welfare state" "Imran Khan said on Wednesday that Pakistan’s creation had been pointless if the country fails to become an Islamic welfare state" 27 June 2012.
  35. Marcus Michaelsen "Pakistan's dream catcher" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ মে ২০১২ তারিখে "Iqbal's work has influenced Imran Khan in his deliberations on an "Islamic social state" 27 March 2012.
  36. "Frequently Asked Questions About Hamas"। Abcnews.go.com। ৬ জানুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১১
  37. Syria’s Muslim Brotherhood is gaining influence over anti-Assad revolt By Liz Sly, Washington Post 12 May 2012
  38. Khaled Yacoub Oweis "Syria's Muslim Brotherhood rise from the ashes," ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে Reuters (6 May 2012).
  39. "Syria Muslim Brotherhood Issues Post-Assad State-for-All Commitment Charter," ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে ikhwanweb.com (The Muslim Brotherhood’s Official English web site) (7 April 2012).
  40. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; ReferenceB নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  41. "AKP explains charter changes, slams foreign descriptions"Hürriyet Daily News। Istanbul। ২৮ মার্চ ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৪In the Western press, when the AK Party administration, the ruling party of the Turkish Republic, is being named, unfortunately most of the time 'Islamic,' 'Islamist,' 'mildly Islamist,' 'Islamic-oriented,' 'Islamic-leaning,' 'Islamic-based' or 'with an Islamic agenda,' and similar language is being used. These characterizations do not reflect the truth, and they sadden us," Çelik said. "Yes, the AK Party is a conservative democratic party. The AK Party's conservatism is limited to moral and social issues.

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]