আহমদ রেজা খান বেরলভী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আহমদ রেজা খান বেরলভী
ﺍﺣﻤﺪ ﺭﺿﺎ ﺧﺎﻥ ﺑﺮﯾﻠﻮﯼ
Imamahmedrazakhan.png
উপাধি
  • আলা হজরত
  • ইমামে আহলে সুন্নত
ব্যক্তিগত
জন্ম(১৮৫৬-০৬-১৪)১৪ জুন ১৮৫৬[১]
বেরেলি, উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু২৮ অক্টোবর ১৯২১(1921-10-28) (বয়স ৬৫)
সমাধিস্থলদরগাহ-এ-আলা হযরত, বেরেলি, উত্তর প্রদেশ, ভারত
ধর্মইসলাম
জাতীয়তাভারতীয়
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারতীয়
যুগআধুনিক যুগ
অঞ্চলদক্ষিণ এশিয়া
আখ্যাসুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্রহানাফি[২]
ধর্মীয় মতবিশ্বাসমাতুরিদি
আন্দোলনবেরলভী
প্রধান আগ্রহইসলামি ধর্মতত্ত্ব, তাফসীর, হাদিসশাস্ত্র, কালামশাস্ত্র, ফিকহশাস্ত্র, উসুল আল-ফিকহ, আকীদা, হানাফি মাজহাব, উর্দু কাব্য, তাসাউফ
তরিকাকাদেরিয়া
চিশতি
সোহরাওয়ার্দিয়া
নকশবন্দিয়া
মুসলিম নেতা
উত্তরসূরীহামিদ রেজা খান
ওয়েবসাইটhttp://imamahmadraza.net
http://www.raza.org.za
http://www.alahazrat.net
http://www.irshad-ul-islam.com

আহমদ রেজা খান বেরলভী (উর্দু: ﺍﺣﻤﺪ ﺭﺿﺎ ﺧﺎﻥ ﺑﺮﯾﻠﻮﯼ‎‎; হিন্দি: अहमद रज़ा खान; ১৪ জুন ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দ বা ১০ সাওয়াল ১২৭২ হিজরি — ২৮ অক্টোবর ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দ বা ২৫ সফর ১৩৪০ হিজরি), যিনি ইমাম আহমদ রেজা খান, ইমাম আহমদ রেজা খান কাদেরী, বা আ'লা হযরত নামেও পরিচিত, ছিলেন একজন বিশিষ্ট সুন্নি মুসলিম মনীষী, সুফি এবং ব্রিটিশ ভারতের সমাজ সংস্কারক। সুন্নি ইসলামের মধ্যে বেরলভী আন্দোলনে তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা।[৩][৪][৫] উনাকে চতুর্দশ হিজরীর (ঊনবিংশ-বিংশ শতাব্দীর) মুজাদ্দিদ মনে করা হয়। তার লেখার বিষয়বস্তুতে আইন, ধর্ম, দর্শন এবং বিজ্ঞান সহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি ইসলামী আইন-কানুনের উপর প্রায় সহস্রাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন।[৪]

জীবনকাল

জন্ম ও বংশীয় পরিচয়

আহমাদ রেজা খাঁন ১৪ জুন ১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেরেলী শহরের জাসলী মহল্লাতে জন্ম গ্রহণ করেন। জন্মের সময় তার নাম রাখা হয় মোহাম্মাদ।[৬] আহমাদ রেজা খাঁন বেরলভীর পিতা নকী আলী খান।[৭][৮] পিতামহ ছিলেন রেজা আলী খান; তার পিতা হযরত মাওলানা শাহ রেজা আলী খাঁন, তার পিতা হযরত মাওলানা হাফিজ শাহ্ কাজিম আলী খাঁন, তার পিতা হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মদ আজম খাঁন, তার পিতা হযরত মাওলানা শাহ্ সা’আদাত ইয়ার খাঁন, তার পিতা হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ উল্লাহ্ খাঁন। আ’লা হযরতের পূর্ব পুরুষ অর্থাৎ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ উল্লাহ খাঁন রাজ পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি মুঘল শাসনামলে লাহোর পদার্পণ করেন এবং সেখানে তিনি বিভিন্ন সম্মানিত পদে অলংকৃত হন।

মৃত্যু

তিনি শুক্রবার, ১৯২১ সালের ২৮ অক্টোবর (২৫ সফর ১৩৪০ হিজরি) ৬৫ বছর বয়সে বেরেলী শহরের নিজগৃহে মৃত্যুবরণ করেন।

বিশ্বাস (আকীদা)

খান ব্রিটিশ ভারতে মুসলমানদের ধীশক্তি ও নৈতিক পতন দেখেছিলেন। [৯] তার আন্দোলনটি ছিল একটি গণআন্দোলন, জনপ্রিয় সুফিবাদকে রক্ষা করে যা দক্ষিণ এশিয়ার দেওবন্দী আন্দোলন এবং ওহাবী আন্দোলনের প্রভাবের প্রতিক্রিয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছিল।[১০]

খান ওসীলা, মাওলিদ, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (ﷺ)'র অদৃশ্যের সম্পূর্ণ জ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা এবং সালাফি ও দেওবন্দীদের দ্বারা বিরোধিতা করা অন্যান্য রীতিগুলি সমর্থন করেছিলেন। [১১][১২][১৩]

এই প্রসঙ্গে তিনি নিম্নলিখিত বিশ্বাসকে (আকীদা) সমর্থন করেছিলেন:

  • হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) যদিও ইনসান-এ-কামিল (নির্ভুল মানুষ), একটি নূরের (আলোক) অধিকারী যা সৃষ্টির পূর্বে থেকেই রয়েছিল। এটি দেওবন্দী মতবাদের সাথে বিপরীত যে হজরত মুহাম্মদ (ﷺ) কেবল একজন ইনসান-ই-কামিল ছিলেন, অন্যান্য মানুষের মতোই একজন শ্রদ্ধেয় কিন্তু শারীরিকভাবে সাধারণ মানুষও ছিলেন।[১৪][১৫][পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন]
  • হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) হাজির নাজির (তাঁর উম্মতের আমলসমূহের উপর হাজির-ও-নাজির) যার অর্থ হল নবী তাঁর উম্মতের কর্মের বিষয়ে দৃষ্টি দেন এবং সাক্ষী।[১৬]

শাহ আবদুল আজিজ তাফসির আজিজিতে এ ধারণাটি ব্যাখ্যা করেছিলেন: নবী প্রত্যেককে পর্যবেক্ষণ করছেন, তাদের ভাল-মন্দ সব কাজ জানেন এবং প্রতিটি মুসলমানের বিশ্বাসের শক্তি (ঈমান) এবং তার আধ্যাত্মিক অগ্রগতিতে কি বাধাগ্রস্ত করছে সে বিষয়টিও জানেন।[১৭]

বায়'আত ও খেলাফত

১২৯৪ হিজরী (১৮৭৭ সালে), ২২ বছর বয়সে ইমাম আহমদ রেজা ইমাম-উল-আসফিয়া, শাহ আলে রাসুল মারহারাভী'র মুরিদ (শিষ্য) হন। তার মুর্শিদ তাকে বেশ কয়েকটি সুফি সিলসিলার খেলাফত দান করেছিলেন। কিছু ইসলামী পণ্ডিত তার নির্দেশনায় কাজ করার অনুমতি পেয়েছিলেন।[১৮][১৯]

বই

আহমদ রেজা খান আরবী, উর্দু এবং ফারসি ভাষায় বিভিন্ন বিষয়ে সহস্রাধিক বই লিখেছেন। তার বিভিন্ন বই ইউরোপীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ভাষাতে অনূদিত হয়েছে।[২০][২১]

কানজুল ঈমান (কুরআনের অনুবাদ)

কানজুল ঈমান (উর্দু এবং আরবি: ﮐﻨﺰﺍﻻﯾﻤﺎﻥ ) হল সুন্নি মুসলিম আহমদ রেজা খাঁন কর্তৃক ১৯১০ সালে কোরআন শরিফের উর্দু ভাষায় অনূদিত গ্রন্থ। এটি হানাফী মাযহাবের আইনসমুহকে সমর্থন করে[২২]। এটি ভারত উপমহাদেশের সর্বাধিক পঠিত কোরআনের অনুবাদ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]এই গ্রন্থটি ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা, ডাচ, তুর্কী, সিন্ধি, গুজরাটী এবং পশতু। বাংলা ভাষায় কানযুল ঈমান গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন আল্লামা এম. এ. মান্নান

ফতোয়া-ই-রেজভিয়া

এই ফতোয়া গ্রন্থটির ব্যাপারে প্রথম অরুন শৌরি তার গ্রন্থে উল্লেখ করেন যে, এটি একটি ফতোয়া বা ইসলামি নিয়মকানুন সমৃদ্ধ গ্রন্থ।[২৩] ১২ খন্ডের এই ফতোয়া গ্রন্থটি লেখকের জীবদ্দশায় তার ভাই সর্ব প্রথম হাসানি প্রেস থেকে প্রকাশ করেন, এছাড়া ও বিভিন্ন ফতোয়ার মাত্র দুই খন্ড তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়।[২৪] বিভিন্ন সুন্নি প্রকাশনী থেকে এই গ্রন্থটি ৩০ খন্ডে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে ধর্ম থেকে শুরু করে ব্যবসা, যুদ্ধ থেকে শুরু করে বিবাহ, দৈনন্দিন জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান রয়েছে।[২৫][২৬][২৭] রেযা একাডেমি ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম গ্রন্থটির বিভিন্ন খন্ড প্রকাশ করেছিল।[২৮]

হাদায়েকে বখশিশ

এ গ্রন্থটি আলা হযরতের নাত সমগ্র। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়ে লেখা অসংখ্য নাত এ গ্রন্থটিতে লিপিবদ্ধ আছে। আহমদ রেজা খাঁনের লেখা বিখ্যাত নাত মুস্তফা জানে রহমত পেঁ লাখো সালাম এ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

হুসসামুল হারামাঈন

গ্রন্থটি আলা হযরত আল মো’তামাদ ওয়াল মোস্তানা নামে আরবিতে রচনা করেন। এতে হিন্দুস্থানের ৫ জন আকাবিরীনে দেওবন্দ ওলামার কিতাব সমূহের বিভিন্ন উর্দু উদ্ধৃতি উল্লেখ করে নিজে এগুলোর আরবী অনুবাদ করে ১৩২৪ হিজরীতে মক্কামদিনার ৩৩ জন মুফতির নিকট কাছে পাঠিয়ে তাদের মতামত চান। হারামাঈন শরীফাইনের ৩৩ জন মুফতি গ্রন্থটি পর্যালোচনা করে উক্ত ৫ জন দেওবন্দ ওলামাকে কাফের ঘোষণা করেন। মুফতিগণের উক্ত ফতোয়ার নাম হয় হুসসামুল হারামাঈন বা মক্কা-মদিনার তীক্ষ্ণ তরবারী। অন্যদিকে দেওবন্দ আলেমগণ দাবি করেছেন যে, আহমদ রেজা খান তাদের নামে মিথ্যা কথা লিখে মক্কা ও মদিনার মুফতিদের নিকট পাঠিয়েছিল।[২৯]

অন্যান্য বই

  • আল মো’তামাদ ওয়াল মোস্তানা
  • আল আমান ও ওয়া উলা
  • আলকাউকাবাতুস সাহাবিয়া
  • আল ইস্তিমাদ
  • আল ফুয়োজুল মাক্কীয়া
  • আল মিলাদুন নবিয়াহ
  • ফাউজে মুবিন দার হারকাতে যামীন
  • সুবহানুস সুবহ
  • সাল্লুস সায় য়াফুল হিন্দীয়া
  • আয যুবদাতুয যাক্কিয়া
  • আবনা উল মুস্তাফা
  • আনগুত্তে চুম্মে কা মাসলা

বাংলায় অনূদিত কিতাব

  • তফসীরে খাজাইনুল ইরফান ও তরজুমায়ে কানজুল ইমান
  • তফসীরে নুরুল ইরফান ও তরজুমায়ে কানজুল ইমান
  • ইরফানে শরীয়ত
  • খতমে নবুওয়াত
  • আহকামে শরীয়ত
  • নিদানকালে আশীর্বাদ
  • গাউসুল আজম ও গাউছিয়াত
  • কুরআন–হাদিসের আলোকে শাফায়াত
  • দৃঢ় বিশ্বাসের চেতনায় নবীকূল সম্রাট (ﷺ)
  • নুরুল মোস্তফা (ﷺ)
  • মাতা-পিতার হক (হাক্কুল-ওয়ালেদাইন)
  • প্রিয়নবীর পূর্ব পুরূষগণের ইসলাম
  • আদ্দৌলাতুল মাক্কিয়াহ বিল মাদ্দাতিল গায়বিয়াহ
  • হুসামুল হারামাইন
  • শরীয়ত ও তরীক্বত
  • ওয়াহাবীদের ভ্রান্ত আক্বীদাহ ও তাদের বিধান
  • ইরশাদে আ'লা হযরত
  • আল অজীফাতুল কারীমা (বঙ্গানুবাদ)
  • সত্যের সন্ধান ও কবরে আজান
  • তাজিমী সিজদা - অনুবাদকঃ এস.এম. আশরাফ আলী আল কাদিরী (প্রথম অনুবাদক । পরবর্তীতে অন্য অনুবাদকের অনুবাদও প্রকাশ হয়েছে ।)
  • আল ওয়াজিফাতুল কারিমা - অনুবাদকঃ এস.এম. আশরাফ আলী আল কাদিরী ।
  • বায়'আত ও খিলাফতের বিধান
  • ফেরেশতাহ সৃষ্টির ইতিবৃত্ত
  • ফতোয়ায়ে আফ্রিকা
  • ইমানের সঠিক বিশ্লেষণ
  • তাহমিদে ইমান বিদআতিল কুরআন
  • রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অবমাননা কারীর শরয়ী সাজা
  • কালামে রেযা
  • (হাদায়েকে বখশিশ থেকে নির্বাচিত নাত ও কাব্যানুবাদ)
  • কালামুল ইমামে ইমামুল কালাম (মোস্তফা জানে রহমাত পে লাখো সালাম এর কাব্যানুবাদ)
  • মহিলাদের জন্য মাজার জিয়ারতের বিধান (মাওলানা মুহাম্মদ জমির হোসাইন ক্বাদেরী)

সমাধিস্থল

আ'লা হযরতের সমাধিস্থল ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরেলী জেলার কারোলানে অবস্থিত। এটি দরগাহ-এ-আলা হযরত নামে পরিচিত।

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. Hayat-e-Aala Hadhrat, vol.1 p.1
  2. Rahman, Tariq. "Munāẓarah Literature in Urdu: An Extra-Curricular Educational Input in Pakistan's Religious Education." Islamic Studies (2008): 197–220.
  3. See: He denied and condemned Taziah, Qawwali, tawaf of mazar, sada except Allah, women visiting at Shrines of Sufis.
  4. Usha Sanyal (১৯৯৮)। "Generational Changes in the Leadership of the Ahl-e Sunnat Movement in North India during the Twentieth Century"। Modern Asian Studies32 (3): 635। ডিওআই:10.1017/S0026749X98003059 
  5. Riaz, Ali (২০০৮)। Faithful Education: Madrassahs in South Asia। New Brunswick, NJ: Rutgers University Press। পৃষ্ঠা 75আইএসবিএন 978-0-8135-4345-1The emergence of Ahl-e-Sunnat wa Jama'at ... commonly referred to as Barelvis, under the leadership of Maulana Ahmed Riza Khan (1855-1921) ... The defining characteristic ... is the claim that it alone truly represents the sunnah (the Prophetic tradition and conduct), and thereby the true Sunni Muslim tradition. 
  6. Ala Hadhrat by Bastawi, p. 25
  7. "The blessed Genealogy of Sayyiduna AlaHadrat Imam Ahmad Rida Khan al-Baraylawi Alaihir raHmah | Alahzrat's Ancestral Tree"। alahazrat.net। ১৩ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৫ 
  8. "New Page 2"। taajushshariah.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৫ 
  9. Marshall Cavendish Reference (২০১১)। Illustrated Dictionary of the Muslim World। Marshall Cavendish। পৃষ্ঠা 113। আইএসবিএন 978-0-7614-7929-1 
  10. Francis Robinson (২০০২)। "Perso-Islamic culture in India"। Robert L. Canfield। Turko-Persia in Historical Perspective। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 131। আইএসবিএন 978-0-521-52291-5 
  11. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Netton2013 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  12. Abdulkader Tayob; Inga Niehaus; Wolfram Weisse। Muslim Schools and Education in Europe and South Africa। Waxmann Verlag। পৃষ্ঠা 64। আইএসবিএন 978-3-8309-7554-0 
  13. Abdulkader Tayob; Inga Niehaus; Wolfram Weisse। Muslim Schools and Education in Europe and South Africa। Waxmann Verlag। পৃষ্ঠা 76। আইএসবিএন 978-3-8309-7554-0 
  14. Pakistan perspectives, Volume 7. Pakistan Study Centre, University of Karachi, 2002
  15. Akbar S. Ahmed (১৯৯৯)। Islam today: a short introduction to the Muslim world। I.B. Tauris Publishers। আইএসবিএন 978-1-86064-257-9 
  16. N. C. Asthana; A.Nirmal (২০০৯)। Urban Terrorism : Myths And Realities। Pointer Publishers। পৃষ্ঠা 67। আইএসবিএন 978-81-7132-598-6 
  17. Author, Sana Email (২৯ জুন ২০১৩)। "The Prophet is Hazir o Nazir"Kanzul Islam 
  18. Imam, Muhammad Hassan. (2005). The Role of the Khulafa-e-Imam Ahmed Raza Khan in the ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জুন ২০১৫ তারিখে Pakistan Movement 1920–1947. Diss. Karachi: University of Karachi.
  19. "Imam Raza Ahmed Khan"sunnah.org 
  20. Skreslet, Paula Youngman, and Rebecca Skreslet. (2006).
  21. Maarif Raza, Karachi, Pakistan.
  22. Paula Youngman Skreslet; Rebecca Skreslet (জানুয়ারি ১, ২০০৬)। The Literature of Islam: A Guide to the Primary Sources in English Translation। Rowman & Littlefield। পৃষ্ঠা 232–। আইএসবিএন 978-0-8108-5408-6। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৩ 
  23. (2012, আইএসবিএন ৯৭৮৯৩৫০২৯৩৪২৩).
  24. Usha Sanyal (১ ডিসেম্বর ২০১২)। Ahmad Riza Khan Barelwi: In the Path of the Prophet। Oneworld Publications। পৃষ্ঠা 56–। আইএসবিএন 978-1-78074-189-5 
  25. "Dargah Ala Hazrat: Fatva Razabia is encyclopedia of Fatvas"jagran। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪। 
  26. I.T Department of Dawat-e-Islami। "Islamic Speeches Free Download - Dawateislami"dawateislami.net। ১৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮ 
  27. David Emmanuel Singh (২০১২)। Islamization in Modern South Asia: Deobandi Reform and the Gujjar Response। Walter de Gruyter। পৃষ্ঠা 32–। আইএসবিএন 978-1-61451-246-2 
  28. "About us"razaacademy.com। ১৬ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৮ 
  29. "এতদঞ্চলে 'আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ'-৩"মাসিক আলকাউসার। নভেম্বর ২০১৬।