শাহ আহমদ নুরানি
শাহ আহমদ নুরানি شاہ احمد نورانی | |||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১৯৮৫ সালে আহমদ নুরানি | |||||||||||||
| মুত্তাহিদা মজলিস-এ-আমল এর সভাপতি | |||||||||||||
| কাজের মেয়াদ ৯ অক্টোবর ২০০২ – ১১ ডিসেম্বর ২০০৩ | |||||||||||||
| পূর্বসূরী | অফিস নির্মিত" | ||||||||||||
| উত্তরসূরী | হোসাইন আহমদ | ||||||||||||
| মেম্বার অব পার্লামেন্ট | |||||||||||||
| কাজের মেয়াদ ১৪ এপ্রিল ১৯৭২ – ৭ মার্চ ১৯৭৭ | |||||||||||||
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |||||||||||||
| জন্ম | আহমদ নুরানি সিদ্দিকী উর্দু: احمد نورانی صدیقی ১ অক্টোবর ১৯২৬ মিরাট, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান ভারত) | ||||||||||||
| মৃত্যু | ১১ ডিসেম্বর ২০০৩ (বয়স ৭৭) ইসলামাবাদ, পাকিস্তান | ||||||||||||
| সমাধিস্থল | আবদুল্লাহ শাহ গাজী দরগা | ||||||||||||
| নাগরিকত্ব | পাকিস্তান | ||||||||||||
| জাতীয়তা | পাকিস্তান | ||||||||||||
| রাজনৈতিক দল | জমিয়তে উলামায়ে পাকিস্তান ১৯৭০–২০০২ | ||||||||||||
| পিতামাতা | মুহাম্মদ আবদুল আলিম সিদ্দিকী[১] | ||||||||||||
| বাসস্থান | ইসলামাবাদ, পাকিস্তান | ||||||||||||
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় দারুল উলুম এরাবিয়া,মিরাট | ||||||||||||
| ধর্ম | ইসলাম | ||||||||||||
| |||||||||||||
শাহ আহমদ নুরানি (উর্দু: شاہ احمد نورانی; ৩১ মার্চ ১৯২৬ — ১১ ডিসেম্বর ২০০৩, আল্লামা নুরানি হিসেবে পরিচিত) একজন পাকিস্তানি ইসলামি পণ্ডিত, অতীন্দ্রিবাদী, দার্শনিক, পুর্নজাগরণবাদী এবং রাজনীতিবিদ।[২] তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি ভাষার উপর বিএ স্নাতক করেন এবং পরে মিরাটের দারুল উলুম থেকে প্রত্যয়িত হন। তিনি নিজেকে স্বনামধন্য ইসলামী পণ্ডিত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং ইসলামী দর্শন নিয়ে কাজ করেছিলেন। এবং ১৯৭২ সালে বিশ্ব ইসলামী মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।[৩]
প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]আহমদ নুরানী ১৯২৬ সালের ৩১ মার্চ (১৭ রমজান ১৩৪৪) ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমানে উত্তর প্রদেশ, ভারত) মিরাটে একটি উর্দুভাষী সিদ্দিকী শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আব্দুল আলিম সিদ্দিকীও একজন ইসলামী পণ্ডিত ছিলেন এবং তার শৈশবে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইসলামি মিশনারি সফরে তার সাথে ছিলেন।
তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি ভাষায় বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মিরাটের দারুল-উলূম থেকে ইসলামী আইনশাস্ত্রে সনদ লাভ করেন। তিনি আট বছর বয়সে হাফিজুল কুরআন হন। ভারত বিভাগের পর তার পরিবার পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের করাচিতে চলে আসে।
তিনি নিজেকে ইসলামী পণ্ডিত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং ১৯৭২ সালে সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত বিশ্ব ইসলামিক মিশন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ইসলামী দর্শনের বিকাশে কাজ করেন।
তাকে একজন বহুভাষী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি "১৭টি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন এবং ছয়টি ভাষা উর্দু, আরবি, ইংরেজি, ফার্সি, ফরাসি এবং সোয়াহিলি-তে বাকপটু ছিলেন।
ক্যারিয়ার
[সম্পাদনা]মৃত্যু
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "(22 Zil-Hijjah)Shaykh Abd al-Aleem Siddiqui al-Qadiri Meerathi (AlaihirReHma)"। ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Qaid-e-Ahl Sunnat His Eminence Maulana Shah Ahmad Noorani Siddiqui Al-Qadiri (RA) Rahmatullah alaih (1926-2003)"। Noorani। 17 May 2014 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 25 July 2014 unfit।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Wasim, Amir (১২ ডিসেম্বর ২০০৩)। "Maulana Noorani passes away: Funeral prayers at Nishtar Park today"। Dawn News। Dawn Newspapers। Dawn Newspapers। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৪।