আব্দুল কাদের জিলানী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শেখ আব্দুল কাদির আল জিলানী, মুহিইহ'দ-দীন, সুলতান আল-আউলিয়া, গাউস-ই-আযম[১]
Shrine of Abdul Qadir Jilani..jpg
ইরাকের বাগদাদ শহরে অবস্থিত শেখ আব্দুল কাদির জিলানীর মাজার
পুরো নাম আল-সাইয়িদ মহিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির আল-জিলানী আল-হাসানী ওয়াল-হুসানী
জন্ম ২য় রমযান ৪৭০ হিজরী[২] বা মার্চ ১৭, ১০৭৮[৩]
ব্যবহারশাস্ত্র হাম্বেলি[৪][৫]
মৃত্যু রবিউল আউয়াল ৫৬১ হিজরী
ফেব্রুয়ারি ১৪, ১১৬৬ সিই[৬][৭]
জন্মস্থান গিলন প্রদেশ, তাবারিস্তান, পারস্য[৮]
কবর স্থান আব্দুল কাদির এর সমাধি, বাগদাদ, ইরাক
পিতা আবু সালিহ মুসা আল-হাসানি
মাতা উম্মুখ খায়ের ফাতিমা
• • মদিনা
• সাদিকা
• মু'মিনাহ
• মাহবুবা
পুত্র (সকল) • সাফিউদ্দীন
• শরীফুদ্দীন
• আবু বকর
• সিরাজুদ্দীন
ইয়াহয়িয়া
• মুসা
• মুহাম্মদ
• ইব্রাহিম
• আব্দুল্লাহ
• আব্দুর রহমান
• আবু নাসির মুসা
উত্তরপুরূষ শেখ
অন্যান্য উপাধী শাইখ
("নেতা")
আব্দ আল-কাদির
("সর্বময় ক্ষমতার গোলাম")
আল-জিলানী
("একজন যিনি গিলান থেকে এসেছেন")
মুহায়ি’দ-দ্বীন
("ধর্ম পুনরায় জীবত কারক")
আবু মুহাম্মদ
("মুহাম্মদ এর পিতা")
আল-গাওয়াথ আল-আ'যম
• ("সর্বোচ্চ সাহায্যকারী")
সুলতকান আল-আউলিয়া
("পবিত্র ব্যক্তিদের রাজা")
আল-হাসানি আল-হুসানি
("ইমাম আল হাসান ও ইমাম আল হুসাইন উভয়ের বংশধর)

আব্দুল কাদের জিলানী হলেন ইসলাম ধর্মে অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ত্ব। তিনি ইসলামের অন্যতম প্রচারক হিসাবে সুবিদিত; সেকারণে তাকে 'গাউস-উল-আজম' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।[৯] ইসলাম ধর্মমতে তাকে 'বড়পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ)' নামে ব্যক্ত করা হয়। আধ্যাত্মিকতায় উচ্চমার্গের জন্য বড়পীর, ইরাকের অন্তর্গত 'জিলান' নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করায় জিলানী, সম্মাণিত হিসাবে আবু মোহাম্মদ মুহিউদ্দীন প্রভৃতি উপাধি ও নামেও তাকে সম্বোধন করা হয়।[১০]

জন্ম[সম্পাদনা]

আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) হিজরি ৪৭১ সনের রমজান মাসের ১ তারিখে বাগদাদ নগরের জিলান শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবু সালেহ মুছা জঙ্গী এবং মাতার নাম সাইয়েদা উম্মুল খায়ের ফাতেমা। তার মাতা ছিলেন হাসান ইবনে আলীর বংশধর সৈয়দ আব্দুল্লাহ সাওমেয়ীর কন্যা।[৯]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বাল্যকাল ও প্রাথমিক শিক্ষাঃ[সম্পাদনা]

প্রাথমিক শিক্ষাঃ হযরত গাউসুল আ’যম আব্দুল কাদের জিলানী (রাদিঃ)- এর প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা আরম্ভ হয় একটি মক্তবে।আগ্রা নিবাসী আল্লামা মোহাম্মদ ছাদেক আগ্রাভী স্ব-রচিত গ্রন্থে গাউসে পাকের মক্তবী জীবনের প্রথম দিনের ঘটনা এভাবে লিপিবদ্ধ করেছেনঃ

“ হযরত বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রাদিঃ) কে বিদ্যা-শিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রথম দিন মক্তবে পাঠানো হলে একদল ফেরেস্তা তাঁকে বেষ্টন করে মক্তবে পৌছিয়ে দেন। মক্তবে ছাত্রদের ভীড়ে বসার কোন খালি জায়গা ছিলনা। হঠাৎ করে সকলে একটি গায়েবী আওয়াজ শুনতে পেলো- “তোমরা আল্লাহর অলীর জন্য স্থান প্রশস্ত করে দাও”। এ আওয়াজ শুনে সকল ছাত্র হুজুরে গাউছে পাকের জন্য জায়গা করে দিল। ওস্তাদজী তাঁকে  একেবারে প্রাথমিক স্তরের ছাত্র মনে করে আউযু ও বিস্‌মিল্লাহ সবক দান করলেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়! হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রাঃ)আউযু , বিস্‌মিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলিফ-লাম-মীম থেকে শুরু করে ১৮ পারা, মতান্তরে ১৫ পারা কুরআন মজিদ মুখস্ত শুনিয়ে দিলেন। ওস্তাদজী জিজ্ঞাস করলেনঃ কেমন করে এই ১৮ পারা মুখস্ত করেছ? হযরত গাউসুল আ’জম বললেনঃ “মায়ের মুখে শুনে শুনে মুখস্ত হয়ে গেছে”। আউলিয়ায়ে কেরামগণ বলেনঃ মাতৃগর্ভে থাকতেই এই কারামত ঘটেছিল। কেননা, উনার মাতা উম্মুল খায়ের ফাতেমা ছিলেন, কুরআন মজিদের ১৮ পারার হাফেজা।

   উক্ত মক্তবেই আর এক দিন ঘটনাক্রমে। একজন দরবেশ এসে গাউসুল আজমের আগমন কালে একটি গায়েবী আওয়াজ শুনতে পেলেন-“তোমরা আল্লাহর অলীর জন্য স্থান প্রশস্ত করে দাও”। এ আওয়াজ শুনে তিনি বললেনঃ “এই বালক কালক্রমে অতিশয় উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হবে। সে বিনা বাধায় সম্মানীত হবে। বিনা বাধায় ও বিনা প্রতিবন্ধকতায় সে মিলন লাভ করবে এবং বিনা ধ্যানেই সে সান্নিধ্য লাভ করবে।” হযরত গাউসুল আ’যম (রাঃ) বলেনঃ ৪০ বৎসর পর তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলে বুঝতে পারলাম- তিনি একজন আব্দাল শ্রেণীর অলী ছিলেন।

উল্লেখ্য, তিন প্রকারে বেলায়েত লাভ করে আল্লাহর ওলী হওয়া যায়। যথাঃ (১) বেলায়েতে আতায়ী বা খোদা প্রদত্ত মাদারজাদ অলী, (২) বেলায়েতে ফয়জী বা ফয়েজ প্রাপ্ত অলী, (৩) বেলায়েতে কছরী বা সাধনার বলে অলী। হযরত গাউসুল আ’যম আব্দুল কাদের জিলানী (রাঃ)ছিলেন মাদারজাদ অলী।[১১]

উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে বাগদাদ যাত্রাঃ[সম্পাদনা]

বাল্যকালেই হযরত সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রাদিঃ)- এর পিতা ইনতিকাল করেন। ছেলের উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি ৪০টি দীনার স্ত্রীর কাছে রেখে যান। পিতার ইনতিকালে হযরত গাউসুল আ’জম(রাঃ) কিছুদিন সংসারের হাল ধরতে বাধ্য হন। একদিন তিনি একটি গাভী নিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। গাভীটি পিছন দিকে মুখ ফিরিয়ে হঠাৎ করে মানুষের মত আওয়াজ করে বলে উঠলোঃ “হে আবদুল কাদের! এ কাজের জন্য তোমাকে সৃষ্টি করা হয়নি এবং এ জন্য তোমাকে আদেশও করা হয়নি” (ছাওয়ানেহে উমরী হযরত গাউসুল আ’জম)। গাভীর মুখে এ সতর্কবাণী শুনে হযরত বড়পীর সাহেবের মন উতলা হয়ে উঠে। তিনি আরও গভীর জ্ঞানার্জনের জন্য মায়ের অনুমতি প্রার্থনা করেন। মা সানন্দচিত্তে তাতে সম্মতি দেন। মায়ের দোয়া নিয়ে, জিলান শহর থেকে একটি বানিজ্য কাফেলার সাথে তিনি বাগদাদ গমনের জন্য মনস্থ করলেন। এসময় তাঁর বয়স হয়েছিল ১৮ বৎসর এবং বৃদ্ধা মায়ের বয়স হয়েছিল ৭৮ বৎসর। বৃদ্ধা জননী নিজের ভবিষ্যত খেয়াল না করেই সন্তানের মঙ্গল কামনা করে স্বামীর সঞ্চিত ৪০টি দীনার স্বর্ণমুদ্রা গাউসে পাকের জামার বগলের নীচে সেলাই করে দেন খরচের জন্য। বিদায়ের সময় সন্তানকে একটি উপদেশ দেন – যেন সর্বদা  সত্য কথা বলা হয়। কেননা, সত্যবাদিতাই মানুষকে সর্ব পাপ ও বিপদ থেকে রক্ষা করে। তিনি বাগদাদ যাওয়ার কালে পথিমধ্যে ডাকাত দল আক্রমন করে। সকলের সম্পদ লুট করে নেওয়ার পর। বালক কাদের জিলানী (রাঃ) কে তাঁর কাছে কি আছে, জিজ্ঞাসা করলে তিনি বল্লেন উনার মাতামহ তাঁর জামার নিচে ৪০টি  স্বর্ণমুদ্রা সেলাই করে দিয়েছেন। ডাকাত দল সত্য বলার কারন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বল্লেন- “মা বলেছেন, সত্য কথায় মুক্তি পাওয়া যায়। মায়ের পদতলে বেহেস্ত। তাই আমি মায়ের কথা রক্ষা করেছি।” গাউসে পাকের একথা শুনে ডাকাত সর্দার আহমদ বদভী কেঁদে ফেললো। সে বলতে লাগলো- হায়! এ বালক মায়ের ওয়াদা ভঙ্গ করেনি। আমরা খোদার ওয়াদা ভঙ্গ করে ডাকাতি করছি। আল্লাহর কত বান্দার ধন প্রান আমরা নষ্ট করছি।এ কথা বলে তারা তৌবা করলো। কাফেলার লুন্ঠিত মালামাল ফেরত দিল। জীবনে আর কোন দিন আল্লাহর আদেশ লঙ্গন করবেনা বলে প্রতিজ্ঞা করল।[১২]

হযরত সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (রাদিঃ)- ১৮ বৎসর বয়সে ৪৮৮ হিজরী সালে বাগদাদ গমন করেন। তখন আব্বাসীয় খলিফা ছিলেন আল-মুকতাদী বি-আমরিল্লাহ। বাগদাদ ছিল তখানকার দিনের ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র। আব্বাসীয় খলিফাদের পৃষ্ঠ পোষকতায় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী-গুণী শিক্ষকগণ বাগদাদে এসে ভীড় জমিয়েছিলেন। বাগদাদের  নেজামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। তিনি এই বিশ্ববিখ্যাত নেজামিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। তথায় ৮ বৎসরে কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তফসীর, হাদিস, ফেকাহ, তাসাউফ, আরবী সাহিত্য ইত্যাদি জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বুৎপত্তি লাভ করেন।তিনি ছিলেন হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী।

বিষয় (Subject) শেখ বা শিক্ষক (Teacher)
Fiqh (Islamic Jurisprudence) Ibn Aqil
Fiqh (Islamic Jurisprudence) Abu Al Hasan Muhammad ibn Qazi Abu Yali
Fiqh (Islamic Jurisprudence) Abu Al Khatab Mahfuz Hanbali
Fiqh (Islamic Jurisprudence) Muhammad ibn Al Husnayn
Fiqh (Islamic Jurisprudence) Abu Saeed Mubarak Makhzoomi
Tasawwuf (Sufism) Abu Saeed Mubarak Makhzoomi

Abu'l-Khair Hammad ibn Muslim al-Dabbas

Abu Zakariay ibn Yahya ibn Ali Al Tabrezi

Hadith Abu Bakr ibn Muzaffar
Hadith Muhammad Ibn Al Hasan Baqalai Abu Sayeed

Muhammad ibn Abdul Kareem

Hadith Abu Al Ghanaem Muhammad Ibn Muhammad Ali Ibn Maymoon Al Farsi
Hadith Abu Bakr Ahmad Ibn Al Muzaffar
Hadith Abu Jafer Ibn Ahmad Ibn Al Hussain Al Qari
Hadith Abu Al Qasim Ali Ibn Muhammad Ibn Banaan Al Karkhi
Hadith Abu Talib Abdul Qadri Ibn Muhammad Yusuf
Hadith Abdul Rahman Ibn Ahmad Abu Al Barkat Hibtaallah Ibn Al Mubarak
Hadith Abu Al Nasr Ibn Il Mukhtar
Hadith Abu Nasr Muhammad
Hadith Abu Ghalib Ahmad
Hadith Abu Abdullah Aulad Ali Al Bana
Hadith Abu Al Hasan Al Mubarak Ibn Al Teyvari
Hadith Abu Mansur Abdurahman Al Taqrar

[১৩]

ধর্ম প্রচার[সম্পাদনা]

চিত্র:আবদুল কাদের জিলানী.jpg
আবদুল কাদের জিলানী

শিক্ষা-দীক্ষায় পূর্ণতা অর্জনের পর তিনি নিজেকে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রচারের কাজে নিয়োজিত করেন। বিভিন্ন মাহফিলে তিনি ইসলামের সুমহান আদর্শ যুক্তিপূর্ণ ভাষায় বর্ণনা করতেন। তার মহফিলে শুধু মুসলমান নয়, অনেক অমুসলিমও অংশগ্রহণ করতো। তার বক্তব্য শুনে অনেক অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন।[১০]

বই[সম্পাদনা]

তিনি কাব্য, সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, ভূগোল ইত্যাদি বিষয়ের পণ্ডিত ছিলেন। তার রচিত বহু গ্রন্থ রয়েছে। এসব গ্রন্থের মধ্যে ফতহুল গায়ের গুনিয়াতুত তালেবীন, ফতহুর রবযানী, কালীদায়ে গাওসিয়া উল্লেখযোগ্য।[১০]

ইন্তেকাল[সম্পাদনা]

হিজরী ৫৬১ সালের ১১ রবিউসসানী আব্দুল কাদের জিলানী (র.) পরলোক গমন করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। বড়পীর সাহেবের এই ওফাতের দিন সারা বিশ্বের মুসলমানরা প্রতি বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকেন এবং তার মৃত্যুবার্ষিকী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম হিসেবে পরিচিত।[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. www.al-baz.com, www.al-baz.com। "Titles"। www.al-baz.com। 
  2. "Birth Date" 
  3. "Birth Hijri and Gregorian Year" 
  4. John Renard, The A to Z of Sufism. p 142. ISBN 081086343X
  5. Juan Eduardo Campo, Encyclopedia of Islam, p. 288. ISBN 1438126964
  6. Shad, Abdur Rahman. Ali Al-Murtaza. Kazi Publications; 1978 1st Edition. Mohiyuddin, Dr. Ata. Ali The Superman. Sh. Muhammad Ashraf Publishers; 1980 1st Edition. Lalljee, Yousuf N. Ali The Magnificent. Ansariyan Publications; Jan 1981 1st Edition.
  7. "Hijri Date" 
  8. "Birth Place" 
  9. গাউসুল আজম হজরত আব্দুল কাদের জিলানী (র.) - এবাদত আলী, এবাদত আলী, কালের বার্তা। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  10. বড়পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.),মোঃ নুরুজ্জামান শাহরিয়ার,দৈনিক ইনকিলাব। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৩ ফেব্রেুয়ারি ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  11. এম এ জলিল, অধ্যক্ষ হাফেয (১৯৯৭)। কারামতে গাউসুল আজম। ঢাকা: আলহাজ্জ এ,কে, এম, আব্দুর রেজ্জাক চৌধুরী। 
  12. অধ্যক্ষ হাফেজ, এম এ জলিল (১৯৯৭)। কারামতে গাউসুল আ’জম রাঃ। ঢাকা: আলহাজ্জ এ, কে, এম, আবদুর রেজ্জাক চৌধুরী। 
  13. and Ghunyat al-talibeen (Wealth for Seekers) pg. 12 Urdu version। Akbar, pg.11 Al Haqq, Abd. 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]