সুন্দরবন এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুন্দরবন এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর
প্রথম পরিষেবা১৭ আগস্ট, ২০০৩ (17 August, 2003)
বর্তমান পরিচালকপশ্চিমাঞ্চল
যাত্রাপথ
শুরুকমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
শেষখুলনা রেলওয়ে স্টেশন
ভ্রমণ দূরত্ব৪৪৯ কিমি (২৭৯ মা)
রেল নং৭২৫/৭২৬
যাত্রাপথের সেবা
শ্রেণীস্নিগ্ধা, তাপানুকূল চেয়ার এবং শোভন চেয়ার
আসন বিন্যাসআছে
ঘুমানোর ব্যবস্থাআছে
খাদ্য সুবিধাআছে
বিনোদন সুবিধাআছে
কারিগরি
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
খুলনা-ঢাকা রেলপথ
ট্র্যাক গজব্রডগেজ ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
ঢাকা
টঙ্গী
ভৈরব বাজার-এর দিকে
জয়দেবপুর
ময়মনসিংহ-এর দিকে
টাঙ্গাইল
জামালপুর-এর দিকে
যমুনা সেতু
সিরাজগঞ্জ বাজার-এর দিকে
জামতৈল
বড়াল ব্রিজ
পাবনা-এর দিকে
মাঝগ্রাম
আব্দুলপুর-এর দিকে
ঈশ্বরদী
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
পোড়াদহ
গোয়ালন্দ ঘাট-এর দিকে
আলমডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গা
দর্শনা-এর দিকে
দর্শনা হল্ট
কোটচাঁদপুর
বেনাপোল-এর দিকে
যশোর
ফুলতলা
মংলা-এর দিকে
খুলনা

সুন্দরবন এক্সপ্রেস (ট্রেন নম্বর ৭২৫/৭২৬) খুলনা এবং ঢাকা শহরের মাঝে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ট্রেন। ট্রেনটি ২০০৩ সালের ১৭ আগস্ট থেকে ঢাকা-খুলনা রেলপথে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে।

নামের উৎস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন "সুন্দরবন" এর নামানুসারে ট্রেনটির নামকরণ করা হয় সুুুন্দরবন এক্সপ্রেস।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

(বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী পরিবর্তনশীল। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নিম্নোক্ত সময়সূচীটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫২তম সময়সূচী অনুযায়ী, যা ২০২০ সালের ১০ই জানুয়ারি হতে কার্যকর।)

ট্রেন

নং

উৎস প্রস্থান গন্তব্য প্রবেশ সাপ্তাহিক

ছুটি

৭২৫ খুলনা ২২:১৫ কমলাপুর ০৭:০০ মঙ্গলবার
৭২৬ কমলাপুর ০৮:১৫ খুলনা ১৭:৪০ বুধবার

যাত্রাবিরতি[সম্পাদনা]

(অনেকসময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি পরিবর্তিত হতে পারে। নিম্নোক্ত তালিকাটি ২০২০ সাল অব্দি কার্যকর।)

রোলিং স্টক[সম্পাদনা]

সুন্দরবন এক্সপ্রেস ১৩টি এলএইচবি কোচ যুক্ত ট্রেন। এতে ২টি এসি বার্থ, ২টি এসি স্নিগ্ধা চেয়ার কোচ,৭টি নন-এসি শোভন চেয়ার আর ২টি পাওয়ার কার আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]