পদ্মা সেতু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
পদ্মা সেতু
Querschnitt Konstruktion Padma-Brücke.svg
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর প্রস্থচ্ছেদ
অফিসিয়াল নাম পদ্মা বহুমুখী সেতু
বাহক যানবাহন, ট্রেন
ক্রস পদ্মা নদী
স্থান লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ এর সাথে শরিয়তপুরমাদারীপুর
নকশা এ.ই.সি.ও.এম
উপাদান কংক্রিট, স্টিল
মোট দৈর্ঘ্য ৬,১৫০ মি (২০,১৮০ ফু)
প্রস্থ ১৮.১০ মি (৫৯.৪ ফু)
নির্মানকারি চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ
নির্মান শুরু ৭ ডিসেম্বর, ২০১৪
নির্মান শেষ ২০২০।
উন্মেষিত ২০২০[১]
স্থানাঙ্ক ২৩°২৫′২১″ উত্তর ৯০°১৮′৩৫″ পূর্ব / ২৩.৪২২৫০° উত্তর ৯০.৩০৯৭২° পূর্ব / 23.42250; 90.30972স্থানাঙ্ক: ২৩°২৫′২১″ উত্তর ৯০°১৮′৩৫″ পূর্ব / ২৩.৪২২৫০° উত্তর ৯০.৩০৯৭২° পূর্ব / 23.42250; 90.30972

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুরমাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প। দুই স্তর বিশিষ্ট ষ্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাস ব্রিজটির (truss bridge) ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর আববাহিকায় ১৫০টি স্পান, ৬,১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ পরিকল্পনায় নির্মিত হচ্ছে দেশটির সবচে বড় সেতু।[২] সরকারের পরিকল্পনামাফিক ২০১৮ সালের শেষের দিকে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।[৩]

প্রকল্পটি তিনটি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করবে- মুন্সীগঞ্জ (মাওয়া পয়েন্ট / উত্তর পাড়), শরীয়তপুর এবং মাদারীপুর (জঞ্জিরা / দক্ষিণ পাড়)। এটির জন্য প্রয়োজনীয় এবং অধিগ্রহণকৃত মোট জমির পরিমাণ ৯১৮ হেক্টর। নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ভাড়ার ভিত্তিতে আগামী ছয় বছরে অধিযাচন করা হবে।

প্রকল্প প্রস্তুতির সাথে যুক্ত কিছু লোকের দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় বিশ্বব্যাংক তার প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করে নেয় এবং অন্যান্য দাতারা সেটি অনুসরণ করে। যাইহোক, দুর্নীতি অভিযোগ পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং কোন প্রমাণিত না পাওয়ায় কানাডিয়ান আদালত পরবর্তীতে মামলাটি বাতিল করে দেয়। বর্তমানে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব সম্পদ থেকে অর্থায়ন করা হচ্ছে।[৪]

চুক্তিবদ্ধ সংস্থা[সম্পাদনা]

সেতুটি তৈরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড নামক একটি কোম্পানী। কাজ শুরু হয় ৭ ডিসেম্বর ২০১৪। এতে ব্যয় হচ্ছে ৩০ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা৷[৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "নির্বাচনের আগে হচ্ছে না পদ্মা সেতু"দৈনিক প্রথম আলো। ২০ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  2. প্রথম আলো (৮ ডিসেম্বর ২০১৪)। "বাস্তবের পথে পদ্মা সেতু"। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "এক নজরে পদ্মা সেতু"Bangla Tribune। ২০১৮-০৫-১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-২৪ 
  4. "পদ্মা সেতু হচ্ছে, খরচও বাড়ছে"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১০-২১ 
  5. ডয়েচ ভেল (2017-09-30)। "দৃশ্যমান পদ্মা সেতু"। সংগ্রহের তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]