উল্কা এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উল্কা এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনএক্সপ্রেস ট্রেন
অবস্থাবন্ধ
প্রথম পরিষেবা১ জানুয়ারি ১৯৬৬; ৫৬ বছর আগে (1966-01-01)
শেষ পরিষেবা১৯৮৬; ৩৬ বছর আগে (1986)
সাবেক পরিচালক
যাত্রাপথ
শুরুচট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন
বিরতি৬টি চট্টগ্রাম-লাকসাম-আখাউড়া-ভৈরব-টঙ্গী-ফুলবাড়িয়া/কমলাপুর
শেষ
ভ্রমণ দূরত্ব৩৪৬ কিলোমিটার (২১৫ মাইল) (চট্টগ্রাম-কমলাপুর)
যাত্রার গড় সময়৬ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। এই ট্রেন চালুর ফলে যাত্রাপথের গড় সময় পূর্বের থেকে প্রায় ২ ঘন্টা হ্রাস পায়।
ব্যবহৃত লাইন
  • ১) নারায়ণগঞ্জ - বাহাদুরাবাদ ঘাট
  • ২) টঙ্গী-ভৈরব-আখাউড়া
  • ৩) আখাউড়া-লাকসাম-চট্টগ্রাম
যাত্রাপথের সেবা
অন্যান্য সুবিধা
  • সকল শ্রেণীতে সিট রিজার্ভেশন
  • সকল শ্রেণীতে বুফে কার সার্ভিস
কারিগরি
ট্র্যাক গেজ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি)
পরিচালন গতি৭২.৪২০৫ কিমি/ঘ (৪৫ মা/ঘ) (সর্বোচ্চ)

উল্কা এক্সপ্রেস বাংলাদেশের একটি সাবেক এক্সপ্রেস ট্রেন। এটি চট্টগ্রাম জেলার চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার ফুলবাড়িয়া/কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করতো।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ট্রেনটি সূচনা লগ্নে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সর্বাধুনিক ও সবচেয়ে বিলাসবহুল এবং দ্রুতগামী ট্রেন ছিলো। ১৯৬৬ সালের ১লা জানুয়ারী ট্রেনটি উদ্বোধন করা হয়। ট্রেনটি সূচনার মাধ্যমে রেলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ভ্রমণ কাল প্রায় দুই ঘণ্টা হ্রাস পায়। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন চালুর পূর্বে ১৯৬৮ সালের ৩০শে এপ্রিল এটি সর্বশেষ ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে চলাচল করেছে।[১] ১৯৮৬ সালে মহানগর এক্সপ্রেস চালু হলে এই ট্রেনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

এই সময়সূচীটি ট্রেনটি চালু হওয়ার সময় কার্যকর করা হয়েছিলো।

উৎস প্রস্থান গন্তব্য প্রবেশ
চট্টগ্রাম ০৭:০০ ফুলবাড়িয়া ১৩:২৫
ফুলবাড়িয়া ০৮:২০ চট্টগ্রাম ১৪:৫০

রোলিং স্টক[সম্পাদনা]

এই ট্রেনে ২০০০ অথবা ২২০০ শ্রেণীর লোকোমোটিভ ব্যবহার করা হতো। ট্রেনটি লাল মেইল ভ্যাকুয়াম ব্রেকের কোচের দুই রেকে চলাচল করতো।

দুর্ঘটনা[সম্পাদনা]

  • ০১/০৮/১৯৭১ অথবা ২৮/০৮/১৯৭১: চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাইমাস্তাননগর রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত মোহামায়া রেলসেতুতে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গেরিলা অভিযান চালানো হয়। উল্কা এক্সপ্রেস ট্রেন সেই ব্রীজ অতিক্রমকালীন সময়ে গেরিলা বাহিনী কর্তৃক বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্রেনের লোকোমোটিভ এবং চারটি কোচ খাদে পড়ে যায়। এই অভিযানে প্রায় ১০ জনের মতো পাকিস্তানি সেনা নিহত ও ৫ জন সেনা আহত হন। অনেক বাঙালীও এই বিস্ফোরণে নিহত হন।[২]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Railway -- plight and prospects"দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৬ 
  2. "মােহামায়া রেলসেতুতে উল্কা ট্রেনে অপারেশন"সংগ্রামের নোটবুক (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-০৬-১০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২৬