মহানগর প্রভাতী/গোধূলী এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মহানগর প্রভাতী/গোধূলী এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর
অবস্থাসচল
প্রথম পরিষেবা১৯৮৬; ৩৪ বছর আগে (1986)
বর্তমান পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে
যাত্রাপথ
শুরুচট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন
বিরতি৮টি
শেষকমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
ভ্রমণ দূরত্ব৩৪৬ কিলোমিটার (২১৫ মাইল)
যাত্রার গড় সময়৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
পরিষেবার হারদৈনিক
রেল নং৭০৩/৭০৪
ব্যবহৃত লাইনআখাউড়া-লাকসাম-চট্টগ্রাম
টঙ্গী-ভৈরব-আখাউড়া
নারায়ণগঞ্জ-বাহাদুরাবাদ ঘাট
যাত্রাপথের সেবা
শ্রেণী
  • তাপানুকুল স্লিপার
  • তাপানুকুল চেয়ার
  • শোভন চেয়ার
আসন বিন্যাসআছে
ঘুমানোর ব্যবস্থাআছে
খাদ্য সুবিধাঅন-বোর্ড
মালপত্রের সুবিধাওভারহেড রেক
কারিগরি
গাড়িসম্ভার
  • ১টি ২৯০০ শ্রেণীর লোকোমোটিভ
  • ?টি তাপানুকুল স্লিপার
  • ?টি তাপানুকুল চেয়ার
  • ?টি শোভন চেয়ার
  • ১টি পাওয়ার কার
  • ২টি শোভন চেয়ার+খাবার গাড়ী+গার্ডব্রেক
ট্র্যাক গেজ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি)
পরিচালন গতি৭৬ কিমি/ঘণ্টা
ট্র্যাকের মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
রক্ষণাবেক্ষণচট্টগ্রাম

মহানগর প্রভাতী/গোধূলী এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭০৩/৭০৪) বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশের একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে চলাচল করে। ট্রেনটি মহানগর গোধূলী নামে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এবং মহানগর প্রভাতী নামে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যায়। ট্রেনটি যাত্রাপথে ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়াকিশোরগঞ্জ জেলাকে সংযুক্ত করেছে।

১৯৮৬ সালের ট্রেনটি উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে এই ট্রেনের পাশাপাশি সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, ঢাকা/চট্টগ্রাম মেইল এবং কর্ণফুলী এক্সপ্রেস চলাচল করে। ট্রেনটির বেজ চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

(বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী পরিবর্তনশীল। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নিম্নোক্ত সময়সূচীটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫২তম সময়সূচী অনুযায়ী, যা ২০২০ সালের ১০ই জানুয়ারি হতে কার্যকর।)

ট্রেন

নং

উৎস প্রস্থান গন্তব্য প্রবেশ সাপ্তাহিক

ছুটি

৭০৩ চট্টগ্রাম ১৫:০০ কমলাপুর ২১:১৫ নেই
৭০৪ কমলাপুর ০৭:৪৫ চট্টগ্রাম ১৪:৫০

যাত্রাবিরতি[সম্পাদনা]

(অনেকসময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি পরিবর্তিত হতে পারে। নিম্নোক্ত তালিকাটি ২০২০ সাল অব্দি কার্যকর।)

রোলিং স্টক[সম্পাদনা]

ট্রেনটিতে সাধারণত ২৯০০ শ্রেণীর লোকোমোটিভ ব্যবহার করা হয়। ট্রেনটি প্রথমে সবুজ-হলুদ রঙের পুরনো ভ্যাকুয়াম ব্রেকের কোচের রেকে চলাচল করতো। পরে এই রেক পাল্টিয়ে সাদা রঙের চীনা এয়ার ব্রেক কোচের রেক দেওয়া হয়। পরে আবার ট্রেনটির রেক পাল্টিয়ে লাল-সবুজ রঙের ইন্দোনেশীয় এয়ার ব্রেক কোচের রেক দেওয়া হয়। বর্তমানে ট্রেনটি ১৬/৩২ লোডে চলাচল করে। এই ১৬টি কোচের মধ্যে ৪টি তাপানুকুল চেয়ার, ২টি তাপানূকুল স্লিপার, ৭ টি শোভন চেয়ার, ২টি শোভন চেয়ার গার্ডব্রেক +খাবার গাড়ী এবং ১টি পাওয়ার কার রয়েছে। যাত্রীচাহিদা বৃদ্ধি পেলে (যেমন ঈদের সময়) ট্রেনটিকে ১৮/৩৬ লোডে চালানো হয়।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]


বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে মহানগর প্রভাতী/গোধূলী এক্সপ্রেস সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন