ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| পরিষেবা ধরন | এক্সপ্রেস ট্রেন |
| অবস্থা | সচল |
| প্রথম পরিষেবা | ২৪ মার্চ ১৯৮৬ |
| বর্তমান পরিচালক | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| যাত্রাপথ | |
| শুরু | চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন |
| শেষ | ইব্রাহিমাবাদ রেলওয়ে স্টেশন |
| ভ্রমণ দূরত্ব | ৪৭০ কিলোমিটার |
| যাত্রার গড় সময় | ২২ ঘণ্টা |
| পরিষেবার হার | দৈনিক |
| রেল নং | ৩৭-৩৮ |
| যাত্রাপথের সেবা | |
| শ্রেণী | শোভন/সুলভ |
| আসন বিন্যাস | আছে |
| ঘুমানোর ব্যবস্থা | নেই |
| অটোরেক ব্যবস্থা | নেই |
| খাদ্য সুবিধা | নেই |
| পর্যবেক্ষণ সুবিধা | আছে |
| মালপত্রের সুবিধা | ওভারহেড রেক |
| কারিগরি | |
| গাড়িসম্ভার | ভ্যাকুয়াম কোচ |
| ট্র্যাক গেজ | ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) |
| ট্র্যাকের মালিক | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৩৭/৩৮) বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশের একটি এক্সপ্রেস ট্রেন। এটি চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে টাঙ্গাইলের ইব্রাহিমাবাদ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে। যাত্রাপথে এটি টাঙ্গাইল,জামালপুর,ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনী জেলাকে সংযুক্ত করেছে। এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে দীর্ঘ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেন।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ট্রেনটি ১৯৮৬ সালের ২৪শে মার্চ উদ্বোধন করা হয় । তখন ট্রেনটি চট্রগ্রাম থেকে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত চলাচল করত। ২০০৪ সালে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তারাকান্দি পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। ২০১২ সালে জামালপুর - ইব্রাহিমাবাদ পর্যন্ত লাইন চালু হলে ট্রেনটিকে ইব্রাহিমাবাদ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। ২০২০ সালে ট্রেনটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয় । পুনরায় পরে আবার চালানো হয়। ২০২২ সালের ২৩ শে জুন ট্রেনটি চট্রগ্রাম থেকে ভুয়াপুর পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। এটি পুনরায় ২০২৫ এর শেষের দিকে আবারও ইব্রাহিমাবাদ (পূর্বে যমুনা সেতু পূর্ব) পর্যন্ত চলাচল শুরু করে
সময়সূচি
[সম্পাদনা](বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী পরিবর্তনশীল।) বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ এপ্রিল ২০২০ তারিখে গিয়ে সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
| ট্রেন
নং |
উৎস | প্রস্থান | গন্তব্য | প্রবেশ | সাপ্তাহিক
ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| ৩৮ | ইব্রাহিমাবাদ | ০১:১৫ | চট্রগ্রাম | ২৩:১৫ | |
| ৩৭ | চট্রগ্রাম | ১৫:৪৫ | ইব্রাহিমাবাদ | ১৩:১৫ |
রোলিং স্টক
[সম্পাদনা]এই ট্রেনে ২৬০০, ২৭০০ বা ২৯০০ সিরিজের লোকোমোটিভ ব্যবহার করা হয়। এক্সপ্রেস ট্রেন হওয়ায় ট্রেনটি ভেস্টিবিউলবিহীন ভ্যাকুয়াম শোভন/সুলভ কোচে চলাচল করে। সম্ভবত ৮/১৬ লোডে চলাচল করে।
দুর্ঘটনা
[সম্পাদনা]- ২০১৩: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের আমবাড়িয়া এলাকায় লোকোমোটিভ ২৯১০ সহ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়।