বেনাপোল এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বেনাপোল এক্সপ্রেস
Benapole Express.jpg
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর ট্রেন
প্রথম পরিষেবা১৭ জুলাই ২০১৯
বর্তমান পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে বিভাগ
যাত্রাপথ
শুরুবেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন
শেষকমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
যাত্রার গড় সময়৮ ঘণ্টা
পরিষেবার হার৬ দিন (বুধবার বেনাপোল হতে ঢাকা বন্ধ, বৃহস্পতিবার ঢাকা হতে বেনাপোল বন্ধ)
রেল নং৭৯৫/৭৯৬
যাত্রাপথের সেবা
শ্রেণীএসি,প্রথম শ্রেণী এবং চেয়ার কোচ
আসন বিন্যাসহ্যাঁ
ঘুমানোর ব্যবস্থাহ্যাঁ
খাদ্য সুবিধাহ্যাঁ

বেনাপোল এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালিত ঢাকা-বেনাপোল রুটে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি বিলাসবহুল, অত্যাধুনিক­ এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রতিবন্ধী বান্ধব ট্রেন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বেনাপোল এক্সপ্রেস

ঢাকা-বেনাপোল রুটে কোন সরাসরি রেল পরিষেবা না থাকায় বাংলাদেশ সরকার এই রুটে একটি নতুন ট্রেন সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ১৭ জুলাই ২০১৯ বুধবার গনভবন থেকে ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন এ ট্রেনটি উদ্ভোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।[১] প্রাথমিক ভাবে তিনটি নাম প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়। সেগুলোর হলো বেনাপোল এক্সপ্রেস, বন্দর এক্সপ্রেস ও ইছামতী এক্সপ্রেস। প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল এক্সপ্রেস নামটি দেন।

বগি ও আসন সংখ্যা[সম্পাদনা]

বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ইন্দোনেশিয়া হতে আমদানি করা হয়েছে। এই ট্রেনে ১২ টি বগি যুক্ত। এ বগি গুলো হচ্ছে

  • শোভন চেয়ার ৭টি
  • এসি চেয়ার ১টি
  • এসি কেবিন ১টি
  • পাওয়ার কার ১টি
  • গার্ড ব্রেক ২ টি।

মোট ১২ টি বগিতে আসন দিনের বেলা ৮৯৫টি, রাতে ৮৭১ টি।

যাত্রাপথ ও বিরতীস্থান[সম্পাদনা]

ট্রেনটি ৭৯৫ নং হিসেবে বেনাপোল হতে ঢাকা ছাড়ে বেলা ১৩:০০, পৌছে ২০:৫৫ ও ৭৯৬ নং হিসেবে ঢাকা হতে বেনাপোল ছাড়ে রাত ১২:৪০ পৌছে ০৮:৪৫।

আসা-যাওয়ার পথে ট্রেনটি নিন্মলিখিত স্টেশনে বিরতি দেয়:

সুযোগ-সুবিধা[সম্পাদনা]

ট্রেনে দুটি ক্যান্টিন যুক্ত আছে। এখানে বার্গার, কেক, স্যান্ডউইচ, রোল, রুটি, চা, কপি, কাটলেট, সিদ্ধ ডিম, ভাজা মুরগী, কাবাব, সামুচা, বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বিরতিহীন 'বেনাপোল এক্সপ্রেস' ট্রেনের যাত্রা শুরু আজ"প্রথম আলো। ১৭ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১৯