টাঙ্গাইল কমিউটার
টাঙ্গাইল কমিউটার (ট্রেন নম্বর ১০৩৩/১০৩৪) বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশের একটি কমিউটার ট্রেন। এটি টাঙ্গাইলের ইব্রাহিমাবাদ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।[১]
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
|---|---|
| পরিষেবা ধরন | কমিউটার ট্রেন |
| অবস্থা | চালু |
| প্রথম পরিষেবা | ২০ জুলাই ২০০১ |
| বর্তমান পরিচালক | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| যাত্রাপথ | |
| শুরু | ইব্রাহিমাবাদ রেলওয়ে স্টেশন |
| বিরতি | ৬টি |
| শেষ | কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন |
| পরিষেবার হার | চালু আছে |
| রেল নং | ১০৩৩ এবং ১০৩৪ |
| যাত্রাপথের সেবা | |
| আসন বিন্যাস | আছে |
| ঘুমানোর ব্যবস্থা | নেই |
| খাদ্য সুবিধা | নেই |
| মালপত্রের সুবিধা | ওভারহেড রেক |
| কারিগরি | |
| ট্র্যাক গেজ | ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট ৩ ৩⁄৮ ইঞ্চি) |
| ট্র্যাকের মালিক | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| রক্ষণাবেক্ষণ | ঢাকা |
সময়সূচি
[সম্পাদনা]- টাঙ্গাইল কমিউটার ইব্রাহিমাবাদ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছাড়ে সকাল ০৬টা ৪০ মিনিটে, ঢাকা পৌঁছে সকাল ০৯ টা ৪৫ মিনিটে।
- ঢাকা থেকে ইব্রাহিমাবাদ উদ্দেশ্যে ছাড়ে বিকেল ৬টা, ইব্রাহিমাবাদ পৌঁছাবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।
যাত্রাবিরতি
[সম্পাদনা]ইতিহাস
[সম্পাদনা]ট্রেনটি ২০০১ সালের ২০ জুলাই টাঙ্গাইলবাসীর জন্য একটি নতুন ট্রেন উদ্বোধন করা হয়। তখন ট্রেনটি ঢাকা- মির্জাপুর পর্যন্ত চলাচল করত। পরে ২০০৩ সালে ট্রেনটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে আবার চালু করা হয়। তখন ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চলাচল করত। ২০০৯ সালের শেষের দিকে সিন্ধান্ত নেওয়া হয় যে ২০১০ সাল থেকে ট্রেনটি ঢাকা থেকে ইব্রাহিমাবাদ পর্যন্ত চলাচল করবে। অবশেষে ২০১০ সালে ট্রেনটিকে ইব্রাহিমাবাদ (সেতু পূর্ব) পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। ঢাকা- ইব্রাহিমাবাদ- ঢাকা রুটে "টাঙ্গাইল কমিউটার" নামে এই ট্রেনটি চালু করা হয় তুরাগ কমিউটার এর রেক দিয়ে। এতে বন্ধ করে দেওয়া হয় তুরাগ কমিউটার কে। ফলে তুরাগ কমিউটার এর অনেক যাত্রী উক্ত ট্রেন পুনরায় চালু করার জন্য মানববন্ধন করেন।
এই মানববন্ধন বন্ধ করে তুরাগ কমিউটার চালুর ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অবমুক্ত ব্রডগেজ ভ্যাকুয়াম রেক দিয়ে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন এবং উক্ত ট্রেনের মিটারগেজ রেক দ্বারা পুনরায় তুরাগ কমিউটার ট্রেন চলাচল শুরু করে।
করোনার মহামারীর সময়ে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন বন্ধ থাকায় ২০২০ সালের ১৫ ই অক্টোবর এই ট্রেনের রেক দিয়ে রাজশাহী- পঞ্চগড়- রাজশাহী রুটে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়। ফলে টাঙ্গাইল কমিউটার এর নিজস্ব কোনো রেক আপাতত না থাকলেও রেল বিভাগ জানায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ইন্দোনেশিয়ার পিটি ইনকার তৈরি নতুন আধুনিক রেক পাওয়ায় এর অবমুক্ত মিটার-গেজ ভ্যাকুয়াম রেক টাঙ্গাইল কমিউটারকে দেওয়া হবে।
অবশেষে ২০২০ সালের ১৯শে ডিসেম্বর থেকে আন্তনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের অবমুক্ত ভ্যাকুয়াম রেক দ্বারা পরিচালনা শুরু করা হয়।
এই ট্রেনটিতে ২৩০০ বা ২৬০০ বা ২৭০০ বা ২৯০০ শ্রেনীর লোকোমেটিড ব্যবহার করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ঢাকা-টাঙ্গাইল-ঢাকা ব্রডগেজ ট্রেন সার্ভিস চালু"। যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০।