জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস
| জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস | |
|---|---|
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | |
| পরিষেবা ধরন | আন্তঃনগর ট্রেন |
| অবস্থা | পরিচালিত হচ্ছে |
| প্রথম পরিষেবা | ১৩ মে ১৯৮৬ |
| বর্তমান পরিচালক | পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে |
| যাত্রাপথ | |
| শুরু | কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন |
| বিরতি | ১৪টি |
| শেষ | সিলেট রেলওয়ে স্টেশন |
| ভ্রমণ দূরত্ব | ২৯৪ কিলোমিটার (১৮৩ মাইল)[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] |
| পরিষেবার হার | সপ্তাহে ৬ দিন |
| যাত্রাপথের সেবা | |
| শ্রেণী | শোভন চেয়ার, এসি চেয়ার, এসি কেবিন |
| আসন বিন্যাস | আছে |
| ঘুমানোর ব্যবস্থা | আছে |
| খাদ্য সুবিধা | আছে |
| বিনোদন সুবিধা | আছে |
| মালপত্রের সুবিধা | আছে |
| কারিগরি | |
| গাড়িসম্ভার | বর্তমানে এই ট্রেনটিকে ইন্দোনেশিয়ান পিটি ইনকা রেক বা কোচ দ্বারা পরিচালনা করা হয়।
এই ট্রেনটিতে ১৪টি বগি রয়েছে। যার মধ্যে ২টি গার্ড কার+শোভন চেয়ার+খাবার গাড়ি, ২টি এসি চেয়ার, ১টি এসি স্লিপার, ১টি পাওয়ার কার, ৮টি শোভন চেয়ার বগি। |
| ট্র্যাক গেজ | মিটারগেজ |
| রক্ষণাবেক্ষণ | কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ও সিলেট রেলওয়ে স্টেশন |
| রেক ভাগকরণ | উপবন এক্সপ্রেস |
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭১৭/৭১৮) বাংলাদেশ রেলওয়ে পরিচালিত ঢাকা থেকে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি বাংলাদেশের দ্রুত ও বিলাসবহুল ট্রেন গুলোর একটি। বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে ঢাকা-সিলেট রুটে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ছাড়াও পারাবত এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস ও কালনী এক্সপ্রেস চলাচল করে।[১][২][৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ-এর শাসনামলে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিকে যে কয়েকটি আন্তঃনগর উদ্বোধন হয় তার মধ্যে জয়ন্তিকা অন্যতম। জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস উদ্বোধন করা হয় ১৩ই মে ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে।[৪]
সময়সূচী
[সম্পাদনা](বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী পরিবর্তনশীল। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ এপ্রিল ২০২০ তারিখে গিয়ে সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নিম্নোক্ত সময়সূচীটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫৩তম সময়সূচী অনুযায়ী, যা ২০২৩ সালের ১লা ডিসেম্বর হতে কার্যকর।)
| ট্রেন
নং |
উৎস | প্রস্থান | গন্তব্য | প্রবেশ | সাপ্তাহিক
ছুটি |
|---|---|---|---|---|---|
| ৭১৭ | কমলাপুর | ১১:১৫ | সিলেট | ১৯:০০ | মঙ্গলবার |
| ৭১৮ | সিলেট | ১২:০০ | কমলাপুর | ১৯:১৫ | বৃহষ্পতিবার |
যাত্রাবিরতি
[সম্পাদনা](অনেকসময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি পরিবর্তিত হতে পারে। নিম্নোক্ত তালিকাটি ২০২০ সাল অব্দি কার্যকর) জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এর যাত্রাবিরতিসমূহ
রোলিং স্টক
[সম্পাদনা]বর্তমানে এই ট্রেনটিকে ইন্দোনেশিয়ান পিটি ইনকা রেক বা কোচ দ্বারা পরিচালনা করা হয়। এই ট্রেনটিতে ১৪টি বগি রয়েছে, যার মধ্যে ২টি গার্ড কার+শোভন চেয়ার+খাবার গাড়ি , ২টি এসি চেয়ার, ১টি এসি স্লিপার , ১টি পাওয়ার কার, ৮টি শোভন চেয়ার বগি।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব। "জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ "নতুন কোচ যুক্ত হলো জয়ন্তিকা ও উপবন এক্সপ্রেসে"। বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ "নতুন কোচে জয়ন্তিকা ও উপবন এক্সপ্রেস"। দৈনিক ইনকিলাব। ১০ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "নতুন কোচ দিয়ে যাত্রা শুরু জয়ন্তিকা ও উপবন এক্সপ্রেসের"। বার্তা২৪.কম। ১৮ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১।