করতোয়া এক্সপ্রেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
করতোয়া এক্সপ্রেস
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
পরিষেবা ধরনআন্তঃনগর ট্রেন
অবস্থাপরিচালিত হচ্ছে
প্রথম পরিষেবা১৭ জানুয়ারি ১৯৮৬; ৩৭ বছর আগে (17 January 1986)
বর্তমান পরিচালকপশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে
যাত্রাপথ
শুরুসান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন
বিরতি১৫টি
শেষবুড়িমারী রেলওয়ে স্টেশন
পরিষেবার হারদৈনিক
রেল নং৭১৩/৭১৪
যাত্রাপথের সেবা
আসন বিন্যাসআছে
খাদ্য সুবিধাআছে
বিনোদন সুবিধাআছে
মালপত্রের সুবিধাআছে
কারিগরি
পরিচালন গতি৮০

করতোয়া এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭১৩/৭১৪) সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন থেকে বুড়িমারী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল কারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় একটি আন্তঃনগর ট্রেন।

রুট এবং যোগাযোগ[সম্পাদনা]

করতোয়া এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিম জোনের আওতায় চলা একটি আঞ্চলিক ট্রেন ব্যবস্হা। এই ট্রেনটি উত্তরবঙ্গের ৫ টি জেলা, যথা-নওগাঁ, বগুড়া (রাজশাহী বিভাগ), গাইবান্ধা, রংপুর এবং লালমনিরহাট জেলা (রংপুর বিভাগ) জেলাগুলোকে স্পর্শ করছে। তারমধ্যে বগুড়া, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট জেলা সদর স্টেশন এই ট্রেনের রুটের আওতায়। সান্তাহার জংশন - গাইবান্ধা-লালমনিরহাট-বুড়িমারী প্রায় ২৭০ কিঃমি, সম্পূর্ণ মিটার গেজ রেল রুট এটি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

রাষ্টপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ-এর শাসনামলে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিকে যে কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন উদ্বোধন হয় তার মধ্যে করতোয়া এক্সপ্রেস একটি। করতোয়া এক্সপ্রেস উদ্বোধন হয় ১৭ মার্চ ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে।

করতোয়া এক্সপ্রেস বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি পুরাতন ট্রেন। দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে বাংলাদেশ রেলওয়েতে যাত্রীসেবা দিয়ে আচ্ছে। করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি মোট তিনটি রুটে চলাচল করেছে। বর্তমান রুট হচ্ছে সান্তাহার জংশন - গাইবান্ধা- লালমনিরহাট-বুড়িমারী রুটে। প্রথম অবস্থায় ট্রেনটি সান্তাহার জংশন থেকে তিস্তা মুখঘাট যেতো। যমুনাসেতু হওয়ার আগে ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের ৮ রংপুর, দিনাজপুর বাকি ৮ জেলার সাথে রেলযোগাযোগের জন্য গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় রেলফেরি ব্যবস্হা ছিলো। যা ওপারের জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ/বাহাদুরাবাদ ঘাটের সাথে সংযোগ ছিলো। এবং যাএী পারাপারের জন্য ছিলো রেলওেয়ের বিশেষ ব্যবস্হা। যদিও এখন যমুনা সেতু হয়েছে। তাই ফেরি ব্যবস্হা এখন বন্ধ। পরবর্তীতে করতোয়ার রুট পরিবর্তন করে বোনারপাড়া-গাইবান্ধা হয়ে লালমনিরহাট পর্যন্ত নিয়ে আসে এবং সর্বশেষ ২০১২ সালে,স্থলবন্দর বুড়িমারী পর্যন্ত বর্ধিত করে এবং বুড়িমারী রেল রুটে এটাই একমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

(বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী পরিবর্তনশীল। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নিম্নোক্ত সময়সূচীটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫২তম সময়সূচী অনুযায়ী, যা ২০২০ সালের ১০ই জানুয়ারি হতে কার্যকর।)

ট্রেন

নং

উৎস প্রস্থান গন্তব্য প্রবেশ সাপ্তাহিক

ছুটি

৭১৩ সান্তাহার ০৯:১৫ বুড়িমারী ১৫:৩৫ নেই
৭১৪ বুড়িমারী ১৬:০০ সান্তাহার ২২:২০

যাত্রাবিরতি[সম্পাদনা]

(অনেকসময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি পরিবর্তিত হতে পারে। নিম্নোক্ত তালিকাটি ২০২০ সাল অব্দি কার্যকর।)

রোলিং স্টক[সম্পাদনা]

করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটির জন্য MEM-14 ২৩ ক্লাস এবং MEM-14 ২৪ ক্লাস লোকোমোটিভ নির্ধারিত। যেগুলো যথাক্রমে ৫১ এবং ৪২ বছর আগে কানাডা থেকে আমদানি করা হয়েছে। বর্তমানে এইটি আন্তঃনগর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস এর ৩০০০ শ্রেণীর locomotive দারা পরিচালিত হচ্ছে।

ট্রেনের রেক- প্রথম অবস্থায় ট্রেনটির রেক সাধারণ মেইল ট্রেনের রেক দাঁড়াই পরিচালিত হয়েছিলো। দীর্ঘ ২৯ বছর চলার পর, ভ্যাকুয়াম রেকের আন্তঃনগর রেক দিয়ে উদ্বোধন করা হয়। ২২ জুন ২০২২ থেকে আন্তঃনগর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস এর সাদা এবং লাল সবুজ ইরানি রেক দিয়ে চলাচল করছে।

ট্রেনের আসন ব্যবস্হা[সম্পাদনা]

ট্রেনটিতে দুই ধরনের আসন ব্যবস্হা রয়েছে। একটি চেয়ারকোচ সার্ভিস এবং অপরটি সাধারণ সার্ভিস।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]