শাকিব খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
শাকিব খান
জন্ম মাসুদ রানা
(১৯৭৯-০৩-২৮) ২৮ মার্চ ১৯৭৯ (বয়স ৩৯)
রাঘধী,মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ
অন্য নাম কিং খান, নাম্বার ওয়ান
পেশা অভিনেতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক[১]
কার্যকাল ১৯৯৯–বর্তমান
প্রতিষ্ঠান এস.কে. ফিল্মস[২]
উল্লেখযোগ্য কাজ পূর্ণ তালিকা
উচ্চতা ৬ ফু ০ ইঞ্চি (১.৮৩ মি)
দাম্পত্য সঙ্গী অপু বিশ্বাস (বি. ২০০৮; তালাক. ২০১৭)[৩]
সন্তান আব্রাহাম খান জয়[৩]
পিতা-মাতা আব্দুর রব (বাবা)
নূরজাহান (মা)
পুরস্কার নিচে দেখুন

শাকিব খান (জন্ম: ২৮ মার্চ ১৯৭৯) হলেন একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী অভিনেতা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।[৪] তার প্রকৃত নাম মাসুদ রানা হলেও তিনি শাকিব খান নামে চলচ্চিত্রাঙ্গনে আবির্ভূত হয়ে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালবাসা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। কিন্তু ছবিটি তাকে সফলতা এনে না দিলেও অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় বছরেই তিনি সে সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী শাবনূর এর বিপরীতে অভিনয় করে আলোচিত হন। অচিরেই শাকিব খান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এবং সর্বোচ্চ বেতনভোগী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।[৫]

শাকিব তার কর্মজীবনে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, ও একটি লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার। তিনি ২০১০ সালের ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না[৬][৭] ২০১২ সালের খোদার পরে মা[৮] এবং ২০১৫ সালের আরো ভালোবাসবো তোমায় ছবির জন্য তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৯]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

শাকিব খান নারায়নগঞ্জ জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১০] তাঁর বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী এবং মাতা নূরজাহান একজন গৃহিণী। তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হলেন এক বোন ও একভাই। শাকিব খান তাঁর ইচ্ছে প্রসঙ্গে বলেন,

"ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হব। কারণ আমি সাইন্সের ছাত্র ছিলাম। সবসময় বুকে লালন করতাম ডাক্তার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করব। এর বাইরে যে অপশনটি আমার মধ্যে কাজ করত তা হলো ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। খুব পছন্দ ছিল এই পেশাটিও। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করার পর হঠাৎ করেই যেন ছোটবেলার স্বপ্নগুলো হারিয়ে যেতে থাকল।[১১]

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৯ - ২০০৫[সম্পাদনা]

শাকিব খান ১৯৯৯ সালে প্রথম চুক্তিবদ্ধ হন "সবাইতো সুখী হতে চায়" চলচ্চিত্রে। আফতাব খান টুলু পরিচালিত এ ছায়াছবির মাধ্যমে তিনি প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এতে তার বিপরীতে ছিল আরেক নবাগতা কারিশমা শেখ। এ ছবির শুটিং শেষ না হতেই তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে ঢালিউডের পরিচালক-প্রযোজকদের মাঝে। সবাই বলাবলি করে, ছেলেটি ভালো ফাইট করে, নাচে দুর্দান্ত, দেখতে সুন্দর। শাকিব খান অভিনীত প্রথম ছায়াছবি সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালোবাসা মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালের ২৮ মে। ছায়াছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন চলচ্চিত্রের আরেক অভিনয়শিল্পী মৌসুমীর ছোট বোন ইরিন জামান। দু'জনেরই এটি ছিল প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। ছায়াছবি হিসেবে অনন্ত ভালোবাসা খুব একটা সফল না হলেও নায়ক হিসেবে শাকিব খান সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরের বছর ২০০০ সালে অভিনয় করেন গোলাম, আজকের দাপট, দুজন দুজনার, বিষে ভরা নাগিন চলচ্চিত্রে। ইস্পাহানী আরিফ জাহান পরিচালিত গোলাম চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম শাবনূরের বিপরীতে, এজে রানা পরিচালিত আজকের দাপট চলচ্চিত্রে প্রথম পূর্ণিমার বিপরীতে, আবু সাঈদ খান পরিচালিত দুজন দুজনার চলচ্চিত্রে প্রথম পপির বিপরীতে, এবং দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত বিষে ভরা নাগিন চলচ্চিত্রে প্রথম মুনমুনের বিপরীতে অভিনয় করেন। ২০০১ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত শিকারী, স্বপ্নের বাসর, মায়ের জেহাদ, রাঙ্গা মাস্তান, হিংসার পতন, বন্ধু যখন শত্রু ছায়াছবিগুলো। এফআই মানিক পরিচালিত স্বপ্নের বাসর চলচ্চিত্রে রিয়াজ ও শাবনূরের পাশাপাশি তার অভিনয় প্রশংসিত হয়। ২০০২ সালে মুক্তি পায় এফআই মানিক পরিচালিত ফুল নেবনা অশ্রু নেব, ও স্ত্রীর মর্যাদা, শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ও প্রিয়া তুমি কোথায়, জিল্লুর রহমানের নাচনেওয়ালী এবং বাদল খন্দকারের বিশ্ব বাটপারস্ত্রীর মর্যাদা ছায়াছবিতে তিনি প্রথম মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেন। ২০০৩ সালে অভিনয় করেন সাহসী মানুষ চাই, প্রাণের মানুষ, ক্ষমতার দাপট, ও সবার উপরে প্রেম চলচ্চিত্রে। এ বছর তার অভিনীত মহম্মদ হান্‌নান পরিচালিত সাহসী মানুষ চাই চলচ্চিত্রটি প্রশংসিত হয় এবং তিনটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। ২০০৪ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো মধ্যে নয়ন ভরা জল, আজকের সমাজ, বস্তির রানী সুরিয়া, রুখে দাড়াও উল্লেখযোগ্য। ২০০৫ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত এমএ রহিম পরিচালিত সিটি টেরর। এ চলচ্চিত্রে তিনি আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা মান্নার সাথে অভিনয় করেন। এছাড়া শাহীন-সুমন পরিচালিত বাধা চলচ্চিত্রে রিয়াজ ও পূর্ণিমার সাথে অভিনয় করেন।

২০০৬ - ২০১০[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প সুভা অবলম্বনে নির্মিত সুভা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম এবং নাম চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা। এ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় সমালোচকদের দৃষ্টিতে প্রশংসিত হয় এবং তিনি ২০০৭ সালে প্রদত্ত "লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার"-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে দর্শক জরিপ ও সমালোচক উভয় শাখায় মনোনীত হন। একই বছর আরো মুক্তি পায় এফআই মানিক পরিচালিত কোটি টাকার কাবিন, পিতার আসন, দাদীমা, ও চাচ্চু, এবং দিলীপ বিশ্বাস পরিচালিত মায়ের মর্যাদাকোটি টাকার কাবিন ছায়াছবিতে তিনি প্রথম অপু বিশ্বাসের সাথে অভিনয় করেন এবং পরবর্তীতে তার সাথে জুটি বেঁধে অসংখ্য ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। চাচ্চু চলচ্চিত্রটি দিয়ে শাকিব প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।[১১] ২০০৭ সালে মা আমার স্বর্গ, আমার প্রাণের স্বামী, কাবিনামা, স্বামীর সংসার, ডাক্তার বাড়ী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। পিএ কাজল পরিচালিত আমার প্রাণের স্বামী চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে প্রথম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তার অভিনীত ছায়াছবিগুলো হল তোমাকে বউ বানাবো, আমার জান আমার প্রাণ, সমাধি, ১ টাকার বউ, ভালোবাসার দুশমন, প্রিয়া আমার প্রিয়া, টিপ টিপ বৃষ্টি, তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা, আমাদের ছোট সাহেব, সন্তান আমার অহংকার, যদি বউ সাজো গো, মনে প্রাণে আছ তুমি। এ বছর বদিউল আলম খোকন পরিচালিত প্রিয়া আমার প্রিয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার অর্জন করেন। পিএ কাজল পরিচালিত ১ টাকার বউ চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর ও রুমানা খান। চলচ্চিত্রটি একটি বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং একটি বিভাগে জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার অর্জন করে।

২০০৯ সালে তিনি অভিনয় করেন আমার প্রাণের প্রিয়া, স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা, ভালোবাসা দিবি কিনা বল, মন যেখানে হৃদয় সেখানে, বলোনা কবুল, বিয়ের প্রস্তাব, জন্ম তোমার জন্য, প্রেম কয়েদী, সাহেব নামের গোলাম, ও সাথী রে চলচ্চিত্রে। এই বছর পিএ কাজল পরিচালিত স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা চলচ্চিত্রটি প্রশংসিত হয় এবং তিনটি বিভাগে জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার অর্জন করে। এছাড়া জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত আমার প্রাণের প্রিয়া চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ২০১০ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন। এই চলচ্চিত্রের "কি জাদু করেছো বলোনা" গানটি এক বছর হিট গানের তালিকায় ছিল।[১১] পরের বছর ২০১০ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত বলোনা তুমি আমার, প্রেম মানে না বাধা, টপ হিরো, পরান যায় জ্বলিয়া রে, ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না, টাকার চেয়ে প্রেম বড়, জীবন মরণের সাথী, প্রেমে পড়েছি, চেহারা: ভন্ড-২, প্রেমিক পুরুষ, হায় প্রেম হায় ভালোবাসাজাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না চলচ্চিত্রে একজন স্বাধীনচেতা যুবক সূর্য চরিত্রে অভিনয় করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন অপু বিশ্বাসরুমানা খান। এই চলচ্চিত্রের জন্য ২০১১ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হন। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০১২ সালে প্রদত্ত জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারে প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার অর্জন করেন।[১২] এছাড়া এই বছর ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার অভিনীত নাম্বার ওয়ান শাকিব খান, চাচ্চু আমার চাচ্চু, ও নিঃশ্বাস আমার তুমি। বদিউল আলম খোকন পরিচালিত নাম্বার ওয়ান শাকিব খান ব্যবসায়িক সফলতা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করে।[১১][১৩] শাহাদাৎ হোসেন লিটনের জীবন মরণের সাথী, পিএ কাজলের চাচ্চু আমার চাচ্চু, এবং বদিউল আলম খোকনের নিঃশ্বাস আমার তুমি তিনটি চলচ্চিত্রেই তার বিপরীতে অভিনয় করে অপু বিশ্বাস এবং চলচ্চিত্রগুলো বিভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার অর্জন করে।[১৪]

২০১১ - ২০১৫[সম্পাদনা]

২০১১ সালে শাকিব খান অভিনীত কোটি টাকার প্রেম, মাটির ঠিকানা, কিং খান, মনের জ্বালা, আদরের জামাই, বস নাম্বার ওয়ান, টাইগার নাম্বার ওয়ান চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পায়। মালেক আফসারী পরিচালিত মনের জ্বালা চলচ্চিত্র তার বিপরীতে অভিনয় করে অপু বিশ্বাস। এই ছায়াছবিতে তিনি প্রথম নেপথ্য শিল্পী হিসেবে আমি চোখ তুলে তাকালেই সূর্য লুকায় গানে কণ্ঠ দেন।[১৫] সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কোটি টাকার প্রেম ও পরিচালক জুটি শাহীন-সুমন পরিচালিত টাইগার নাম্বার ওয়ান ব্যবসাসফল হয়। মোহাম্মদ হোসেন জেমী পরিচালিত কিং খান চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে অভিনয় করে অপু বিশ্বাস ও লামিয়া মিমো। ছায়াছবিটি এই বছর সবচেয়ে ব্যবসাসফল হয়। এ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ২০১২ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন।[১৬] শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত আদরের জামাই ছায়াছবির জন্য মনোনীত হন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে। মোহাম্মদ হোসেন পরিচালিত বস নাম্বার ওয়ান ও শাহ আলম কিরণ পরিচালিত মাটির ঠিকানা বিভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কারমেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন। ২০১২ সালে অভিনয় করেন সে আমার মন কেড়েছে, বুক ফাটে তো মুখ ফুটেনা, এক টাকার দেনমোহর, মাই নেম ইজ সুলতান, ডন নাম্বার ওয়ান, খোদার পরে মা, ঢাকার কিং চলচ্চিত্রে। বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ডন নাম্বার ওয়ান চলচ্চিত্রের জন্য ২০১৩ সালে দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন। শাহীন-সুমন পরিচালিত খোদার পরে মা মুন্না চরিত্রে অভিনয় করেন। এতে তার বিপরীতে ছিল সাহারা এবং তার মায়ের ভূমিকায় ছিলেন ববিতা। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০১৪ সালে প্রদত্ত জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তার দ্বিতীয় পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া নায়ক হিসেবে রেকর্ডসংখ্যক পারিশ্রমিকের অধিকারী শাকিব খান সর্বশেষ চমক সৃষ্টি করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে।[১৭]

পরের বছর ২০১৩ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত ঢাকা টু বোম্বে, ফুল এন্ড ফাইনাল, জোর করে ভালবাসা হয় না, ভালোবাসা আজকাল, নিষ্পাপ মুন্না, জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার, দেবদাস, মাই নেম ইজ খান, পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী। এফআই মানিক পরিচালিত জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে ছিলেন পূর্ণিমা। এছাড়াও এই ছায়াছবিতে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর একসাথে অভিনয় করেন রাজ্জাক, সোহেল রানাআলমগীর। ছায়াছবিটি ব্যবসাসফল হয়। বদিউল আলম খোকন পরিচালিত মাই নেম ইজ খান চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে ছিল অপু বিশ্বাস। অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস অবলম্বনে নির্মিত দেবদাস চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম এবং শাকিব খানের বিপরীতে পার্বতী চরিত্রে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাসচন্দ্রমুখী চরিত্রে অভিন করেন মৌসুমী। চলচ্চিত্রটি একই পরিচালকের ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দেবদাস চলচ্চিত্রের পুনঃনির্মাণ। পিএ কাজল ভালবাসা আজকাল ছায়াছবিতে তিনি প্রথম মাহিয়া মাহীর বিপরীতে অভিনয় করেন। সাফি উদ্দীন সাফি পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ছায়াছবিতে তার সাথে অভিনয় করেন জয়া আহসানআরিফিন শুভ। এই ছায়াছবিতে তিনি দ্বিতীয়বার নেপথ্য শিল্পী হিসেবে কণ্ঠ দেন ও প্রিয় আমি তোমার হতে চাই গানে। ছায়াছবিটিতে জয় শিকদার চরিত্রে অভিনয় করে অর্জন করেন ২০১৪ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কার।[১৮]

শাকিব খান ২০১৪ সালে অভিনয় করেন রাজত্ব, ফাঁদ, সেরা নায়ক, ডেয়ারিং লাভার, কঠিন প্রতিশোধ, হিটম্যান, হিরো: দ্যা সুপারস্টার ছায়াছবিতে। এস. কে. ফিল্মসের ব্যানারে হিরো: দ্যা সুপারস্টার ছায়াছবিটি প্রযোজনা করেন শাকিব খান নিজেই।[১৯] বদিউল আলম খোকন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে তার সাথে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস, ইয়ামিন হক ববি, ববিতানূতন[২০] ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত ছায়াছবিটি ব্যবসাসফল হয় এবং ঢালিউডের সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের সেরা দশে অবস্থান করে। এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ২০১৫ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে পুরস্কৃত হন।[২১] এছাড়া চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ প্রযোজিত এক কাপ চা ছায়াছবিতে একটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১৫ সালে তার অভিনীত এইতো প্রেম, আরো ভালোবাসবো তোমায়, দুই পৃথিবী, লাভ ম্যারেজ, রাজা বাবু মুক্তি পায়। সোহেল আরমান পরিচালিত এইতো প্রেম তার অভিনীত প্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। এতে তার বিপরীতে প্রথমবার অভিনয় করেন আফসানা আরা বিন্দু। এই চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ২০১৬ সালে প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এ দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে মনোনীত হন। এস এ হক অলিক পরিচালিত আরো ভালোবাসবো তোমায়-এ তিনি প্রথম অভিনয় করেন পরীমনির বিপরীতে। এই চলচ্চিত্রে শাকিব খান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি তৃতীয়বারের মত শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[২২]

২০১৬ - ২০১৭[সম্পাদনা]

২০১৬ সালে উত্তম আকাশ পরিচালিত রাজা ৪২০ এবং সাফি উদ্দীন সাফি পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ২ মুক্তি পায়। পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ২ ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনীর অনুবর্তী পর্ব। দুই ক্রিকেটারের দ্বন্দ্ব নিয়ে নির্মিত এই ছায়াছবিতে তার সাথে অভিনয় করেছেন জয়া আহসানমামনুন হাসান ইমন। এই বছর ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার অভিনীত শিকারি, রানা পাগলা, সম্রাট। যৌথ প্রযোজনার শিকারি পরিচালনা করেন বাংলাদেশী জাকির হোসেন সীমান্ত ও ভারতীয় জয়দীপ মুখার্জী। এতে টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সাথে প্রথম জুটি বেঁধে বেশ সুনাম অর্জন করেন। শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত রানা পাগলা-এ তার বিপরীতে প্রথম অভিনয় করেন নুসরাত ইমরোজ তিশাসম্রাট পরিচালনা করেন মুহম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে তার সাথে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস ও কলকাতার ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। ঈদুল আযহায় মুক্তি পায় তার অভিনীত বসগিরি ছায়াছবি। শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত এই ছায়াছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নবাগত শবনম বুবলি। এই বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পায় তার অভিনীত ধূমকেতু। শফিক হাসান পরিচালিত ছবিটিতে তার বিপরীতে ছিলেন পরীমনি

২০১৭ সালের শুরুতে মুক্তি পায় তার অভিনীত চলচ্চিত্র সত্তা। কথাসাহিত্যিক সোহানী হোসেনের মা গল্প অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করেছেন হাসিবুর রেজা কল্লোল এবং এতে প্রথমবার শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন কলকাতার পাওলি দাম। এই সিনেমায় শাকিব খানের অভিনয় সব শ্রেনীর দর্শকের মন কাড়ে,সিনেমার ব্যবসাও সন্তোষজনক। এবছর ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার অভিনীত নবাবরাজনীতিনবাব সিনেমাটি রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসা করে ইতিহাসে জায়গা করে নেয়,পাশাপাশি ভারতেও সিনেমাটি ঝড় তোলে। [২৩] ইন্দো-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার নবাব পরিচালনা করেন জয়দীপ মুখার্জী এবং এতে প্রথমবারের মত তার বিপরীতে অভিনয় করেন কলকাতার শুভশ্রী গাঙ্গুলী। ১২৮টি হলে[২৪] মুক্তি পাওয়া ছবিটি ব্যবসাসফল হয়[২৫] এবং শাকিব নতুনরূপে আত্মপ্রকাশ ও অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন।[২৬] তবে সর্বোপরি ছবিটি নেতিবাচক সমালোচনা লাভ করে।[২৭] অন্যদিকে, রাজনীতি ছবিটি পরিচালনা করেন বুলবুল বিশ্বাস। এতে দীর্ঘ একবছর পর তাকে অপুর বিপরীতে দেখা যায়।[২৮] ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করে।[২৯] ঈদুল আযহায় মুক্তি পায় শাকিব অভিনীত রংবাজঅহংকার। দুটি ছবিতেই তার বিপরীতে ছিলেন শবনম বুবলি[৩০] ২০১৮ সালে ঈদুল আযহায় শাকিব অভিনীত ক্যাপ্টেন খান চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়।[৩১] ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্রটি ২০১৪ সালের তামিল চলচ্চিত্র আনজান ও তেলেগু চলচ্চিত্র সিকান্দার-এর অনুকরণে নির্মিত।[৩২][৩৩]

প্রচার দূত[সম্পাদনা]

শাকিব খান ২০১৩ সালে এনার্জি ড্রিংক "পাওয়ার"-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর (প্রচার দূত) হন।[৩৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

শাকিব খান ২০০৮ সালে ১৮ এপ্রিল অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেন।[৩৫] বিয়ের বিষয়টি গণমাধ্যমে গোপন রাখা হয়। পরে ২০১৭ সালে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে বিয়ের করার কথা অপু বিশ্বাস জানান।[৩৬] বিয়ের পর তাঁদের ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। যার নাম রাখা হয় আব্রাহাম খান জয়।[৩৭]

শাকিব খান ক্রিকেট খেলার ভক্ত। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের ভক্ত ও বন্ধু।[১১]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

অভিনেতা[সম্পাদনা]

প্রযোজক[সম্পাদনা]

নেপথ্য গায়ক[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র সঙ্গীত
২০১১ মনের জ্বালা আমি চোখ তুলে তাকালেই সূর্য লুকায়
২০১৩ পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ও প্রিয় আমি তোমার হতে চাই

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
বছর বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল সূত্র
২০১২ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না (২০১০) বিজয়ী [৩৮]
২০১৪ খোদার পরে মা (২০১২) বিজয়ী [৩৯]
২০১৭ আরো ভালোবাসবো তোমায় (২০১৫) বিজয়ী [৪০]
মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
বছর শাখা বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল সূত্র
২০০৭ দর্শক জরিপ পুরস্কার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা সুভা (২০০৬) মনোনীত
২০০৮ সমালোচক পুরস্কার আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭) বিজয়ী
২০০৯ দর্শক জরিপ পুরস্কার প্রিয়া আমার প্রিয়া (২০০৮) বিজয়ী
২০১০ বলবো কথা বাসর ঘরে (২০০৯) মনোনীত
২০১১ ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না (২০১০) বিজয়ী
২০১২ দর্শক জরিপ পুরস্কার কিং খান (২০১১) বিজয়ী
সমালোচক পুরস্কার আদরের জামাই (২০১১) মনোনীত
২০১৩ দর্শক জরিপ পুরস্কার ডন নাম্বার ওয়ান (২০১২) বিজয়ী
২০১৪ পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী (২০১৩) বিজয়ী [৪১]
২০১৫ হিরো: দ্যা সুপারস্টার (২০১৪) বিজয়ী
২০১৬ এইতো প্রেম (২০১৫) মনোনীত
২০১৬ শিকারি (২০১৬) বিজয়ী [৪২]
লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার
বছর শাখা বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
২০০৭ দর্শক জরিপ পুরস্কার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা সুভা (২০০৬) মনোনীত
সমালোচক পুরস্কার সুভা (২০০৬) মনোনীত
২০০৯ দর্শক জরিপ পুরস্কার প্রিয়া আমার প্রিয়া (২০০৮) বিজয়ী
সি জে এফ বি পুরস্কার
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৮
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৯
ওয়ালটন বৈশাখী স্টার অ্যাওয়ার্ড
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০১১
বি সি আর এ পুরস্কার
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৯
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৮
একতা পুরস্কার
  • মনোনয়ন: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৫
ঢালিউড চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত পুরস্কার
  • বিজয়ী:শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০০৯
বিনোদন বিচিত্রা পুরস্কার
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০১০
বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব পুরস্কার
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - ২০১২[৪৩]
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও সেরা জুটির পুরস্কার - ২০১৭
এটিএন বাংলা পারফরমেন্স পুরস্কার
  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার - ২০১৭

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আবারো প্রযোজনায় শাকিব খান"জাগো নিউজ। ৮ নভেম্বর ২০১৭। ১২ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৮ 
  2. "মেয়ে দেখার বিষয়টা দেশের বাইরেই করছি : শাকিব"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২০১৩-১১-২৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০১-০৬ 
  3. "অপুকে তালাকের নোটিশ দিল শাকিব"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  4. "Shakib Khan Numero Uno"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ এপ্রিল ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১৮ 
  5. সাজু, শাহ আলম (২১ অক্টোবর ২০১৩)। "I am my own competitor… Shakib Khan"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১৮ 
  6. The National Film Award-2010. www.daily-sun.com (2012-03-22). Retrieved on 2012-03-22.
  7. Shakib Khan was honoured as the best actor for his outstanding performance. www.newstoday.com.bd (2012-03-22). Retrieved on 2012-03-22.
  8. National Film Award 2012 in Bangladesh | Cine Jalsha
  9. "তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে অভিভূত শাকিব খান"চ্যানেল আই অনলাইন। ২৪ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৭ 
  10. "শাকিব খান"। Short Bio। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৯-১০ 
  11. "নাম্বার ওয়ান শাকিব খান"দৈনিক জনকণ্ঠ। ১৭ মার্চ ২০১১। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৩ 
  12. "First national recognition for Shakib Khan"নিউ এইজ। ২২ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৩ 
  13. কামরুজ্জামান (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "এবার ঈদেও শাকিবের ছবির সাফল্য"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  14. "National Film Award 2010 announced"দ্য ডেইলি স্টার। ২২ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১২ 
  15. "এবার গানও গাইলেন শাকিব খান"দৈনিক প্রথম আলো। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১৮ 
  16. "Constellation of stars"ঢাকা মিরর। এপ্রিল ২৯, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  17. "In conversation with Shakib Khan"দ্য ডেইলি স্টার। ২৮ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১২ 
  18. "মেরিল—প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৩"দৈনিক প্রথম আলো। এপ্রিল ১৭, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  19. "শাকিবের প্রযোজনায় ববিতা-নূতন"দৈনিক মানবজমিন। মার্চ ২৩, ২০১৩। ৯ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  20. "একসাথে ববিতা-নতূন-শাকিব-অপু-ববি"বিনোদন২৪। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  21. "মেরিল–প্রথম আলো তারকা জরিপ পুরস্কার ২০১৪"দৈনিক প্রথম আলো। এপ্রিল ৩০, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  22. "শাকিব খান-মাহফুজ সেরা অভিনেতা, সেরা অভিনেত্রী জয়া"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ১৮ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৭ 
  23. "ঈদে মুক্তি পেল নবাব, রাজনীতি ও বস-২"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৬ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  24. "এই ঈদে তিন ছবি"দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  25. "Shakib's 'Nabab' on the top in Box office with record"। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  26. হক, ফাহমিদুল (৬ জুলাই ২০১৭)। "জোড়াতালি কাহিনির জমজমাট ছবি"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  27. আল সায়ার, শেরিফ (৫ জুলাই ২০১৭)। "নবাব: দর্শকের সঙ্গে প্রতারণা!"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  28. "ঈদে আসছে শাকিব-অপুর ছবি"দৈনিক প্রথম আলো। ১ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  29. খান, রায়ান (৫ জুলাই ২০১৭)। "রাজনীতি: শাকিব নয়, গল্পই এ ছবির হিরো"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  30. "'রংবাজ'-এ শাকিবের নায়িকা বুবলি"দৈনিক প্রথম আলো। ১০ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  31. "ঈদে মুক্তি পাচ্ছে শাকিবের ক্যাপ্টেন খান"পরিবর্তন। ৮ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৮ 
  32. "'ক্যাপ্টেন খান' তামিল ছবির নকল?"বাংলা ট্রিবিউন। ১৭ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৮ 
  33. "'ক্যাপ্টেন খান'র নকলের অভিযোগে যা বললেন শাকিব"দৈনিক সমকাল। ১৭ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৮ 
  34. "'পাওয়ার' এনার্জি ড্রিংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন শাকিব খান"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ৩ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  35. "আমি শাকিবের স্ত্রী, ছেলেও আছে: অপু বিশ্বাস"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৭ 
  36. "'স্ত্রী হিসেবে আমি একটু সম্মান চেয়েছিলাম'"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৭ 
  37. "আমার সন্তানের বাবা শাকিব : অপু"এনটিভি অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৭ 
  38. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১২ পেলেন যারা"ঢাকা টাইমস। ১১ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৭ 
  39. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন হুমায়ূন, শাকিব, জয়া, সেলিম"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১০ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৭ 
  40. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন শাকিব, জয়া, মাহফুজ"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১০ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৭ 
  41. "এক নজরে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৩"দৈনিক প্রথম আলো। এপ্রিল ২৬, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৬ 
  42. "ছেলে আব্রামকে পুরস্কার উৎসর্গ করলেন শাকিব"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৭ 
  43. "Shakib, Apu bag best actor awards"ডেইলি সান (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুলাই ২০১৩। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]