শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জাতীয় চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
পুরস্কার দেওয়া হয়বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেতা হিসেবে অবদানের জন্য
অবস্থানঢাকা
দেশবাংলাদেশ
পুরস্কার দাতাবাংলাদেশ সরকার
প্রথম পুরস্কার প্রদান১৯৭৬ (১৯৭৫-এর চলচ্চিত্রের জন্য)
শেষ পুরস্কার প্রদান২০১৯ (২০১৮-এর চলচ্চিত্রের জন্য)
বর্তমানে যার দ্বারা গৃহীতফেরদৌস আহমেদ
সায়মন সাদিক
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবাসাইট

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা সম্মানীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যা; বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অংশ হিসাবে সেরা অভিনেতাদের ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতি বছর দেওয়া হয়।[১] এই বিভাগে সর্বাধিক সাতবার পুরস্কার লাভ করেন আলমগীর। পাঁচবার এই পুরস্কার লাভ করেন রাজ্জাকফেরদৌস আহমেদ; চার বার করে পান রাইসুল ইসলাম আসাদশাকিব খান; তিনবার করে পানবুলবুল আহমেদও রিয়াজ দুইবার করে পান সোহেল রানা, মাহফুজ আহমেদচঞ্চল চৌধুরী

বিজয়ী অভিনেতা[সম্পাদনা]

রাজ্জাক কি যে করি (১৯৭৬), অশিক্ষিত (১৯৭৮), বড় ভাল লোক ছিল (১৯৮২) ও চন্দ্রনাথ(১৯৮৫)যোগাযোগ চলচ্চিত্রের অভিনয়ের জন্য পাঁচ বার এই পুরস্কার লাভ করেন।
ইলিয়াস কাঞ্চন পরিণীতা (১৯৮৬) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন।
এটিএম শামসুজ্জামান দায়ী কে? (১৯৮৭) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন।
রাইসুল ইসলাম আসাদ পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩), দুখাই (১৯৯৭) ও লালসালু (২০০১) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনবার এই পুরস্কার লাভ করেন।
জাহিদ হাসান শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন।
রিয়াজ দুই দুয়ারী (২০০০), দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭) ও কি যাদু করিলা (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনবার এই পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭০-এর দশক[সম্পাদনা]

বছর বিজয়ী অভিনেতা চলচ্চিত্র ভূমিকা সূত্র
১৯৭৫ আনোয়ার হোসেন লাঠিয়াল কাদের লাঠিয়াল [২]
১৯৭৬ রাজ্জাক কি যে করি বাদশাহ [৩]
১৯৭৭ বুলবুল আহমেদ সীমানা পেরিয়ে কালু
১৯৭৮ বুলবুল আহমেদ
রাজ্জাক
বধূ বিদায়
অশিক্ষিত
সাগর
রহমত
[৩]
১৯৭৯ শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি

১৯৮০-এর দশক[সম্পাদনা]

বছর বিজয়ী অভিনেতা চলচ্চিত্র ভূমিকা সূত্র
১৯৮০ বুলবুল আহমেদ শেষ উত্তর ইমরান
১৯৮১ পুরস্কার দেওয়া হয় নি
১৯৮২ রাজ্জাক বড় ভালো লোক ছিল ইয়াসিন [৩]
১৯৮৩ সোহেল রানা লালু ভুলু
১৯৮৪ রাজ্জাক চন্দ্রনাথ চন্দ্রনাথ [৩]
১৯৮৫ আলমগীর মা ও ছেলে দীপক চৌধুরী [৪]
১৯৮৬ ইলিয়াস কাঞ্চন
গোলাম মুস্তাফা
পরিণীতা
শুভদা
-
হারান
১৯৮৭ আলমগীর
এটিএম শামসুজ্জামান
অপেক্ষা
দায়ী কে?
-
কদম আলী
[৪]
১৯৮৮ রাজ্জাক যোগাযোগ শাহেদ চৌধুরী [৩]
১৯৮৯ আলমগীর ক্ষতিপূরণ আলম [৪]

১৯৯০-এর দশক[সম্পাদনা]

বছর বিজয়ী অভিনেতা চলচ্চিত্র ভূমিকা সূত্র
১৯৯০ আলমগীর মরণের পরে সাগর [৪]
১৯৯১ আলমগীর পিতা মাতা সন্তান
১৯৯২ আলমগীর অন্ধ বিশ্বাস আলম
১৯৯৩ রাইসুল ইসলাম আসাদ পদ্মা নদীর মাঝি কুবের
১৯৯৪ আলমগীর দেশপ্রেমিক [৪]
১৯৯৫ রাইসুল ইসলাম আসাদ অন্য জীবন
১৯৯৬ সোহেল রানা অজান্তে আসাদ
১৯৯৭ রাইসুল ইসলাম আসাদ দুখাই দুখাই
১৯৯৮ ফেরদৌস আহমেদ হঠাৎ বৃষ্টি অজিত
১৯৯৯ জাহিদ হাসান শ্রাবণ মেঘের দিন মতি/ঘাতক (গায়ক) [৫]

২০০০-এর দশক[সম্পাদনা]

বছর বিজয়ী অভিনেতা চলচ্চিত্র ভূমিকা সূত্র
২০০০ রিয়াজ দুই দুয়ারী রহস্য মানব
২০০১ রাইসুল ইসলাম আসাদ লালসালু আব্দুল মজিদ
২০০২ শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার দেওয়া হয়নি
২০০৩ মান্না বীর সৈনিক মোহাম্মদ আলী/আবদুল্লাহ [৬]
২০০৪ হুমায়ুন ফরীদি মাতৃত্ব জব্বার [৭]
২০০৫ মাহফুজ আহমেদ লাল সবুজ সবুজ
২০০৬ আরমান পারভেজ মুরাদ ঘানি বজলু
২০০৭ রিয়াজ দারুচিনি দ্বীপ শুভ্র/কানাবাবা
২০০৮ রিয়াজ কি যাদু করিলা সাগর [৮]
২০০৯ চঞ্চল চৌধুরী
ফেরদৌস আহমেদ
মনপুরা
গঙ্গাযাত্রা
সোনাই
বিকাশ
[৯]

২০১০-এর দশক[সম্পাদনা]

বছর বিজয়ী অভিনেতা চলচ্চিত্র ভূমিকা সূত্র
২০১০ শাকিব খান ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না সূর্য খান [১০]
২০১১ ফেরদৌস আহমেদ কুসুম কুসুম প্রেম হাশেম [১১]
২০১২ শাকিব খান খোদার পরে মা মুন্না/সিডর [১২]
২০১৩ তিতাস জিয়া মৃত্তিকা মায়া বৈশাখ [১৩]
২০১৪ ফেরদৌস আহমেদ এক কাপ চা শফিক [১৪]
২০১৫ মাহফুজ আহমেদ
শাকিব খান
জিরো ডিগ্রী
আরো ভালোবাসবো তোমায়
অমিত
শাকিব
[১৫]
২০১৬ চঞ্চল চৌধুরী আয়নাবাজি শরাফত করিম আয়না [১৬]
২০১৭ শাকিব খান
আরিফিন শুভ
সত্তা
ঢাকা অ্যাটাক
সবুজ
আবিদ রহমান
[১৭]
২০১৮ ফেরদৌস আহমেদ
সায়মন সাদিক
পুত্র
জান্নাত
?
আসলাম / ইফতেখার
[১৭]

একাধিকবার বিজয়ী[সম্পাদনা]

আলমগীর সর্বাধিক সাতবার এই পুরস্কার লাভ করেন।
৬ বার
৫ বার
৪ বার
৩ বার
২ বার

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "লাঠিয়াল"Samakal। ২০১২-০৮-১৫। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৯, ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "Anwar Hossain passes away"The Daily Star। ২০১৩-০৯-১৪। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৭, ২০১৫ 
  3. "যে পাঁচ সিনেমার জন্য সেরা রাজ্জাক"পরিবর্তন.কম। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  4. মঈনুদ্দীন, অভি (৬ আগস্ট ২০১৫)। "অনবদ্য আলমগীর"দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  5. Shilpi Mahalanobish (২০০৩-১২-৩১)। "The year that was! The joy of achievement and agony of loss: Zahid Hassan"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৫, ২০১৫ 
  6. Kamruzzaman (২০০৯-১০-১৩)। "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার কি আটকে যাচ্ছে?"Prothom Alo। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ১২, ২০১৫ 
  7. Nadia Sarwat (অক্টোবর ২৫, ২০০৮)। "National Film Awards generate enthusiasm"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৫ 
  8. Meghla Rahman Brishti (ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১০)। "অভিনয়ে সেরা রিয়াজ ও পপি"দৈনিক কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৪, ২০১৫ 
  9. "ফেরদৌস ও চঞ্চল চৌধুরী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, পপি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী"দৈনিক জনকণ্ঠ। ২২ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  10. "২০১০ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা শাকিব খান"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২১ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  11. "সেরা চলচ্চিত্র 'গেরিলা', ফেরদৌস ও জয়া শ্রেষ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী"দৈনিক ইত্তেফাক। ১৫ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  12. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১২: সেরা অভিনেতা শাকিব খান অভিনেত্রী জয়া আহসান"বণিক বার্তা। মে ১১, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  13. "শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র \\\'মৃত্তিকা মায়া\\\', অভিনেতা তিতাস, অভিনেত্রী মৌসুমি ও শর্মিমালা"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ১০ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  14. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪ : সেরা অভিনেতা ফেরদৌস অভিনেত্রী মৌসুমী ও বিদ্যা সিনহা মিম"দৈনিক ভোরের কাগজ। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৭ 
  15. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫: শাকিব খান-মাহফুজ সেরা অভিনেতা, সেরা অভিনেত্রী জয়া"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ১৮ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৭ 
  16. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬" (PDF)তথ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকার। ৪ এপ্রিল ২০১৮। ৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮ 
  17. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৭ ও ২০১৮"তথ্য অধিদফতর। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]