বিদ্যা সিনহা সাহা মীম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিদ্যা সিনহা সাহা মীম
জন্ম বিদ্যা সিনহা সাহা মীম
(১৯৯২-১১-১০) নভেম্বর ১০, ১৯৯২ (বয়স ২৩)
বাঘা, রাজশাহী, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
বংশোদ্ভূত বাঙালী
নাগরিকত্ব বাংলাদেশী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি[১]
পেশা মডেল, অভিনেত্রী
কার্যকাল ২০০৭–বর্তমান
যে জন্য পরিচিত লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা
উল্লেখযোগ্য কাজ আমার আছে জল
উচ্চতা ৫ ফু ৪.৫ ইঞ্চি (১.৬৪ মি)[১]
ওজন ৫৫ কিলোগ্রাম (১২১ পা)[১]
ধর্ম হিন্দু[১]
পিতা-মাতা বীরেন্দ্র নাথ সাহা (পিতা)
ছবি সাহা (মাতা)
আত্মীয় প্রজ্ঞা সিনহা সাহা মমি (বোন)
ওয়েবসাইট
bidyasinhamim.com//

বিদ্যা সিনহা সাহা মীম (জন্ম ১০ নভেম্বর ১৯৯২, রাজশাহী) একজন বাংলাদেশের একজন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং মডেল[১] লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম-স্থান লাভ করেন। একই বছরে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত আমার আছে জল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচিত্রে অভিষেক হয়।

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্বের ছাত্রী মিম এসএসসিতে কুমিল্লা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে "গোল্ডেন এ প্লাস" পেয়ে পাস করেন। এইচএসসিতে[১] কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে "এ" পেয়েছেন। মিমের জন্ম রাজশাহীর বাঘা থানায়, ১০ নভেম্বর; এবং তিনি বৃশ্চিক রাশির জাতিকা। বাবা সরকারি কলেজের শিক্ষক হওয়ায় বিভিন্ন জেলায় ঘুরেছেন। কিন্তুু তার কাছে তার প্রিয় জেলা হল তার জন্মস্থান রাজশাহী জেলা। লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় এসেছিলেন মা-বাবার অনুপ্রেরণায়।[২]

চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

সাল ছবি পরিচালক সহশিল্পী অন্যান্য তথ্য
২০০৮ আমার আছে জল হুমায়ুন আহমেদ ফেরদৌস, জাহিদ হাসান প্রথম চলচ্চিত্র
বিজয়ী, মেরিল প্রথম আলো সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
২০০৯ আমার প্রাণের প্রিয়া জাকির হোসেন রাজু মনোনীত, মেরিল প্রথম আলো দর্শক রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
২০১৪ জোনাকির আলো খালিদ মাহমুদ মিঠু মামনুন হাসান ইমন, তারিক আনাম খান
২০১৪ তারকাঁটা[৩][৪] মোস্তফা কামাল রাজ আরেফিন শুভ, মৌসুমী
২০১৫ পদ্ম পাতার জল তন্ময় তানসেন মামনুন হাসান ইমন, তারিক আনাম খান
২০১৫ ব্ল্যাক রাজা চন্দ সোহম চক্রবর্তী
২০১৬ সুইট হার্ট ওয়াজেদ আলী সুমন বাপ্পি চৌধুরী, রিয়াজ

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত আমার আছে জল চলচ্চিত্রে অসাধারন অভিনয় করে মীম সবার নজরে আসেন । এরপর লম্বা বিরতি নিয়ে ২০০৯ সালে মীম অভিনয় করেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত আমার প্রাণের প্রিয়া ছবিতে । যাতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাকিব খান। এর সাথে সাথে মীম ছোট পর্দায় বেশ কিছু নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন । ২০১৪ সালে মীমের পরবর্তী ছবি জোনাকির আলো মুক্তি পায়। ছবিটি ব্যবসায়িক সফলতার মুখ না দেখলেও তার গ্ল্যামার প্রশংসিত হয়। এরপর মুক্তি পায় আরিফিন শুভ -র বিপরীতে তার পরবর্তী ছবি তারকাঁটা। ছবিটি দিয়ে বিদ্যা সিনহা মীম আবার লাইমলাইটে আসেন। ২০১৫ সালের ঈদুল ফিতরে মীমের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি পদ্ম পাতার জল মুক্তি পায়। ছবিটি কম সংখ্যক হলে মুক্তি পেলেও ভালো ব্যবসা করেছে। মীম এ ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাংলাদেশ এর অন্যতম দাবিদার। তাছাড়া মীম যৌথ প্রযোজনার ছবি ব্ল্যাক-এ অভিনয় করেছেন। ছবিটি ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর ভারতে ও ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে প্রায় ২০০টি হলে মুক্তি পায়। এ ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় নায়ক সোহম চক্রবর্তী। মীমের হাতে আছে তানিয়া আহমেদের ভালোবাসা এমনই হয় ও তেলেগু নায়ক অরিন্দমের বিপরীতে রকি ছবি। বর্তমানে দেশের শীর্ষ তিন অভিনেত্রীর মধ্যে মীম একজন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

লেখিকা হিসাবে আত্মপ্রকাশ[সম্পাদনা]

২০১২ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় মীমের প্রথম গল্পের বই শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভেজা প্রকাশিত হয়। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০১৩ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয় তার উপন্যাস পূর্ণতা। উপন্যাসটি সম্পর্কে মীম বলেন, একটি মেয়ের গল্প নিয়ে আমার উপন্যাস। মেয়েটির জীবনের কয়েকটি অধ্যায়, টানাপোড়েন আর সংগ্রামের কথা রয়েছে তাতে। দুইটি বই-ই প্রকাশ করে শব্দশিল্প প্রকাশনী।[৫]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার[সম্পাদনা]

৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
বছর পুরস্কারের বিভাগ চলচ্চিত্রের নাম ফলাফল
২০১৪ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে জোনাকির আলো বিজয়ী

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার[সম্পাদনা]

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
বছর পুরস্কারের বিভাগ চলচ্চিত্রের নাম ফলাফল
২০০৮ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (সমালোচক) আমার আছে জল বিজয়ী

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]