বিষয়বস্তুতে চলুন

কুষ্টিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কুষ্টিয়া
কুষ্টে/কুষ্টি/বাহাদুরখালী[]
নগর
কুষ্টিয়ার অফিসিয়াল লোগো
ব্র্যান্ডিং লোগো
ডাকনাম: সাংস্কৃতিক রাজধানী
নীতিবাক্য: মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
মানচিত্র
কুষ্টিয়া খুলনা বিভাগ-এ অবস্থিত
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৪′১৫″ উত্তর ৮৯°০৭′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৯০৪০৮২° উত্তর ৮৯.১২৬১৫৭° পূর্ব / 23.904082; 89.126157
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগখুলনা
জেলাকুষ্টিয়া
উপজেলাকুষ্টিয়া সদর
পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত এপ্রিল ১৮৬৯; ১৫৭ বছর আগে (1869-04-01)
সরকার
  ধরনপৌরসভা
  শাসককুষ্টিয়া পৌরসভা
আয়তন[][]
  নগর৫৩.৪৮ বর্গকিমি (২০.৬৫ বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা৪২.৭৯ বর্গকিমি (১৬.৫২ বর্গমাইল)
উচ্চতা১৩ মিটার (৪৩ ফুট)
জনসংখ্যা (২০২২)
  নগর২,৬৩,৯৬৮
  জনঘনত্ব৪,৯০০/বর্গকিমি (১৩,০০০/বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা[]২,২১,৮০৬
  পৌর এলাকার জনঘনত্ব৫,২০০/বর্গকিমি (১৩,০০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০)
পোস্টকোড৭০০০, ৭০০১, ৭০০২
পৌর কোড৬০
আইএসও ৩১৬৬ কোডবিডি-৩০
এইচডিআই (২০২৩)০.৬৯৪[]
মধ্যম · ৯ম
পুলিশকুষ্টিয়া জেলা পুলিশ
ওয়েবসাইটকুষ্টিয়া পৌরসভা
ভৌগোলিক নির্দেশক
তিলের খাজা
ধরনখাদ্যদ্রব্য
অঞ্চলসদর উপজেলা, কুমারখালী উপজেলা
উদ্ভাবনকালআনু.১৯০০
নথিবদ্ধ২০২৩
উপাদানচিনি, তিল, দুধ, এলাচ, পানি
ভৌগোলিক নির্দেশক
কুমারখালীর বেডশিট
ধরনহস্তশিল্প
অঞ্চলকুমারখালী উপজেলা
দেশবাংলাদেশ
নথিবদ্ধ২০২৪
উপাদান
  • সুতি
  • রং

কুষ্টিয়া বাংলাদেশের একটি নগর এবং 'সাংস্কৃতিক রাজধানী'।[][] এটি দক্ষিণবঙ্গের গড়াইকালীগঙ্গা নদীর তীরে কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত।[] এটি লোকমুখে কুষ্টে বা কুষ্টি নামেও পরিচিত।[][১০] লালন শাহের মাজার, কুলফি মালাইতিলের খাজার জন্য কুষ্টিয়ার খ্যাতি রয়েছে।[১১][১২] স্থানীয়দের সহজ-সরল জীবনধারা[১৩] ও সমন্বয়ধর্মী জীবনবোধ[১৪] এখানকার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।[১৫]

কুষ্টিয়ায় প্রচুর পরিমাণে মাঝারি ও ভারি শিল্পকারখানা রয়েছে যা জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করে। খাজানগরে দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম রয়েছে।[১৬] কুষ্টিয়াকে দেশের অন্যতম কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ শিল্পাঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[১৭] ব্রিটিশ শাসনামলে রেলপথ স্থাপন হওয়ার পর থেকেই শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য কুষ্টিয়াকে আদর্শ স্থান হিসেবে ধরা হয়।[১৮] ১৯০৮ সালে মোহিনী মিল প্রতিষ্ঠিত হয় যা একসময় এশিয়ার বৃহত্তম টেক্সটাইল মিল ছিল।[১৯] ১৯৩৪ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যেখানে সুতা সংগ্রহের জন্য কুষ্টিয়াকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।[২০] ভারত বিভাজনের পরেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল বিবেচিত হয়েছে।[২১]

লালন একজন মানববাদী, অসাম্প্রদায়িক ও মরমী কবি ছিলেন যার সমাধি কুষ্টিয়ার পূর্ব দিকে ছেউড়িয়ায় অবস্থিত। এই লালনের কারণে বাইরের দেশগুলোতে কুষ্টিয়া বিশেষ ভাবে পরিচিত।[২২] বিষাদ-সিন্ধু মহাকাব্যিক উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনটোকিও ট্রাইবুনালের বিচারক রাধা বিনোদ পালের অবদানের কারণে কুষ্টিয়া বাইরের দেশগুলোতে সমাদৃত হয়ে আছে।[২৩][২৪]

কুষ্টিয়া পৌরসভার তথ্যানুযায়ী পৌরসভার মোট আয়তন ৪২.৭৯ বর্গকিলোমিটার (১৬.৫২ বর্গমাইল)[] ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় ২,২১,৮০৬ জন মানুষ বসবাস করে।[২৫] ২০১৯ সালে কুষ্টিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ সার্ধশতবর্শ স্মারকগ্রন্থ ১৮৬৯–২০১৯ প্রকাশ করে। যেখানে ২০১৭ সালের পৌরসভার জনসংখ্যা ৩,৭৫,১৪৯ উল্লেখ করা হয়েছে।[১৫]

'কুষ্টিয়া' নামটি কীভাবে এলো তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সবচেয়ে সমর্থিত মতটি ১৮২০ প্রকাশিত হেমিলটনসের গেজেট-এর সূত্রে পাওয়া যায়।[২৬] সেটি হলো, কুষ্টিয়াতে এক সময় প্রচুর পরিমাণে পাট উৎপাদন হতো। পাটকে স্থানীয় ভাষায় 'কোষ্টা' বা 'কুষ্টি' বলা হয় যার থেকে 'কুষ্টিয়া' নামটি এসেছে।[২৭] উল্লেখ যে সেইসময় কুষ্টিয়া পাট ব্যবসার একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।[২৮] অন্য মতে ফার্সি শব্দ 'কুশতহ' (অর্থ: ছাই দ্বীপ) বা 'কুশা' থেকে 'কুষ্টিয়া' নামকরণ হয়েছে।[২৯] অনেকে মনে করেন 'কাষ্টিয়া' শব্দ থেকে 'কুষ্টিয়া' নাম এসেছে যার অর্থ 'ওলি-আউলিয়াদের ঘুমানোর জায়গা'।[৩০]

বর্তমান সময়ে এসেও কুষ্টিয়া লোকমুখে 'কুষ্টে' বা 'কুষ্টি' নামে পরিচিত।[][১০] নদীয়া কাহিনী গ্রন্থসহ বিভিন্ন গ্রন্থে কুষ্টিয়াকে 'কুষ্ঠিয়া' বলা হয়েছে।[৩১] এর ডাকনাম 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' এবং পাশাপাশি 'লালনের নগর' ও 'লালননগর' বলা হয়।[৩২] ১৯৬৫ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক 'কুষ্টিয়া' নাম পরিবর্তন করে 'লালনগর' নামকরণের চেষ্টা করলে স্থানীয়রা এর বিরোধীতা করে।[২২]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

সপ্তম শতাব্দীতে হিউয়েন সাঙ কুষ্টিয়া অঞ্চলকে সমতটের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। দশম এবং একাদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চল পাল সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।[২৯]

মুঘল শাসনামলে নৌযান চলাচলের জন্য পদ্মা, গড়াই এবং কালীগঙ্গা নদীর কারণে কুষ্টিয়া গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিতি পায়।[] সম্রাট শাহ জাহানের সময়কালে বর্তমান পুরাতন কুষ্টিয়ায় পাটের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে শহর ও নদীবন্দর গড়ে ওঠে। সেই সময়েই পদ্মা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে শহরটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং নতুন করে মানববসতি ও নদীবন্দর গড়ে ওঠে।[৩৩]

ঔপনিবেশিক ভারত

[সম্পাদনা]

১৭২৫ সালে কুষ্টিয়া নাটোর জমিদারীর অধীনে ছিল। ১৮২৩ সালে কুষ্টিয়া থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮২৮ সালে পাবনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হলে কুষ্টিয়া থানাকে পাবনা জেলার অধীনে দেওয়া হয়। এর আগে কুষ্টিয়া অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ রাজশাহীর অধিনে এবং কিছু অংশ যশোরের অধীনে ছিল।[][৩৪] নদী ভাঙ্গনের কারণে ১৮৫৫ সালে কুষ্টিয়া থানার কার্যালয় মজমপুর মৌজায় বর্তমান থানাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়।[৩৩]

আনুমানিক ১৭৭০–১৭৮০ সালের মধ্যে লুই বন্নো নামক একজন ফরাসি যুবকের মাধ্যমে বঙ্গে নীল চাষ শুরু হয়। ইংরেজদের হাতে নীলকুঠি গড়ে উঠতে থাকে। কুষ্টিয়া অঞ্চলে ১৮১৫ সালের মধ্যে নীলচাষ ছড়িয়ে পড়ে।[৩৫]

ব্রিটিশ রাজ (১৮৫৮–১৯৪৭)

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ার পূর্বদিকে যে কালীগঙ্গা নদী তা দক্ষিন দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এই কালীগঙ্গা নদীর বাম তীরে শালঘর মধুয়া অবস্থিত। এখানে নীলকুঠি গড়ে উঠেছিল যা শালঘর মধুয়ার নীলকুঠি নামে পরিচিত ছিল। এই কুঠির নীলকর ছিলেন টমাস আইভান কেনী। এখানে তৎকালীন সদরপুরের জমিদারিনী প্যারীসুন্দরী দেবীর লাঠিয়াল বাহিনীর সঙ্গে নীলকর কেনীর যুদ্ধ হয়েছিল। এটি ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ হিসেবে পরিচিত।[৩৬]

নীল বিদ্রোহের কারণে ১৮৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির লেফটেন্যান্ট গভর্নর জন পিটার গ্রান্ট পাবনায় আসেন। কুষ্টিয়ার নীলচাষীরা পদ্মা নদী পার হয়ে পাবনা আসার অসুবিধার কথা তুলে ধরেন। জন পিটার গ্রান্ট এই সমস্যা সমাধানের জন্য কুষ্টিয়া মহকুমা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ১৮৬২ সালে রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু হয় ও কুষ্টিয়া মহকুমার কার্যক্রম শুরু হয়।[] ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়া অঞ্চল নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।[৩৭] এসময় কুষ্টিয়াকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী জেলার কয়েকটি মহুকুমা একত্র করে কুষ্টিয়া নামে একটি স্বতন্ত্র জেলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব হয়। পরিশেষে এবিষয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি।[৩১] ১৮৬৯ সালের ১ এপ্রিল মজমপুর, কালিশংকরপুর ও বাহাদুরখালী মৌজার ১০টি গ্রাম নিয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭১ সালে কুমারখালী মহুকুমাক বিলুপ্ত করে কুমারখালীখোকসা থানাকে কুষ্টিয়া মহকুমার সাথে যুক্ত করা হয়।[] ১৮৭১ সালে কুষ্টিয়া থেকে গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত রেলপথ চালু হয়।[৩৯]

১৮৬২ সালে প্রথম রেলপথ চালু হওয়ার পর থেকে কুষ্টিয়াতে বিভিন্ন শিল্পকারখানা গড়ে উঠতে থাকে। ১৮৮১ সালে উইলিয়াম রেনউইক গড়াই নদীর তীরে পরিত্যক্ত রেলের লোকো ওয়ার্কশপে রেনউইক কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯৬ সালে টেগোর অ্যান্ড কোম্পানির সদরদপ্তর শিলাইদহ থেকে মিলপাড়ায় স্থানান্তর করেণ যা পরবর্তীতে যজ্ঞেশ্বর সর নামের এক ব্যক্তি ক্রয় করে যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামকরণ করেণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের সাথে একীভূত করা হয়। ১৯০৬ সালে মোহিনী মোহন চক্রবর্তী তাঁত শিল্পকারখানা চক্রবর্তী অ্যান্ড সন্স স্থাপন করেন যা পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে মোহিনী মিল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[১৫][৩১]

শ্রমিক আন্দোলন (১৯৩৭–১৯৪০)

[সম্পাদনা]

১৯৩৭–১৯৪০ সালে ভারতবর্ষে সংঘটিত শ্রমিক ধর্মঘট বা আন্দোলনে কুষ্টিয়ার মোহিনী মিলের শ্রমিকেরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেণ। এখানে মোট চারবার শ্রমিক ধর্মঘট হয়। ১৯৩৭ সালে দুইবার, ১৯৩৯ সালে তৃতীয় বার এবং চতুর্থ ধর্মঘট হয় ১৯৪০ সালে।[৪০]

১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ধর্মঘট হয়। মিল কর্তৃপক্ষ ১৭ ফেব্রুয়ারিতে কারখানার যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের অজুহাতে তৃতীয় শিফটের উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, ফলে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কর্মচ্যুত হয়। এর প্রতিবাদে মিলের শ্রমিক ইউনিয়ন বিক্ষোভ করে, কয়েকটি বিভাগ কর্মবিরতি পালন করে এবং ইউনিয়ন একটি দাবিসনদ পেশ করে। এ প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মিল কর্তৃপক্ষ ২৬ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের লক আউট করে বা কারখানায় প্রবেশে বাধা দেয়, যার ফলে চার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ে।[৪০]

১৯৩৭ সালের জুলাই–সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয় ধর্মঘট হয়। দ্বায়িত্বশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের অনুগত এক ব্যক্তিকে নিয়োগের ফলে এই ধর্মঘট হয়।[৪০]

পূর্ব পাকিস্তান (১৯৪৭–১৯৭১)

[সম্পাদনা]

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর অবিভক্ত নদিয়া জেলা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। অবিভক্ত নদিয়া জেলার কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর মহকুমা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে 'পূর্ব নদিয়া' নামে জেলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব হয়। তবে এটি পূর্ব পাকিস্তানে 'নদিয়া' নামে জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়।[৪১] অক্টোবর মাসে সৈয়দ মুর্তাজা আলী প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ হলে তিনি জেলার নাম 'কুষ্টিয়া' নামকরণ করেন। ভারত বিভাজনের পূর্বে কুষ্টিয়া প্রেসিডেন্সি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পূর্ব পাকিস্তানে কুষ্টিয়া রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়।[৪২] ১৯৬০ সালে খুলনা বিভাগ গঠিত হলে কুষ্টিয়া খুলনা বিভাগের অধীনে চলে আসে।[৪৩]

জেলা সদরে পরিণত হলেও কুষ্টিয়া মহকুমা শহরে তখন জেলা শহরের কোনো অবকাঠামো ছিল না। এইসময় শহরের জনমিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।[৪১] ১৯৫১ সালে শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ৪.৩২ শতাংশ যা বিগত ১৮৭২–১৯৪১ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ। ১৯৫৮ সালে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়।[৪৪] ১৮৬৩ প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া হাসপাতাল ১৯৬৩ সালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল হিসেবে বর্তমান স্থানে নির্মাণ করা হয়। বর্তমান বঙ্গবন্ধু পৌর সুপার মার্কেটের স্থানে কুষ্টিয়া পৌরসভার কার্যালয় ছিল। ১৯৬৬ সালে পৌরসভার কার্যালয় সতীশ সাহার জমিদার বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত কুষ্টিয়া মহকুমা কারাগার ১৯৬৮ সালে কুষ্টিয়া জেলা কারাগার হিসেবে নির্মাণ হয়।[১৫] এছাড়াও এই সময়কালে শহরের শিক্ষাক্ষেত্রেও পরিবর্তন ঘটে। কুষ্টিয়া কলেজকে সরকারিকরণ হয়, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি সেন্ট্রাল কলেজ, কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ, কুওয়াতুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া জিলা স্কুলকুষ্টিয়া মুসলিম হাই স্কুলের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়াতে গণমিছিল হয়েছিল। এই গণমিছিলে পুলিশের গুলিতে আব্দুর রাজ্জাক নামক এক ব্যক্তির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।[]

বাংলা ভাষা আন্দোলন

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়াতে ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের তেমন প্রভাব পড়েনি।[৪৫] ১৯৫০ সালে কুষ্টিয়াতে তমদ্দুন মজলিসের জেলা শাখা গঠিত হয়। ১৯৫১ সালে শাখাটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। পরিমল থিয়েটারে এই কমিটি বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। এই সম্মেলনে আবদুল গফুর, দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, খালিদ হোসেন সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেছিলেন।[৪৬]

২০২৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কুষ্টিয়াতে ভাষা আন্দোলন পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়াতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। এই সভায় বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে চক্রান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়াতে ধর্মঘট পালিত হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে শিক্ষার্থীদের মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে। কুষ্টিয়া ইউনাইটেড হাই স্কুলে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই জনসভায় দূর দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য মানুষ যোগদান করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়াতে হরতাল ছিল। কুষ্টিয়া কলেজ, কুষ্টিয়া ইংরেজি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া ইউনাইটেড হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল বের করে। সাধারণ জনতাও মিছিলে অংশগ্রহণ করে। ২৩ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়াতে সর্বাত্মক হরতাল ও ধর্মঘট পালিত হয়। ইউনাইটেড হাই স্কুল মাঠে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে প্রায় ২৫ হাজার বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা অংশগ্রহণ করেছিলেন।[৪৫]

২০১২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করা হয়।[৪৭] প্রতিবছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ও ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ছাড়াও সরকারি কলেজজিলা স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এছাড়াও জেলা প্রশাসন বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।[৪৮][৪৯]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় (১৭ এপ্রিল) বর্তমান বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। কুষ্টিয়া ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।[৫০] মেজর আবু ওসমান চৌধুরীমোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর পর্যায়ক্রমে ৮ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন।[৫১]

কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ

৩ মার্চ ইসলামিয়া কলেজ প্রাঙ্গণে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ২৩ মার্চ কুষ্টিয়া হাই স্কুল মাঠে পুনরায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে গোলাম কিবরিয়াআবদুর রউফ চৌধুরী স্থানীয় ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জয় বাংলা বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন।[৫২][৪১]

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান যুদ্ধগুলোর মধ্যে একটি।[৫৩] ২৫ মার্চ রাতে যশোর থেকে ২৭ বেলুচ রেজিমেন্টের ২১৬ জন (মতান্তরে ২৫০ জন) পাকিস্তানি সেনা কুষ্টিয়া শহরে প্রবেশ করে। প্রথম তারা পুলিশ লাইন্স দখল করে। এরপর জিলা স্কুল, টেলিগ্রাফ অফিস, থানা ও আড়ুয়াপাড়ায় অবস্থিত ওয়্যারলেস অফিস দখল করে তাদের ঘাঁটি গড়ে তোলে।[৫৪] ২৬ মার্চ শহরে ৩০ ঘন্টার কারফিউ জারি করা হয়।[৪১][৫৫] ৩১ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করে।[৫৬] ৭ এপ্রিল বিভিন্ন এলাকায় অবিরাম বোমাবর্ষণ করে।[৫৭] উল্লেখ যে কুষ্টিয়াতে সরকারি কোষাগারে থাকা অস্ত্র লুট হয়েছিল। লুন্ঠিত অস্ত্রগুলো জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ছিল প্রধান শক্তি।[৫৮] এসময় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীশান্তি কমিটির প্রধান ছিলেন স্থানীয় আইনজীবী সাদ আহমেদ। সাদ আহমেদ কুষ্টিয়ার রাজাকারদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিলেন। কমিটির প্রধান হিসেবে যা যা করার প্রয়োজন ছিল তিনি তা করেছিলেন।[৫৯]

৯ ডিসেম্বর মিত্র বাহিনী ঝিনাইদহ মহাসড়ক হয়ে কুষ্টিয়াতে প্রবেশ করার সময় চৌড়হাস খালের কাছ থেকে পাকিস্তানি সেনারা ট্যাংক দ্বারা অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় মিত্র বাহিনীর ৭০ জন সেনা নিহত হয়।[৬০] মিত্র বাহিনীর স্মরণে ২০১৫ সালে চৌড়হাস মোড়ে মুক্তি মৈত্রী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয় যা বাংলাদেশে মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে নির্মিত সর্বপ্রথম স্মৃতিস্তম্ভ।[৬১] ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া পুরোপুরি শত্রু মুক্ত হয়।[৬২] যুদ্ধ শেষে শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৫০০০-এ নেমে আসে এবং ৯০ শতাংশ স্থাপনা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে বলা হয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত কুষ্টিয়াকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির কোনো এক শহরের মতো দেখাচ্ছিল।[৬৩]

প্রতি বছর ১১ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে 'কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস' পালিত হয়।[৬৪]

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়

[সম্পাদনা]
১৯৭২ সালে নির্মিত স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা মঞ্চ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরতে ১৯৭২ সালে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা মঞ্চ নির্মাণ করা হয়।[৬৫] এই মঞ্চে বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত ইতিহাসের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম চিত্রায়িত হয়েছে।[৬৬]

১৯৭২ সালের ২ জানুয়ারি কুষ্টিয়া পৌরসভার তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইয়াকুব আলী যুদ্ধের সময় দলাদলির অভিযোগে গ্রেফতার হন।[৫৯]

একাত্তর পরবর্তী ত্রিমুখী গৃহযুদ্ধে কুষ্টিয়া অঞ্চলে জাসদের সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন হিসেবে গণবাহিনীর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য।[৫৮]

১৮৯৭ সালে থানাপাড়ায় কুষ্টিয়া পোস্ট অফিস নির্মাণ করা হয়েছিল তা ১৯৭৩ সালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পশ্চিম দিকে স্থানান্তর করা হয়।[১৫] ১৯৮৪ সালে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে ভেঙে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর মহকুমাকে জেলায় রূপান্তরিত করা হয়।[৬৭]

সংস্কৃতি

[সম্পাদনা]

রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি না থাকলেও কুষ্টিয়া বাংলাদেশের 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' হিসেবে পরিচিত।[] কুষ্টিয়া অঞ্চলের সংস্কৃতির কিছুটা নিজস্বতা রয়েছে। এই অঞ্চলের বড় বৈশিষ্ট্য হলো সমন্বয়ধর্মীতা বা সমন্বয়বাদী। কুষ্টিয়ার সংস্কৃতিতে বাউল সঙ্গীত, লোকসঙ্গীত, সাহিত্য এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।[১৫] সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমি রয়েছে যা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পকলা একাডেমি।[৬৮]

আশুতোষ ভট্টাচার্য মনে করেন কুষ্টিয়া হলো বাংলার বাউলের লীলাভূমি। এই অঞ্চলে বহুকাল ধরে মুসলমান ফকির ও বাউলপন্থী হিন্দু বৈষ্ণব প্রভৃতির ধর্মসাধন বিষয়ে ব্যাপক চর্চা হয়ে আসছে। এই অঞ্চলে থেকেই বাউল ভাবধারা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।[৬৯]

কুষ্টিয়া পৌরসভায় ধর্ম (২০২২)[]
  1. ইসলাম (৯৩.৬৪%)
  2. হিন্দু (৬.৩১%)
  3. খ্রিস্ট (০.০৪%)
  4. বৌদ্ধ (০.০০৬%)
  5. অন্যান্য (০.০০৩%)

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় বসবাসকারী ২,২১,৮০৬ জন মানুষের মধ্যে ২,০৭,৭০০ জন ইসলাম, ১৩,৯৯৯ জন হিন্দু, ৮৮ জন খ্রিস্ট, ১৩ জন বৌদ্ধ ও ৬ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[]

২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় বসবাসকারী ১,০৮,৪২৩ জন মানুষের মধ্যে ৯৭,৮০৭ জন ইসলাম, ১০,০৯৩ জন হিন্দু, ১৩২ জন খ্রিস্ট, ২৯ জন বৌদ্ধ ও ৩৬২ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[৭০][৭১]

ইসলাম

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা। ১৯২৮ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯১৮–১৯২৬ সালে কুষ্টিয়া মহকুমায় মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ ইসলাম ধর্মের অনুসারী।[৭২]

২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় ১২৮টি মসজিদ, ৫৭টি ঈদগাহ ও ২১টি কবরস্থান রয়েছে।[] কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ শহরের প্রধান মসজিদ। মসজিদটি ১৮৯৬ সালে স্থাপিত হয়। শহরের সবচেয়ে পুরাতন মসজিদ হলো চৌড়হাস শাহী জামে মসজিদ যা ১৮০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।[৭৩] ঈদগাহ ময়দানের মধ্যে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, হাউজিং কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, হাউজিং এস্টেট ঈদগাহ ও চৌড়হাস কেন্দ্রীয় ঈদগাহ উল্লেখযোগ্য।[৭৪] কবরস্থানগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় পৌর গোরস্থান ও চৌড়হাস কেন্দ্রীয় গোরস্থান ও হাউজিং কেন্দ্রীয় গোরস্থান (ফায়েজুল গোবরাহ্ ওয়াক্‌ফিয়াত পৌর গোরস্থান) উল্লেখযোগ্য।

ফায়েজুল গোবরাহ্ ওয়াক্‌ফিয়াত পৌর ঈদগাহ (হাউজিং কেন্দ্রীয় ঈদগাহ)

কুষ্টিয়াতে লালন শাহের মাজার ছাড়াও বেশ কয়েকটি মাজার রয়েছে। জগতিতে হযরত পীর গোড়াচাঁদ-এর মাজার রয়েছে। পীর গোড়াচাঁদ কুষ্টিয়া অঞ্চল সহ নদিয়াচব্বিশ পরগনা জেলায় ইসলাম প্রচার করতেন। কথিত আছে বাদশাহ জাহাঙ্গীর তার নামে তিনশো বিঘা নিষ্কন্টক ভূমি দান করেছিলেন যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে নেয়। আড়ুয়াপাড়ায় প্রায় দুইশো বছরের পুরাতন একটি মাজার রয়েছে যা নফর শাহ-এর মাজার নামে পরিচিত। এখানে প্রতিবছর নফর শাহের স্মৃতিচারণায় বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কোর্টপাড়ায় পীর হযরত মীর মাসুদ হেলালী এর (১৯৪১-১৯৮৬) মাজার রয়েছে। এই মাজারটি বারো শরীফ দরবার নামে পরিচিত। হিজরি সনের ১২ রবিউল আওয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এই দরবার শরীফে ভক্ত সুফীদের মিলন মেলার আয়োজন করা হয়।[১৫]

হিন্দুধর্ম

[সম্পাদনা]

২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় ৩৫টি মন্দির ও ২টি শ্মশান রয়েছে।[] কুষ্টিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য হিন্দু মন্দির হলো গোপীনাথ জিউর মন্দির। মন্দিরটি ১৯০০ সালে নলডাঙ্গার মহারাজা প্রমথ ভূষণ দেবরায়ের দানকৃত জমির উপর নির্মাণ করা হয়।[৭৫]

খ্রিস্টধর্ম

[সম্পাদনা]

১৮৫০ সালে কুষ্টিয়াতে সাধু যোহনের গীর্জা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৮ সালে উইলিয়াম রেনউইকের মাধ্যমে গীর্জাটি পরিপূর্ণতা লাভ করে। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি উইলিয়াম রেনউইক গীর্জার পাকা ভবন উদ্বোধন করেন। গীর্জাটি থানাপাড়ায় এনএস রোডের উত্তর পাশে অবস্থিত। গীর্জাটি পুনর্নির্মাণ করা হলে ১৯৯১ সালের ১ ডিসেম্বর ঢাকা ও কুষ্টিয়ার বিশপ একত্রে উদ্বোধন করেন। কুষ্টিয়া খ্রিস্টান কবরস্থান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৬ সালে।[] ১৮৬৬ সালের ৬ ডিসেম্বর কলকাতা ধর্মপ্রদেশের তৎকালীন বিশপ জর্জ কটন এই কবরস্থান উদ্বোধন করেন। জর্জ কটন এইদিনে গড়াই নদীতে নিখোঁজ হন এবং আর কখনও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।[৭৩] কবরস্থানের মোট আয়তন ০.৪২ একর (১৮,০০০ ফু)। এখানে মোট ২২টি স্মৃতিফলকের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন স্মৃতিফলকটি ১৮৭৬ সালের।[৭৬]

১৯৯০ সালে ঢাকা ধর্মপ্রদেশ থেকে আলাদা হয়ে কুষ্টিয়া ধর্মপ্রদেশ গঠিত হয়। তখন থেকে কুষ্টিয়া বাংলাদেশ চার্চের একটি ধর্মপ্রদেশের সদরদপ্তর।[৭৭]

ক্র্যাক আন্তর্জাতিক আর্ট ক্যাম্প

[সম্পাদনা]
ক্র্যাক আন্তর্জাতিক আর্ট ক্যাম্প, ২০০৯

ক্র্যাক আন্তর্জাতিক আর্ট ক্যাম্প কুষ্টিয়াতে আয়োজিত বহু-বিষয়ক শিল্প শিবির। এই বহিরাঙ্গন শিল্প শিবিরের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন শিল্প মাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করা।[৭৮] এটি ২০০৭ সালে থেকে শুরু হয়েছে।[৭৯] সর্বশেষ ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ১৮তম ক্র্যাক আর্ট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের শিল্পগণ এই শিল্প শিবিরে অংশগ্রহণ করে থাকেন।[৮০]

মেলাসমূহ

[সম্পাদনা]

প্রতিবছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রার সময় বড় বাজারের মধ্যে এনএস রোডের পূর্ব প্রান্তে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।[৮১] কুষ্টিয়ার রথযাত্রার সূচনা হয় ১৯০৫ সালে। প্রতিবছর গোপীনাথ জিউর মন্দিরের কমিটি এই মেলার আয়োজন করে।[৭৫] রথযাত্রার অনুষ্ঠান চলাকালীন এনএস রোডের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে রাজার হাট পর্যন্ত রথের মেলা বসে।[৮২]

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় কালীগঙ্গা নদীর তীরে লালন উদ্যানে লালন মেলার আয়োজন করা হয়।[৮৩] বছরে ২ বার লালনের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমি এই মেলার আয়োজন করে থাকে। এই মেলায় দেশ-বিদেশে থেকে লালনের শিষ্য ও ভক্তদের আগমন ঘটে।[৮৪]

অনেক আগে থেকেই আশুরা উপলক্ষে কুষ্টিয়াতে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। আশুরার দিন শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়ারা শোভাযাত্রা বের করে। এই মেলায় লাঠি খেলা, কুস্তি, কাওয়ালি ও ইত্যাদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়ার বিহারীপাড়ায় এই মেলার আয়োজন হয় তবে এখন এই মেলার পরিসর আগের মতো বড় হয় না।[১৫]

সংবাদপত্র

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ার থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের সাথে হরিনাথ মজুমদারমীর মোশাররফ হোসেন গভীর ভাবে জড়িত।[১৫]

১৮৬৪ সালে কুষ্টিয়া অঞ্চলের প্রথম পত্রিকা গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়। হরিনাথ মজুমদার এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।[৮৫] কুষ্টিয়া শহর থেকে সর্বপ্রথম আজীজন নেহার পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৮৭৪ সালে। পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন মীর মোশাররফ হোসেন যিনি তার প্রথম স্ত্রীর নামানুসারে পত্রিকার নামকরণ করেন। ধারনা করা হয় আজীজন নেহার পত্রিকা বাঙালি মুসলিম ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। মীর মোশাররফ হোসেন ১৮৯০ সালে কুষ্টিয়া থেকে হিতকরী নামের আরও একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন।[৮৬]

১৮৯৮ সালে কুষ্টিয়া থেকে কোহিনূর পত্রিকা প্রকাশিত হয়। রওশন আলী চৌধুরীএয়াকুব আলী চৌধুরী কোহিনূর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং লেখকবৃন্দের মধ্যে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সৈয়দ এমদাদ আলী, শেখ ফজলল করিম, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মীর মশাররফ হোসেনমোহাম্মদ লুৎফর রহমান উল্লেখযোগ্য।[৮৭]

জাগরণ কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আরও একটি পত্রিকা যা ১৯২১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। হেমন্তকুমার সরকার এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের প্রগতিশীল ভূমিকা ও সরকারের সমালোচনার জন্য পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়।[১৫]

সাহিত্য

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া অঞ্চল সাহিত্য চর্চায় যথেষ্ট গতিশীল। এটি অনেক সাহিত্যিকের জন্মস্থান ও বাসভূমি। বাউল মতবাদ বা বাউলতত্ব কুষ্টিয়ার সাহিত্যের একটি বড় অংশ। এটি বাউল অঞ্চল হিসেবেও স্বীকৃত।[৮৮] এই অঞ্চলের বাউল-সাধকেরা লালনপন্থী[৮৯]

সাবেক কুষ্টিয়া মহকুমা প্রশাসক অন্নদাশঙ্কর রায় ও গবেষক আবুল আহসান চৌধুরী মধ্যে চিঠি আদান-প্রদান হতো।[৯০] একটি চিঠিতে অন্নদাশঙ্কর রায় কুষ্টিয়া সম্পর্কে লিখেছেন-

আপনার দু'খানি চিঠিই আমি পেয়েছি ও পেয়ে আনন্দিত হয়েছি। কুষ্টিয়াকে আমি ভুলিনি। কুষ্টিয়া যে আমাকে ভোলেনি তার নিদর্শন আপনার চিঠি। হাঁ, আপনার "কুষ্টিয়া পরিচিতি" বইখানিও যথাকালে পেয়েছিলুম। পড়ে সুখী হয়েছিলুম।

রন্ধনশৈলী

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে অঞ্চলভিত্তিক খাবারের নানা বৈচিত্র্য দেখা যায়। তেমনি কুষ্টিয়াতেও বেশকিছু ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রচলন রয়েছে। এর মধ্যে মাষকলাই ডালের খিচুড়ি, কুমড়ো ভাপা চিংড়ি, কই মাছের পাতুরি, আনারসের খাট্টা, সেমাই সুজির ঝাল পিঠা ও খেজুরের গুড়ের দিয়ে কাউনের চালের ক্ষীর উল্লেখযোগ্য।[৯১]

তিলের খাজা হলো এক প্রকার মিষ্টান্ন যার মূল উপকরণ হলো তিল ও চিনি বা গুড়। এর আকৃতি চ্যাপ্টা ও লম্বাটে, উপরে খোসা ছাড়ানো তিল দেওয়া এবং ভিতরের অংশ অনেকাংশ ফাপা হয়। ১৯০০ সালের কাছাকাছি সময়ে কুষ্টিয়ার মিলপাড়া ও দেশওয়ালীপাড়ার তেলি বা পাল সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি পরিবার তিলের খাজা তৈরি করা শুরু করে। ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল তিলের খাজা শিল্প মন্ত্রণালয় কতৃক জিআই সনদ লাভ করে। এই তিলের খাজার বিশেষত্বের মূল কারণ হলো কুষ্টিয়া অঞ্চলের কারিগরদের দক্ষতা।[৯২]

একজন কুলফি মালাই বিক্রেতার সরঞ্জাম

কুষ্টিয়ার কুলফি মালাই বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় কুলফি মালাই। এই কুলফি মালাই কুষ্টিয়া শহরের পার্শ্ববর্তী শিলাইদহকয়া এলাকায় বেশি তৈরি হয়।[৯৩] বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের নারীদের দায়িত্ব কুলফি মালাই বানানো আর পরিবারের পুরুষদের দায়িত্ব সেগুলো বিক্রি করা।[৯৪]

কুষ্টিয়ার শনপাপড়ি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় শনপাপড়ি। সাধারণত যারা তিলের খাজা তৈরি করে তারা এই শনপাপড়ি তৈরি করে থাকে। কুষ্টিয়ার মিলপাড়া ও ছেউড়িয়ায় শনপাপড়ি তৈরি হয়।[৯৫][৯৬]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক ভাবে কুষ্টিয়া মধ্যবঙ্গে (বঙ্গ অঞ্চল) অবস্থিত।[] এটি মরিবন্ড অঞ্চল[১০] অর্থাৎ গাঙ্গেয় অববাহিকার অন্তর্গত সমতলভূমি।[] এর উত্তর দিক দিয়ে পদ্মাগড়াই এবং পূর্ব দিক দিয়েও গড়াই ও কালীগঙ্গা নদী প্রবাহিত হয়েছে। মূলত গড়াই নদীকে কেন্দ্র করেই শহরটি গড়ে উঠছে। গড়াই পদ্মার শাখা নদী আবার কালীগঙ্গা গড়াইয়ের শাখা নদী। শহরের সঙ্গে হরিপুরকয়া ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ সহজতর করার জন্য গড়াই নদীর উপরছ ২০১৩–২০১৭ সালে থানাপাড়া থেকে হরিপুর পর্যন্ত একটি সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।[৯৭] বড় বাজারের ঘোড়ার ঘাট দিয়েও মানুষ নদী পারাপার হয়ে থাকে।[৯৮]

গড়াই নদী থেকে কুষ্টিয়া শহর

১৯৪৯ সালে কুষ্টিয়া পৌরবাসীর সুবিধা, মিরপুর উপজেলার আংশিক কৃষি জমির জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও স্থানীয় জলপথ সম্প্রসারণের জন্য শহরের পশ্চিম দিকে গড়াই খাল খনন করা হয়। এই খালটির দৈর্ঘ্য ৮.৫ কিলোমিটার (৫.৩ মাইল)[৯৯] ১৯৫৪–৫৫ সালে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের আওতায় শহরের দক্ষিণ দিকে চৌড়হাস খাল খনন করা হয়।

জনপরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় মোট ৫৮,২৯৫টি খানা রয়েছে ও ২,২১,৮০৬ জন মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ১,১২২,২৬ জন, নারী ১,০৯৫,৭৮ জন ও হিজড়া ২ জন।[২৫][১০২]

কুষ্টিয়া পৌরসভায় মোট ২,০৫,৩২৯ জন কর্মক্ষম ব্যক্তি রয়েছেন যাদের মধ্যে ৬৬,৬৯৯ জন বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে কর্মরত আছেন। কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ৫৯,০১৯ জন এবং নারী ৮,৬৮০ জন। কর্মরতদের মধ্যে ৭৪.৬৯ শতাংশ সেবামূলক, ২০.০২ শতাংশ শিল্প ও ৫.২৯ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে ৫৫,৩১০ জন ব্যক্তি গৃহকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন যাদের মধ্যে ৫৪,৮০৭ জনই নারী।[]

২০১৭ সালের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জরিপ অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় অভিবাসনের হার ছিল শতকরা ১১.২৪ শতাংশ। অভিবাসীদের মধ্যে শতকরা ৭৫ শতাংশ গ্রামাঞ্চলের এবং বাকিরা অন্য শহরের।[১০৩]

বস্তি

[সম্পাদনা]
জগতি–কুষ্টিয়া লাইনের দুই পাশে অবস্থিত সুখ নগর বস্তি। বামে থানাপাড়া ও ডানে কোর্টপাড়া

২০২২ সালের জেলা পরিসংখ্যান অনুযায়ী কুষ্টিয়া পৌরসভায় অবস্থিত বস্তিগুলোতে ১,৯৮৩টি খানা রয়েছে যেখানে মোট ৭,১০৮ জন বসবাস করেন। একটি প্রতিবেদনে দেখা যায় ২০১১ এখানে ২৪,৩৯১ জন ব্যক্তি বস্তি এলাকায় বসবাস করতেন এবং বস্তির সংখ্যা ৩৮টি। বস্তি গুলোর অবস্থান সাধারণত শহরের মধ্যমাংশ থেকে পূর্বাংশের মধ্যে।[১০৪] বস্তি এলাকাগুলোতে বসবাসকারীরা শহরের অসুরক্ষিতদের তালিকায় অন্যতম।[১০৫]

প্রশাসন

[সম্পাদনা]

জেলা প্রশাসন

[সম্পাদনা]

১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন গঠিত হয়। নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন যিনি বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার নাম 'নদীয়া জেলা' নামকরণ করেছিলেন। অক্টোবর মাসে সৈয়দ মুর্তাজা আলী প্রশাসক নিয়োগ হলে তিনি 'কুষ্টিয়া জেলা' নামকরণ করেন। কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতিও ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩৫]

কুষ্টিয়া থানা

[সম্পাদনা]

১৮২৩ সালে বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার হরিপুরে পদ্মা নদীর তীরে 'কুষ্টিয়া থানা' স্থাপন করা হয়।[১০৬] ১৮৫৫ সালে পদ্মা নদী ভাঙ্গনের কারণে থানার কার্যালয় বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বর্তমান থানার কার্যালয় কুষ্টিয়া শহরের প্রানকেন্দ্রে থানাপাড়ায় অবস্থিত।[১৫] থানা স্থানান্তরের ফলে হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের ঐ স্থানটি এখনও 'পুরাতন কুষ্টিয়া' নামে পরিচিত।[৩৩] ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী আধুনিকায়ন কার্যক্রম শুরু হলে কুষ্টিয়া থানাকে একটি মডেল থানায় রূপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানা বিভক্ত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা গঠন করা হয়। বর্তমানে কুষ্টিয়া মডেল থানার অধীনে কুষ্টিয়া পৌরসভাসহ ও ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। কুষ্টিয়া শহরে দুইটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে তা হলো কুষ্টিয়া সদর পুলিশ ফাঁড়ি ও মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি।[১০৭]

কুষ্টিয়া পৌরসভা

[সম্পাদনা]
পৌরসেবার মূল্য তালিকা

১৮৬০ সালে 'কুষ্টিয়া ইউনিয়ন কমিটি' গঠিত হয়। ১৮৬৮ সালে পৌর আইন গৃহীত হলে একই বছর ৩১ ডিসেম্বর একটি গেজেটে ঘোষনা দেওয়া হয় কুষ্টিয়া মহকুমা শহরে একটি শহর কমিটি গঠিত হবে। ১৮৬৯ সালের ১ এপ্রিল কুষ্টিয়া শহর কমিটি বা কুষ্টিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া পৌরসভা হলো শহরব্যাপী স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যা জনসাধারণের কাজ, পানি সরবরাহ, পরিবহন ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক পরিষেবা এবং অন্যান্য কাজের জন্য দায়ী।[১০৮] ১৮৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর পৌরসভার করদাতাদের হাত উত্তোলনের মাধ্যমে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৮৮৫ সালের ১৯ জানুয়ারি নির্বাচিত সদস্যদের প্রস্তাব ও সমর্থনের ভিত্তিতে হরিশ্চন্দ্র রায় পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে (মেয়াদ ১৯৭৪–১৯৭৭) প্রথম পৌর নির্বাচন সম্পন্ন হয়।[১৫]

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ার অর্থনীতি শিল্প নির্ভর। এখানে অবস্থিত মাঝারি ও ভারি শিল্পকারখানা জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা পালন করে।[১৬][১৮] বিসিক শিল্প এলাকা কুমারগাড়া ছাড়াও খাজানগর, বটতৈলপোড়াদহ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ২০১৯ সালে প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের চালের চাহিদার ৩০ শতাংশ খাজানগরে উৎপাদন হয়।[১০৯]

জেলা পরিষদ শপিং মল
চাঁদ মোহাম্মদ রোড
দিশা ট্র্যাক

কুষ্টিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলো বড় বাজার[১১০] বড় বাজার এনএস রোডের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। কুষ্টিয়ার সরকারি-বেসরকারি মার্কেট, ব্যাংক গুলো এনএস রোডে অবস্থিত।

কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্প এলাকায় (কুমারগাড়া) ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রক্রিয়াজাতকরণে কারখানা, বিআরবি গ্রুপের কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এমআরএস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও কেএনবি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।[১১১][১১২]

বিভিন্ন গণমাধ্যমের মতে খাজানগর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালের মোকাম। খাজানগর কুষ্টিয়া শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে কুষ্টিয়া–চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে।[১১৩][১১৪] ২০২৩ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী খাজানগরসহ আশেপাশের এলাকা আইলচারা, কবুরহাট, বটতৈল, জগতিপোড়াদহে প্রায় ৩০০টি চালের মিল রয়েছে।[১১৫]

পাইকারি কাপড় বেচাকেনার জন্য পোড়াদহ বাজারে কাপড়ের হাট বসে যা দেশের অন্যতম বৃহৎ কাপড়ের হাট।[১১৬][১১৭] প্রতি হাটে ৩৫–৪০ কোটি এবং ব্যক্তিমালিকানা দোকানগুলোয় প্রায় ৬০ কোটি টাকার বেচাকেনা হয়ে থাকে। এই হাট থেকে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হয়।[১১৮]

পরিবহন

[সম্পাদনা]

১৯৬২ সালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের খুলনা জোনের অধীনে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।[১১৯] ১৯৯০ সালের ১৫ মে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কুষ্টিয়া সার্কেল প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কুষ্টিয়ার পরিবহন মালিক, পরিবহন সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও সাধারণ গ্রাহকদের পরিবহন সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।[১২০] ১৯৯১ সালে একটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হয় যা কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল বা চৌড়হাস বাস টার্মিনাল নামে পরিচিত।[১২১] তবে রাজধানী ঢাকাগামী অধিকাংশ বাসের কাউন্টার মজমপুর গেটে অবস্থিত। শহরের প্রধান ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড এনএস রোডের উপর নির্ভরশীল। কুষ্টিয়ার সাথে সরাসরি এশীয় মহাসড়কের সংযোগ রয়েছে।[১২২]

চৌড়হাস মোড়ে ঝিনাইদহ সড়ক

শহরে ২টি জাতীয় মহাসড়কের সংযোগ রয়েছে। জাতীয় মহাসড়কগুলো হলো এন৭০৪ এবং এন৭১৩। এ৭০৪ মজমপুর গেট থেকে বটতৈল বরাবর ঝিনাইদহ সড়ক এবং মজমপুর গেট থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত দাদাপুর সড়ক নামে পরিচিত। এই মহাসড়কটি দক্ষিণবঙ্গের সাথে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক। ২০২০–২০২৫ সালে এন৭০৪-এর ত্রিমোহনী থেকে মজমপুর গেট হয়ে বটতৈল মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিমি (৬.২ মা) পথ ৪ লেনে উন্নীত করা হয়েছে।[১২৩][১১৯] উল্লেখ্য যে এন৭০৪ এশীয় মহাসড়ক ৪১-এর অংশ।[১২২] এন৭১৩ কুষ্টিয়া বাইপাস রোড নামে পরিচিত। যানজট নিরসনের জন্য ২০১৬–২০১৮ সালে শহরের পশ্চিম দিকে বটতৈল থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।[১২৪]

আঞ্চলিক মহাসড়কগুলো হলো আর৭১০, আর৭৪৫ এবং আর৭৪৭। সড়কপথে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সড়ক হলো আর৭১০[১১৯] এই সড়কটি ঢাকা রোড ও কুষ্টিয়া–রাজবাড়ী মহাসড়ক নামে পরিচিত। কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুর যাওয়ার জন্য আর৭৪৫ ও চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার জন্য আর৭৪৭ সড়ক ব্যবহার করা হয়।[১২৫][১২৬]

জগতি রেলওয়ে স্টেশন

১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের রাণাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩.১১ কিলোমিটার (৩৩.০০ মা) ব্রডগেজ রেলপথ চালু হলে জগতি রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হয়। জগতি স্টেশনকে বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে ধরা হয়। একই বছরে জগতি থেকে বর্তমান রেনউইক ঘাট পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এই ঘাটে তখন স্টিমার চলাচল করত। ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়া কোর্টকুষ্টিয়া রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হয়। ১৮৬৫ সালে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার রেল সংযোগের জন্য জরিপ করা হয়[১২৭] এবং গড়াই রেল সেতু নির্মাণের জন্য জগতি থেকে চৌড়হাস হয়ে রেল সেতু পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন করা হয়েছিল।[] বর্তমানে এই লাইনের অস্তিত্ব নেই।[১৫] ১৮৭১ সালের ১ জানুয়ারি গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত ৭৫ কিলোমিটার রেলপথ উদ্বোধন করা হয়।[৩৯][১২৮]

কুষ্টিয়া কোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের ওঠানামার দৃশ্য

বর্তমানে কুষ্টিয়া কোর্ট শহরের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখানে চার জোড়া আন্তঃনগর, এক জোড়া কমিউটার ও এক জোড়া লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি দিয়ে থাকে।[১২৯] ট্রেনগুলো হলো সুন্দরবন এক্সপ্রেস (খুলনা–ঢাকা–খুলনা), মধুমতি এক্সপ্রেস (ঢাকা–রাজশাহী–ঢাকা), বেনাপোল এক্সপ্রেস (বেনাপোল–ঢাকা–বেনাপোল), টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস (রাজশাহী–গোপালগঞ্জ–রাজশাহী), নকশীকাঁথা কমিউটার (খুলনা–ঢাকা–খুলনা) ও পোড়াদহ শাটল (পোড়াদহ–গোয়ালন্দ)।[১৩০]

পোড়াদহ–গোয়ালন্দ রেলপথ শহরের মাঝবরাবর অবস্থিত। ফলে ট্রেন শহরে প্রবেশ করলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা সমাধানে ২০১৮ সালে জগতি স্টেশন থেকে চৌড়হাস খাল হয়ে গড়াই রেল সেতু পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।[১১০]

আকাশপথ

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়াতে কোনো বিমানবন্দর নেই। কুষ্টিয়া পৌরসভা মহাপরিকল্পনা (২০১৭–২০৩৭)-এ বিমানবন্দর স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য বারখাদায় বাইপাস সড়কের উত্তর মাথায় পূর্ব পাশে ১২১.৪৩ একর (৪,৯১,৪০০ বর্গমিটার) জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।।[১০৩]

স্বাস্থ্য

[সম্পাদনা]
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ

কুষ্টিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[১৩১] কুষ্টিয়া পৌরসভা ও প্রিজম বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ ও জাপান সরকারের সহযোগিতায় ২০২৫ সালের ২ জুন থেকে কুষ্টিয়ায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। কুষ্টিয়া ছাড়াও ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গামেহেরপুরের মেডিকেল বর্জ্য কুষ্টিয়াতে রিসাইকেল করা হয়।[১৩২]

কোর্টপাড়ায় মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহের জন্য গাড়ি

১৯৬০ সালে কুষ্টিয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৩৩] ১৮৬৩ সালে এনএস রোডের বর্তমান সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আট শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়।[] ১৮৮৭ সালে জুবিলি ডিসপেনসারি নির্মিত হয় যা পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[১৫] ১৯৬২ সালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালে ১০০ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করে।[৫৬] ২০০০ সালে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ২৫০।[১৩৪][১৩৫]

২০১১ সালে কুষ্টিয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটকুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে অস্থায়ী ভাবে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় ও বহির্বিভাগ চালু হয়, একই দিনে মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) চালু হয়।[১৩৬] ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল আন্তবিভাগ উদ্বোধনের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গভাবে হাসপাতালটি চালু হয়।[১৩৭]

২০১২ সালে একটি প্রকল্পের আওতায় কুষ্টিয়াতে ৬ তলা ভবন বিশিষ্ট নগর মাতৃসদন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগর মাতৃসদনের উদ্বোধন করেন।[১৩৮]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী কুষ্টিয়াতে শিক্ষার হার শতকরা ৮৪.০৪ শতাংশ (৭ বছর এবং তার বেশি বয়সী)। পুরুষের সাক্ষরতার হার শতকরা ৮৬.৩৭ শতাংশ এবং নারীর সাক্ষরতার হার শতকরা ৮১.৬৭ শতাংশ। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১,৬৪,৩৯৬ জন জেনারেল, ৪১০৫ জন কারিগরি, ৫৮৮১ ধর্মীয় এবং ৩৮৮৮ জন অন্যান্য শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।[]

মাধ্যমিক

[সম্পাদনা]
কুষ্টিয়া জিলা স্কুল

ব্রিটিশ শাসনামলে কুষ্টিয়াতে কয়েকটা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর মধ্যে কুষ্টিয়া হাই স্কুল (১৮৬১), কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮৪), কুষ্টিয়া মিশন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৮৯৮), জগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯১৪), দিনমণি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯৩০), মোহিনী মোহন বিদ্যাপীঠ (১৯৪১) ও সিরাজুল হক মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯৪৫) উল্লেখযোগ্য। ১৯৬১ সালে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমানে শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিদ্যালয়। এইসকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো যশোর শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত।[৭৬][১৩৯]

১৮৬১ সালে কুষ্টিয়া মহকুমার প্রশাসক করণিক গুরুদাস চক্রবর্তী, পুলিশ ইন্সপেক্টর জগত চন্দ্র লাহিড়ী, রামজয় সাহা ও রামসুন্দর পালের প্রচেষ্টায় কুষ্টিয়া হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।[৭৬] শিলাইদহের জমিদার দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বিদ্যালয়ের সম্পত্তির প্রধান দাতা। এই বিদ্যালয়ে সাহিত্যিক আকবর হোসেন, কবি আবুল হোসেনগোলাম কুদ্দুস, অভিনেতা কল্যাণ মিত্রহারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন, শিশুসাহিত্যিক খগেন্দ্রনাথ মিত্র, ঔপন্যাসিক জগদীশ গুপ্ত, সাংবাদিক রওশন আলী চৌধুরী, বিপ্লবী সরোজ আচার্য, আইনবিদ রাধা বিনোদ পালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অধ্যয়ন করেছেন।

কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব নাম 'চারুলতা বালিকা বিদ্যালয়', এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্থানীয় ব্যক্তিদের দ্বারা।[৭৬] ১৮৭৬ সালে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক এর নাম 'চারুলতা বালিকা বিদ্যালয়' নামকরণ করেন। লোকসংঙ্গীতশিল্পী ফরিদা পারভীন ও অভিনেত্রী বন্যা মির্জা এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী।

১৯৪৫ সালের ৩ অক্টোবর শৈলকুপার করিম উদ্দিন আহমেদ নামক এক ব্যক্তি সিরাজুল হক মুসলিম পলিটেকনিক হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত করেন। তৎকালীন মহকুমা প্রশাসকের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। এটি মুসলিম হাই স্কুল নামেই অধিক পরিচিত।[৩৫] রাজনীতিবিদ আবদুর রউফ চৌধুরী, আমীর-উল ইসলামনূর আলম জিকু, আলোকচিত্রশিল্পী আব্দুল হামিদ রায়হান, অভিনেতা কচি খন্দকার, গীতিকার মিল্টন খন্দকারআনোয়ার উদ্দিন খান, বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা শেখ দিদার আলী এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

উচ্চমাধ্যমিক ও মহাবিদ্যালয়

[সম্পাদনা]

১৯০৮–১৯১০ সালে কুষ্টিয়াতে একটি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়।[১৫] পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে কৃষক প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা শামসুদ্দিন আহমেদ ও স্থানীয়দের উদ্যোগে কুষ্টিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠত হয়। কলেজটি ১৯৬৫ সালে সরকারিকরণ করা হয় ও 'কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ' নামকরণ করা হয়। কর্মজীবনে বুদ্ধিজীবী আবুল কালাম আজাদ, লোকবিজ্ঞানী আনোয়ারুল করীম, গীতিকার আবু জাফর, লেখক আবুবকর সিদ্দিক, উদ্ভিদবিদ এ কে এম নুরুল ইসলাম এই কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আবদুল আওয়াল মিয়া, আবদুর রউফ চৌধুরী, আনোয়ারুল করীম, সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, শাওন আকন্দ, আবুল বারকাত, আবুল হাশেম সরকার, আমিনুল হক বাদশা, আলম আরা জুঁই, এম এ হান্নান, এ টি এম আব্দুল ওয়াহাব, কামরুল ইসলাম সিদ্দিক, খ ম কবিরুল ইসলাম, খন্দকার মাহমুদুল হাসান, খন্দকার রশিদুজ্জামান দুদু, এস আই টুটুল, দুর্গাদাস সাহা, নূর আলম জিকু, ফরিদা পারভীন, গোলাম সাকলায়েন, চমক হাসান এই কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

১৯৬৬ সালে কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ স্থাপিত হয় যা ১৯৭৯ সালে সরকারিকরণ হয় ও 'কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ' নামকরণ করা হয়। কর্মজীবনে বুদ্ধিজীবী দুর্গাদাস সাহা এই কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।[১৪০] সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন এই কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন।

১৯৬৪ সালে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৭ গভ. কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট' স্থাপন করা হয় যা বর্তমানে নাম কুষ্টিয়া সরকারি সেন্ট্রাল কলেজ নামে পরিচিত। ১৯৮৩ সালে কুষ্টিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৮–১৯৭৯ সালে কুষ্টিয়াতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয় কিন্তু পরিকল্পনাটি স্থগিত করা হয়েছিল। এরপর ২০১১ সালে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।[১৪১] ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে মেডিকেল কলেজের মূল ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।[১৩৭] ২০২৩ সালে মেডিকেল কলেজটি উদ্বোধন করা হয়।[১৪২]

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ

কুষ্টিয়াতে মোট এগারোটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মহাবিদ্যালয় রয়েছে। এগুলো হলো কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ, কুষ্টিয়া ল' কলেজ, কুষ্টিয়া আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, গড়াই মহিলা কলেজ, সৈয়দ মাসুদ রুমি ডিগ্রী কলেজ, কুষ্টিয়া টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কুষ্টিয়া শারীরিক শিক্ষা কলেজ, কলেজ অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড টেকনোলজি ও কুষ্টিয়া হাজী আবুল হোসেন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি।[১৪৩] অন্যান্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যশোর বোর্ডের আওতাভুক্ত।

সংগঠন

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ঢাকা

[সম্পাদনা]
সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকায় অফিসার্সক্লাবে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তৃতা প্রদান করছেন

কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ঢাকা কুষ্টিয়ার মানুষের কল্যাণের জন্য নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এটির লক্ষ্য হলো- জেলার মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করা, সদস্যদের জরুরি পরিস্থিতিতে আর্থিক ও মানসিকভাবে সহায়তা প্রদান, শিক্ষামূলক, ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা, ঢাকায় কুষ্টিয়া জেলার সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরা ইত্যাদি। এটির কার্যালয় ঢাকার শান্তিনগরে কুষ্টিয়া ভবনে অবস্থিত। এসিউর গ্রুপের চেয়ারম্যান মো: শেখ শাদী বর্তমানে এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[১৪৪]

বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম ঢাকা

[সম্পাদনা]

বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম একটি ঢাকা ভিত্তিক সংগঠন, এদের নীতিবাক্য হলো সবাই মিলে ফোরাম করি, চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর-কুষ্টিয়া'র উন্নয়ন করি। খ ম কবিরুল ইসলাম বর্তমানে এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।[১৪৫]

কুষ্টিয়া ফিল্ম সোসাইটি

[সম্পাদনা]

২০১০ সালের ২৬ মার্চ কুষ্টিয়া ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা দিবস চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়। ২০১১ সালের জুনে প্রথম এর কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয় এবং নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করে, অক্টোবর মাসে তারা কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। ফাখরুল আরেফিন খানের লালনের প্রামাণ্যচিত্র হকের ঘর নির্মাণের কুষ্টিয়া ফিল্ম সোসাইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[৩৫]

কুষ্টিয়া ক্লাব

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া ক্লাব (পূর্বনাম: স্টেশন ক্লব) ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে এটি কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে অবস্থিত। ক্লাবটির একটি ঐতিহ্যবাহী বিলিয়ার্ড বোর্ড ও টেনিস গ্রাউন্ড রয়েছে। একটি কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে যাদের এটি দ্বারা পরিচালিত হয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পদাধিকার বলে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে অন্যান্য পদাধিকারীরা নির্বাচিত হন। এই ক্লাবে ৯৪ জন সদস্য রয়েছেন।[১৪৬]

ক্রীড়া

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ও পূর্ব পাকিস্তানের ক্রীড়া ইতিহাসে কুষ্টিয়া একটি সফলতম জেলা হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে সফলতায় কুষ্টিয়ার ক্রীড়াবিদদের অবদান রয়েছে।[১৪৭] হাবিবুল বাশার সুমন, শাকের আহমেদ কামাল, আবু বক্কর, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, রায়হান উদ্দিন, জাহাঙ্গীর শাহ, আলী ইমাম, রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, কেষ্ট কুমার বসু, পিয়াস আহমেদ নোভা, রিজভী করিম রুমিসহ অনেক ক্রীড়াবিদের জন্মস্থান কুষ্টিয়া।

১৯৪৮ সালের ২২ আগস্ট তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কুষ্টিয়া স্থাপন করেন। এই সংস্থাটি জেলা জুড়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আয়োজন করে থাকে।[১৪৮]

কুষ্টিয়াতে ক্রীড়া বিষয়ক সম্প্রসারণ ও তদসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য ক্রীড়া পরিষদের অধীনে একটি জেলা ক্রীড়া অফিস রয়েছে।[১৪৯]

শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম

[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালে জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে চৌড়হাসে ঝিনাইদহ রোডের পূর্ব পাশে কুষ্টিয়া স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। ২০২০ সালে স্টেডিয়ামটির নাম পরিবর্তন করে 'শেখ কামাল স্টেডিয়াম' নামকরণ করা হয়। ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি স্টেডিয়ামের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। ২০২৪ সালে ১৪ নভেম্বর পুণরায় নাম পরিবর্তন করে 'শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম' নামকরণ করা হয়। ২০২৫ সালের ৬ মার্চ পুনর্নির্মাণকৃত স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন হয়। এর পুনর্নির্মাণে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।[১৫০][১৫১]

কুষ্টিয়া সুইমিংপুল

[সম্পাদনা]

২০১৩ সালে কুষ্টিয়াতে একটি সুইমিংপুল নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ স্টেডিয়ামের পাশেই এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে এর নির্মাণ কাজ হয় এবং ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল এটি উদ্বোধন করা হয়। সুইমিংপুলটি নির্মাণে ৮ কোটি ৭৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।[১৫২]

লাঠি খেলা

[সম্পাদনা]

বাঙালি সমরকলা একটি ঐতিহ্যবাহী লড়াই হলো লাঠি খেলাবাংলাদেশ লাঠিয়াল বাহিনী একটি ক্রীড়া সংগঠন যা একদল লাঠিয়াল দ্বারা পরিচালিত হয় এবং দেশব্যাপী লাঠি খেলার আয়োজন করে থাকে। এর সদর দপ্তর পূর্ব মজমপুরে অবস্থিত। ১৯৩৩ সালে কুষ্টিয়ার স্থানীয় ব্যক্তি সিরাজুল হক চৌধুরী 'নিখিল বঙ্গ লাঠিয়াল বাহিনী' প্রতিষ্ঠিত করেন যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[১৫৩]

কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্থানে লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। কুষ্টিয়া শহরে প্রতিবছর বাংলাদেশ লাঠিয়াল বাহিনী 'ওস্তাদ ভাই লাঠিখেলা উৎসব ও লোকজ মেলা-র আয়োজন করে থাকে। এটি ৩দিন ধরে চলে। এই উৎসবে বিভিন্ন জেলার লাঠিয়ালরা অংশগ্রহণ করেন।[১৫৩]

রাইফেল ক্লাব

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া রাইফেল ক্লাব বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ রাইফেল ক্লাব হিসেবে পরিচিত।[১৫৪] এই ক্লাবটি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।[১৪৭]

সুবিধা

[সম্পাদনা]

সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), কুষ্টিয়া

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ার বর্তমানের সরকারি শিশু পরিবার বালিকা ১৯৫৯ সালে কুমারখালীতে একটি সরকারি এতিমখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭০ সালের ৪ এপ্রিল এটি সরকারি শিশু সদন হিসেবে চৌড়হাসে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে একটি প্রকল্পের আওতাভুক্ত হয়ে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাই এটি সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) হিসেবে পরিচিত লাভ করে। এটি চৌড়হাসে ঝিনাইদহ সড়কে অবস্থিত। এর মোট আয়তন ৪.১৮৫২ একর (১.৬৯৩৭ হেক্টর) ও ১৭৫টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।[১৫৫]

সরকারি শিশু পরিবার (বালক), কুষ্টিয়া

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়ার বর্তমানের সরকারি শিশু পরিবার বালক ১৯৭২ সালের ১১ ডিসেম্বর চৌড়হাসে ঝিনাইদহ সড়কের পাশে জিকে খাল সংলগ্ন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মোট আয়তন ৩ একর (১.২ হেক্টর) ও ১০০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।[১৫৬]

সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র

[সম্পাদনা]

সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মূল উদ্দেশ্য হলো সামাজিকভাবে প্রতিবন্ধী অনুর্ধ্ব ১৮ মেয়েদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা। দেশে মোট ৪টি এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি কুষ্টিয়ার বটতৈলে অবস্থিত। ২০০২–২০০৩ অর্থবছরে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বর্তমানে এর মোট আয়তন ১.৫ একর (০.৬১ হেক্টর) ও ১০০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। শুরু থেকে নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত এখানে ১৯৪ জন নিবাসী ভর্তি হয়েছেন এবং ১৭১ জনের পুনর্বাসন সম্ভব হয়েছে।[১৫৭] ১০০ জনের ধারণক্ষমতা থাকলেও এখানে বর্তমানে ২৭ জন (ভিন্ন সূত্রে ২৮ জন) ভর্তি রয়েছে।[১৫৮]

স্থাপত্য

[সম্পাদনা]

পুরাতন ভবন

[সম্পাদনা]

সূচনা বা কুষ্টিয়া পৌর ভবন ব্রিটিশ আমলে ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত একটি ভবন। এর সঠিক নির্মাণ সাল অজানা। এটি কুষ্টিয়ার জমিদার সতীশ সাহা ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। ভবনটির উচ্চতা ৪২ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৬২ ফুট লম্বা। পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে দেখলে মনে হবে ভবনটি দেখতে ইংরেজি 'H' অক্ষরের মতো। ১৯৬৬ সাল থেকে ভবনটি কুষ্টিয়া পৌরসভার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।[৭৬]

টেগর লজ বা কুষ্টিয়া কুঠিবাড়ি কুষ্টিয়া রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত একটি ভবন যা বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৮৯৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর টেগোর এন্ড কোম্পানি শিলাইদহ থেকে কুষ্টিয়ায় স্থানান্তর করেন। তিনি একই বছর এই দোতলা ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন।[১৫৯][১৬০] ২০০৪ সালে ৳৫,০০,০০০ দিয়ে কুষ্টিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ ভবনটি কিনে নেয়।[১৬১]

রজব আলী খান চৌধুরী ভবন মিলপাড়ায় টেগর লজের পশ্চিমে অবস্থিত একটি ভবন যার নির্মাণ সাল ১৮৯৫। ভবনটি ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। তৎকালীন সময়ের কুষ্টিয়ার সমাজ সেবক রজব আলী খান এই ভবন নির্মাণ করেছিলেন।[৭৬]

চন্দ্র ভিলা থানা পাড়ায় অবস্থিত একটি পুরাতন ভবন। ১৯৩২ সালে প্রিয়নাথ দাশ নামক এক ব্যক্তি ভবনটি নির্মাণ করেন। প্রিয়নাথ দাশ ভারত বিভাজনের কিছুকাল পর ভারতে চলে যান। বর্তমানে ভবনটি কুষ্টিয়ার সিনিয়র তথ্য অফিসারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।[৭৬]

স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য

[সম্পাদনা]

বিজয় উল্লাস ভাস্কর্য কুষ্টিয়া পৌরসভা কার্যালয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি ভাস্কর্য। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৫ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভার উদ্যোগে ভাস্কর্যটির নির্মাণ করা হয়।[১৬২]

মুক্তি মৈত্রী চৌড়হাস মোড়ে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য বা স্মৃতিসৌধ। ১৯৭১ সালের ৯–১০ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধের সময় মিত্র বাহিনীর অনেক সেনা নিহত হয়। পরেরদিন ১১ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর পাল্টা আক্রমণে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পরাজিত হয় এবং কুষ্টিয়া শত্রু মুক্ত হয়।[১৬৩] ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গভর্নর তথাগত রায় স্তম্ভটি উদ্বোধন করেন। এটি বাংলাদেশে মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে নির্মিত সর্বপ্রথম স্মৃতিস্তম্ভ।[৬১]

গগন হরকরা বা ডাকহরকরা একটি ভাস্কর্য যার মাধ্যমে ডাকহরকরার জীবনযাপনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ভাস্কর্যটি কুমারখালীর গগন হরকরার প্রতিকৃতি।[১৬৪] ইতিহাসের অংশ ডাকহরকরা পেশা আর এই কুষ্টিয়া জেলার ব্যক্তি গগন হরকরাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভা কর্তৃক ভাস্কর্টি নির্মিত হয়েছে।[১৬৫]

পালকি ও বেহারা ভাস্কর্যটি পৌরসভা কার্যালয়ে অবস্থিত। ২০০৯ সালের ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়া পৌরসভার তৎকালীন নগর প্রধান আনোয়ার আলী এই ভাস্কর্যের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভাস্কর্যের মূল নকশা প্রণয়ন করেন কিরিটী রঞ্জন বিশ্বাস। ভাস্কর মানবেন্দ্র ঘোষ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন।[১৬৬][১৬৭]

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

[সম্পাদনা]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. কুষ্টিয়া পৌরসভা কর্তৃক প্রকাশিত সার্ধশতবর্শ স্মারকগ্রন্থে (১৮৬৯–২০১৯) ১৮৭১ ও প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ১৮৭২ সালে উল্লেখ রয়েছে।[১৫][৩৮]
  2. কুষ্টিয়া পৌরসভা থেকে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থের ২০০৭ এর সংস্করণে ১৮৬৬ ও ২০১৯ এর সংস্করণে ১৮৮৬ উল্লেখ রয়েছে। জর্জ কটন এই কবরস্থান উদ্বোধন অর্থাৎ পবিত্রকরণ করেন। যেহেতু তার মৃত্যু সাল ১৮৬৬ সেহেতু কবরস্থানের প্রতিষ্ঠা সালে ১৮৬৬ গ্রহণযোগ্য
  3. মধ্যবঙ্গ বলতে বাংলাদেশের ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা, যশোর, পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনার বিস্তৃত অঞ্চল।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "AGRICULTURAL STATISTICS OF THE LOWER PROVINCES OF BENGAL FOR 1892–93" (পিডিএফ)ডিপার্টমেন্ট অফ ল্যান্ড রেকোর্ডস এগ্রিকালচার, বেঙ্গল। বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট প্রেস। ১৮৯৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০২৬
  2. 1 2 3 4 "এক নজরে কুষ্টিয়া পৌরসভা (জানুয়ারী, ২০২২)"কুষ্টিয়া পৌরসভা। ২ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০২৫
  3. মৌজা আয়তন জনসংখ্যা
    (২০২২)
    জনঘনত্ব
    (বর্গকিমি)
    বটতৈল ৮২৬ একর (৩.৩৪ কিমি) ১০,৩২১ ৩০৯০
    কবুরহাট ১,৪৭৮ একর (৫.৯৮ কিমি) ২৩,৬৬১ ৩৯৫৬
    ছেউড়িয়া ৩৩৭ একর (১.৩৬ কিমি) ৮,১৮০ ৬০১৪
    কুষ্টিয়া
    (পৌরসভা)
    ১০,৫৭৪ একর (৪২.৭৯ কিমি) ২,২১,৮০৬ ৫১৮৪
    মোট ১৩,২১৫ একর (৫৩.৪৮ কিমি) ২,৬৩,৯৬৮ ৪৯৩৬
  4. 1 2 3 4 5 "Population and Housing Census 2022 COMMUNITY REPORT: KUSHTIA" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০২৫
  5. "Subnational HDI (v8.1)" [উপ-জাতীয় এইচডিআই (ভা৮.১)]গ্লোবাল ডাটা ল্যাব (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৫
  6. শাহিনুর রহমান (৩০ জুন ২০২১)। "কুষ্টিয়াই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী"আজকের পত্রিকা। ২ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  7. 1 2 "কুষ্টিয়া জেলাকে 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' ঘোষণা করার দাবি"দৈনিক দেশ তথ্য। ১১ জানুয়ারি ২০২৫। ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  8. 1 2 3 4 5 6 শ. ম. শওকত আলী (১৯৮৭)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। কুষ্টিয়া: কল্লোল মুদ্রায়ণ।
  9. 1 2 3 4 আনোয়ার আলী, সম্পাদক (ডিসেম্বর ১৯৯১)। "স্মরণীকা"। কুষ্টিয়া পৌরসভা। ঢাকা।
  10. 1 2 3 "জেলা প্রতিবেদন: কুষ্টিয়া" (পিডিএফ)কৃষি শুমারি ২০১৯। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ডিসেম্বর ২০১৯। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৪৭৫১৬৮২। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৫{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বছর (লিঙ্ক)
  11. আলী আহসান পান্না (১ জানুয়ারি ২০২৩)। "দুই'শ বছরের ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার তিলের খাজা"দৈনিক ইনকিলাব। ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  12. এস এম রাশেদ (১৩ আগস্ট ২০২২)। "পর্যটকদের প্রথম পছন্দ কুষ্টিয়ার কুলফি মালাই"সময় সংবাদ। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  13. আফরা নাওমি (৩ জুলাই ২০২৪)। "A day through the artistic heart of Kushtia" [কুষ্টিয়ার শৈল্পিক হৃদয়ের মধ্য দিয়ে একটি দিন]দ্যা ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৫
  14. মো. আব্দুল আলীম (১ অক্টোবর ২০১৬)। "মীর মশাররফ হোসেন: সমন্বয়ধর্মী জীবনবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা"সাহিত্য পত্রিকা। ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৫
  15. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 আনোয়ার আলী। সার্ধশতবর্শ স্মারকগ্রন্থ ১৮৬৯-২০১৯ (পিডিএফ)। কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া পৌরসভাআইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  16. 1 2 তৌহিদ হাসান (২৪ জুন ২০২২)। "কৃষি অর্থনীতিতে দিনবদলের আশা"প্রথম আলো। ২৯ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২৪
  17. "The view from outside Dhaka" [ঢাকার বাইরের দৃশ্য]FORUM (ইংরেজি ভাষায়)। । জানুয়ারি ২০০৭। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৫
  18. 1 2 রাজীব আহম্মেদ, তৌহিদ হাসান (১১ অক্টোবর ২০১৭)। "গ্যাস ছাড়াই শিল্প, আছে বিদ্যুতের যন্ত্রণাও"প্রথম আলো। ৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৪
  19. পাপন দত্ত (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)। "Unveiling the Inhibition: A Captivating Journey through the Repurposing of Mohini Mill, Kushtia" [বাধা উন্মোচন: কুষ্টিয়ার মোহিনী মিলের পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে একটি মনোমুগ্ধকর যাত্রা]ওয়ার্ড আর্কিটেকচার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৫
  20. Industry Year Book And Directory 1934 [শিল্প বর্ষপুস্তক এবং নির্দেশিকা ১৯৩৪] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯৩৪। পৃ. ৩৬১। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  21. "THE CALCUTTA INDUSTRIAL REGION" [কলকাতা শিল্প অঞ্চল] (পিডিএফ)১৯৫১ সালের ভারত আদমশুমারি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৫
  22. 1 2 আবুল আহসান চৌধুরী (১৯৯০)। লালন শাহ (পিডিএফ)। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০২৫
  23. "বিষাদ-সিন্ধুর ইংরেজি অনুবাদ"প্রথম আলো। ২০ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০২৫
  24. আহমাদ ইশতিয়াক (২৬ জানুয়ারি ২০২২)। "রাধা বিনোদ পাল: আজও যে বাঙালিকে কৃতজ্ঞচিত্তে সম্মান জানায় জাপানিরা"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০২৫
  25. 1 2 3 "Population and Housing Census 2022" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০২২] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। পৃ. ৩৮৮–৩৯৪। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২৫
  26. "কুষ্টিয়া নামকরণ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন-কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক। ১৭ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৪
  27. "পাট থেকে যেভাবে 'কুষ্টিয়া' নামের উৎপত্তি"বাংলা ট্রিবিউষ। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮। ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২৫
  28. প্রভাতকুমার দাস। সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা (পিডিএফ)। কলকাতা: বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ। পৃ. ৯০, ১৯৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৫
  29. 1 2 আহমেদ মাহমুদুল হক (১৯৭১)। বাংলাদেশের মুসলিম পুরাকীর্তি (পিডিএফ)। ঢাকা: মাওলা ব্রাদার্স। পৃ. ৩৬–৩৮।
  30. "ওলি আউলিয়া, পীর বুজুর্গ বসবাস করার কারণে চুরুনি ভাষা কাষ্টিয়া থেকে কুষ্টিয়া নামকরণ করা হয়েছে"কুষ্টিয়া প্রেস। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৫
  31. 1 2 3 কুমুদনাথ মল্লিক (১৯১২)। নদীয়া-কাহিনী (পিডিএফ)। রানাঘাট: পুস্তক বিপণি। পৃ. ৩৭৮–৩৮৭।
  32. "লালনের শহরে"প্রথম আলো। ১৩ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  33. 1 2 3 "হাটশ হরিপুরের ইতিহাস"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন। ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  34. তৌহিদী হাসান (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "সংস্কৃতির তীর্থেই থমকে গেছে সংস্কৃতিচর্চা"প্রথম আলো। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০২৫
  35. 1 2 3 4 ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; সারিয়া সুলতানা (২০১৮)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। ঢাকা: বর্ণ প্রকাশ লিমিটেড। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৩১১০২৭
  36. আবদুস সাত্তার, সম্পাদক (১৯৬০)। মীর মশাররফ হোসেনের রচনাবলী (পিডিএফ)। কলকাতা: দীপ প্রকাশন। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  37. এল. এস. এস. ও'ম্যালি (১৯৩২)। BENGAL DISTRICT GAZETTEERS PABNA [বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার্স পাবনা] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: দ্যা বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট বুক ডিপো। পৃ. ২৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২৫[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  38. "স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী"প্রথম আলো। ১ ডিসেম্বর ২০১৯। ৯ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০২৫
  39. 1 2 INFORMATION BOOK 2018 [তথ্য বই ২০১৮] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১৮। পৃ. ১। ৩০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২৫
  40. 1 2 3 রঞ্জিত সেন, সম্পাদক (২০০০)। বাংলার শ্রমশক্তি (পিডিএফ)। কলকাতা: অরুণা প্রকাশন। পৃ. ১৭০–১৭৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  41. 1 2 3 4 গওহার নঈম ওয়ারা (২৯ এপ্রিল ২০২৫)। "'দ্য ব্যাটেল অব কুষ্টিয়ার' সামাজিক ইতিহাস"প্রথম আলো। ২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০২৫
  42. অজিতকুমার বন্দোপাধ্যায় (১৯৫০)। আধুনিক ভূ-পরিচয় (পিডিএফ) (পঞ্চম সংস্করণ)। কলকাতা: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃ. ১২১, ১২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  43. "বিভাগের পটভুমি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - খুলনা বিভাগ। ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  44. এস এম আলী আহসান পান্না (২৭ ডিসেম্বর ২০২০)। "বদলে যাচ্ছে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বর"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৫
  45. 1 2 আহমাদ ইশতিয়াক (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "ভাষা আন্দোলনে কুষ্টিয়া"দ্য ডেইলি স্টার। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  46. ড. এমদাদ হাসনায়েন (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "ভাষার জন্য কুষ্টিয়ার মানুষের কিছু কথা ইতিহাসের পাতায়"কুষ্টিয়া প্রেস। ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  47. ইমন (৬ আগস্ট ২০২৫)। "কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধনী ফলক"ওয়েব আর্কাইভ। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫
  48. "কুষ্টিয়ায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত"দৈনিক ইনকিলাব। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫
  49. "শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ উৎযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভার কার্যাবিবরণী" (পিডিএফ)জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কুষ্টিয়া। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫
  50. "কুষ্টিয়া হানাদার মুক্ত দিবস কাল"ঢাকা টাইমস। ১০ ডিসেম্বর ২০১৮। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৫
  51. "মুক্তিযুদ্ধের ৮ নম্বর সেক্টর"বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৩ মার্চ ২০২৬। ১১ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২০
  52. কুদরতে খোদা সবুজ (১৩ ডিসেম্বর ২০১৭)। "৪৪টি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে শত্রুমুক্ত হয় কুষ্টিয়া"বাংলা ট্রিবিউন। ৪ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৫
  53. মহিউদ্দিন আলমগীর (২৭ মার্চ ২০২৩)। "One little town showed how to fight back" [একটি ছোট্ট শহর দেখিয়েছে কিভাবে প্রতিহত করতে হয়]The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২৫
  54. "যুদ্ধের শুরুতেই কুষ্টিয়ার সিপাহি-জনতার লড়াইয়ে আসে গৌরবের জয়"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৬ এপ্রিল ২০২২। ৯ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৫
  55. আবু ওসমান চৌধুরী (২৮ আগস্ট ২০২১)। "কুষ্টিয়ার যুদ্ধ"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৫
  56. 1 2 মোঃ আব্দুল হান্নান (১২ ডিসেম্বর ১৯৯২)। স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর কুষ্টিয়া। ঢাকা: পূণর্বাসন প্রকাশনী। পৃ. ১৯–২০।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বছর (লিঙ্ক)
  57. সুব্রত রায় চৌধুরী (১৯৭২)। THE GENESIS OF BANGLADESH [বাংলাদেশের উৎপত্তি] (ইংরেজি ভাষায়)। নিউ ইয়র্ক: এশিয়া পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১০২। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৫
  58. 1 2 আলতাফ পারভেজ (২০১৫)। মুজিব বাহিনী থেকে গণবাহিনী ইতিহাসের পুনর্পাঠ (পিডিএফ)। ঢাকা: ঐতিহ্য। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৭৭৬২০৫০। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  59. 1 2 মুনতাসীর মামুন (২০১২)। শান্তি কমিটি ১৯৭১ (পিডিএফ)। ঢাকা: মাওলা ব্রাদার্স। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  60. মোঃ আব্দুল হান্নান (১২ ডিসেম্বর ১৯৯২)। স্বাধীনতা যুদ্ধে বৃহত্তর কুষ্টিয়া। ঢাকা: পূণর্বাসন প্রকাশনী। পৃ. ৮৪।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বছর (লিঙ্ক)
  61. 1 2 "কুষ্টিয়ায় মুক্তিমিত্র স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন"প্রথম আলো। ১১ ডিসেম্বর ২০১৫। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  62. "কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস আজ"ঢাকা পোস্ট। ১১ ডিসেম্বর ২০২২। ১১ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২৫
  63. সুব্রত রায় চৌধুরী (১৯৭২)। THE GENESIS OF BANGLADESH [বাংলাদেশের উৎপত্তি] (ইংরেজি ভাষায়)। নিউ ইয়র্ক: এশিয়া পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১১৪, ১১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০২৫
  64. "কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস পালিত"দৈনিক ইনকিলাব। ১১ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২৫
  65. "রং-তুলির ছোঁয়ায় প্রাণ ফিরে পেল 'স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা' মঞ্চ"ঢাকা পোস্ট। ১০ আগস্ট ২০২৪। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  66. তৌহিদী হাসান (২০ আগস্ট ২০২৪)। "দুই দশক পর রঙিন হলো কুষ্টিয়ার 'স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা' চত্বর"প্রথম আলো। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  67. "জেলার পটভূমি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুষ্টিয়া জেলা। ১৭ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫
  68. প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া (১৩ এপ্রিল ২০২২)। "দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্পকলা একাডেমি ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী"আজকের পত্রিকা। ১৩ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  69. নির্মল দাশ (২০০০)। ত্রিপুরা লোকসংস্কৃতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (পিডিএফ)। ত্রিপুরা: টাইপ সেটিং ও মুদ্রণ। পৃ. ৬৬, ৬৭। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  70. 1 2 "Population and Housing Census 2011 Zila Report: Kushtia" (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২৫
  71. "Population and Housing Census 2011 COMMUNITY REPORT: KUSHTIA" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ কমিউনিটি রিপোর্ট: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৫
  72. জে.এম. প্রিঙ্গেল; এ.এইচ. কেইএমএম (১৯২৮)। Final Report on the Survey and Settlement Operations on the District of Nadia 1918–1926 [১৯১৮-১৯২৬ সালে নদীয়া জেলার জরিপ ও বসতি স্থাপন কার্যক্রমের চূড়ান্ত প্রতিবেদন] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: বেঙ্গল সেকেটেইয়েট বুক ডিপো। পৃ. ২১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৫
  73. 1 2 ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; ড. সারিয়া সুলতানা (২০২০)। ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া। ঢাকা: কন্ঠধ্বনি প্রকাশনী। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৪৩৫-০-৬
  74. ফারুক আহমেদ পিনু (৭ জুলাই ২০১৬)। "কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত"এনটিভি। ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২৫
  75. 1 2 "গোপীনাথ জিউর মন্দির"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুষ্টিয়া জেলা। ৮ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  76. 1 2 3 4 5 6 7 মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩
  77. "Foundation" [ভিত্তি]Church of Bangladesh (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫
  78. "ক্র্যাক আন্তর্জাতিক আর্ট ক্যাম্প: শিল্প যেখানে মানুষের, মননের"প্রথম আলো। ২০ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  79. "Talks Programme - Dhaka Art Summit 2016" [আলোচনা অনুষ্ঠান - ঢাকা আর্ট সামিট ২০১৬]ঢাকা আর্ট সামিট (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  80. "১৮তম ক্র্যাক আর্ট ক্যাম্প: এবার হলো মৎস্য হ্যাচারিতে"বাংলা ট্রিবিউন। ২ জানুয়ারি ২০২৫। ৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  81. মো. ইয়াকুব আলী (১২ জুলাই ২০২০)। "প্রবাসীর রথের মেলার স্মৃতি"প্রথম আলো। ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  82. "কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব"সোনালী নিউজ। ২০ জুন ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৪
  83. "কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে তিন দিনব্যাপী লালন মেলার আয়োজন"দৈনিক ইনকিলাব। ১৩ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  84. রাজু আহমেদ (১৩ অক্টোবর ২০২৪)। "১৭ অক্টোবর থেকে শুরু লালন মেলা, দূরদূরান্ত থেকে আসছেন ভক্তরা"ঢাকা পোস্ট। ১৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  85. মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু (২১ মে ২০২২)। "গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা এবং একজন কাঙ্গাল হরিনাথ"দৈনিক ইত্তেফাক। ২১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  86. খন্দকার শামীম আহমেদ। "মীর মশাররফ হোসেনের সাংবাদিক সত্তা" (পিডিএফ)জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। পৃ. ৩৫–৪৬। ১১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  87. "কালজয়ী লেখক; মোহাম্মদ এয়াকুব আলী"নয়া দিগন্ত। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫। ৪ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  88. সরওয়ার মুর্শেদ (৮ এপ্রিল ২০২২)। "কুষ্টিয়ার সাহিত্যচর্চা"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৫
  89. সাইমন জাকারিয়া। "বাউলতত্বের সহজপাঠ" (পিডিএফ)ঈদ সংখ্যা ২০১৯। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৫
  90. 1 2 সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা (পিডিএফ)। কলকাতা: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ। ২০০৩। পৃ. ৯৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৫
  91. রওশন হাসান (২১ মে ২০২১)। "কুষ্টিয়ার যত সুস্বাদু খাবার"নাগরিক সংবাদ। ২৫ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫
  92. "কুষ্টিয়ার তিলের খাজা" (পিডিএফ)জিআই জার্নাল। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। ২০২৩। ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  93. আল মামুন সাগর (৯ আগস্ট ২০২৩)। "বারবার খেতে ইচ্ছা করে কুষ্টিয়ার কুলফি মালাই"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫
  94. মো. জাহিদ হাসান জিহাদ (২৭ অক্টোবর ২০২২)। "কলাপাতায় কুষ্টিয়ার কুলফি!"বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫
  95. "কুষ্টিয়ার তিলের খাজা ও শনপাপড়ির দেশজুড়ে বিখ্যাত"দৈনিক দেশ তথ্য। ২৯ নভেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  96. "দেশজুড়ে বিখ্যাত কুষ্টিয়ার শনপাপড়ি"দীপ্ত নিউজ। ১১ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২৫
  97. "স্বপ্নের সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় হরিপুরবাসী"প্রথম আলো। ১৯ মার্চ ২০১৭। ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৫
  98. "কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদের নামে সেতু স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন"দৈনিক ইনকিলাব। ২৬ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  99. শৈবাল আদিত্য (১৪ জানুয়ারি ২০২২)। "সচল হয়নি কুষ্টিয়ার মরা গড়াই খাল, বাতিল হচ্ছে প্রকল্প"বিডি ২৪ লাইভ। ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  100. "Nadia District : statistics, 1911-1912 to 1920-21" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২৫[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  101. "Nadia District : statistics, 1900-1901 to 1911-1912" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২৫
  102. "POPULATION AND HOUSING CENSUS 2022 DISTRICT REPORT: KUSHTIA" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ জেলা রিপোর্ট: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০২৫
  103. 1 2 "কুষ্টিয়া পৌরসভা মহাপরিকল্পনা (২০১৭–২০৩৭)" (পিডিএফ)স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ৫ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫
  104. "WASH Baseline Assessment of Kushtia Municipality Bangladesh" [কুষ্টিয়া পৌরসভা বাংলাদেশের ওয়াশ বেসলাইন মূল্যায়ন] (পিডিএফ)নগর এলাকায় সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা (ইংরেজি ভাষায়)। ওয়াস্ট কনসার্ন। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৫
  105. "City Resilience Strategy: Kushtia" [নগর স্থিতিস্থাপকতা কৌশল: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)ICLEI Home - Global Sustainability (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৫
  106. "কুষ্টিয়া সদর উপজেলা - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। ১৫ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১
  107. "কুষ্টিয়া জেলার ফাঁড়ী সমূহের নাম"জেলা পুলিশ, কুষ্টিয়া। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৫
  108. "কুষ্টিয়া পৌরসভার প্রেক্ষাপট"কুষ্টিয়া পৌরসভা। ২১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২৫
  109. "চালের রাজা খাজানগর"প্রথম আলো। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০২৫
  110. 1 2 "প্রিপারেশন অব ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শীর্ষক প্রকল্প" (পিডিএফ)নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর। ১৮ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২৫
  111. "দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে বিআরবি কেবল"বণিক বার্তা। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  112. "কুষ্টিয়ায় ১০ দফা দাবিতে কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ"প্রথম আলো। ৩ জুন ২০২৫। ৪ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  113. "চালের দাম বেড়েছে দেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ মোকামে"সময় সংবাদ। ১৩ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৪
  114. "কুষ্টিয়া ও নওগাঁর মোকামে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা"প্রথম আলো। ১১ জুলাই ২০২৪। ১২ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৫
  115. "মিলের তালিকা" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  116. "বিক্রি বেড়েছে পোড়াদহ কাপড়ের হাটে"বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৯ মে ২০১৯। ৯ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  117. "জমে উঠেছে দেশের ২য় বৃহত্তম কুষ্টিয়ার পোড়াদহ কাপড়ের হাট"কুষ্টিয়া ২৪। ৩১ মে ২০১৯। ৯ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  118. "দেশজুড়ে বস্ত্র হাটের আধিপত্য"টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারস্। ২৭ ডিসেম্বর ২০২০। ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫
  119. 1 2 3 "একনজরে কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগ"সড়ক ও জনপথ বিভাগ, কুষ্টিয়া। ১৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  120. "এক নজরে"বিআরটিএ, কুষ্টিয়া। ১৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫
  121. ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট (২১ নভেম্বর ২০১৮)। "উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি কুষ্টিয়া বাস টার্মিনালে"বার্তা৩৪.কম। ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০২৪
  122. 1 2 "Regional Road Connectivity Bangladesh Perspective" (পিডিএফ)Government of The People’s Republic of Bangladesh Ministry of Road Transport and Bridges Road Transport and Highways Division। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ। ২০১৬। ২০ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫
  123. "ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরিয়া জাতীয় মহাসড়ক (এন-৭০৪) এর কুষ্টিয়া শহরাংশ ৪-লেনে উন্নীতকরণসহ অবশিষ্টাংশ যথাযথমানে উন্নীতকরণ প্রকল্প"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - সড়ক ও জনপথ বিভাগ, কুষ্টিয়া। ২৪ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  124. জেলা প্রতিনিধি (১ নভেম্বর ২০১৮)। "কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কের উদ্বোধন"বার্তা ২৪। ২৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৪
  125. "কুষ্টিয়া (ত্রিমোহনী)-মেহেরপুর-চূয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ (আর-৭৪৫) আঞ্চলিক মহাসড়কটির কুষ্টিয়া হতে মেহেরপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ"সড়ক ও জনপথ বিভাগ, কুষ্টিয়া। ২৪ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  126. "জুন/২০২৩ এর কুষ্টিয়া জেলার প্রতিদিনের সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  127. ঢাকার ইতিবৃত্ত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি (পিডিএফ)। কলকাতা: গুপ্ত প্রেস। ২০০০। পৃ. ২৯০। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  128. মো. জাহিদ হাসান জিহাদ (২৫ ডিসেম্বর ২০২৪)। "অস্তিত্ব হারাতে বসেছে দেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন"বাংলা নিউজ ২৪। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  129. মো. জাহিদ হাসান জিহাদ (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "কুষ্টিয়া স্টেশনের ছোট প্ল্যাটফর্মে বড় ট্রেন, যাত্রীদের ভোগান্তি"বাংলা নিউজ ২৪। ২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  130. "বাংলাদেশ রেলওয়ে"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১৫ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২৫
  131. "সিভিল সার্জন অফিস, কুষ্টিয়া"। ২০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  132. "কুষ্টিয়ায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু"বিএসএস নিউজ। ২ জুন ২০২৫। ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  133. "কুষ্টিয়া বক্ষব্যাধি ক্লিনিক যেন নিজেই রোগী!"দৈনিক ইনকিলাব। ২ এপ্রিল ২০২৩। ২ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  134. "২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া"কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল। ২৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২৫
  135. "কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের হালচাল"বাংলা নিউজ ২৪। ২৮ জুলাই ২০২০। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২৫
  136. "ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস), কুষ্টিয়া"বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
  137. 1 2 "অবশেষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু"প্রথম আলো। ৬ এপ্রিল ২০২৫। ৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  138. "দেশের বিভিন্ন স্থানে - ৬টি নগর মাতৃসদন এবং ১০টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র" (পিডিএফ)স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২৫
  139. কাঞ্চন কুমার, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি (৯ এপ্রিল ২০২২)। "অস্তিত্ব সংকটে ১৬০ বছরের কুষ্টিয়া হাই স্কুল"রাইজিংবিডি। ৮ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২৪
  140. "শহীদ বুদ্ধিজীবী দুর্গাদাস সাহা"প্রথম আলো। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  141. "২৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প বেড়ে হয়েছে ৬৮২ কোটি"বণিক বার্তা। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২৫
  142. "আগামীকাল কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী"বিএসএস নিউজ। ১৩ নভেম্বর ২০২৩। ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২৫
  143. "জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়"। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  144. "কুষ্টিয়া জেলা সমিতি, ঢাকা"। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  145. "কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি কবিরুল, মহাসচিব মনিরুজ্জামান"ঢাকা পোস্ট। ১০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  146. "ষ্টেশন ক্লাব"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুষ্টিয়া জেলা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  147. 1 2 "দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উর্বরভূমি কুষ্টিয়া..."দৈনিক জনকণ্ঠ। ২১ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  148. "জেলা ক্রীড়া সংস্থা, কুষ্টিয়া"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  149. "বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  150. "কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামের উদ্বোধন আজ"কালের কণ্ঠ। ৬ মার্চ ২০২৫। ৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  151. "কুষ্টিয়ায় নির্মিত হচ্ছে আধুনিক স্টেডিয়াম"দৈনিক ইনকিলাব। ১১ জানুয়ারি ২০২২। ৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  152. "কুষ্টিয়ায় আধুনিক সুইমিংপুল"প্রথম আলো। ২৭ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  153. 1 2 তৌহিদী হাসান (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "কুষ্টিয়ায় লাঠিয়াল বাহিনীর ৯ দশক পূর্তির উৎসবে 'শিকড় না ভোলার প্রত্যয়'"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০২৬
  154. "কুষ্টিয়া জেলার ক্রীড়াঙ্গন"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  155. "এক নজরে"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - সরকারি শিশু পরিবার বালিকা, কুষ্টিয়া। ৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬
  156. "এক নজরে"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - সরকারি শিশু পরিবার বালক, কুষ্টিয়া। ৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬
  157. "সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬
  158. "কুষ্টিয়ায় এবার সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র থেকে তরুণীর পলায়ন"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৩ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬
  159. আসিফ মাহমুদ (১ অক্টোবর ২০২৩)। "রবীন্দ্রস্মৃতিবিজড়িত টেগর লজ"প্রথম আলো। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  160. "টেগর লজ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুষ্টিয়া জেলা। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  161. ড. মুহম্মদ এমদাদ হাসনায়েন (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে নির্মিত কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি 'টেগর লজ'"ঢাকা প্রকাশ। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  162. তারিকুল হক তারিক, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি (১১ ডিসেম্বর ২০২০)। "বিজয় উল্লাস"কালের কণ্ঠ। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  163. এস এম রাশেদ (১১ ডিসেম্বর ২০২৩)। "২২ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে হানাদার মুক্ত হয় কুষ্টিয়া"সময় সংবাদ। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫
  164. তৌহিদ হাসান (২৪ এপ্রিল ২০১৭)। "ভাস্কর্যে ডাকহরকরা"দৈনিক প্রথম আলো। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  165. আমানুর আমান (৯ অক্টোবর ২০২০)। "গগন হরকরা: আমি কোথায় পাবো তারে"দি ডেইলি স্টার - বাংলা। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  166. "পালকি ও বেয়ারা ভাস্কর্য, কুষ্টিয়া পৌরসভা"ওয়েব আর্কাইভ। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  167. "পালকী চলে পালকী চলে, গগন তলে আগুন জলে"ফ্লিকার। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]