ঝিনাইদহ
| ঝিনাইদহ ঝিনেদা | |
|---|---|
| নগর | |
পায়রা চত্ত্বর ঝিনাইদহ | |
| স্থানাঙ্ক: ২৩°৩২′৪২″ উত্তর ৮৯°১০′২৪″ পূর্ব / ২৩.৫৪৪৯১৪° উত্তর ৮৯.১৭৩৩৯২° পূর্ব | |
| দেশ | |
| বিভাগ | খুলনা |
| জেলা | ঝিনাইদহ |
| উপজেলা | ঝিনাইদহ সদর |
| পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত | ১৯৫৮ |
| সরকার | |
| • ধরন | পৌরসভা |
| • শাসক | ঝিনাইদহ পৌরসভা |
| আয়তন | |
| • নগর | ৪৩.১৪ বর্গকিমি (১৬.৬৬ বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা | ৩২.৪২ বর্গকিমি (১২.৫২ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২) | |
| • নগর | ১,৫৬,৫৮২ |
| • জনঘনত্ব | ৩,৬০০/বর্গকিমি (৯,৪০০/বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা[১] | ১,৪০,২৭১ |
| • পৌর এলাকার জনঘনত্ব | ৪,৩০০/বর্গকিমি (১১,০০০/বর্গমাইল) |
| সময় অঞ্চল | বাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০) |
| পোস্টকোড | ৭৩০০, ৭৩০১ |
| পৌর কোড | ১৬ |
| আইএসও ৩১৬৬ কোড | বিডি-২৩ |
| এইচডিআই (২০২২) | ০.৬৮২ মধ্যম · ৫ম |
| ওয়েবসাইট | ঝিনাইদহ পৌরসভা |
ঝিনাইদহ বা ঝিনেদা বাংলাদেশের দক্ষিণবঙ্গে অবস্থিত একটি নগর। এটি একই সাথে ঝিনাইদহ জেলা ও ঝিনাইদহ সদর উপজেলার প্রশাসনিক সদরদপ্তর। শহরটি নবগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। ঝিনাইদহ পৌরসভার মোট আয়তন ৩২.৪২ বর্গকিলোমিটার (১২.৫২ বর্গমাইল) ও ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী মোট ১,৪০,২৭১ জন মানুষ বসবাস করে।[২][১]
নামকরণ
[সম্পাদনা]'ঝিনাইদহ' নামকরণ করা হয়েছে ঝিনুক থেকে। ঝিনুককে স্থানীয় ভাবে 'ঝিনেই' বা 'ঝিনাই' বলে। একসময় বর্তমান ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদী থেকে এক শ্রেণীর মানুষ ঝিনুক কুড়াতো। ঝিনুক প্রাপ্তির এই স্থানকে ঝিনুকদহ বলা হতো। 'দহ' শব্দের অর্থ জলাশয়। আবার ফার্সি ভাষায় 'দহ' শব্দের অর্থ 'গ্রাম'। অর্থাৎ 'ঝিনুকদহ' শব্দের অর্থ 'ঝিনুকের জলাশয়' বা 'ঝিনুকের গ্রাম'। এই ঝিনুকদহ থেকেই পরে ঝিনাইদহ নামটি এসেছে।[৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]একসময় বর্তমান ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদীতে কিছু শ্রমিক ঝিনুক সংগ্রহ করত। তারা এখানে বসতি স্থাপন করে। কলকাতা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে ঝিনুক ক্রয় করতে আসতেন।[৩]
১৭৯৩ সালে ঝিনাইদহে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হয়। ১৮৬০–১৮৬১ সালে নীল বিদ্রোহের কারণে ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইল মহকুমার মর্যাদা লাভ করে। ১৮৬৩ সালে সীমানা পুনর্বিন্যাসের পর কোটচাঁদপুর মহকুমা বিলুপ্ত করে ঝিনাইদহ মহকুমার সাথে যুক্ত করা হয়।[৪][৫]
পরিবহন
[সম্পাদনা]ঝিনাইদহ শহরে সাথে চারটি জাতীয় মহাসড়ক, একটি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও তিনটি জেলা সড়কের সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ২টি জাতীয় মহাসড়ক ও একটি জেলা সড়ক শহরেই ভিতরেই অবস্থিত।
শিক্ষাব্যবস্থা
[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৭৭ সালে ঝিনাইদহ এইচ. ই. স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচিত। এটি ঝিনাইদহ শহরের প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।[৬] এসময় ঝিনাইদহে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছিল যা ১৯৫৪ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচিত।
১৯৪৭ সালে ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। ঝিনাইদহে ১৯৬০ সালে প্রথম মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ যা বর্তমানে মহাবিদ্যালয়টি তার প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের জন্য ব্যপকভাবে পরিচিত।[৭] ১৯৬৩ সালে শহরের উত্তরে ঝিনাইদহ–কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাশে প্রতিষ্ঠিত হয় ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ।[৮]
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা
[সম্পাদনা]- মহাবিদ্যালয়
- সরকারি কেশব চন্দ্র কলেজ (১৯৬০)
- সরকারি নূরুননাহার মহিলা কলেজ (১৯৮৫)
- ঝিনাইদহ কলেজ (১৯৯১)
- কারিগরি ও বিশেষায়িত
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩)
- ঝিনাইদহ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (১৯৬৫)
- শহীদ জিয়াউর রহমান আইন মহাবিদ্যালয় (১৯৯৩)
- ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (২০০৪)
- কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (২০০৬)
- ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঝিনাইদহ (২০১২)
- ঝিনাইদহ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (২০১৬)
- উচ্চমাধ্যমিক
- শিশু কুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ (১৯৬৮)
- ফজর আলী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ (১৯৭১)
- পুলিশ লাইন্স মডেল হাই স্কুল (২০০৭)
- ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ (২০১৬)
- ঝিনাইদহ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ (২০২৩)
- মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৭৭)
- ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৪)
- শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ (১৯৬৪)
- উদয়পুর মতিউর রহমান মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯৯৬)
- মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (২০০০)
জনপরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]| বছর | জন. | ব.প্র. ±% |
|---|---|---|
| ১৯৮১ | ৪৭,৯৫৩ | — |
| ১৯৯১ | ৬২,৮৯৬ | +২.৭৫% |
| ২০০১ | ৮৬,৯১৯ | +৩.২৯% |
| ২০১১ | ১,০৭,৮৩৪ | +২.১৮% |
| ২০২২ | ১,৪০,২৭১ | +২.৪২% |
| [৯][১০] | ||
বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী ঝিনাইদহ পৌরসভায় মোট পরিবার রয়েছে ৩৫,৭১২টি ও ১,৪০,২৭১ জন মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ৭১,০২৮ জন, নারী ৬৯,২২৮ জন ও হিজড়া ১৫ জন।[১০]
ঝিনাইদহ পৌরসভায় মোট ৪০,৪৮৯ জন কর্মজীবী রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৫,৫০৪ জন এবং নারী ৪,৯৮৫ জন। অন্যদিকে মোট ৩৪,৮৯২ জন ব্যক্তি গৃহকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন যাদের মধ্যে ৩৪,৩৯৭ জনই নারী। কর্মজীবীদের মধ্যে ৭৮.৩৭ শতাংশ সেবামূলক, ১২.৩৭ শতাংশ শিল্প ও ৯.২৬ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত।[১০]
ধর্ম
[সম্পাদনা]২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ঝিনাইদহ পৌরসভায় বসবাসকারী ১,৪০,২৭১ জন মানুষের মধ্যে ১,২৪,৩১৬ জন ইসলাম, ১৫,৮৮২ জন হিন্দু, ৬১ জন খ্রিস্ট, ১২ জন বৌদ্ধ ও ০ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[১০]
চিকিৎসা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]১৯৬৮ সালে ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতাল (সরকারি হাসপাতাল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল নামেও পরিচিত। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ২৫০টি শয্যা রয়েছে।[১১] হাসপাতালটি শহরের হামদহ পাড়ায় অবস্থিত। ২০০৩ সালে ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এই চক্ষু হাসপাতাল সম্পর্কে নানা বিতর্ক থাকলেও বর্তমানে হাসপাতালের খ্যাতি ছড়িয়েছে। এখানে অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রও রয়েছে।[১২] ২০০৫ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা রোডে ঝিনাইদহ শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। শিশু হাসপাতালটি দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালে পুণরায় কার্যক্রম শুরু করে।[১৩] ২০১৮ সালের ১০ ডিসেম্বর শহর থেকে সামান্য দূরে দক্ষিণ কাস্টসাগরায় একটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করা হয়।[১৪]
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]- মিয়ার দালান
- ঝিনাইদহ পৌর ইকোপার্ক
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- আব্দুল মান্নান (ঝিনাইদহের রাজনীতিবিদ) - ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য
- আব্দুস সাত্তার (ঝিনাইদহের রাজনীতিবিদ) - ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য
- খালেদা খানম - সংরক্ষিত মহিলা ২৭ আসনের সংসদ সদস্য
- জামাল নজরুল ইসলাম - বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ
- নুর উদ্দিন - ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য
- মোহাম্মদ সদর উদ্দিন আহমেদ - বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা
- শহীদুজ্জামান বেল্টু - ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Population and Housing Census 2022" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০২২] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। পৃ. ৩৮৮–৩৯৪। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ঝিনাইদহ পৌরসভার সাধারণ তথ্য"। ঝিনাইদহ পৌরসভা। ১ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 "ঝিনুক থেকে ঝিনাইদহ নামের উৎপত্তি"। বাংলা ট্রিবিউন। ২২ ডিসেম্বর ২০১৮। ৩০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "জেলার পটভূমি"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - ঝিনাইদহ জেলা। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ লুইস সিডনি স্টুয়ার্ড ও'ম্যালি (১৯১৮)। Bengal District Gazetteers : Jessore [বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার্স: যশোর] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। পাটনা: সুপারিনটেনডেন্ট, গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং। পৃ. ৪৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২৫-০৯-৩১।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫।
- ↑ আসিফ ইকবাল কাজল (৯ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "নানা সংকটে ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ"। বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ৫০ বছর পূর্তি"। প্রথম আলো। ৫ নভেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Population And Housing Census National Report Volume-03: Urban Area Rport, 2011" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা জাতীয় প্রতিবেদন খণ্ড-০৩: নগর এলাকা প্রতিবেদন, ২০১১] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 "POPULATION AND HOUSING CENSUS 2022 COMMUNITY REPORT: JHENAIDAH" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: ঝিনাইদহ] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ২৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার বেশি অডিট আপত্তি"। লোকসমাজ। ৫ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৫।
- ↑ "ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল দরিদ্র মানুষের ভরসার কেন্দ্র"। মানবজমিন। ২০ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "১৪ বছর পর চালু হল ঝিনাইদহ সরকারি শিশু হাসপাতাল"। বাংলাদেশ জার্নাল। ১০ জানুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ঝিনাইদহে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন আছে চিকিৎসা নেই"। বণিক বার্তা। ৬ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- সুমন শিকদার, সম্পাদক (২০১৮)। করা আর পান ঝিনাইদহের প্রাণ (পিডিএফ)। জেলা প্রশাসন, ঝিনাইদহ। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৩৪৩৪৩২৬।
- সতীশচন্দ্র মিত্র (১৯১৪)। যশোহর-খুলনার ইতিহাস। ১ম খন্ড। কলকাতা: চক্রবর্তী চ্যাটার্জি এন্ড কোং।
- সতীশচন্দ্র মিত্র (১৯১৪)। যশোহর-খুলনার ইতিহাস। ২য় খন্ড। কলকাতা: চক্রবর্তী চ্যাটার্জি এন্ড কোং।
