বিষয়বস্তুতে চলুন

ফরিদপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফরিদপুর
নগর
মানচিত্র
ফরিদপুর ঢাকা বিভাগ-এ অবস্থিত
ফরিদপুর
ফরিদপুর
ফরিদপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ফরিদপুর
ফরিদপুর
স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৬′১৫″ উত্তর ৮৯°৫০′১৮″ পূর্ব / ২৩.৬০৪১৩৮° উত্তর ৮৯.৮৩৮৩০৪° পূর্ব / 23.604138; 89.838304
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা
জেলাফরিদপুর
উপজেলাফরিদপুর সদর
পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত এপ্রিল ১৮৬৯; ১৫৭ বছর আগে (1869-04-01)
সরকার
  ধরনপৌরসভা
  শাসকফরিদপুর পৌরসভা
আয়তন
  নগর৩৬.৭৫ বর্গকিমি (১৪.১৯ বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা৬৬.৩১ বর্গকিমি (২৫.৬০ বর্গমাইল)
  গ্রামীণ২৯.৫৬ বর্গকিমি (১১.৪১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০২২)
  নগর১,৬০,৩১৩
  জনঘনত্ব৪,৪০০/বর্গকিমি (১১,০০০/বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা২,৩৭,২৮৩
  পৌর এলাকার জনঘনত্ব৩,৬০০/বর্গকিমি (৯,৩০০/বর্গমাইল)
  গ্রামীণ৭৭,০৭০
  গ্রামীণ ঘনত্ব২,৬০০/বর্গকিমি (৬,৮০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০)
পোস্টকোড৭৮০০, ৭৮০২, ৭৮০৪
পৌর কোড৬০
আইএসও ৩১৬৬ কোডবিডি-১৫
ওয়েবসাইটফরিদপুর পৌরসভা

ফরিদপুর (পূর্বনাম: ফতেহবাদ) বাংলাদেশের একটি নগর যা পদ্মার পশ্চিমে পুরনো শাখার তীরে ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। কুমার নদ শহরটিকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চেলর প্রধান শহরগুলোর একটি।[] ময়েজ মঞ্জিল ও শহরের উপকণ্ঠ অম্বিকাপুরে অবস্থিত জসীম উদ্‌দীনের বাড়ি এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।[][]

বাংলার ঐতিহাসিক ফরায়েজি আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর।[] এখানে অবস্থিত শ্রীঅঙ্গন হিন্দু মহানাম সম্প্রদায়ের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।[] অম্বিকাচরণ মজুমদার ১৯১৮ সালে রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।[]

বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুরে অবস্থিত যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।[] বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পশ্চিমাঞ্চলের সদরদপ্তর ফরিদপুরে অবস্থিত।[]

ফরিদপুর পৌরসভার আয়তন ৬৬.৩১ কিমি (২৫.৬০ মা)[] এবং ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। এখানে মোট ৫৭,২২৭টি খানা রয়েছে যেখানে মোট ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষ বসবাস করেন।[১০] এটি একটি দ্রুত বর্ধনশীল নগর।[১১] ২০১৮ সালে ফরিদপুর সদর উপজেলার কিছু গ্রামীণ মৌজা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১২]

নামকরণ

[সম্পাদনা]

ফরিদপুরের পূর্বে নাম ছিল 'ফতেহাবাদ'। ইলিয়াস শাহী রাজবংশের শাসক জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের নামে 'ফতেহবাদ' নামকরণ করা হয়েছিল। ফরিদপুর নামকরণ করা হয়েছে প্রখ্যাত সাধক এবং দরবেশ মইনুদ্দিন চিশতী শিষ্য ও ফরিদপুরের প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ ফরিদের (শেখ ফরিদুদ্দিন) নামানুসারে।[১৩][১৪]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

বাংলা সালতানাত

[সম্পাদনা]

ফরিদপুরের স্থানীয় ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা শুরু হয় বাংলা সালতানাতের শাসক আলাউদ্দিন হোসেন শাহের সময় থেকে। হেনরিক ব্লোকম্যানের মতে হোসেন শাহ প্রথমে ফরিদপুরে ক্ষমতা লাভ করেন, তখন এর নাম ছিল 'ফতেহবাদ' এবং এখানেই তার প্রথম দিকের মুদ্রাগুলো তৈরি হয়েছিল। 'ফতেহবাদ' হোসেন শাহের শাসনামলে বাংলা সালতানাতের একটি টাকশাল শহর ছিল, এটিই বর্তমানের ফরিদপুর শহর।[১৪][১৫]

কোম্পানি ও ব্রিটিশ শাসন

[সম্পাদনা]

১৭৬৫ সালে যখন ব্রিটিশদেরকে বাংলার দেওয়ানি প্রদান করা তখন তখন বৃহত্তর ফরিদপুরের উত্তর-পশ্চিমাংশ রাজশাহী জমিদারি এবং বাকি অংশ ঢাকা জমিদারির অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় গোয়ালন্দ ও গোপালগঞ্জ মহকুমা (বর্তমানে রাজবাড়ীগোপালগঞ্জ জেলা) যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফরিদপুরের বাঁকি অংশ, ঢাকা এবং বাকেরগঞ্জ নিয়ে ঢাকা-জালালপুর জেলার কার্যক্রম ছিল এবং এর সদরদপ্তর ছিল ঢাকা (ফরিদপুর জেলার একটি পরগনার নাম ছিল জালালপুর)। বিভিন্ন অসুবিধার কারণে ঢাকা-জালালপুরকে ভেঙ্গে ১৭৯৭ সালে বাকেরগঞ্জ জেলা গঠন করা হয়। ১৮০৭ সালে ঢাকা-জালালপুরের সদরদপ্তর ফরিদপুরে স্থানান্তর করা হয়।[১৪]

জলদস্যুদের একটি কুখ্যাত আস্তানা হিসেবে ফরিদপুরের পরিচিতি ছিল।[১৪]

পূর্ব-পাকিস্তান

[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক পর্যায়ে পূর্ব পাকিস্তানে ১৭টি জেলার একটি জেলা ছিল ফরিদপুর এবং এটি তখন থেকেই ঢাকা বিভাগের অধীনে রয়েছে।[১৬]

ভাষা আন্দোলন

[সম্পাদনা]
রাজেন্দ্র কলেজের শহীদ মিনার

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় শেখ মুজিবুর রহমানমহিউদ্দিন আহমেদ ফরিদপুর কারাগারে বন্দি হিসেবে ছিলেন।[১৭]

রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুরে ভাষা আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রজনতার বিক্ষোভ মিছিলে কোতোয়ালী থানার সামনে হামলা চালায়। ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার শহরে সারাদিন হরতাল পালিত হয়। ১৪৪ ধার ভঙ্গ করে ছাত্ররা রাজেন্দ্র কলেজ থেকে মিছিল বের করে চকবাজার জামে মসজিদের দিকে রওনা হয়। এই মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।[১৮]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ফরিদপুর ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিল।[১৯]

১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পন করলেও ফরিদপুর পুরোপুরি শক্ত মুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর।[২০]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

ফরিদপুর শহর পদ্মা নদীর একটি মৃত শাখার পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং কুমার নদ একে পূর্ব ও পশ্চিম অংশে বিভক্ত করেছে।[১১][২১] পদ্মা নদীর প্রবাহ পূর্বে শহরের পাশ দিয়েই ছিল, পরবর্তিতে প্রবাহ সরে গেলে তা মরা পদ্মা নামে পরিচিত লাভ করে।[১৬]

ভৌগোলিকভাবে ফরিদপুর গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে অবস্থিত। এটি মাঝারি বন্যাপ্রবণ এলাকা।[২২]

জনপরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী ফরিদপুর পৌরসভায় মোট ৫৭,২২৭টি পরিবার রয়েছে ও ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ১১৮৭১৭ জন, নারী ১১৮৫৪৯ জন ও হিজড়া ১৭ জন।[২৫]

ফরিদপুর পৌরসভায় মোট ৬৭,৪৫২ জন কর্মজীবী রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৮,২৩৪ জন এবং নারী ৯,২১৮ জন। অন্যদিকে মোট ৫৫,৮৩৭ জন ব্যক্তি গৃহকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন যাদের মধ্যে ৫৪,৩৬০ জনই নারী। কর্মজীবীদের মধ্যে ৮৪.২০ শতাংশ সেবামূলক, ৯.৮ শতাংশ শিল্প ও ৬ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত।[২৫]

সংস্কৃতি

[সম্পাদনা]
ফরিদপুর পৌরসভায় ধর্ম (২০২২)
  1. ইসলাম (৮৭.৩৬%)
  2. হিন্দু (১২.২৫%)
  3. খ্রিস্ট (০.৩৭%)
  4. বৌদ্ধ (০.০০৫%)
  5. অন্যান্য (০.০০৫%)

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ফরিদপুর পৌরসভায় বসবাসকারী ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষের মধ্যে ২,০৭,২৭৮ জন ইসলাম, ২৯,০৯৪ জন হিন্দু, ৮৮৫ জন খ্রিস্ট, ১৩ জন বৌদ্ধ ও ১৩ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[২৫]

ইসলাম

[সম্পাদনা]

ফরায়েজি আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর যা মুসলিম কৃষকশ্রেণির মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।[]

চকবাজার জামে মসজিদ, পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ ও শাহ ফরিদ জামে মসজিদ হলো শহরের পুরাতন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। চকবাজার জামে মসজিদ ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা শহরের প্রাণকেন্দ্র চকবাজারে অবস্থিত।[২৬] পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৩৬ সালে। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার মৌলভি তমিজউদ্দিন খাঁ মসজিদটি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।[২৭] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শাহ ফরিদ জামে মসজিদ অবস্থিত। ১৯৬২ সালে মসজিদটি নির্মাণের পূর্বে এখানে একটি দর্গা ছিল বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ১৯৯৭ সালে মসজিদটির জন্য তিন তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়।[২৮]

মেলা ও উৎসব

[সম্পাদনা]

জসীম পল্লী মেলা

[সম্পাদনা]
২০২৪ সালে জসীম পল্লী মেলা

জসীম পল্লী মেলা হলো কবি জসীম উদ্‌দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অম্বিকাপুরে (গোবিন্দপুর) কুমার নদের তীরে আয়োজিত একটি মেলা। এটি ১৯৯১ (মতান্তরে ১৯৮৮) সালে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে। পরবর্তিতে এই মেলা ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাধারণ প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলা মাসব্যাপী স্থায়ী হয়।[২৯][৩০]

ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব

[সম্পাদনা]
৬ষ্ঠ ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব

ঘুড়ি উৎসব হলো ফরিদপুরের শহরতলি ধলার মোড়ে পদ্মার পাড়ে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক উৎসব।[৩১] প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর ৮ম ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।[৩২]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী ফরিদপুরে শিক্ষার হার শতকরা ৮১.৮৭ শতাংশ (৭ বছর এবং তার বেশি বয়সী)। পুরুষের সাক্ষরতার হার শতকরা ৮৩.৭৪ শতাংশ এবং নারীর সাক্ষরতার হার শতকরা ৮০.০২ শতাংশ। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১,৭১,৬২৯ জন জেনারেল, ৩,৪১৮ জন কারিগরি, ১০,৩৩২ ধর্মীয় এবং ৩,০৮৪ জন অন্যান্য শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।[২৫]

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]
ধরন নাম স্থাপিত ইআইআইএন স্থানাঙ্ক
বিশ্ববিদ্যালয় টাইমস বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ২০১৩ - ২৩°৩৫′২৮″ উত্তর ৮৯°৪৮′৫৮″ পূর্ব / ২৩.৫৯১২৪৪° উত্তর ৮৯.৮১৬০৬৯° পূর্ব / 23.591244; 89.816069
মহাবিদ্যালয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ১৯৯২ - ২৩°৩৫′১৯″ উত্তর ৮৯°৫০′০৯″ পূর্ব / ২৩.৫৮৮৫৫৫° উত্তর ৮৯.৮৩৫৮৮৫° পূর্ব / 23.588555; 89.835885
ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন মেডিকেল কলেজ ২০০৯ - ২৩°৩৬′১০″ উত্তর ৮৯°৫০′১০″ পূর্ব / ২৩.৬০২৮০৫° উত্তর ৮৯.৮৩৬০৭১° পূর্ব / 23.602805; 89.836071
ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ২০১০ - ২৩°৩৫′৪৮″ উত্তর ৮৯°৫১′১৭″ পূর্ব / ২৩.৫৯৬৭১৫° উত্তর ৮৯.৮৫৪৭৩৯° পূর্ব / 23.596715; 89.854739
সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ১৯১৮ ১০৮৭৯৭ ২৩°৩৬′১০″ উত্তর ৮৯°৫০′৩২″ পূর্ব / ২৩.৬০২৬৬১° উত্তর ৮৯.৮৪২২৪৭° পূর্ব / 23.602661; 89.842247
সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ ১৯৬৬ ১০৮৭৯৪ ২৩°৩৫′৫৫″ উত্তর ৮৯°৫০′০৯″ পূর্ব / ২৩.৫৯৮৬৮৯° উত্তর ৮৯.৮৩৫৭৫২° পূর্ব / 23.598689; 89.835752
সরকারি ইয়াছিন কলেজ ১৯৬৮ ১০৮৭৯৫ ২৩°৩৬′৪৫″ উত্তর ৮৯°৫১′১২″ পূর্ব / ২৩.৬১২৫৮৮° উত্তর ৮৯.৮৫৩৪৩১° পূর্ব / 23.612588; 89.853431
ফরিদপুর সিটি কলেজ ১৯৯২ ১০৮৭৯৮ ২৩°৩৫′৪৬″ উত্তর ৮৯°৫১′১৩″ পূর্ব / ২৩.৫৯৬২৩৪° উত্তর ৮৯.৮৫৩৪৭৩° পূর্ব / 23.596234; 89.853473
ফরিদপুর মহাবিদ্যালয় ১৯৯৬ ১০৮৭৯৬ ২৩°৩৫′৩৮″ উত্তর ৮৯°৪৮′৪৪″ পূর্ব / ২৩.৫৯৩৮১৭° উত্তর ৮৯.৮১২১০৮° পূর্ব / 23.593817; 89.812108
সানফ্লাওয়ার টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ১৯৯৮ ১৩৩২৮২ ২৩°৩৫′২৪″ উত্তর ৮৯°৪৮′৫৮″ পূর্ব / ২৩.৫৯০১৩১° উত্তর ৮৯.৮১৬২১৯° পূর্ব / 23.590131; 89.816219
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ২০০৫ ১৩৩২৯৩ ২৩°৩৬′০৩″ উত্তর ৮৯°৫১′৩৬″ পূর্ব / ২৩.৬০০৯৪০° উত্তর ৮৯.৮৬০১০০° পূর্ব / 23.600940; 89.860100
মাধ্যমিক
ও উচ্চমাধ্যমিক
হালিমা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ ১৯৩২ ১০৮৮০৪ ২৩°৩৬′২৪″ উত্তর ৮৯°৫০′৫৪″ পূর্ব / ২৩.৬০৬৫৭৫° উত্তর ৮৯.৮৪৮২০৪° পূর্ব / 23.606575; 89.848204
পুলিশ লাইন্‌স স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯৬২ ১০৮৭৩০ ২৩°৩৬′৩২″ উত্তর ৮৯°৫০′৪৪″ পূর্ব / ২৩.৬০৮৭৯৯° উত্তর ৮৯.৮৪৫৫৫৮° পূর্ব / 23.608799; 89.845558
ফরিদপুর জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২০ ১৩৯২১৭ ২৩°৩৬′১৭″ উত্তর ৮৯°৫০′৪২″ পূর্ব / ২৩.৬০৪৮৩৯° উত্তর ৮৯.৮৪৪৯৫৭° পূর্ব / 23.604839; 89.844957
মাধ্যমিক ফরিদপুর জিলা স্কুল ১৮৪০ ১০৮৭৩২ ২৩°৩৬′৩১″ উত্তর ৮৯°৫০′৩৮″ পূর্ব / ২৩.৬০৮৭১৫° উত্তর ৮৯.৮৪৩৮৫৩° পূর্ব / 23.608715; 89.843853
ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৮৯ ১০৮৭২৯ ২৩°৩৬′৩০″ উত্তর ৮৯°৫০′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৬০৮৪৪১° উত্তর ৮৯.৮৪২৭২০° পূর্ব / 23.608441; 89.842720
ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯১০ ১০৮৭৪৫ ২৩°৩৬′১৯″ উত্তর ৮৯°৫০′১৮″ পূর্ব / ২৩.৬০৫১৪৯° উত্তর ৮৯.৮৩৮২৭০° পূর্ব / 23.605149; 89.838270
হিতৈষী উচ্চ বিদ্যালয় ১৮৮৯ ১০৮৭৪৭ ২৩°৩৫′৫৫″ উত্তর ৮৯°৫০′০৭″ পূর্ব / ২৩.৫৯৮৬৭৯° উত্তর ৮৯.৮৩৫২৬০° পূর্ব / 23.598679; 89.835260
ফরিদপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯২৭ ১০৮৭৪২ ২৩°৩৬′০৯″ উত্তর ৮৯°৫০′০৯″ পূর্ব / ২৩.৬০২৪৮২° উত্তর ৮৯.৮৩৫৭৩৪° পূর্ব / 23.602482; 89.835734
ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৩৬ ১০৮৭৩৫ ২৩°৩৬′২৫″ উত্তর ৮৯°৫০′৫০″ পূর্ব / ২৩.৬০৬৮৯৪° উত্তর ৮৯.৮৪৭২২৪° পূর্ব / 23.606894; 89.847224
ডোমরাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬৯ ১৯৮৭৪৯ ২৩°৩৪′৪০″ উত্তর ৮৯°৪৮′০৮″ পূর্ব / ২৩.৫৭৭৮০৩° উত্তর ৮৯.৮০২০৮৭° পূর্ব / 23.577803; 89.802087
আনছার উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭১ ১০৮৭৪৪ ২৩°৩৬′৩৮″ উত্তর ৮৯°৪৯′০৩″ পূর্ব / ২৩.৬১০৬২২° উত্তর ৮৯.৮১৭৩৭৮° পূর্ব / 23.610622; 89.817378
কমলাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭২ ১০৮৭৪৮ ২৩°৩৬′২২″ উত্তর ৮৯°৫১′২৬″ পূর্ব / ২৩.৬০৬১৩৯° উত্তর ৮৯.৮৫৭১৯১° পূর্ব / 23.606139; 89.857191
সাজেদা কবিরউদ্দিন পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭৪ ১০৮৮০৫ ২৩°৩৬′১৮″ উত্তর ৮৯°৫০′০৯″ পূর্ব / ২৩.৬০৪৯১৬° উত্তর ৮৯.৮৩৫৭৮৮° পূর্ব / 23.604916; 89.835788
সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭৬ ১০৮৭৪১ ২৩°৩৬′০১″ উত্তর ৮৯°৪৯′৩৮″ পূর্ব / ২৩.৬০০৩৯০° উত্তর ৮৯.৮২৭২৮৮° পূর্ব / 23.600390; 89.827288
তারার মেলা ঈশান মেমোরিয়াল স্কুল ১৯৭৬ ১৩৯৪৩৩ ২৩°৩৬′১৯″ উত্তর ৮৯°৫০′৪০″ পূর্ব / ২৩.৬০৫৩২৭° উত্তর ৮৯.৮৪৪৩৩৩° পূর্ব / 23.605327; 89.844333
ঈশান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১০৮৭৪৬ ২৩°৩৬′২৮″ উত্তর ৮৯°৫০′৩০″ পূর্ব / ২৩.৬০৭৮৭৫° উত্তর ৮৯.৮৪১৬৭১° পূর্ব / 23.607875; 89.841671
নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ২০০০ ১৩৩৭২০ ২৩°৩৬′৫২″ উত্তর ৮৯°৫১′২৮″ পূর্ব / ২৩.৬১৪৪৫৬° উত্তর ৮৯.৮৫৭৭৫৭° পূর্ব / 23.614456; 89.857757
অন্যান্য

পরিবহন

[সম্পাদনা]
গোল্ডেন লাইন পরিবহন কাউন্টার

ফরিদপুরের মধ্যে ৪টি জাতীয় মহাসড়ক এবং ৩টি জেলা মহাসড়কের সংযোগ রয়েছে।[৩৩]

  • এন৭ - এটি রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এ৮০৪ ও এন৮০৮-এর সাথে মিলিত হয়েছে। এন৭-এর মাধ্যমে ফরিদপুর শহর গোয়ালন্দ ঘাট, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনামংলা বন্দরের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়েছে।[৩৩]
  • এন৮০৩ - এটি শুরু হয়েছে শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড় (এন৮০৪) থেকে এবং শেষ হয়েছে শহরতলি এলাকা সিএন্ডবি ঘাটে। এটি ঐতিহাসিক ভাবে যশোর রোড[১৪] নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি মুজিব সড়ক নামেই পরিচিত।[৩৪] এই সড়কেই ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়সমূহ অবস্থিত।[৩৩]
  • এন৮০৮/বাইপাস সড়ক - এটির দৈর্ঘ্য ৫.৫ কিমি (৩.৪ মা) যার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে। এটি শুরু হয়েছে শহরতলি মুন্সী বাজারে এন৮০৪-এর থেকে এবং রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এন৭ এবং এন৮০৪-এর সাথেই মিলিত হয়েছে।[৩৩]
  • এন৮০৪ - এটি ফরিদপুর শহরকে ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জের সাথে অর্থাৎ ঢাকা–ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সাথে যুক্ত করেছে।[৩৩]

ফরিদপুর পৌর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল

[সম্পাদনা]

ফরিদপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ২০০৪ সালে গোয়ালচামটে নির্মাণ করা হয়।[৩৫] এটি 'নতুন বাস স্ট্যান্ড' নামেই অধিক পরিচিত।[৩৬]

ক্রীড়া

[সম্পাদনা]

ফরিদপুরে ক্রীড়া বিষয়ক সম্প্রসারণ ও তদসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য ক্রীড়া পরিষদের অধীনে একটি জেলা ক্রীড়া অফিস রয়েছে।[৩৭]

ফরিদপুর স্টেডিয়াম

[সম্পাদনা]
শেখ জামাল স্টেডিয়াম

শেখ জামাল স্টেডিয়াম বা ফরিদপুর স্টেডিয়াম ১৯৫৬ সালে স্থাপিত হয় যা শহরের একমাত্র ক্রীড়া অনুষ্ঠানস্থল। আহমেদ ফজলুর রহমান এটি উদ্বোধন করেন। ২০১৩ সালে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে স্টেডিয়ামটি সংস্কার করা হয়।[৩৮] এই স্টেডিয়ামের দর্শন ধারণক্ষমতা প্রায় ১৫,০০০।[৩৯]

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. SURRENDER AT DACCA [ঢাকায় আত্মসমর্পণ] (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। ১৯৯৭।
  2. প্রবীর কান্তি বালা (৮ ডিসেম্বর ২০২১)। "পল্লিকবির 'ছোট গাঁ' আজ অগোছালো শহর"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. ফরিদপুরের ইতিহাস (পিডিএফ)। কলকাতা: পারুল প্রকাশনী। ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  4. 1 2 মঈন উদ-দিন আহমদ খান (২০০৭)। বাংলায় ফরায়েজি আন্দোলনের ইতিহাস (পিডিএফ)। গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া কর্তৃক অনূদিত। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  5. "Sridham Sriangan Faridpur" [শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গন ফরিদপুর] (ইংরেজি ভাষায়)। Mahanam sampraday। ২৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  6. হারুন-অর-রশীদ (৪ অক্টোবর ২০২০)। "ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস"বাংলাদেশ জার্নাল। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  7. "নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  8. "বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৩-২৪" (পিডিএফ)বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঢাকা। ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  9. "জিও কোড - ফরিদপুর জেলা" (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ৫ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৫
  10. "জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। পৃ. ৩৯০। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪
  11. 1 2 "Faridpur Bangladesh" (পিডিএফ)SFD Report। ২১ আগস্ট ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  12. "বাংলাদেশ গেজেট" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ৩০ এপ্রিল ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০২৬
  13. "ফরিদপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য"bfcks.com/। বৃহত্তর ফরিদপুর চাকরীজিবী কল্যাণ সমিতি। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  14. 1 2 3 4 5 "FARIDPUR" (পিডিএফ)BENGAL DISTRICT GAZETTEERS। কলকাতা। ১৯২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬
  15. "মধ্যযুগীয় টাকশাল"বাংলাপিডিয়া। ৫ আগস্ট ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬
  16. 1 2 বাঙলার কথা (পিডিএফ)। কলকাতা। ১৯৬০। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক)
  17. শেখ মুজিবুর রহমান (২০২১)। অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পিডিএফ)। ঢাকা: মহিউদ্দিন আহমেদ, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৫০৬১৯৫৭। ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  18. আহমাদ ইশতিয়াক (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "ভাষা আন্দোলনে ফরিদপুর"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  19. "Sectors & Armed Forces of the" [সেক্টর এবং সশস্ত্র বাহিনী]Liberation War 1971 (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি স্টার। ২৩ মার্চ ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬
  20. "ফরিদপুর মুক্ত দিবস আজ"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬
  21. "পৌরসভা উন্নয়ন পরিকল্পনা" (পিডিএফ)ফরিদপুর পৌরসভা। ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬
  22. JHONSON, B.L.C. (১৯৭৫)। Bangladesh [বাংলাদেশ] (ইংরেজি ভাষায়)। লন্ডন। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক)
  23. "Bengal District Gazetteer: Faridpur District Statistics 1911-1912 to 1920-1921" [বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার: ফরিদপুর ডিস্ট্রিক্ট পরিসংখ্যান ১৯১১-১৯১২ থেকে ১৯২০-১৯২১] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  24. "Population And Housing Census National Report Volume-03: Urban Area Rport, 2011" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা জাতীয় প্রতিবেদন খণ্ড-০৩: নগর এলাকা প্রতিবেদন, ২০১১] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  25. 1 2 3 4 5 "Population and Housing Census 2022 COMMUNITY REPORT: FARIDPUR" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: ফরিদপুর] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫
  26. "১১৭ বছরের ফরিদপুর চকবাজার জামে মসজিদ"ফরিদপুর সিটি। ৯ মার্চ ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  27. "পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ ফরিদপুর"ফরিদপুর সিটি। ১ এপ্রিল ২০২২। ৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  28. "ঐতিহাসিক শাহ ফরিদ জামে মসজিদের ইতিহাস"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১০ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০২৬
  29. "ফরিদপুরে জমে উঠেছে জসীম পল্লি মেলা"জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬
  30. "কুমার নদের পাড়ে শুরু হলো জসীম পল্লী মেলা"ঢাকা টাইমস। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  31. "পদ্মার পাড়ে ঘুড়ি উৎসবে মানুষের ঢল"প্রথম আলো। ২৬ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬
  32. "ফরিদপুরের ধলার মোড়ে ৮ম ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত"দৈনিক ইনকিলাব। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬
  33. 1 2 3 4 5 "Office: Faridpur (Division)"সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৬
  34. "ফরিদপুরে হঠাৎ মেহগনিগাছ ভেঙে পড়ল তিনটি ইজিবাইকের ওপর"প্রথম আলো। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৬
  35. সুজিত দাস (১৫ নভেম্বর ২০২৪)। "Faridpur Bus Terminal: Two decades of neglect" [ফরিদপুর বাস টার্মিনাল: দুই দশকের অবহেলা]দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬
  36. "ফরিদপুর নতুন বাস স্ট্যান্ড এরিয়ায় যানজট নিরসনে, বাসস্ট্যান্ডে সংস্কারের কাজ শুরু"কালের সমাজ। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬
  37. "বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি" (পিডিএফ)বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১১ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬
  38. "ফরিদপুরে শেখ জামাল স্টেডিয়াম উদ্বোধন"বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬
  39. "ফরিদপুরে শেখ জামাল স্টেডিয়ামের উদ্বোধন"প্রথম আলো। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]