ফরিদপুর
| ফরিদপুর | |
|---|---|
| নগর | |
![]() | |
| স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৬′১৫″ উত্তর ৮৯°৫০′১৮″ পূর্ব / ২৩.৬০৪১৩৮° উত্তর ৮৯.৮৩৮৩০৪° পূর্ব | |
| দেশ | |
| বিভাগ | ঢাকা |
| জেলা | ফরিদপুর |
| উপজেলা | ফরিদপুর সদর |
| পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত | ১ এপ্রিল ১৮৬৯ |
| সরকার | |
| • ধরন | পৌরসভা |
| • শাসক | ফরিদপুর পৌরসভা |
| আয়তন | |
| • নগর | ৩৬.৭৫ বর্গকিমি (১৪.১৯ বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা | ৬৬.৩১ বর্গকিমি (২৫.৬০ বর্গমাইল) |
| • গ্রামীণ | ২৯.৫৬ বর্গকিমি (১১.৪১ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২) | |
| • নগর | ১,৬০,৩১৩ |
| • জনঘনত্ব | ৪,৪০০/বর্গকিমি (১১,০০০/বর্গমাইল) |
| • পৌর এলাকা | ২,৩৭,২৮৩ |
| • পৌর এলাকার জনঘনত্ব | ৩,৬০০/বর্গকিমি (৯,৩০০/বর্গমাইল) |
| • গ্রামীণ | ৭৭,০৭০ |
| • গ্রামীণ ঘনত্ব | ২,৬০০/বর্গকিমি (৬,৮০০/বর্গমাইল) |
| সময় অঞ্চল | বাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০) |
| পোস্টকোড | ৭৮০০, ৭৮০২, ৭৮০৪ |
| পৌর কোড | ৬০ |
| আইএসও ৩১৬৬ কোড | বিডি-১৫ |
| ওয়েবসাইট | ফরিদপুর পৌরসভা |
ফরিদপুর (পূর্বনাম: ফতেহবাদ) বাংলাদেশের একটি নগর যা পদ্মার পশ্চিমে পুরনো শাখার তীরে ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত। কুমার নদ শহরটিকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চেলর প্রধান শহরগুলোর একটি।[১] ময়েজ মঞ্জিল ও শহরের উপকণ্ঠ অম্বিকাপুরে অবস্থিত জসীম উদ্দীনের বাড়ি এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।[২][৩]
বাংলার ঐতিহাসিক ফরায়েজি আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর।[৪] এখানে অবস্থিত শ্রীঅঙ্গন হিন্দু মহানাম সম্প্রদায়ের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।[৫] অম্বিকাচরণ মজুমদার ১৯১৮ সালে রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।[৬]
বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুরে অবস্থিত যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।[৭] বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পশ্চিমাঞ্চলের সদরদপ্তর ফরিদপুরে অবস্থিত।[৮]
ফরিদপুর পৌরসভার আয়তন ৬৬.৩১ কিমি২ (২৫.৬০ মা২)[৯] এবং ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত। এখানে মোট ৫৭,২২৭টি খানা রয়েছে যেখানে মোট ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষ বসবাস করেন।[১০] এটি একটি দ্রুত বর্ধনশীল নগর।[১১] ২০১৮ সালে ফরিদপুর সদর উপজেলার কিছু গ্রামীণ মৌজা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১২]
নামকরণ
[সম্পাদনা]ফরিদপুরের পূর্বে নাম ছিল 'ফতেহাবাদ'। ইলিয়াস শাহী রাজবংশের শাসক জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের নামে 'ফতেহবাদ' নামকরণ করা হয়েছিল। ফরিদপুর নামকরণ করা হয়েছে প্রখ্যাত সাধক এবং দরবেশ মইনুদ্দিন চিশতী শিষ্য ও ফরিদপুরের প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ ফরিদের (শেখ ফরিদুদ্দিন) নামানুসারে।[১৩][১৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]বাংলা সালতানাত
[সম্পাদনা]ফরিদপুরের স্থানীয় ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা শুরু হয় বাংলা সালতানাতের শাসক আলাউদ্দিন হোসেন শাহের সময় থেকে। হেনরিক ব্লোকম্যানের মতে হোসেন শাহ প্রথমে ফরিদপুরে ক্ষমতা লাভ করেন, তখন এর নাম ছিল 'ফতেহবাদ' এবং এখানেই তার প্রথম দিকের মুদ্রাগুলো তৈরি হয়েছিল। 'ফতেহবাদ' হোসেন শাহের শাসনামলে বাংলা সালতানাতের একটি টাকশাল শহর ছিল, এটিই বর্তমানের ফরিদপুর শহর।[১৪][১৫]
কোম্পানি ও ব্রিটিশ শাসন
[সম্পাদনা]১৭৬৫ সালে যখন ব্রিটিশদেরকে বাংলার দেওয়ানি প্রদান করা তখন তখন বৃহত্তর ফরিদপুরের উত্তর-পশ্চিমাংশ রাজশাহী জমিদারি এবং বাকি অংশ ঢাকা জমিদারির অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় গোয়ালন্দ ও গোপালগঞ্জ মহকুমা (বর্তমানে রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলা) যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফরিদপুরের বাঁকি অংশ, ঢাকা এবং বাকেরগঞ্জ নিয়ে ঢাকা-জালালপুর জেলার কার্যক্রম ছিল এবং এর সদরদপ্তর ছিল ঢাকা (ফরিদপুর জেলার একটি পরগনার নাম ছিল জালালপুর)। বিভিন্ন অসুবিধার কারণে ঢাকা-জালালপুরকে ভেঙ্গে ১৭৯৭ সালে বাকেরগঞ্জ জেলা গঠন করা হয়। ১৮০৭ সালে ঢাকা-জালালপুরের সদরদপ্তর ফরিদপুরে স্থানান্তর করা হয়।[১৪]
জলদস্যুদের একটি কুখ্যাত আস্তানা হিসেবে ফরিদপুরের পরিচিতি ছিল।[১৪]
পূর্ব-পাকিস্তান
[সম্পাদনা]প্রারম্ভিক পর্যায়ে পূর্ব পাকিস্তানে ১৭টি জেলার একটি জেলা ছিল ফরিদপুর এবং এটি তখন থেকেই ঢাকা বিভাগের অধীনে রয়েছে।[১৬]
ভাষা আন্দোলন
[সম্পাদনা]
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় শেখ মুজিবুর রহমান ও মহিউদ্দিন আহমেদ ফরিদপুর কারাগারে বন্দি হিসেবে ছিলেন।[১৭]
রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুরে ভাষা আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রজনতার বিক্ষোভ মিছিলে কোতোয়ালী থানার সামনে হামলা চালায়। ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার শহরে সারাদিন হরতাল পালিত হয়। ১৪৪ ধার ভঙ্গ করে ছাত্ররা রাজেন্দ্র কলেজ থেকে মিছিল বের করে চকবাজার জামে মসজিদের দিকে রওনা হয়। এই মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।[১৮]
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ফরিদপুর ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিল।[১৯]
১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পন করলেও ফরিদপুর পুরোপুরি শক্ত মুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর।[২০]
ভূগোল
[সম্পাদনা]ফরিদপুর শহর পদ্মা নদীর একটি মৃত শাখার পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং কুমার নদ একে পূর্ব ও পশ্চিম অংশে বিভক্ত করেছে।[১১][২১] পদ্মা নদীর প্রবাহ পূর্বে শহরের পাশ দিয়েই ছিল, পরবর্তিতে প্রবাহ সরে গেলে তা মরা পদ্মা নামে পরিচিত লাভ করে।[১৬]
ভৌগোলিকভাবে ফরিদপুর গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে অবস্থিত। এটি মাঝারি বন্যাপ্রবণ এলাকা।[২২]
জনপরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]ঐতিহাসিক জনসংখ্যা | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| [২৩][২৪][২৫] | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী ফরিদপুর পৌরসভায় মোট ৫৭,২২৭টি পরিবার রয়েছে ও ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ১১৮৭১৭ জন, নারী ১১৮৫৪৯ জন ও হিজড়া ১৭ জন।[২৫]
ফরিদপুর পৌরসভায় মোট ৬৭,৪৫২ জন কর্মজীবী রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৮,২৩৪ জন এবং নারী ৯,২১৮ জন। অন্যদিকে মোট ৫৫,৮৩৭ জন ব্যক্তি গৃহকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন যাদের মধ্যে ৫৪,৩৬০ জনই নারী। কর্মজীবীদের মধ্যে ৮৪.২০ শতাংশ সেবামূলক, ৯.৮ শতাংশ শিল্প ও ৬ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত।[২৫]
সংস্কৃতি
[সম্পাদনা]ধর্ম
[সম্পাদনা]২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ফরিদপুর পৌরসভায় বসবাসকারী ২,৩৭,২৮৩ জন মানুষের মধ্যে ২,০৭,২৭৮ জন ইসলাম, ২৯,০৯৪ জন হিন্দু, ৮৮৫ জন খ্রিস্ট, ১৩ জন বৌদ্ধ ও ১৩ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[২৫]
ইসলাম
[সম্পাদনা]ফরায়েজি আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর যা মুসলিম কৃষকশ্রেণির মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।[৪]
চকবাজার জামে মসজিদ, পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ ও শাহ ফরিদ জামে মসজিদ হলো শহরের পুরাতন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। চকবাজার জামে মসজিদ ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা শহরের প্রাণকেন্দ্র চকবাজারে অবস্থিত।[২৬] পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৩৬ সালে। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার মৌলভি তমিজউদ্দিন খাঁ মসজিদটি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।[২৭] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শাহ ফরিদ জামে মসজিদ অবস্থিত। ১৯৬২ সালে মসজিদটি নির্মাণের পূর্বে এখানে একটি দর্গা ছিল বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ১৯৯৭ সালে মসজিদটির জন্য তিন তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়।[২৮]
মেলা ও উৎসব
[সম্পাদনা]জসীম পল্লী মেলা
[সম্পাদনা]
জসীম পল্লী মেলা হলো কবি জসীম উদ্দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অম্বিকাপুরে (গোবিন্দপুর) কুমার নদের তীরে আয়োজিত একটি মেলা। এটি ১৯৯১ (মতান্তরে ১৯৮৮) সালে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে। পরবর্তিতে এই মেলা ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাধারণ প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলা মাসব্যাপী স্থায়ী হয়।[২৯][৩০]
ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব
[সম্পাদনা]
ঘুড়ি উৎসব হলো ফরিদপুরের শহরতলি ধলার মোড়ে পদ্মার পাড়ে আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক উৎসব।[৩১] প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর ৮ম ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।[৩২]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]২০২২ সালের তথ্যানুযায়ী ফরিদপুরে শিক্ষার হার শতকরা ৮১.৮৭ শতাংশ (৭ বছর এবং তার বেশি বয়সী)। পুরুষের সাক্ষরতার হার শতকরা ৮৩.৭৪ শতাংশ এবং নারীর সাক্ষরতার হার শতকরা ৮০.০২ শতাংশ। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১,৭১,৬২৯ জন জেনারেল, ৩,৪১৮ জন কারিগরি, ১০,৩৩২ ধর্মীয় এবং ৩,০৮৪ জন অন্যান্য শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।[২৫]
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- অন্যান্য
পরিবহন
[সম্পাদনা]সড়ক
[সম্পাদনা]
ফরিদপুরের মধ্যে ৪টি জাতীয় মহাসড়ক এবং ৩টি জেলা মহাসড়কের সংযোগ রয়েছে।[৩৩]
- এন৭ - এটি রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এ৮০৪ ও এন৮০৮-এর সাথে মিলিত হয়েছে। এন৭-এর মাধ্যমে ফরিদপুর শহর গোয়ালন্দ ঘাট, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা ও মংলা বন্দরের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়েছে।[৩৩]
- এন৮০৩ - এটি শুরু হয়েছে শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড় (এন৮০৪) থেকে এবং শেষ হয়েছে শহরতলি এলাকা সিএন্ডবি ঘাটে। এটি ঐতিহাসিক ভাবে যশোর রোড[১৪] নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি মুজিব সড়ক নামেই পরিচিত।[৩৪] এই সড়কেই ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়সমূহ অবস্থিত।[৩৩]
- এন৮০৮/বাইপাস সড়ক - এটির দৈর্ঘ্য ৫.৫ কিমি (৩.৪ মা) যার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে। এটি শুরু হয়েছে শহরতলি মুন্সী বাজারে এন৮০৪-এর থেকে এবং রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এন৭ এবং এন৮০৪-এর সাথেই মিলিত হয়েছে।[৩৩]
- এন৮০৪ - এটি ফরিদপুর শহরকে ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জের সাথে অর্থাৎ ঢাকা–ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সাথে যুক্ত করেছে।[৩৩]
ফরিদপুর পৌর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল
[সম্পাদনা]ফরিদপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ২০০৪ সালে গোয়ালচামটে নির্মাণ করা হয়।[৩৫] এটি 'নতুন বাস স্ট্যান্ড' নামেই অধিক পরিচিত।[৩৬]
ক্রীড়া
[সম্পাদনা]ফরিদপুরে ক্রীড়া বিষয়ক সম্প্রসারণ ও তদসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য ক্রীড়া পরিষদের অধীনে একটি জেলা ক্রীড়া অফিস রয়েছে।[৩৭]
ফরিদপুর স্টেডিয়াম
[সম্পাদনা]
শেখ জামাল স্টেডিয়াম বা ফরিদপুর স্টেডিয়াম ১৯৫৬ সালে স্থাপিত হয় যা শহরের একমাত্র ক্রীড়া অনুষ্ঠানস্থল। আহমেদ ফজলুর রহমান এটি উদ্বোধন করেন। ২০১৩ সালে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে স্টেডিয়ামটি সংস্কার করা হয়।[৩৮] এই স্টেডিয়ামের দর্শন ধারণক্ষমতা প্রায় ১৫,০০০।[৩৯]
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]- পল্লী কবি জসীম উদ্দীন সংগ্রহশালা
- ময়েজ মঞ্জিল
- ফরিদপুর জজ কোর্ট ভবন
- অম্বিকা মেমোরিয়াল হল ও পুকুর পাড়
- ফরিদপুর মিউজিয়াম
- ফরিদপুর স্টেডিয়াম বধ্যভূমি
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ফরিদপুর পৌর শেখ রাসেল শিশু পার্ক/ফরিদপুর পৌর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক
- টেপাখোলা লেক
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- অমিতাভ দাশগুপ্ত - বাঙালি কবি
- অম্বিকাচরণ মজুমদার - ভারতীয় রাজনীতিবিদ
- আব্দুল কাদের আজাদ - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- আব্দুস সালাম খান - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- ইউসুফ আলী চৌধুরী - বাঙালি রাজনীতিবিদ
- ইমামউদ্দিন আহমাদ - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- জসীম উদ্দীন - বাংলাদেশী কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক
- গৌরচন্দ্র বালা - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- কালিদাস কর্মকার - বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী
- চৌধুরী ময়েজউদ্দিন বিশ্বাস - একজন বাঙালি মুসলিম ব্যবসায়ী ও জমিদার
- জগদ্বন্ধু - হিন্দু ধর্মগুরু
- ফজলুর রহমান বাবু - বাংলাদেশী অভিনেতা ও গায়ক
- মাহবুবা নাসরীন - বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ
- দেলোয়ার হোসেন - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দিন - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- রাশেদ খান মেনন - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- আ. ন. ম. বজলুর রশীদ - বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ এবং সাহিত্যিক
- রিয়াজ - বাংলাদেশী অভিনেতা, মডেল, উপস্থাপক, সিনেমা প্রযোজক এবং ব্যবসায়ী
- রুশেমা বেগম - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- সাহাবউদ্দিন আহমেদ - বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা
- শামসুদ্দিন টগর - বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক
- হাবীবুল্লাহ সিরাজী - বাংলা একাডেমির প্রাক্তন মহাপরিচালক
- মৃণাল সেন - ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক
- ঝর্না হাসান - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- হুমায়ুন কবির - ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক
- খন্দকার মোশাররফ হোসেন - বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ SURRENDER AT DACCA [ঢাকায় আত্মসমর্পণ] (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। ১৯৯৭।
- ↑ প্রবীর কান্তি বালা (৮ ডিসেম্বর ২০২১)। "পল্লিকবির 'ছোট গাঁ' আজ অগোছালো শহর"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ ফরিদপুরের ইতিহাস (পিডিএফ)। কলকাতা: পারুল প্রকাশনী। ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- 1 2 মঈন উদ-দিন আহমদ খান (২০০৭)। বাংলায় ফরায়েজি আন্দোলনের ইতিহাস (পিডিএফ)। গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া কর্তৃক অনূদিত। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Sridham Sriangan Faridpur" [শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গন ফরিদপুর] (ইংরেজি ভাষায়)। Mahanam sampraday। ২৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ হারুন-অর-রশীদ (৪ অক্টোবর ২০২০)। "ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস"। বাংলাদেশ জার্নাল। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৩-২৪" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঢাকা। ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "জিও কোড - ফরিদপুর জেলা" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ৫ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। পৃ. ৩৯০। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৪।
- 1 2 "Faridpur Bangladesh" (পিডিএফ)। SFD Report। ২১ আগস্ট ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "বাংলাদেশ গেজেট" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ৩০ এপ্রিল ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য"। bfcks.com/। বৃহত্তর ফরিদপুর চাকরীজিবী কল্যাণ সমিতি। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 "FARIDPUR" (পিডিএফ)। BENGAL DISTRICT GAZETTEERS। কলকাতা। ১৯২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
- ↑ "মধ্যযুগীয় টাকশাল"। বাংলাপিডিয়া। ৫ আগস্ট ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬।
- 1 2 বাঙলার কথা (পিডিএফ)। কলকাতা। ১৯৬০। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - ↑ শেখ মুজিবুর রহমান (২০২১)। অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পিডিএফ)। ঢাকা: মহিউদ্দিন আহমেদ, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৫০৬১৯৫৭। ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ আহমাদ ইশতিয়াক (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "ভাষা আন্দোলনে ফরিদপুর"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "Sectors & Armed Forces of the" [সেক্টর এবং সশস্ত্র বাহিনী]। Liberation War 1971 (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি স্টার। ২৩ মার্চ ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুর মুক্ত দিবস আজ"। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬।
- ↑ "পৌরসভা উন্নয়ন পরিকল্পনা" (পিডিএফ)। ফরিদপুর পৌরসভা। ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬।
- ↑ JHONSON, B.L.C. (১৯৭৫)। Bangladesh [বাংলাদেশ] (ইংরেজি ভাষায়)। লন্ডন। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৬।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - ↑ "Bengal District Gazetteer: Faridpur District Statistics 1911-1912 to 1920-1921" [বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার: ফরিদপুর ডিস্ট্রিক্ট পরিসংখ্যান ১৯১১-১৯১২ থেকে ১৯২০-১৯২১] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Population And Housing Census National Report Volume-03: Urban Area Rport, 2011" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা জাতীয় প্রতিবেদন খণ্ড-০৩: নগর এলাকা প্রতিবেদন, ২০১১] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 "Population and Housing Census 2022 COMMUNITY REPORT: FARIDPUR" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: ফরিদপুর] (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "১১৭ বছরের ফরিদপুর চকবাজার জামে মসজিদ"। ফরিদপুর সিটি। ৯ মার্চ ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ ফরিদপুর"। ফরিদপুর সিটি। ১ এপ্রিল ২০২২। ৬ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "ঐতিহাসিক শাহ ফরিদ জামে মসজিদের ইতিহাস"। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১০ মে ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরে জমে উঠেছে জসীম পল্লি মেলা"। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
- ↑ "কুমার নদের পাড়ে শুরু হলো জসীম পল্লী মেলা"। ঢাকা টাইমস। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "পদ্মার পাড়ে ঘুড়ি উৎসবে মানুষের ঢল"। প্রথম আলো। ২৬ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরের ধলার মোড়ে ৮ম ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত"। দৈনিক ইনকিলাব। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 "Office: Faridpur (Division)"। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরে হঠাৎ মেহগনিগাছ ভেঙে পড়ল তিনটি ইজিবাইকের ওপর"। প্রথম আলো। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৬।
- ↑ সুজিত দাস (১৫ নভেম্বর ২০২৪)। "Faridpur Bus Terminal: Two decades of neglect" [ফরিদপুর বাস টার্মিনাল: দুই দশকের অবহেলা]। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুর নতুন বাস স্ট্যান্ড এরিয়ায় যানজট নিরসনে, বাসস্ট্যান্ডে সংস্কারের কাজ শুরু"। কালের সমাজ। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২৬।
- ↑ "বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১১ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরে শেখ জামাল স্টেডিয়াম উদ্বোধন"। বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
- ↑ "ফরিদপুরে শেখ জামাল স্টেডিয়ামের উদ্বোধন"। প্রথম আলো। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে ফরিদপুর সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
উইকিঅভিধানে ফরিদপুর-এর আভিধানিক সংজ্ঞা পড়ুন।- "A CASE STUDY OF FARIDPUR TOWN" (পিডিএফ)। INFORMATION SECTOR ACTIVITIES OF A MEDIUM SIZE TOWN IN BANGLADESH। ঢাকা: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৯২।
- "পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০১৯–২০২৪)" (পিডিএফ)। উপজেলা পরিষদ, ফরিদপুর।
- "উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ফরিদপুর" (পিডিএফ)। ১৫ বছরে (২০০৯–২০২৩) বাস্তবায়িত উন্নয়ন চিত্র। ঢাকা: জেলা প্রশাসন, ফরিদপুর। ২০২৩। ১ জুন ২০২৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- "ফরিদপুর সদরের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও বধ্যভূমি" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
| ক্রম | বিভাগ | জনসংখ্যা | ক্রম | বিভাগ | জনসংখ্যা | ||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ঢাকা | ঢাকা | ১,০২,৯৫,৭৮৬ | ১১ | কুমিল্লা | চট্টগ্রাম | ৪,৪০,২৩৩ | ||
| ২ | চট্টগ্রাম | চট্টগ্রাম | ৩২,৩০,৫০৭ | ১২ | বরিশাল | বরিশাল | ৪,১৯,৪৮৪ | ||
| ৩ | গাজীপুর | ঢাকা | ২৬,৭৭,৭১৫ | ১৩ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | চট্টগ্রাম | ২,৬৪,৩৪১ | ||
| ৪ | নারায়ণগঞ্জ | ঢাকা | ৯,৬৭,৯৫১ | ১৪ | ফরিদপুর | ঢাকা | ২,৩৭,২৮৩ | ||
| ৫ | খুলনা | খুলনা | ৭,১৯,৫৫৭ | ১৫ | ফেনী | চট্টগ্রাম | ২,৩৪,৩৫৭ | ||
| ৬ | রংপুর | রংপুর | ৭,০৮,৫৭০ | ১৬ | কুষ্টিয়া | খুলনা | ২,২১,৮০৬ | ||
| ৭ | ময়মনসিংহ | ময়মনসিংহ | ৫,৭৭,০০০ | ১৭ | টাঙ্গাইল | ঢাকা | ২,১২,৮৮৭ | ||
| ৮ | রাজশাহী | রাজশাহী | ৫,৫৩,২৮৮ | ১৮ | দিনাজপুর | রংপুর | ২,১২,২৮৮ | ||
| ৯ | সিলেট | সিলেট | ৫,৩২৮,৩৯ | ১৯ | যশোর | খুলনা | ২,০৯,৩৫২ | ||
| ১০ | বগুড়া | রাজশাহী | ৪,৮৬,০১৬ | ২০ | চাঁদপুর | চট্টগ্রাম | ২,০৩,৪৫১ | ||
