সান্তাহার-কাউনিয়া রেলপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সান্তাহার-বুড়িমারী লাইন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ধরনবাংলাদেশের রেললাইন
অবস্থাসক্রিয়
সেবাগ্রহণকারী অঞ্চল বাংলাদেশ
বিরতিস্থলসান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন
কাউনিয়া রেলওয়ে স্টেশন
বিরতিস্থলসমূহ২৮
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধনের তারিখ১৮৭৮
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালনাকারীবাংলাদেশ রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
ট্র্যাক গেজমিটারগেজ ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি)
চালন গতি?
সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন
হতে লালমনিরহাট জংশন,পার্বতীপুর-লালমনিরহাট-বুড়িমারি লাইন
কাউনিয়া
হতে পার্বতীপুর, বুড়িমারি-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইন
আনন্দনগর
পীরগাছা
চৌধুরানী
হাসানগঞ্জ
বামনডাঙ্গা
নলডাঙ্গা
কামারপাড়া
কূপতলা
গাইবান্ধা
ত্রিমোহনী
আনন্দবাজার
বাদিয়াখালি রোড
কাঁছিপাড়া
ভরাটখালি (যমুনা নদীর উপর ফেরি ঘাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত)
বোনাড়পাড়া
বালাশিঘাট
যমুনা নদীতে ফেরি (বর্তমানে গমনপথের অংশ নয়)
বাহাদুরাবাদ ঘাট
মহিমাগঞ্জ
শালমারা
সোনাতলা
ভেলুপাড়া
সৈয়দ আহমেদ কলেজ
শুকানপুকুর
গাবতলী
বগুড়া
কাহালু
পাঁচপীর মাজার
তালোরা
আলতাফনগর
নসরতপুর
আদমদীঘি
সান্তাহার
হতে চিলাহাটি-পার্বতীপুর-সান্তাহার-দর্শনা লাইন

সূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ে মানচিত্র

সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে পরিচালিত একটি মিটারগেজ রেললাইন।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সান্তাহার-কাউনিয়া লাইন ব্রহ্মপুত্র-সুলতানপুর রেলওয়ে কোম্পানি ১৮৯৯-১৯০০ সালে ফুলছড়ি (তিস্তামুখ) এর সান্তাহার থেকে ৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ (৫৮ মাইল) মিটার গেজ রেলপথ ট্র্যাক নির্মিত। বর্তমানে লাইন ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট পর্যন্ত আছে। ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ (২৭ মাইল) বোনারপাড়া-কাউনিয়া লাইন ১৯০৫ সালে নির্মাণ করা হয়।[২]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

সান্তাহার-কাউনিয়া লাইনটি ১০০ বছরের পুরনো হওয়াতে রেললাইনটি অনেক যায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে এজন্য ট্রেন কম গতিতে চলাচল করে (৩০-৫০ কিলোমিটার)। আবার বর্ষা মৌসুমে রেললাইনে পানি উঠলে ট্রেন যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়।[৩][৪]

স্টেশন তালিকা[সম্পাদনা]

সান্তাহার-কাউনিয়া লাইনে ২৮ টি স্টেশন আছে নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো:

শাখা লাইন[সম্পাদনা]

বোনারপাড়া-তিস্তামুখঘাট

ত্রিমোহনী-বালাসিঘাট

সম্পর্কিত নিবন্ধ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত ত্রিমোহিনী-বোনারপাড়া ট্রেন চলাচল ২৩ দিন পর শুরু || দেশের খবর"জনকন্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. Hurd, John; Kerr, Ian J. (২০১২-০১-০১)। India's Railway History। BRILL। আইএসবিএন 978-90-04-23115-3 
  3. "গাইবান্ধায় বিকল্প ব্যবস্থায় রেল যোগাযোগ শুরু | banglatribune.com"Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ 
  4. "বন্যায় বিপর্যস্ত লাইন নিয়ে বিপাকে পশ্চিমাঞ্চল রেল"Dhakatimes24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ 
  5. Diganta, Probashir (২০১৯-১১-১৪)। "১৯৩৮ সাল, যখন ফেরীতে পার হতো ট্রেন"প্রবাসীর দিগন্ত। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ 
  6. "বাহাদুরাবাদ নৌরুট চালু হলে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হবে"jagonews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১