গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসন
गोर्खाल्याण्ड क्षेत्रीय प्रशासन
স্বশাসিত পর্ষদ
Official seal
সীলমোহর
দার্জিলিং পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
দার্জিলিং
দার্জিলিং
দার্জিলিং ভারত-এ অবস্থিত
দার্জিলিং
দার্জিলিং
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জিটিএর অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৭°০২′ উত্তর ৮৮°১০′ পূর্ব / ২৭.০৩° উত্তর ৮৮.১৬° পূর্ব / 27.03; 88.16স্থানাঙ্ক: ২৭°০২′ উত্তর ৮৮°১০′ পূর্ব / ২৭.০৩° উত্তর ৮৮.১৬° পূর্ব / 27.03; 88.16
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাদার্জিলিং, কালিম্পং
প্রতিষ্ঠিত১৪ মার্চ ২০১২
সদর দফতরদার্জিলিং
অধীভুক্ত অঞ্চলদার্জিলিং সদর মহকুমা, কার্শিয়াং মহকুমা, মিরিক মহকুমা, শিলিগুড়ি মহকুমা (কিছু অংশ), কালিম্পং জেলা
সরকার
 • চেয়ারম্যানঅনিত থাপা
আয়তন
 • মোট৩,৩০৩.৯৮ বর্গকিমি (১,২৭৫.৬৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
 • মোট৮,৭৮,০০২
 • জনঘনত্ব২৭০/বর্গকিমি (৬৯০/বর্গমাইল)
ভাষা
 • অফিসিয়ালনেপালী এবং ইংরেজী
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
ওয়েবসাইটhttp://gtadmin.org
উত্তর-পূর্ব স্বায়ত্তশাসিত বিভাগসমূহ

গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসন (জিটিএ) হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের আধা-স্বশাসিত প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ। জিটিএ ১৯৮৮ সালে স্থাপিত এবং ২৩ বছর ধরে দার্জিলিং পাহাড়ের প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা পূর্বতন দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদের স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছে। জিটিএ-এর অন্তর্ভুক্ত হবে দার্জিলিং জেলার তিনটি পার্বত্য মহকুমার (দার্জিলিং সদর, কালিম্পংকার্শিয়াং) সম্পূর্ণ অংশ এবং সমতলের শিলিগুড়ি মহকুমার অংশবিশেষ।

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

উত্তর পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংডুয়ার্স অঞ্চলের নেপালি-ভাষাভাষী গোর্খা জনগোষ্ঠী নিজেদের জন্য যে স্বতন্ত্র রাজ্যের দাবি করছিলেন, তার প্রস্তাবিত নাম ছিল গোর্খাল্যান্ডগোর্খাল্যান্ড নামটি গোর্খা ন্যাশানাল লিবারেশন ফ্রন্ট নেতা সুভাষ ঘিসিং-এর দেওয়া। উল্লেখ্য, ঘিসিং ১৯৮০-এর দশক থেকে গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে সহিংস আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন।[১] ১৯৮৮ সালে দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পর্ষদ (ডিজিএইচসি) স্থাপিত হলে আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়ে। কিন্তু ডিজিএইচসি দার্জিলিং-এর পাহাড়বাসীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সুভাষ ঘিসিং-এর পতন ঘটে।[২] ২০০৭ সালে বিমল গুরুং-এর নেতৃত্বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (জিজেএম) নামে অপর একটি রাজনৈতিক দল গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে দ্বিতীয় আন্দোলন শুরু করে।

জিটিএ গঠন[সম্পাদনা]

গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে তিন বছর আন্দোলনের পরে জিজেএম রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর দার্জিলিং পাহাড়ের জন্য একটি আধা-স্বশাসিত পর্ষদ স্থাপনে রাজি হয়।[৩] পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় শীঘ্রই জিটিএ গঠনের জন্য একটি বিল পেশ করা হবে। জিটিএ-এর প্রশাসনিক, কার্যনির্বাহী ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা থাকলেও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না।

চুক্তি স্বাক্ষর[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ১৮ জুলাই শিলিগুড়ির কাছে পিনটেল ভিলেজে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জিজেএম নেতৃত্ববর্গের উপস্থিতিতে[৪] জিটিএ গঠনের চুক্তি সাক্ষরিত হয়।[৫] পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব জ্ঞানদত্ত গৌতম, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র যুগ্মসচিব কে কে পাঠক ও জিজেএম সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি চুক্তিতে সই করেন।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]