পৃথিবীর আকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ভূগণিত অনুসারে পৃথিবীর আকার শব্দযুগলের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে এবং এই শব্দযুগল দিয়ে পৃথিবীর আয়তন এবং আকৃতিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। যদিও গোলক পৃথিবীর সত্যিকার চিত্রের কাছাকাছি অনুমান করা এবং আরও কিছু উদ্দেশ্যসাধনের সন্তোষজনক, ভূগণিতবিদগণ অনেকগুলো মডেল তৈরি করেছেন যা আরও সূক্ষ্মভাবে পৃথিবীর আকৃতির আনুমান করতে সাহায্য করে। এই মডেলগুলোর সমন্বিত পদ্ধতিসমূহ ন্যাভিগেশন, জরিপ, ক্যাডাস্ট্রার, ভূমির ব্যবহার, এবং অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়াদির সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনের ধারণা প্রদান করে।

পৃথিবীর আকারের মডেলের প্রয়োজনীয়তা[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, ভূবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার ফলে পৃথিবীর আকারের নির্ভুলতার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। এই নির্ভুল উন্নতির প্রাথমিক কার্যকারিতা (তহবিলের জন্য প্রেরণা, বিশেষ করে সামরিক বাহিনী থেকে) ছিল বেলেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নিষ্ক্রিয় নির্দেশিকা পদ্ধতির জন্য ভৌগোলিক এবং মহাকর্ষীয় তথ্য সরবরাহ করা। এই তহবিলটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূবৈজ্ঞানিক শাখার সম্প্রসারণ এবং ভূবিজ্ঞান বিভাগের সৃষ্টি ও বৃদ্ধির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখে।[১]

আয়তন[সম্পাদনা]

পৃথিবীর আয়তন আনুমানিক ১,০৮৩,২১০,০০০,০০০ কিমি (২.৫৯৮৮ × ১০১১ কিউবিক মাইল)।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cloud, John (২০০০)। "Crossing the Olentangy River: The Figure of the Earth and the Military-Industrial-Academic Complex, 1947–1972"। Studies in the History and Philosophy of Modern Physics (ইংরেজি ভাষায়) 31 (3): 371–404। ডিওআই:10.1016/S1355-2198(00)00017-4বিবকোড:2000SHPMP..31..371C 
  2. Williams, David R. (২০০৪-০৯-০১)। "Earth Fact Sheet" (ইংরেজি ভাষায়)। নাসা। সংগৃহীত ৫ অক্টোবর, ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]