ইউরোপা (প্রাকৃতিক উপগ্রহ)
ইউরোপার ছবি (গ্যালিলি মহাকাশযান থেকে) | |||||||||
| আবিষ্কার | |||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| আবিষ্কারক | গ্যালিলি | ||||||||
| আবিষ্কারের তারিখ | ৮ জানুয়ারি ১৬১০[১] | ||||||||
| বিবরণ | |||||||||
| উচ্চারণ | /jʊˈroʊpə/[২] | ||||||||
| নামকরণের উৎস | Ευρώπη Eyrōpē | ||||||||
| বিকল্প নামসমূহ | Jupiter II | ||||||||
| বিশেষণ | Europan /jʊˈroʊpən/[৩][৪] | ||||||||
| কক্ষপথের বৈশিষ্ট্য[৫] | |||||||||
| যুগ 8 January 2004 | |||||||||
| অনুসূর | ৬৬৪৮৬২ কিমি[ক] | ||||||||
| অপসূর | ৬৭৬৯৩৮ কিমি[খ] | ||||||||
| কক্ষপথের গড় ব্যাসার্ধ | ৬৭০৯০০ কিমি[৬] | ||||||||
| উৎকেন্দ্রিকতা | 0.009[৬] | ||||||||
| কক্ষীয় পর্যায়কাল | ৩.৫৫১১৮১ d[৬] | ||||||||
| গড় কক্ষীয় দ্রুতি | ১৩৭৪৩.৩৬ m/s[৭] | ||||||||
| নতি | 0.470° (to Jupiter's equator) 1.791° (to the ecliptic)[৬] | ||||||||
| যার উপগ্রহ | Jupiter | ||||||||
| ভৌত বৈশিষ্ট্যসমূহ | |||||||||
| গড় ব্যাসার্ধ | ১৫৬০.৮±০.৫ কিমি (0.245 Earths)[৮] | ||||||||
| পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল | ৩.০৯×১০৭ km2 (0.061 Earths)[গ] | ||||||||
| আয়তন | ১.৫৯৩×১০১০ km3 (0.015 Earths)[ঘ] | ||||||||
| ভর | (৪.৭৯৯৮৪৪±০.০০০০১৩)×১০২২ কিg (0.008 Earths)[৮] | ||||||||
| গড় ঘনত্ব | ৩.০১৩±০.০০৫ g/cm3 (0.546 Earths)[৮] | ||||||||
| বিষুবীয় পৃষ্ঠের অভিকর্ষ | ১.৩১৪ m/s2 (0.134 g)[ঙ] | ||||||||
| মুক্তি বেগ | ২.০২৫ km/s[চ] | ||||||||
| ঘূর্ণনকাল | Synchronous[৯] | ||||||||
| অক্ষীয় ঢাল | 0.1°[১০] | ||||||||
| প্রতিফলন অনুপাত | 0.67 ± 0.03[৮] | ||||||||
| |||||||||
| আপাত মান | 5.29 (opposition)[৮] | ||||||||
| বায়ুমণ্ডল | |||||||||
| পৃষ্ঠের চাপ | 0.1 µPa (10−12 bar)[১২] | ||||||||
ইউরোপা (/jʊəˈroʊpə/ () yoor-OH-pə,[১৩] Jupiter II) বৃহস্পতি গ্রহের চারদিকে পরিক্রমণকারী চারটি গ্যালিলীয় উপগ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ। এ পর্যন্ত জানা বৃহস্পতির ৮০ টি উপগ্রহের মধ্যে বৃহস্পতি থেকে দূরত্বের দিক থেকে এটি ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এটি সৌরজগৎের ষষ্ঠ বৃহত্তম উপগ্রহ। গ্যালিলিও গ্যালিলেই ১৬১০ সালে এই উপগ্রহটি আবিষ্কার করেন।[১] গ্রীক পুরাণের ইউরোপার নাম অনুসারে এই উপগ্রহটির নামকরণ করা হয়।
চাঁদের তুলনায় সামান্য ছোট ইউরোপা প্রধানত সিলিকেট শিলা দ্বারা তৈরি। এর বরফের আবরণ[১৪] এবং সম্ভবত লোহা–নিকেলের কেন্দ্র রয়েছে। এর হালকা বায়ুমন্ডল রয়েছে যা মুলত অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। এর উপরিতল ফাটল দ্বারা রেখাঙ্কিত, তবে গর্ত অপেক্ষাকৃত কম। পৃথিবীতে থাকা টেলিস্কোপ ছাড়াও মহাকাশযান দ্বারা উপগ্রহটিকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, যা শুরু হয়েছিল ১৯৭০ এর দশকের প্রথমদিকে।
সৌর জগতের কঠিন গ্রহ-উপগ্রহের মধ্যে ইউরোপার পৃষ্ঠ সবচেয়ে মসৃণ। বহিঃতলের আপাত নবীনতা ও মসৃণতা একটি ধারণার জন্ম দিয়েছে যে, এটির নিচে পানির একটি মহাসাগরের অস্তিত্ব থাকতে পারে, যা হয়তো বহিঃজাগতিক প্রাণের আশ্রয় হতে পারে।[১৫]
১৯৮৯ তে উৎক্ষেপিত গ্যালিলিও নভোযান ইউরোপা সম্পর্কে বর্তমান উপাত্তের বড় অংশ সরবারহ করেছে। কোনো নভোযান এখনো ইউরোপায় অবতরণ করে নি। বর্তমানে ইউরোপায় কিছু প্রস্তাবিত অভিযান রয়েছে। জুপিটার আইসি মুনস এক্সপ্লোরার (JUICE) হল গ্যানিমেড উপগ্রহে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার একটি অভিযান। এটি ২০২২ সালে উৎক্ষেপিত হওয়ার এবং মহাকাশযানটি দুবার ইউরোপার কাছ দিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।[১৬] এছাড়া নাসার পরিকল্পিত ইউরোপা ক্লিপার ২০২৫ সালে উৎক্ষেপিত হতে পারে।[১৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Blue, Jennifer (৯ নভেম্বর ২০০৯)। "Planet and Satellite Names and Discoverers"। USGS।
- ↑ টেমপ্লেট:Lexico
টেমপ্লেট:MW - ↑ G.G. Schaber (1982) "Geology of Europa", in David Morrison, ed., Satellites of Jupiter, vol. 3, International Astronomical Union, p 556 ff.
- ↑ Greenberg (2005) Europa: the ocean moon
- ↑ "JPL HORIZONS solar system data and ephemeris computation service"। Solar System Dynamics। NASA, Jet Propulsion Laboratory। ৭ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০০৭।
- 1 2 3 4 "Overview of Europa Facts"। NASA। ২৬ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০০৭।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৬ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- 1 2 3 4 5 Yeomans, Donald K. (১৩ জুলাই ২০০৬)। "Planetary Satellite Physical Parameters"। JPL Solar System Dynamics। ১৪ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০০৭।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "Geissler" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Bills, Bruce G. (২০০৫)। "Free and forced obliquities of the Galilean satellites of Jupiter"। Icarus। ১৭৫ (1): ২৩৩–২৪৭। বিবকোড:2005Icar..175..233B। ডিওআই:10.1016/j.icarus.2004.10.028। ২৭ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৯।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "cyclo" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ McGrath (২০০৯)। "Atmosphere of Europa"। Pappalardo, Robert T.; McKinnon, William B.; Khurana, Krishan K. (সম্পাদকগণ)। Europa। University of Arizona Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৬৫-২৮৪৪-৮।
- ↑ অথবা গ্রিক: Ευρώπη হিসেবে
- ↑ Chang, Kenneth (১২ মার্চ ২০১৫)। "Suddenly, It Seems, Water Is Everywhere in Solar System"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৫।
- ↑ Tritt, Charles S. (২০০২)। "Possibility of Life on Europa"। Milwaukee School of Engineering। ৯ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০০৭।
- ↑ Amos, Jonathan (২ মে ২০১২)। "Esa selects 1bn-euro Juice probe to Jupiter"। BBC News Online। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১২।
- ↑ Borenstein, Seth (৪ মার্চ ২০১৪)। "NASA plots daring flight to Jupiter's watery moon"। Associated Press। ৫ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৪।
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ Periapsis is derived from the semimajor axis (a) and eccentricity (e): a(1 − e).
- ↑ Apoapsis is derived from the semimajor axis (a) and eccentricity (e): a(1 + e).
- ↑ Surface area derived from the radius (r): 4πr 2.
- ↑ Volume derived from the radius (r): 4/3πr 3.
- ↑ Surface gravity derived from the mass (m), the gravitational constant (G) and the radius (r): Gm/r2.
- ↑ Escape velocity derived from the mass (m), the gravitational constant (G) and the radius (r): .