যে সকল উদ্ভিদে ফুল হয় তাদের সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। এছাড়াও এরা আবৃতবীজী উদ্ভিদ নামেও পরিচিত। যেসকল উদ্ভিদে ফল হয় এবং বীজ ফলের অভ্যন্তরে থাকে সে সব উদ্ভিদই আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে। [৫] ফল সৃষ্টি হয় ফুলের গর্ভাশয় থেকে, তাই 'আবৃতবীজী উদ্ভিদ' এবং 'সপুষ্পক উদ্ভিদ' সমার্থক।
এদের ফুল হয় আর এই ফুলের মাধ্যমে তারা বংশবৃদ্ধি করে। এই ফুলে সাধারণত বৃতি, দল ও গর্ভাশয় থাকে। গর্ভাশয়ের মধ্যে ডিম্বক সজ্জিত থাকে। পরাগায়নের পর ফুলের অন্যান্য অংশ পরে যায় শুধু গর্ভাশয় থেকে যায়। এই গর্ভাশয় বড় হয়ে ফলে পরিণত হয়। ফলের মধ্যে ডিম্বক গুলো বীজে পরিণত হয়। সপুষ্পক উদ্ভিদ গুলোতে উন্নত ধরনের পরিবহন কলা থাকে। এ জন্য এরা কাঠ প্রদানকারী উদ্ভিদ। সপুষ্পক উদ্ভিদকে একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ হিসেবে ভাগ করা যায়। সপুষক উদ্ভিদ হতে প্রাপ্ত কাঠ, ফুল, ফল মানুষ এর বিভিন্ন কাজে লাগে। সকল উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক উদ্ভিদ সর্বোন্নত উদ্ভিদ।