নুনাভুট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
নুনাভুট
ᓄᓇᕗᑦ (Inuktitut)
নুনাভুটের পতাকা
পতাকা
নুনাভুটের প্রতীক
প্রতীক
নীতিবাক্য: ᓄᓇᕗᑦ ᓴᙱᓂᕗᑦ (ভাষা?)
"Nunavut Sannginivut"
"আমাদের ভূমি, আমাদের শক্তি"
"Notre terre, notre force"
কনফেডারেশন এপ্রিল ১, ১৯৯৯ (১৩তম)
রাজধানী ইকালুইট
বৃহত্তর শহর ইকালুইট
সরকার
 • কমিশনার নেলী কুসুগকে
 • প্রধানমন্ত্রী পল কাসা (ঐক্যমত্য সরকার)
আইনসভা নুনাভাটের আইন পরিষদ
ফেডারেল প্রতিনিধিত্ব (কানাডীয় সংসদে)
সভায় আসন ৩৩৮টির মধ্যে 1টি (0.3%)
সিনেটে আসন ১০৫টির মধ্যে 1টি (1%)
আয়তন[১]
 • মোট ২০৩৮৭২২ কিমি (৭৮৭১৫৫ বর্গমাইল)
 • ভূমি ১৮৭৭৭৮৭ কিমি (৭২৫০১৮ বর্গমাইল)
 • পানি

১৬০৯৩৫ কিমি (৬২১৩৭ বর্গমাইল)

 ৭.৯%
এলাকার ক্রম ক্রম 1st
  কানাডার 20.4%
জনসংখ্যা (2016)
 • মোট ৩৫,৯৪৪[১]
 • আনুমানিক (২০১৭ Q4) ৩৮,২৪৩[২]
 • ক্রম ক্রম 12th
 • ঘনত্ব ০.০২/কিমি (০.০৫/বর্গমাইল)
বিশেষণ Nunavummiut
Nunavummiuq (sing.)[৩]
প্রাতিষ্ঠানিক ভাষা ইংরেজি
ফরাসি
Inuit languages (Inuktitut
and Inuinnaqtun)
জিডিপি
 • ক্রম ১৩তম
 • মোট (২০১১) C$১.৯৬৪ বিলিয়ন[৪]
 • মাথা পিছু C$৫৮,৪৫২ (৬ষ্ঠ)
সময় অঞ্চল ইউটিসি-৫, ইউটিসি-৬, ইউটিসি-৭
ডাককোড সংক্ষেপণ NU
ডাক কোডের উপসর্গ X
আইএসও ৩১৬৬ কোড CA-NU
ফুল Purple Saxifrage[৫]
গাছ n/a
পাখি Rock Ptarmigan[৬]
ওয়েবসাইট www.gov.nu.ca
ক্রমায়নে সব প্রদেশ ও অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

নুনাভুট (/ˈnnəˌvt/;[৭] ফরাসি : [nynavy(t)]; Inuktitut syllabics ᓄᓇᕗᑦ টেমপ্লেট:IPA-iu) হচ্ছে কানাডার সবচেয়ে নতুন, বৃহত্তর, এবং একেবারে উত্তর অবস্থিত অঞ্চল। এটি এপ্রিল ১, ১৯৯৯-এ আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরপশ্চিম অধীনস্থ অঞ্চলসমূহ থেকে পৃথক হয় "নুনাভুট আইন"[৮] এবং নুনাভুট ভূমি দাবি চুক্তি আইন এর মাধ্যমে।[৯] নুনাভুটের সৃষ্টির মাধ্যমে কানাডার রাজনৈতিক মানচিত্রে প্রথম বৃহত্তর পরিবর্তন দেখা দেয় ১৯৪৯-এ নিউফাউন্ডল্যান্ড ও লাব্রাডর এর কনফেডারেশনের পর থেকে।

নুনাভুট উত্তর কানাডাকানাডীয় আর্কটিক দ্বীপপুঞ্জ এর একটি বিশাল এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। এটির বিশাল এলাকা একে তৈরি করেছে বিশ্বের পঞ্চম-বৃহত্তম সাব-ডিভিশন এলাকা, আরোও উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম (গ্রীনল্যান্ডের পরে)। ব্যাফিন দ্বীপ এর পূর্বে অবস্থিত এর রাজধানী ইকালুইট (সাবেক "ফ্রেবিশার বে"), নির্বাচন করা হয়েছিলো ১৯৯৫ রাজধানী গনভোট এর মাধ্যমে। অন্যন্য প্রধান সম্প্রদায়গুলির মধ্যে রয়েছে রানকিং ইনলেট আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং কেমব্রিজ বে। নুনাভুটে আরো রয়েছে দূরবর্তী উত্তর দিকের এললেসমেইরে আইল্যান্ড, পাশাপাশি পশ্চিমে ভিক্টোরিয়া দ্বীপ এর পূর্ব ও দক্ষিণের অংশ এবং জেমস বে এর আকিমিসকি দ্বীপ বাকি অঞ্চলটির দক্ষিণ-পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি কানাডার একমাত্র ভূতাত্ত্বিক অঞ্চল যা হাইওয়ে দ্বারা উত্তর আমেরিকার বাকি অংশের সাথে সংযুক্ত নয়।[১০]

কানাডার প্রদেশ ও অঞ্চলসমূহের মধ্যে নুনাভুট হচ্ছে আয়তনে সবচেয়ে বৃহত্তর এবং দ্বিতীয় সর্বনিম্ন জনবহুল এলাকা। নুনাভুট বিশ্বের সবচেয়ে দূরস্থিত, অতিশয় জনবিরল অঞ্চলের একটি, এই অঞ্চলের জনসংখ্যা ৩৫,৯৪৪ জন,[১] বেশিরভাগই ইনুইট, ১৭,৫০,০০০ কিমি (৬,৮০,০০০ মা) অঞ্চল নিয়ে ছড়িয়ে আছে, অথবা বলা যায় মেক্সিকোর তুলনায় সামান্য ছোট। নুনাভুট হচ্ছে বিশ্বের একেবারে উত্তরে অবস্থিত জনবসতির অঞ্চল, অ্যালার্ট এর স্থান।[১১][১২]

Niungvaliruluit ("pointer like a window") inuksuk, Foxe peninsula, Baffin Island

ভূগোল[সম্পাদনা]

নুনাভুট ১৮,৭৭,৭৮৭ কিমি (৭,২৫,০১৮ মা)[১] ভূমি এবং ১,৬০,৯৩৫ কিমি (৬২,১৩৭ মা)[১৩] জলের এলাকা নিয়ে উত্তর কানাডায় বিস্তৃত। এই অঞ্চলে অন্তভুর্ক্ত রয়েছে মূল ভূখন্ড, অধিকাংশ আর্কটিক দ্বীপমালা, এবং হাডসন উপসাগর, জেমস উপসাগর, এবং আনগাবা উপসাগর এর সকল দ্বীপ, অন্তভুর্ক্ত রয়েছে বেলচের দ্বীপ, যেটি উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে যুক্ত রয়েছে। যা একে তৈরি করেছে পৃথিবীর পঞ্চম-বৃহত্তম সাবন্যাশনাল এনটিটি (বা প্রশাসনিক বিভাগ)। যদি নুনাভুট একটি দেশ হতো তাহলে এটি আয়তনে ১৫তম বৃহত্তম দেশ হতো।[১৪]

নুনাভুটের সঙ্গে উত্তরপশ্চিম অধীনস্থ অঞ্চলসমূহ এর ভূমি সীমানা রয়েছে কিছু দ্বীপের পাশাপাশি মূল ভূখন্ডের, মূল ভূখন্ডের দক্ষিণে ম্যানিটোবার সঙ্গে, দক্ষিণ-পশ্চিমে সাসক্যাচুয়ান (একক চার কোণার বিন্দুতে), এবং কিলিনিক দ্বীপ-এ নিউফাউন্ডল্যান্ড ও লাব্রাডর এর সঙ্গে একটি ছোট ভূমি সীমানা রয়েছে। জেমস উপসাগর-এ দুইটি স্থানে অন্টারিও এর সঙ্গে সীমানা রয়েছে : বড়টি অবস্থিত আকিমিসকি দ্বীপ এর পশ্চিমে, এবং ছোটটি অ্যালবানি নদীকে ঘিরে ফাফার্ড দ্বীপের নিকটে। এটির আরোও উপকূলবর্তী সীমানা রয়েছে গ্রীনল্যান্ড এবং কুবেক, অন্টারিও এবং ম্যানিটোবার সঙ্গে।

নুনাভুটের সর্বোচ্চ বিন্দু হচ্ছে এললেসমেইরে আইল্যান্ডের বারকিউ শিখর যা (২,৬১৬ মি (৮,৫৮৩ ফু))। জনসংখ্যার ঘনত্ব হচ্ছে ০.০১৯ জন/কিমি (০.০৫ জন/বর্গকিমি মাইল), যা বিশ্বের সর্বনিম্নগুলোর একটি। তুলনামূলক ভাবে, গ্রীনল্যান্ড এরও প্রায় একই এলাকা এবং প্রায় দ্বিগুণ জনসংখ্যা।[১৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Population and Dwelling Count Highlight Tables, 2016 Census"Statistics Canada। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০২-০৮ 
  2. "Population by year of Canada of Canada and territories"Statistics Canada। সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২০, ২০১৬ 
  3. Nunavummiut, the plural demonym for residents of Nunavut, appears throughout the Government of Nunavut website আর্কাইভ January 18, 2009, at the Wayback Machine., proceedings of the Nunavut legislature, and elsewhere. Nunavut Housing Corporation, Discussion Paper Released to Engage Nunavummiut on Development of Suicide Prevention Strategy. Alan Rayburn, previous head of the Canadian Permanent Committee of Geographical Names, opined that: "Nunavut is still too young to have acquired [a gentilé], although Nunavutan may be an obvious choice." In Naming Canada: stories about Canadian place names 2001. (2nd ed. ed.). Toronto: University of Toronto Press. (আইএসবিএন ০-৮০২০-৮২৯৩-৯); p. 50.
  4. "Gross domestic product, expenditure-based, by province and territory (2011)"। Statistics Canada। নভেম্বর ১৯, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৩ 
  5. "The Official Flower of Nunavut: Purple Saxifrage"। Legislative Assembly of Nunavut। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৩১, ২০১১ 
  6. "The Official Bird of Nunavut: The Rock Ptarmigan"। Legislative Assembly of Nunavut। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৩১, ২০১১ 
  7. টেমপ্লেট:Cite Merriam-Webster
  8. "Nunavut Act"Justice Canada। ১৯৯৩। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৬, ২০০৭ 
  9. Justice Canada (১৯৯৩)। "Nunavut Land Claims Agreement Act"। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৬, ২০০৭ 
  10. "How to Get Here"। Nunavut Tourism। সংগ্রহের তারিখ জুন ২২, ২০১৪ 
  11. "Canadian Forces Station Alert - 8 Wing"Royal Canadian Air Force 
  12. "Cold Places in Canada"The Canadian Encyclopedia। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১২, ২০১৩ 
  13. "Nunavut" 
  14. See List of countries and outlying territories by total area
  15. "CIA World Factbook"। CIA। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১১