অক্সিজেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অক্সিজেন
O
হাইড্রোজেন (other non-metal)
হিলিয়াম (noble gas)
লিথিয়াম (alkali metal)
বেরিলিয়াম (alkaline earth metal)
বোরন (metalloid)
কার্বন (other non-metal)
নাইট্রোজেন (other non-metal)
অক্সিজেন (other non-metal)
ফ্লোরিন (halogen)
নিয়ন (noble gas)
সোডিয়াম (alkali metal)
ম্যাগনেসিয়াম (alkaline earth metal)
অ্যালুমিনিয়াম (post-transition metal)
সিলিকন (metalloid)
ফসফরাস (other non-metal)
সালফার (other non-metal)
ক্লোরিন (halogen)
আর্গন (noble gas)
পটাশিয়াম (alkali metal)
ক্যালসিয়াম (alkaline earth metal)
স্ক্যানডিয়াম (transition metal)
টাইটানিয়াম (transition metal)
ভ্যানাডিয়াম (transition metal)
ক্রোমিয়াম (transition metal)
ম্যাঙ্গানিজ (transition metal)
লোহা (transition metal)
কোবাল্ট (transition metal)
নিকেল (transition metal)
তামা (transition metal)
দস্তা (transition metal)
গ্যালিয়াম (post-transition metal)
জার্মেনিয়াম (metalloid)
আর্সেনিক (metalloid)
সেলেনিয়াম (other non-metal)
ব্রোমিন (halogen)
ক্রিপ্টন (noble gas)
রুবিডিয়াম (alkali metal)
স্ট্রনসিয়াম (alkaline earth metal)
ইটরিয়াম (transition metal)
জিরকোনিয়াম (transition metal)
নাইওবিয়াম (transition metal)
মলিবডিনাম (transition metal)
টেকনিসিয়াম (transition metal)
রুথেনিয়াম (transition metal)
রোহডিয়াম (transition metal)
প্যালাডিয়াম (transition metal)
রুপা (transition metal)
ক্যাডমিয়াম (transition metal)
ইন্ডিয়াম (post-transition metal)
টিন (post-transition metal)
অ্যান্টিমনি (metalloid)
টেলুরিয়াম (metalloid)
আয়োডিন (halogen)
জেনন (noble gas)
সিজিয়াম (alkali metal)
বেরিয়াম (alkaline earth metal)
ল্যান্থানাম (lanthanoid)
সিরিয়াম (lanthanoid)
প্রাসিওডিমিয়াম (lanthanoid)
নিওডিমিয়াম (lanthanoid)
প্রমিথিয়াম (lanthanoid)
সামারিয়াম (lanthanoid)
ইউরোপিয়াম (lanthanoid)
গ্যাডোলিনিয়াম (lanthanoid)
টারবিয়াম (lanthanoid)
ডিসপ্রোসিয়াম (lanthanoid)
হলমিয়াম (lanthanoid)
এরবিয়াম (lanthanoid)
থুলিয়াম (lanthanoid)
ইটারবিয়াম (lanthanoid)
লুটেসিয়াম (lanthanoid)
হ্যাফনিয়াম (transition metal)
ট্যানটালাম (transition metal)
টাংস্টেন (transition metal)
রিনিয়াম (transition metal)
অসমিয়াম (transition metal)
ইরিডিয়াম (transition metal)
প্লাটিনাম (transition metal)
সোনা (transition metal)
পারদ (transition metal)
থ্যালিয়াম (post-transition metal)
সীসা (post-transition metal)
বিসমাথ (post-transition metal)
পোলোনিয়াম (post-transition metal)
এস্টাটিন (halogen)
রেডন (noble gas)
ফ্রান্সিয়াম (alkali metal)
রেডিয়াম (alkaline earth metal)
অ্যাক্টিনিয়াম (actinoid)
থোরিয়াম (actinoid)
প্রোটেক্টিনিয়াম (actinoid)
ইউরেনিয়াম (actinoid)
নেপচুনিয়াম (actinoid)
প্লুটোনিয়াম (actinoid)
অ্যামেরিসিয়াম (actinoid)
কুরিয়াম (actinoid)
বার্কেলিয়াম (actinoid)
ক্যালিফোর্নিয়াম (actinoid)
আইনস্টাইনিয়াম (actinoid)
ফার্মিয়াম (actinoid)
মেন্ডেলেভিয়াম (actinoid)
নোবেলিয়াম (actinoid)
লরেনসিয়াম (actinoid)
রাদারফোর্ডিয়াম (transition metal)
ডুবনিয়াম (transition metal)
সিবোরজিয়াম (transition metal)
বোহরিয়াম (transition metal)
হ্যাসিয়াম (transition metal)
মিটনেরিয়াম (unknown chemical properties)
ডার্মস্টেটিয়াম (unknown chemical properties)
রন্টজেনিয়াম (unknown chemical properties)
কোপার্নিসিয়াম (transition metal)
ইউনুনট্রিয়াম (unknown chemical properties)
ফেরোভিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনপেন্টিয়াম (unknown chemical properties)
লিভেরমোরিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনসেপটিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনকটিয়াম (unknown chemical properties)
-

O

S
নাইট্রোজেনঅক্সিজেনফ্লুরিন
পর্যায় সারণীতে অক্সিজেন
ভৌত রূপ
বর্ণহীন (গ্যাস);অতি হালকা নীল (তরল)। নিচের তরল অক্সিজেনের ছবিতে আক্সিজেনের বুদবুদ দেখা যাচ্ছে
A glass bottle half-filled with a bluish bubbling liquid

Spectral lines of oxygen
সাধারণ বৈশিষ্ট
নাম, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা অক্সিজেন, O, ৮
উচ্চারণ /ˈɒksɨɨn/ OK-si-jin
রাসায়নিক শ্রেণী অধাতু, chalcogen
শ্রেণী, পর্যায়, ব্লক 16 (chalcogens), 2, p
পারমাণবিক ওজন 15.9994(3)
ইলেকট্রন বিন্যাস 1s2 2s2 2p4
২, ৬
অক্সিজেনের শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের সংখ্যা (২, ৬)
ভৌত বৈশিষ্ট্য
দশা গ্যাস
ঘনত্ব (০ °সে, ১০১.৩২৫ kPa)
১.৪২৯ গ্রাম/লিটার
স্ফুটনাংকে তরলের ঘনত্ব 1.141 গ্রা·সেমি−৩
গলনাংক 54.36 কে, -218.79 °সে, -361.82 °ফা
স্ফুটনাংক 90.20 কে, -182.95 °সে, -297.31 °ফা
Critical point 154.59 কে, 5.043 MPa
ফিউশনের এনথালপি (O2) 0.444 kJ·mol−১
বাষ্পীয়করণের তাপ (O2) 6.82 kJ·mol−১
তাপ ধারকত্ব (O2)
29.378 J·mol−১·K−১
বাষ্প চাপ
P (Pa) ১০ ১০০ ১ হাজার ১০ হাজার ১ লক্ষ
at T (K)       61 73 90
পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য
জারন সংখ্যা 2, 1, −1, −2
তাড়িৎচুম্বকত্ব 3.44 (পলিং স্কেল)
আয়নীকরণ শক্তি
(বিস্তারিত)
১ম: 1313.9 kJ·mol−১
২য়: 3388.3 kJ·mol−১
৩য়: 5300.5 kJ·mol−১
সমযোজী ব্যাসার্ধ 66±2 pm
ভ্যান ডার ওয়ালেস ব্যাসার্ধ 152 pm
অন্যান্য বৈশিষ্ট্য
কেলাসের গঠন ঘনক
অক্সিজেনের একটি ঘনক কেলাসের গঠন রয়েছে
চুম্বকত্ব paramagnetic
তাপ পরিবহকত্ব 26.58x10-3  W·m−১·K−১
শব্দের গতি (gas, 27 °C) 330 m·s−১
ক্যাস নিবন্ধন নম্বর 7782-44-7
সবচেয়ে স্থিতিশীল আইসোটোপ
মূল নিবন্ধ: অক্সিজেনের আইসোটোপ
iso NA half-life DM DE (MeV) DP
16O 99.76% O 8টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
17O 0.039% O 9টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
18O 0.201% O 10টি নিউট্রন নিয়ে স্থিত হয়
· তথ্যসূত্র

অক্সিজেন (আইপিএ: /ˈɒksɪdʒən/) বা অম্লজান একটি রাসায়নিক মৌল, এর প্রতীক Oপারমানবিক সংখ্যা ৮। অম্লজান শব্দটি দুইটি গ্রিক শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে: οξύς অক্সুস্‌ ("অম্ল") এবং -γενής -গেন্যাস্‌ ("উৎপাদক", "জনক")। অষ্টাদশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ের অম্লজান নামটি নির্দিষ্ট করেন, কারণ তখন মনে করা হতো সকল অম্লের মধ্যে অম্লজান বিদ্যমান থাকে যা ভুল ছিল। অক্সিজেনের যোজ্যতা সাধারণ ২। এই মৌলটি অন্যান্য মৌলের সাথে সাধারণত সমযোজী বা আয়নিক বন্ধন দ্বারা যৌগ গঠন করে থাকে। অম্লজান গঠিত সাধারণ কিছু মৌলের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে: পানি (H2O), বালি (SiO2, সিলিকা) এবং আয়রন অক্সাইড (Fe2O3)। দ্বিপরমাণুক অম্লজান বায়ুর প্রধান দুইটি উপাদানের একটি। উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সময় এই মৌলটি উৎপন্ন হয় এবং এটি সকল প্রাণীর শ্বসনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

আবিষ্কারের ইতিহাস[সম্পাদনা]

অম্লজান আবিষ্কারের পূর্বে দুইটি বিষয় নিয় রসায়নবিদরা সবচেয়ে বেশি দ্বিধার সম্মুখীন হতেন। একটি হল কোন পদার্থের দহন সংঘটিত হলে তা বায়ু থেকে কিছু টেনে নেয় কিনা এবং মানুষ নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করে। তখন ধারণা করা হতো সকল দাহ্য বস্তুর অভ্যন্তরে ফ্লোজিস্টন নামক এক ধরণের পদার্থ থাকে। গ্রিকরা যে মৌলিক চারটি পদার্থের ধারণা করতো, এটি ছিল তার সাথে আরেকটি। একটি দাহ্য বস্তুতে এ নিয়ে মোট পাঁচটি পদার্থ থাকে। দহনের সময় এই ফ্লোজিস্টন দাহ্য বস্তুটি থেকে কম বা বেশি পারিমাণে বেরিয়ে যায়। কিন্তু এই ধারণা নিয়ে প্রভূত বিরোধ ছিল। ১৬৭৩ সালে রবার্ট বয়েল সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, সীসা এবং অ্যান্টিমনি ভস্মীকরণকালে একটি অতি সূক্ষ্ণ আগ্নেয় পদার্থ ধাতুর দিকে ধাবিত হয় এবং এর সাথে যুক্ত হয়ে ধাতুর ওজন বৃদ্ধি করে।অবশ্য এর আশি বছর পর লোমোনোসোভ লিখেন বয়েলের ধারণাটি ভুল ছিল। তার মতে দহনের সময় বাতাস অংশ নেয় এবং বাতাসের কণা ধাতুর সাথে যুক্ত হয় বলেই তার ওজন বৃদ্ধি পায়। অষ্টাদশ শতাব্দীতে গ্যাস সংক্রান্ত বিজ্ঞানের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। ১৭৭৪ সালে বিজ্ঞানী পি. বায়েন তার গবেষণাপত্রে ভস্মীকরণকালে ধাতুর ভর বৃদ্ধির কারণ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন। তিনি বলেছিলেন সম্প্রসারণযোগ্য এবং সাধারণ বাতাস থেকে ভারী এক অদ্ভুত ধরণের পদার্থ ভস্মীকরণের সময় ধাতুর সাথে যুক্ত হয়। পারদ ঘটিত যৌগের তাপবিযোজনের মাধ্যমে বায়েন এই গ্যাসটি পেয়েছিলেন। বিপরীতভাবে ধাতব পারদের সাথে ঐ গ্যাসীয় পদার্থের বিক্রিয়ায় পারার বর্ণ লাল হয়ে গিয়েছিলো। দুর্ভাগ্যবশত বায়েন এ নিয়ে আর গবেষণা করতে পারেননি। তিনি জানতেনও না যে তিনি প্রকৃতপক্ষে অম্লজান নিয়েই কাজ করেছিলেন। আর লাল হয়ে যাওয়া পদার্থটি ছিল প্রকৃতপক্ষে মারকারি অক্সাইড

ঐ একই বছর অর্থাৎ ১৭৭৪ সালে রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্ট্‌লে একটি যৌগ নিয়ে পরীক্ষা আরম্ভ করেন। এর কিছুদিন পূর্বে তিনি দেখতে পেয়েছিলেন যে, সবুজ গাছের উপস্থিতিতে বদ্ধ বাতাস (যা শ্বাসকার্যে সহায়তা করে না) সাধারণ বাতাসে পরিবর্তিত হয় যা জীবের শ্বাসকার্যে সহায়তা করে। এই আবিষ্কারটি রসায়ন এবং জীববিদ্যা উভয়টির জন্যই এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত হয়। প্রিস্ট্‌লেই প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন যে উদ্ভিদ অম্লজান পরিত্যাপ করে। একই সময় তিনি আরেকটি পরীক্ষা করে দেখতে পান, সোরার গ্যাস (নাইট্রোজেন অক্সাইড, সল্টপিটার গ্যাস) লৌহ চূর্ণের সাথে বিক্রিয়ার মাধ্যমে এমন একটি বাতাসে পরিণত হয় যা দহনে সাহায্য করলেও শ্বাসকার্যে সহায্য করে না। এই বাতাসটি ছিল নাইট্রাস অক্সাইড ফ্লোজিস্টিন তত্ত্ব অনুসারে যার নাম তিনি রেখেছিলেন ডিফ্লোজিস্টিকেটেড সোরার গ্যাস (dephlogisticated saltpeter gas)। এবার ১৭৭৪ সালের পরীক্ষাটির বিষয়ে আসা যাক। এই বছরের আগস্ট ১ তারিখে প্রিস্ট্‌লে একটি আবদ্ধ পাত্রে লাল মারকারি অক্সাইড নিয়ে বড় লেন্সের সাহায্যে তার উপর সূর্যকিরণ ঘনীভূত করে ফেলেন। এতে যৌগটি ভেঙ্গে গিয়ে উজ্জ্বল ধাতব পারদ এবং একটি গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই গ্যাসটিই ছিল প্রকৃতপক্ষে অম্লজান । বেশ কয়েক বছর পর এই গ্যাসের নামকরণ করা হয় অম্লজান যা তৃতীয় মৌল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল। নাইট্রোজেনের মত এই মৌলটি বাতাস থেকে প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি। বরং এটি প্রস্তুত করা হয় কঠিন পদার্থ থেকে। প্রিস্ট্‌লে কেবল এইটুক বলতে পেরেছিলেন যে, নতুন এই গ্যাসটি বাতাসের উপাদান। কিন্তু আর কিছু বলা তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। আর ফ্লোজিস্টিক তত্ত্বের অনুগাম হয়ে তিনি এর নামও রেখেচিলেন ডিফ্লোজিস্টিকেটেড বাতাস।

আবিষ্কারের পর প্রিস্ট্‌লে প্যারিসে গিয়ে ল্যাভয়সিয়ে সহ অন্যান্য ফরাসি বিজ্ঞানীদেরকে বিশদভাবে তার গবেষণার কথা বলেছিলেন। এই অংশটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রিস্ট্‌লের চেয়ে ল্যাভয়সিয়েই এই আবিষ্কারটির মর্ম বেশি উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। প্রিস্ট্‌লে একসময় মনে করতেন তার এই আবিষ্কারটি একটি জটিল পদার্থ। কিন্তু ১৭৮৬ সালে ল্যাভয়সিয়ের ধারণা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি একে মৌল হিসেবে দেখতে শুরু করেন। এ হিসেবে অম্লজান আবিষ্কারের পিছনে মূল অবদান প্রিস্ট্‌লে এবং বায়েনের। এদের সাথে সি শিলে নামক আরও একজন বিজ্ঞানীর নাম সংযোজন করা যেতে পারে। শিলে ১৭৭২ সালে Chemical Treatise About Air and Fire নামক একটি বই লেখার কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু প্রকাশকের দোষে বইটি ১৭৭৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে অক্সিজেনের বর্ণনা প্রিস্ট্‌লে বা বায়েনের দেয়া বর্ণনার চেয়েও নিখুঁত ছিল। কিন্তু প্রকাশক দেইতে প্রকাশ করাতে তিনি অক্সিজেনের আবিষ্কারক হিসেবে নিজের নাম প্রস্তাব করতে পারেননি। কারণ প্রিস্ট্‌লের আবিষ্কার প্রকাশিত হয় ১৭৭৪ সালে। শিলে অম্লজান উৎপন্ন করেছিলেন অজৈব যৌগের বিযোজনের মাধ্যমে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • রাসায়নিক মৌল: কেমন করে সেগুলি আবিষ্কৃত হয়েছিল: দ. ন. ত্রিফোনভ, ভ. দ. ত্রিফোনভ; বাংলা অনুবাদ: কানাই লাল মুখোপাধ্যায়; মির প্রকাশন, মস্কো এবং মনীষা গ্রন্থালয়, কলকাতা থেকে প্রকাশিত। সোভিয়েত ইউনিয়নে মুদ্রিত; ১৯৮৮

বহিঃসযোগ[সম্পাদনা]

পর্যায় সারণী

আদর্শ সারণী | উল্লম্ব সারণী | নাম সম্বলিত সারণী | নাম ও পারমানবিক ভরসহ সারণী | নাম ও পারমানবিক ভরসহ আরেকটি সংস্করণ | শুধু নাম ও পারমানবিক ভর সম্বলিত সারণী | ইনলাইন এফ-ব্লক | ২১৮ পর্যন্ত মৌল | ইলেকট্রন বিন্যাস | ধাতু ও অধাতু | ব্লক অনুসারে সারণী | বিকল্পসমূহ

রাসায়নিক মৌলসমূহের তালিকা

নাম | পারমানবিক প্রতীক | পারমানবিক সংখ্যা | স্ফুটনাংক | গলনাংক | ঘনত্ব | পারমানবিক ভর
শ্রেণীসমূহ:    -   -   -   -   -   -   -   -   - ১০ - ১১ - ১২ - ১৩ - ১৪ - ১৫ - ১৬ - ১৭ - ১৮
পর্যায়সমূহ:    -    -    -    -    -    -    -    -  
রাসায়নিক শ্রেণীসমূহ:   ক্ষার  -  মৃৎ ক্ষার  -  ল্যান্থানাইড  -  এক্টিনাইড  -  অবস্থান্তর ধাতু  -  দুর্বল ধাতু  -  অপধাতু  -  অধাতু  -  হ্যালোজেন  -  নিষ্ক্রিয় গ্যাস
ব্লকসমূহ:  এস-ব্লক  -  পি-ব্লক  -  ডি-ব্লক  -  এফ-ব্লক  -  জি-ব্লক