নিউ ইয়র্ক (শহর)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(নিউ ইয়র্ক সিটি থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Jump to navigation Jump to search
নিউ ইয়র্ক শহর
New York City
মেগাশহর
সিটি অফ নিউ ইয়র্ক
ঘড়ির কাঁটার দিকে, উপর থেকে: মধ্য ম্যানহাটন, টাইমস স্কয়ার, কুইন্স-এর ইউনিস্ফিয়ার, ব্রুকলিন ব্রিজ, নিম্ন ম্যানহাটন ও সাথে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, সেন্ট্রাল পার্ক, জাতিসংঘের সদর দপ্তর, এবং স্ট্যাচু অফ লিবার্টি
নিউ ইয়র্ক শহর New York City পতাকা
পতাকা
নিউ ইয়র্ক শহর New York City অফিসিয়াল সীলমোহর
সীলমোহর
নিউ ইয়র্ক শহর New York City অফিসিয়াল লোগো
শব্দ-মার্কা
নাম: নিউ ইয়র্ক শহরের ডাকনামসমূহ দেখুন
নিউ ইয়র্ক নামক মার্কিন অঙ্গরাজ্যের মধ্যে নিউ ইয়র্ক শহরের অবস্থান
নিউ ইয়র্ক নামক মার্কিন অঙ্গরাজ্যের মধ্যে নিউ ইয়র্ক শহরের অবস্থান
নিউ ইয়র্ক শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এ অবস্থিত
নিউ ইয়র্ক শহর
নিউ ইয়র্ক শহর
নিউ ইয়র্ক শহর নিউ ইয়র্ক-এ অবস্থিত
নিউ ইয়র্ক শহর
নিউ ইয়র্ক শহর
মহাদেশীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ৪০°৪২′৪৬″ উত্তর ৭৪°০০′২১″ পশ্চিম / ৪০.৭১২৭° উত্তর ৭৪.০০৫৯° পশ্চিম / 40.7127; -74.0059স্থানাঙ্ক: ৪০°৪২′৪৬″ উত্তর ৭৪°০০′২১″ পশ্চিম / ৪০.৭১২৭° উত্তর ৭৪.০০৫৯° পশ্চিম / 40.7127; -74.0059[১]
দেশ  United States
অঙ্গরাজ্য টেমপ্লেট:দেশের উপাত্ত New York (state)
কাউন্টি / (বারো)

দ্য ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ম্যানহাটন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড


ঐতিহাসিক উপনিবেশসমূহ নতুন নেদারল্যান্ড
নিউ ইয়র্ক প্রদেশ
Settled ১৬২৪
একীভূত ১৮৯৮
নামকরণের কারণ জেমস, ইয়র্কের ডিউক
সরকার[২]
 • ধরন মেয়র–পরিষদ
 • শাসক নিউ ইয়র্ক শহর পরিষদ
 • মেয়র বিল ডি ব্লাজিও (ডেমো)
আয়তন[১]
 • মোট ১২১৩.৩৭ কিমি (৪৬৮.৪৮৪ বর্গমাইল)
 • ভূমি ৭৮৩.৮৪ কিমি (৩০২.৬৪৩ বর্গমাইল)
 • পানি ৪২৯.৫৩ কিমি (১৬৫.৮৪১ বর্গমাইল)
 • মহানগর ৩৪৪৯০ কিমি (১৩৩১৮ বর্গমাইল)
উচ্চতা[৩] ১০ মিটার (৩৩ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১০)[৬]
 • মোট ৮১,৭৫,১৩৩
 • আনুমানিক (২০১৭)[৭] ৮৬,২২,৬৯৮
 • ক্রম ১ম
 • ঘনত্ব ১১০০০/কিমি (২৮৪৯১/বর্গমাইল)
 • এম এস এ (২০১৭) ২,০৩,২০,৮৭৬[৪]
 • সি এস এ (২০১৭) ২,৩৮,৭৬,১৫৫[৫]
বিশেষণ নিউ ইয়র্কার (ইংরেজিতে)
সময় অঞ্চল Eastern (EST) (ইউটিসি−5)
 • Summer (ডিএসটি) পূসঅ (ইউটিসি−4)
জিপ কোড 100xx–104xx, 11004–05, 111xx–114xx, 116xx
এলাকা কোড 212/646/332, 718/347/929, 917
FIPS code 36-51000
জি এন আই এস বৈশিষ্ট্যবাচক পরিচয় সংখ্যা 975772
আয়তন অনুযায়ী বৃহত্তম বারো কুইন্স – ১০৯ বর্গমাইল (২৮০ কিমি)
জনসংখ্যা অনুযায়ী বৃহত্তম বারো ব্রুকলিন (2,636,735 – ২০১৫-র প্রাক্কলন)[৮]
ওয়েবসাইট NYC.gov

নিউ ইয়র্ক শহর, যার সরকারী নাম সিটি অফ নিউ ইয়র্ক (ইংরেজি: City of New York) ও প্রচলিত কথ্য নাম নিউ ইয়র্ক সিটি (New York City), উত্তর-পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বন্দর শহর। শহরটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে, নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে, হাডসন নদীইস্ট নদীর মোহনায়, উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত। নিউ ইয়র্ক শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ও সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী মহানগরী। শহরটি ম্যানহাটান দ্বীপ, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড দ্বীপ, লং আইল্যান্ড দ্বীপটির পশ্চিম অংশ এবং ম্যানহাটানের উত্তরে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মূল ভূখণ্ডের এক চিলতে অংশের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। নিউ ইয়র্ক শহরটিতে বহুসংখ্যক আবাসিক ও অনাবাসিক এলাকা রয়েছে এবং এগুলিকে প্রশাসনিকভাবে পাঁচটি প্রশাসনিক অঞ্চল বা "বারো"-তে (Borough) বিভক্ত করা হয়েছে; এগুলি হল ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, দ্য ব্রংক্স, কুইনস এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ড, যাদের প্রতিটিরই নিজস্ব জীবনধারা রয়েছে। নিউ ইয়র্কের জলবায়ু আর্দ্র উপক্রান্তীয় ধরনের। গড় তাপমাত্রা জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন শূন্যের নিচে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জুলাই-আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়।[৯]

মূল নিউ ইয়র্ক শহরের আয়তন ৩০২.৬ বর্গমাইল (৭৮৪ কিমি)।[১০][১১] নিউ ইয়র্ক শহরকে ঘিরে অবস্থিত একটি অতিবৃহৎ নগর অঞ্চল কেবল নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যই নয়, দক্ষিণে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য ও উত্তরে কানেটিকাট অঙ্গরাজ্য পর্যন্তও বিস্তৃত। মূল শহরে প্রায় ৮৬ লক্ষ লোকের বাস।[৭] এই শহরের নাগরিকদের ইংরেজিতে "নিউ ইয়র্কার" বলা হয়। নিউ ইয়র্ক শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল নগরী।[১২] এছাড়া নিউ ইয়র্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক জনঘনত্ববিশিষ্ট শহর।[১৩] নিউ ইয়র্ক আক্ষরিক অর্থেই একটি বিশ্বনগরী; এখানে বহু জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের অভিবাসী সম্প্রদায় পাশাপাশি বাস করে; শহরের প্রায় ৩৬% অধিবাসীই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেনি।[১৪] শহরের এক এলাকা থেকে আরেক এলাকাতে যাওয়াকে দেশ পরিবর্তনের সাথে তুলনা করা যায়। নিউ ইয়র্কে তেল আভিভের চেয়েও বেশি ইহুদী, ডাবলিনের চেয়েও বেশি আইরিশ, নাপোলির চেয়েও বেশি ইতালীয় আর সান হুয়ানের চেয়েও বেশি পুয়ের্তোরিকান মানুষ আছে। শহরের মানুষ ৮০০রও বেশি ভাষায় কথা বলে।[১৫] আধুনিক এই নগরীর এক-চতুর্থাংশ মানুষই ধর্মকর্ম করেন না; বাকিদের মধ্যে লাতিনো খ্রিস্টান ক্যাথলিক মতাবলম্বী, কৃষ্ণাঙ্গ খ্রিস্টান প্রোটেস্টান্ট মতাবলম্বী ও ইহুদীরা সবচেয়ে বড় তিনটি ধর্মভিত্তিক সম্প্রদায়।[১৬]

বিগত দুইশত বছর ধরে নিউ ইয়র্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে সম্পদশালী শহর। শহরটি একসময় নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের রাজধানী এমনকি সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও রাজধানী ছিল। বর্তমানে নিউ ইয়র্ক শহর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা কেন্দ্রগুলির একটি। বিশ্বব্যাপী নিউ ইয়র্ক শহরের রাজনীতি, গণমাধ্যম, বিনোদন ও পোশাকশৈলীরর প্রভাব বিশেষ উল্লেখযোগ্য। জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত যার কারণে একে আন্তর্জাতিক কূটনীতির তীর্থস্থান বলা যায়। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি নামক রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত বিল ডি ব্লাজিও নিউ ইয়র্ক শহরের বর্তমান নগরপিতা বা মেয়র।

মার্কিন জাতির সম্মিলিত সাংস্কৃতিক মানসপটে নিউ ইয়র্ক শহরের প্রভাব অন্য যেকোনও মার্কিন শহরের চেয়ে বেশি। ওয়াল স্ট্রিট বললেই ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্রডওয়ে বললেই মঞ্চনাটক, ফিফথ অ্যাভিনিউ বললেই কেনাকাটা, ম্যাডিসন অ্যাভিনিউ বললেই বিজ্ঞাপন শিল্প, গ্রিনিচ ভিলেজ বললেই বোহেমীয় জীবনযাপনের ধারা, সেভেনথ অ্যাভিনিউ বললেই পোশাকশৈলী, ট্যামানি হল বললেই কূটনীতি রাজনীতি আর হারলেম বললেই জ্যাজ সঙ্গীতের আদিযুগ ও আফ্রিকান-মার্কিনীদের জীবনাকাঙ্খার ছবি ভেসে ওঠে।

বিশ্বের চতুষ্কোণ থেকে আগত অভিবাসীদের স্বাগত জানানো স্ট্যাচু অফ লিবার্টি (১৮৮৬) নামক বিশালাকার তাম্রমূর্তিটি শুধু নিউ ইয়র্ক শহরেরই নয়, সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি ও স্বাধীনতার মূল্যবোধগুলির প্রতীক।[১৭] কিন্তু শহরটির মূল প্রতীক হল শহরটি নিজেই। ম্যানহাটনের দক্ষিণতম প্রান্তে লোয়ার ম্যানহাটন নামক এলাকাটিতে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্থে সরু সরু রাস্তার ওপরে ব্যবসায়িক কার্যালয় ধারণ করার জন্য কয়েক ডজন আকাশচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করা হয়, যাদের মধ্যে আর্ট ডেকো ধাঁচের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং (১৯৩১) ও ক্রাইসলার বিল্ডিং ভবন দুটি ছিল সবচেয়ে বেশি নজরকাড়া। সাগর থেকে লোয়ার ম্যানহাটনের দিকে তাকালে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো এই অট্টালিকার যে গুচ্ছটি চোখে পড়ে, সেটিই নিউ ইয়র্ক শহরের ঐশ্বর্য ও খ্যাতির প্রধান প্রতীক। বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নামক গগনচুম্বী যুগ্ম অট্টালিকাদ্বয় ছিল নিউ ইয়র্ক শহর এবং গোটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক আধিপত্যের প্রতীক। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক শহরে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা তাদের বৃহত্তম আক্রমণটি পরিচালনা করে এবং দুইটি বিমান দিয়ে উচ্চশক্তিতে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভবনগুলিকে ধ্বংস করে। এই ধ্বংসকাণ্ডে কেবল জানমালের অপরিসীম ক্ষয়ক্ষতিই হয়নি, বরং তা নিউ ইয়র্কবাসী তথা মার্কিনীদের মনেও গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। বর্তমানে ঐ একই জায়গায় ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নামের আরও উঁচু একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

নিউ ইয়র্ক শহরের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে সেন্ট্রাল পার্ক নামক বিশাল নাগরিক উদ্যান, বর্ণিল নিয়ন আলোয় আলোকজ্জ্বল টাইমস স্কোয়ার চত্ত্বর ও তার সংলগ্ন মঞ্চপাড়া, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্পকলা জাদুঘর মেট্রোপলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট, গুগেনহাইম জাদুঘর, আধুনিক শিল্পকলা জাদুঘর মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট, টেলিভিশন স্টুডিও ভবন রকাফেলার সেন্টার, অনুবদ্য স্থাপত্যশৈলীর গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল রেল স্টেশন, উচ্চমানের পোশাকশৈলীর দোকান, অভিজাত মার্কার দোকান ও শিল্পকলা চিত্রশালাসমৃদ্ধ সোহো এলাকা, বিজ্ঞান জাদুঘর আমেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্টরি, ত্রিভুজাকৃতির ফ্ল্যাট আয়রন বিল্ডিং, সঙ্গীত ও অন্যান্য শিল্প পরিবেশন কেন্দ্র রেডিও সিটি মিউজিক হল, ব্রংক্স জু নামক চিড়িয়াখানা, ইত্যাদি।

নিউ ইয়র্ক শহরে বাস্কেটবল, মার্কিন ফুটবল, বরফ হকি ও বেসবল খেলার সুপ্রাচীন ঐতিহ্য আছে; এই চারটি ক্রীড়ার জাতীয় পেশাদারী লিগের সদর দফতরগুলি নিউ ইয়র্কেই অবস্থিত এবং এগুলির প্রতিটিতে নিউ ইয়র্ক কমপক্ষে দুইটি করে দল পাঠায়। এছাড়া টেনিসের চারটি প্রধান প্রতিযোগিতার একটি ইউ এস ওপেন নিউ ইয়র্কের কুইন্সে‌ অনুষ্ঠিত হয়। নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা বিশ্বের বৃহত্তম।

নিউ ইয়র্ক শহরে ১১০টি বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের মহাবিদ্যালয় আছে। এখানে বিশ্বের বৃহত্তম সরকারী বিদ্যালয় ব্যবস্থাটি অবস্থিত, যাতে ১৭০০টি বিদ্যালয়ে ১১ লক্ষ ছাত্র পড়াশোনা করে। নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি একটি গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা যা বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম; এর ৯২টি শাখায় প্রায় ৫ কোটি বই আছে।

নিউ ইয়র্ক শহরের বেশির ভাগ মানুষ গণপরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করে। এখানে নিউ ইয়র্ক সিটি সাবওয়ে নামে বিশ্বের বৃহত্তম দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থাটি অবস্থিত; এই পাতাল রেল ব্যবস্থাটি ৪৭২টি স্টেশন নিয়ে গঠিত। শহরটি হাডসন নদীর তলদেশ দিয়ে খননকৃতি প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ হল্যান্ড টানেলের মাধ্যমে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের সাথে সংযুক্ত। ব্রুকলিন ব্রিজ (১৮৮৩), উইলিয়ামসবার্গ ব্রিজ (১৯০৩), জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজ (১৯৩১) এবং ভেরাজানো-ন্যারোস ব্রিজ (১৯৬৪) নামক সেতুগুলির প্রতিটিই উদ্বোধনের সময় বিশ্বের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতুর দাবীদার ছিল। জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি উত্তর আমেরিকার ব্যস্ততম বিমানবন্দর। নিউ ইয়র্ক সমুদ্রবন্দরটি সারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান বন্দর। এটি বহিরাগতদের উত্তর আমেরিকা মহাদেশে প্রবেশের প্রধানতম প্রবেশদ্বার এবং একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্বের মহাসমুদ্রগুলিতে বের হবার প্রধান প্রস্থানপথ।

১৬২৪ সালে ওলন্দাজ প্রজাতন্ত্রের উপনিবেশ স্থাপনকারীরা নিউ ইয়র্কের বর্তমান লোয়ার ম্যানহাটন এলাকাটিতে একটি বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করেন, ১৬২৬ সালে যার নাম দেওয়া হয় "নয়া আমস্টারডাম"।[১৮] ১৬৬৪ সালে নয়া আমস্টারডাম ও তার আশেপাশের অঞ্চলটি ইংরেজদের দখলে চলে আসে।[১৮] ইংল্যান্ডের রাজা ২য় চার্লস তাঁর ভাই ও ইয়র্কের ডিউক ২য় জেমসকে এই ভূমিগুলি দান করলে এলাকাটির নাম বদলে "নিউ ইয়র্ক" রাখা হয়।[১৯] ১৭৮৫ থেকে ১৭৯০ সাল পর্যন্ত ৬ বছর নিউ ইয়র্ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ছিল।[২০] ১৭৯০ থেকেই এটি দেশটির বৃহত্তম শহর[২১] ১৯শ শতকের শেষভাগে ও ২০ শতকের শুরুর দিকে বহু লক্ষ অভিবাসী নিউ ইয়র্ক বন্দরের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে।[২২] ২১শ শতকে এসে নিউ ইয়র্ক উদ্ভাবনশিল্পোদ্যোগ,[২৩] সামাজিক সহনশীলতা[২৪], টেকসই পরিবেশ[২৫][২৬] এবং স্বাধীনতাসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মত ক্ষেত্রগুলিতে বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় শহর।[২৭]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৬৬০ সালের নিম্ন ম্যানহাটন, তখন এটি নতুন আমস্টারডামের একটি অংশ ছিল।

১৫২৪ সালে ইতালীয় অভিযাত্রিক গিওভান্নি ডা ভেরাজ্জানো'র হাত ধরে যখন ইউরোপীয়রা প্রথম এই অঞ্চলটি আবিষ্কার করে তখন এই শহরাঞ্চলটিতে ৫০০০-এর মত স্থানীয় আমেরিকান লেনাপদের বসতি ছিল যাদেরকে রেড ইন্ডিয়ান বলা হয়ে থাকে। ইতালির এই অভিযাত্রিক ফরাসি রাজার আনুগত্য ও পৃষ্ঠপোষকতায় এই আবিষ্কার করেছিলেন। আবিষ্কারের পর তিনি এই অঞ্চলের নাম দেন "নৌভেলে এঙ্গোলেমে" তথা নতুন এঙ্গোলেমে। এখানে প্রথম ইউরোপীয় বসতি স্থাপন শুরু হয় যখন ওলন্দাজরা ১৬১৪ সালে ম্যানহাটনের দক্ষিণ প্রান্তে একটি পশম ব্যবসার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে। তারা পরবর্তিতে এই স্থানের নাম দেয় "নতুন আমস্টারডাম"। ওলন্দাজ উপনিবেশের পরিচালক পিটার মেনুইট ১৬২৬ সালে ম্যানহাটন দ্বীপটি স্থানীয় লেনাপদের কাছ থেকে কিনে নেন। কিংবদন্তী রয়েছে, ম্যানহাটন মাত্র ২৪ মার্কিন ডলার মূল্যে বিক্রিত হয়েছিল, যদিও এর কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ১৬৬৪ সালে ব্রিটিশরা শহরটি দখল করে নেয় এবং এর নতুন নাম দেয় নিউ ইয়র্ক। তারা ইংল্যান্ডের ইয়র্ক এবং আলবানির ডিউকের নামানুসারে এই শহরের নাম রেখেছিল। অ্যাংলো-ওলন্দাজ যুদ্ধের শেষে ওলন্দাজরা রান দ্বীপের কর্তৃত্ব পাওয়ার শর্তে নতুন আমস্টারডামের কর্তৃত্ব বিট্রিশদের হাতে ছেড়ে দেয়। তখন রান দ্বীপের গুরুত্বই বেশি মনে হয়েছিল। ১৭০০ সাল নাগাদ শহরাঞ্চলে লেনাপ গোষ্ঠীয় জনসংখ্যা কমতে কমতে ২০০-তে এসে দাড়ায়।

ব্রিটিশ শাসনের অধীনে নিউ ইয়র্ক সিটি বন্দর নগরী হিসেবে প্রভাব অর্জন করে। ১৭৫৪ সালে নিম্ন ম্যানহাটনে কিংস কলেজ নামে একটি বিদ্যাপীঠ স্থাপিত হয় ব্রিটেনের রাজা জর্জ ২-এর বিশেষ অনুমোদন সাপেক্ষে। এই কলেজটি ছিল কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রূপ। মার্কিন বিপ্লবী যুদ্ধের সময় এই শহরে বেশ কিছু ছোটখাটো যুদ্ধ সংঘটিত হয় যেগুলোকে একত্রে বলা হয় নিউ ইয়র্ক ক্যাম্পেইন। মহাদেশীয় কংগ্রেস এই নিউ ইয়র্ক সিটিতেই একসাথে মিলিত হয়েছিল এবং ১৭৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি মনোনীত করেছিল। প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের অভিষেক হয় এই শহরের ওয়াল স্ট্রিটে স্থাপিত ফেডারেল হলে১৭৯০ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্খ সিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ছিল।

শহর এবং মেট্রোপলিটান অঞ্চল[সম্পাদনা]

নিউ ইয়র্ক ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহরগুলো একটি নির্দিষ্ট কাউন্টির ক্ষুদ্র অঞ্চল জুড়ে অবস্থান করে। কিন্তু নিউ ইয়র্ক শহরটি নিজেই পাঁচটি পৃথক পৃথক কাউন্টি নিয়ে গঠিত। এই কাউন্টিগুলোকে বরো বলা হয়। শহরটি একসময় মূলত ম্যানহাটন বরো নিয়েই গঠিত ছিল যা হাডসন এবং ইস্ট রিভারের মাঝের একটি দ্বীপে জুড়ে অবস্থিত। ১৮৯৮ সালে আশেপাশের বেশ কয়েকটি সম্প্রদায় এই শহরের অন্তর্ভুক্ত হয় যেগুলো অন্য চারটি বরো গঠন করেছে। এগুলো হল: কুইন্‌স, ব্রুকলিন, ব্রঙ্ক্‌স এবং স্টেটেন দ্বীপ। একমাত্র ব্রঙ্ক্‌স যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমিতে অবস্থিত, বাকি চারটি বারো-ই জলবেষ্টিত। ম্যানহাটন এবং স্টেটেন দ্বীপ পানি দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত এবং কুইন্‌স ও ব্রুকলিন লং দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত।[২৮]

  • কুইন্‌স: পাঁচটি বরোর মধ্যে কুইন্‌স বৃহত্তম যার সর্বমোট আয়তন ২৮২.৯ বর্গ কিমি (১০৯.২ বর্গ মাইল)। এটি লং দ্বীপের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত, ব্রুকলিন থেকে নিউটাউন খাঁড়ি এবং দ্বীপের অন্যান্য শহর থেকে ইস্ট রিভারলং আইল্যান্ড সাউন্ড দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এটি দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং পূর্বে নাসাউ কাউন্টির সীমানা নির্দেশ করে। ২০০০ সালের তথ্য মোতাবেক এই বরোর জনসংখ্যা ২,২২৯,৩৭৯। পাঁচটি বরোর মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিতীয়, প্রথম ব্রুকলিন।
  • ব্রুকলিন: এটি নিউ ইয়র্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনবহুল বরো। লং দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। ম্যানহাটন থেকে আপার বে এবং ইস্ট রিভার পার হয়ে এখানে আসতে হয়। মোট আয়তন ১৮২.৯ বর্গ কিমি (৭০.৬ বর্গ মাইল) এবং ২০০০ সালের তথ্যমতে মোট জনসংখ্যা ২,৪৬৫,৩২৬। এর জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোন একক শহর থেকে বেশি, অবশ্য সমগ্র নিউ ইয়র্ক শহর বা লস অ্যাঞ্জেল্‌সশিকাগো শহর ধরলে এটি চতুর্থ হয়ে যায়। ১৮৯৮ সালের আগে এটি যখন পৃথক মিউনিসিপ্যালিটি ছিল তখন এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহৎ শহর ছিল।
  • স্টেটেন দ্বীপ: তৃতীয় বৃহৎ বরো এবং এর জনসংখ্যা সবচেয়ে কম। এটি আপার ঊর্ধ্ব নিউ ইয়র্ক বে এবং নিম্ন নিউ ইয়র্ক বে'র সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভৌতভাবে এটি প্রধানত নিউ জার্সির বেশি কাছে অবস্থিত। নিউ জার্সির সাথে চারটি সেতুর মাধ্যমে এটি যুক্ত। নিউ ইয়র্ক সিটির সাথে এর সংযোগ সাধন করে কেবল ভেরাজানো-ন্যারোস সেতু এবং বিখ্যাত স্টেটেন দ্বীপ ফেরী। এর মোট আয়তন ১৫১.৫ বর্গ কিমি (৫৮.৫ বর্গ মা)। সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত এই বরোর জনসংখ্যা ২০০০ সালের তথ্য মোতাবেক ৪৪৩,৭২৯ যা পুরো শহরের জনসংখ্যার শতকরা মাত্র ৫ ভাগ।
  • ব্রঙ্ক্‌স: চতুর্থ বৃহৎ এবং সর্ব উত্তরের বরো। কেবল এই বরোটিই আমেরিকার মূল ভূমিতে অবস্থিত। অবশ্য এর তিন দিকেও রয়েছে পানি। তিন দিকের জলাশয়গুলো হল পূর্বে লং আইল্যান্ড সাউন্ড, দক্ষিণে হারলেমইস্ট রিভার এবং পশ্চিমে হাডসন নদী। সর্বমোট আয়তন ১০৯ বর্গ কিমি (৪২ বর্গ মা) এবং ২০০০ সালের তথ্য মোতাবেক মোট জনসংখ্যা ১,৩৩২,৬৫০।
  • ম্যানহাটন: পাঁচটি বরোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম। এর অপর নাম নিউ ইয়র্ক কাউন্টি। মূলত ম্যানহাটন দ্বীপ নিয়ে গঠিত হলেও গভর্নর্‌স দ্বীপ, রান্ডাল্‌স দ্বীপ, ওয়ার্ডস দ্বীপ, রুজভেল্ট দ্বীপ, উথান্ট দ্বীপ এবং মার্বল হিল (ব্রঙ্ক্‌স'র মূল ভূমির প্রান্তে অবস্থিত একটি এনক্লেভ) এই শহরের অন্তর্ভুক্ত। মোট আয়তন ৫৯.৫ বর্গ কিমি (২৩ বর্গ মা) এবং ২০০০ সালের তথ্য মোতাবেক মোট জনসংখ্যা ১,৫৩৭,১৯৫। ১৯১০ সালে এই শহরের জনসংখ্যা ছিল ২.৩ মিলিয়ন যা ১৯৮০ সাল নাগাদ কমে গিয়ে ১.৪ মিলিয়নে দাঁড়ায়। এরপর কিছুটা বেড়েছে। ম্যানহাটনই মূলত নিউ ইয়র্ক শহরের প্রাণ। এখানেই এর বিখ্যাত সব গগনচুম্বী দালানের অধিকাংশ অবস্থিত যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হচ্ছে এম্পায়ার স্টেট দালান (১৯৩১), ক্রিস্‌লার দালান (১৯৩০) এবং সিটিকর্প সেন্টার (১৯৭৭)। ১০১ তলা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দালান যুগল এই দ্বীপেই অবস্থিত ছিল। নিউ ইয়র্কের নগরায়িত অঞ্চলের মধ্যে এটিই সবচেয়ে প্রাচীন, ঘন এবং সুগঠিত।[২৮]

সেপ্টেম্বর ১১, ২০০১ এর হামলা[সম্পাদনা]

শহরটি সেপ্টেম্বর ১১, ২০০১ এর সন্ত্রাসী হামলায় জাতীয় ও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের জোড়া টাওয়ারে বিমান আঘাতের প্রেক্ষাপটে প্রায় তিন হাজার ব্যক্তি প্রাণ হারান।[২৯] ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এলাকায় নতুন কমপ্লেক্সে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, ন্যাশনাল সেপ্টেম্বর ১১ মেমোরিয়াল এন্ড মিউজিয়াম এবং তিনটি অন্যান্য দাপ্তরিক টাওয়ার নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রথম ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে এবং ২০১৪ সালে উদ্বোধন করা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।[৩০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "US Gazetteer files: 2010, 2000, and 1990"United States Census Bureau। ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৩, ২০১১ 
  2. the Mayor, New York City Office of (জানুয়ারি ৮, ২০১০)। "Biography"। New York, City of। মার্চ ১৭, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৮, ২০১০ 
  3. "US Board on Geographic Names"United States Geological Survey। জুন ২৩, ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৩১, ২০০৮  Search for feature ID 975772.
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; MetroEst নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. "Annual Estimates of the Resident Population: April 1, 2010 to July 1, 2017 – Combined Statistical Area; and for Puerto Rico – 2017 Population Estimates"। U.S. Census Bureau। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৭, ২০১৮ 
  6. Community Facts for New York city, New York, United States Census Bureau. Accessed May 26, 2017.
  7. Bureau, U.S. Census। "American FactFinder – Results"factfinder.census.gov (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ মে ২৬, ২০১৭ 
  8. "State & County QuickFacts – Kings County (Brooklyn Borough), New York"। United States Census Bureau। ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৪, ২০১৬ 
  9. "NowData - NOAA Online Weather Data"National Oceanic and Atmospheric Administration। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-১০ 
  10. Quick Facts for New York city, New York, United States Census Bureau. Accessed February 9, 2017.
  11. Stormwater আর্কাইভ January 25, 2017, at the Wayback Machine., New York City Department of Environmental Protection. Accessed February 9, 2017. "These impervious surfaces cover approximately 72% of New York City’s 305 square miles in land area and generate a significant amount of stormwater."
  12. "New York City's Population Hits a Record 8.6 Million"New York Times। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২২, ২০১৮ 
  13. Mike Maciag (অক্টোবর ২, ২০১৩)। "Mapping the Nation's Most Densely Populated Cities"। Governing – The States and Localities। আগস্ট ২৭, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৭, ২০১৬ 
  14. [১] Accessed June 26, 2017.
  15. "Say what?", The Economist, Septembr 10, 2011  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  16. Robert P. Jones (13 April, 2016), Religion in New York City’s Five Boroughs, Public Religion Research Institute  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  17. "Statue of Liberty"World Heritage। UNESCO World Heritage Centre 1992–2011। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৩, ২০১১ 
  18. "United States History – History of New York City, New York"। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৯, ২০১২ 
  19. "KINGSTON Discover 300 Years of New York History DUTCH COLONIES"। National Park Service, U.S. Department of the Interior। সংগ্রহের তারিখ মে ১০, ২০১১ 
  20. "The Nine Capitals of the United States"United States Senate। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৭, ২০০৮ 
  21. "Rank by Population of the 100 Largest Urban Places, Listed Alphabetically by State: 1790–1990"। U.S. Census Bureau। জুন ১৫, ১৯৯৮। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৮, ২০০৯ 
  22. "Statue of Liberty"। A&E Television Networks, LLC। সংগ্রহের তারিখ মে ২১, ২০১১ 
  23. "Venture Investment – Regional Aggregate Data"। National Venture Capital Association and PricewaterhouseCoopers। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২২, ২০১৬ 
  24. Matt Flegenheimer (মার্চ ২৩, ২০১৬)। "Ted Cruz Deplores 'Liberal, Left-Wing Values' While Lobbying for New York Votes"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২২, ২০১৬ 
  25. "The Latest: China Hopes US Joins Climate Deal Quickly"The New York Times। Associated Press। এপ্রিল ২২, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২২, ২০১৬ 
  26. Lisa Foderaro (সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৪)। "Taking a Call for Climate Change to the Streets"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২২, ২০১৬ 
  27. Kristine Phillips (জুলাই ৮, ২০১৭)। "New York mayor on Germany trip: The world should know that Americans don't align with Trump"The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৯, ২০১৭ 
  28. New York (city), মাইক্রোসফ্‌ট এনকার্টা ২০০৬। মূল নিবন্ধ থেকে তথ্য নিয়ে বাংলায় লিখা হয়েছে।
  29. "2008 9/11 Death Toll"। Associated Press। জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৯-১১ 
  30. "Report: WTC Faces Up To 3-Year Delay"Associated Press via New York Post.। New York, New York। জুন ৩০, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৭-০৫ [অকার্যকর সংযোগ]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  • NYC.gov - official website of the city (ইংরেজি)
  • NYCvisit.com - Official tourism website of New York City (ইংরেজি)