কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশের জংশন রেলওয়ে স্টেশন
Kulaura Junction Bangladesh 45.JPG
অবস্থানকুলাউড়া উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলা
সিলেট বিভাগ
 বাংলাদেশ
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালিতবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইন
ট্রেন পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল
অন্য তথ্য
অবস্থাসচল
অবস্থান


কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন হচ্ছে বাংলাদেশের একটি জংশন রেলওয়ে স্টেশন যা মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে সেকশনের সিলেট বিভাগে পাঁচটি জংশন ছিল, তার মধ্যে অন্যতম জংশন এটি।

কুমিল্লা–আখাউড়া–কুলাউড়া–বদরপুর রেলপথ অংশ ১৮৯৬–৯৮-এ চালু করা হয় এবং ১৯০৩ সালে লামডিং পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়।[১][২][৩]

কুলাউড়া–সিলেট রেলপথ অংশটি ১৯১২–১৫ সালে উদ্বোধন করা হয়। এর ফলে পরবর্তীতে কুলাউড়া–সিলেট রেলপথ চালু হলে তৎকালীন কুলাউড়া স্টেশনটি জংশন স্টেশনে রুপান্তরিত হয়।

রেলপথ[সম্পাদনা]

কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশনটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথের অন্তর্ভুক্ত। এই স্টেশন থেকে তিনটি দিকে রেলপথ গেছে, যথা: পশ্চিম-উত্তরে কুলাউড়া–সিলেট রেলপথ, দক্ষিণ-পশ্চিমে কুলাউড়া–শায়েস্তাগঞ্জ রেলপথ, এবং পূর্ব-উত্তরে কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথ।

কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথটির দৈর্ঘ্য ৪২ কিলোমিটার।[৪] কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথে মোট ৭টি স্টেশন রয়েছে (কুলাউড়া জংশন বাদে), এর মধ্যে জুড়ী, ধামাই, দক্ষিণভাগ, কাঁঠালতলী, বড়লেখামুড়াউল রেলওয়ে স্টেশন অন্তর্ভুক্ত।[৪] এখানে উল্লেখ্য যে, পূর্বে শাহবাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের সাথে ভারতের মহিশাষণ রেলওয়ে স্টেশনের সংযোগ ছিল।[৫] ১৯৮৮ সালে রেলপথটি ট্রেন চলাচলের অনুপযোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়।[৪] এর ১৪ বছর পর ২০০২ সালের ৮ জুলাই এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।[৪]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

স্টেশনটিতে লোকো শেড, রেলওয়ে হাসপাতাল, রেস্ট হাউস ও যাত্রী বিশ্রামাগার রয়েছে।[৬]

দুর্ঘটনা[সম্পাদনা]

  • ২৮/০৩/২০১৮: দুপুর আড়াইটার দিকে কুলাউড়া ও বরমচাল রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যবর্তী আনফানাই রেল সেতুর কাছে তেলবাহী ট্রেনের একটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হয়।[৭]
  • ১৯/০৭/২০১৯: দুপুর ১২টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্মের উত্তর পাশে প্রবেশের আগ মুহূর্তে লাইনচ্যুত হয়। এ সময় আতংকিত যাত্রীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করলে প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ফিদা, কাজী আবুল (২০১২)। "রেলওয়ে"ইসলাম, সিরাজুল; জামাল, আহমেদ এ.। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (দ্বিতীয় সংস্করণ)। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি 
  2. "Report on the administration of North East India (1921–22)"পৃ- ৪৬। গুগোল বই/ মিত্তাল পাবলিশার্স ডিস্ট্রিবিউশন। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  3. এস.এন.সিংহ, অমরেন্দ্র নারায়ণ, পূর্ণেন্দু কুমার। "Socio Economic and Political Problems of Tea Garden Workers: A Study of Assam, Published 2006, ISBN 81-8324-098-4"পৃ- ১০৫। মিত্তাল পাবলিকেশন্স, নয়া দিল্লী। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  4. "সংস্কারে প্রকল্প নেওয়া হলেও আটকে আছে অনুমোদন"প্রথম আলো। ২০১৫-০২-১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২১ 
  5. "ভূগোল– আন্তর্জাতিক"IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  6. "কুলাউড়া রেল স্টেশনের অনিয়ম দেখে-শোনে গেলেন পরিদর্শক"Sylhet Voice। ২০২০-০৩-০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২১ 
  7. "কুলাউড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ"সিল্কসিটি নিউজ। ২০১৮-০৩-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২১ 
  8. "কুলাউড়া রেল স্টেশ‌নে জয়‌ন্তিকা ট্রেন লাইনচ্যুত, ২০ যাত্রী আহত"shershanews.com। ২০১৯-০৭-১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন