টম ক্রুজ
টম ক্রুজ | |
|---|---|
২০১৯ সালে টম ক্রুজ | |
| জন্ম | চতুর্থ টমাস ক্রুজ মেপথার ৩ জুলাই ১৯৬২ |
| পেশা | অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক, পরিচালক |
| কর্মজীবন | ১৯৮১-বর্তমান |
উল্লেখযোগ্য কর্ম | চলচ্চিত্রের তালিকা |
| দাম্পত্য সঙ্গী | মিমি রজার্স (বি. ১৯৮৭; বিচ্ছেদ. ১৯৯০) নিকোল কিডম্যান (বি. ১৯৯০; বিচ্ছেদ. ২০০১) কেটি হোমস (বি. ২০০৬; বিচ্ছেদ. ২০১২) |
| সন্তান | ৩ |
| আত্মীয় | উইলিয়াম মেপথার (চাচাতো ভাই) |
| পুরস্কার | পূর্ণ তালিকা |
| ওয়েবসাইট | টমক্রুজ.কম |
| স্বাক্ষর | |
টম ক্রুজ (জন্ম: চতুর্থ টমাস ক্রুজ মেপথার /ˈtɒməs
তার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯ বছর বয়সে এন্ডলেস লাভ (১৯৮১) চলচ্চিত্র দিয়ে। ট্যাপ্স (১৯৮১) ও দ্য আউটসাইডার্স (১৯৮৩) চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের পরে ক্রুজ প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র রিস্কি বিজনেস (১৯৮৩)-এ প্রথম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান এবং সাফল্য লাভ করেন। ক্রুজ মারপিট-নাট্যধর্মী টপ গান (১৯৮৬) চলচ্চিত্রের সাফল্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ তারকা হয়ে ওঠেন এবং এটি তাকে যৌন আবেদনের প্রতীক হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়।[৯] তিনি আশির দশকে নাট্যধর্মী দ্য কালার অব মানি (১৯৮৬), রেইন ম্যান (১৯৮৮) ও বর্ন অন দ্য ফোর্থ অব জুলাই (১৯৮৯)-এ অভিনয় করে সমাদৃত হন। শেষোক্ত চলচ্চিত্রে রন কোভিচ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
নব্বইয়ের দশকেও হলিউডের শীর্ষ এই তারকা কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে রয়েছে নাট্যধর্মী এ ফিউ গুড মেন (১৯৯২), রোমাঞ্চকর দ্য ফার্ম (১৯৯৩), ভীতিপ্রদ ইন্টারভিউ উইথ দ্য ভ্যাম্পায়ার (১৯৯৪), এবং ক্রীড়া হাস্যরসাত্মক-নাট্যধর্মী জেরি ম্যাগুইয়ার (১৯৯৬); শেষোক্ত চলচ্চিত্রের জন্য তিনি সঙ্গীতধর্মী বা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে দ্বিতীয় একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। ১৯৯৯ সালে ম্যাগনোলিয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি আরেকটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
ক্রুজ এরপর নিজেকে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ও মারপিটধর্মী চলচ্চিত্রের তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং প্রায়ই নিজে ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট করে থাকেন। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি মিশন: ইম্পসিবল চলচ্চিত্র ধারাবাহিকের আটটি চলচ্চিত্রে ইথান হান্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন।[১০] এছাড়া তিনি ভ্যানিলা স্কাই (২০০১), মাইনরিটি রিপোর্ট (২০০২), দ্য লাস্ট সামুরাই (২০০৩), কোল্যাটেরাল (২০০৪), ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস (২০০৫), নাইট অ্যান্ড ডে (২০১০), জ্যাক রিচার (২০১২), অবলিভিয়ন (২০১৩), এজ অব টুমরো (২০১৪) ও টপ গান: ম্যাভরিক (২০২২) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
শৈশবকাল
[সম্পাদনা]ক্রুজ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাইরেকিউজে জন্মগ্রহণ করেন।[১১] তার মা মেরি লি একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন।[১২] ১৯৮৪ সালে মৃত্যুবরণকারী বাবা ৩য় থমাস ক্রুজ ম্যাপোথার ছিলেন একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।[১৩]
টম ক্রুজের পূর্বপুরুষগণ ছিলেন - জার্মান, আইরিশ এবং ইংরেজ গোত্রের।[১৪] দারিদ্র্যের মধ্যে ক্যাথলিক পরিবারে রাগী ও কটুভাষী পিতার কঠোর অনুশাসনে তিনি বড় হন। এর ফলে তিনি পিতাকে অভিহিত করেন একজন বিশৃঙ্খল ব্যবসায়ী হিসেবে।[১৫]
ক্যারিয়ার
[সম্পাদনা]অভিনয়
[সম্পাদনা]১৯৮১ সালে ক্রুজ এন্ডলেস লাভ এবং ট্যাপস চলচ্চিত্রে সহকারী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। এরপর তিনি একটি সামরিক বিদ্যালয়ের মাথা পাগল ছাত্রের চরিত্রেও অভিনয় করেছিলেন।
১৯৮৩ সালে লসইন' ইট শীর্ষক কমেডি ধাঁচের চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। ঐ একই বছরে অল দ্য রাইট মুভস এবং রিস্কি বিজনেস চলচ্চিত্রের মাধ্যমে টম ক্রুজের বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবনে সাফল্য গাঁথা শুরু হয়।[১৬] এরপর ১৯৮৬ সালের টপ গান চলচ্চিত্র তাকে পুরোপুরি তারকা খ্যাতির মর্যাদা এনে দেয়। এরপর দ্য কালার অব মানি ঐ বছরই মুক্তি পায়। অসাধারণ অভিনয়শৈলীর জন্য তিনি পল নিউম্যানের সাথে যৌথভাবে একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে তাকে ককটেল ছবিতে অভিনয়ের জন্য র্যাজি এ্যাওয়ার্ড ফর ওর্স অ্যাক্টর হিসেবে মনোনীত করে।
প্রযোজনা
[সম্পাদনা]প্রযোজক হিসেবেও ভালো মুন্সিয়ানার পরিচয় রেখেছেন টম ক্রুজ। মিশন ইম্পসিবল সিরিজটি ছবিটি তারই উদাহরণ। ২০০৫ সালে হলিউড সাংবাদিক এডওয়ার্ড জে এপস্টিন দাবি করেন, খুব কমসংখ্যক প্রযোজক আছেন, যিনি টম ক্রুজের মতো বিলিয়ন-ডলার চুক্তির চলচ্চিত্রে সাফল্যের নিশ্চয়তা দিতে পারেন। ক্রুজ/ওয়াগনার প্রডাকশনস ক্রুজ ও তার অংশীদার ওয়াগনারের ফিল্ম প্রোডাকশন কোম্পানি।
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]রিস্কি বিজনেস চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় সহ-তারকা রেবেকা ডি মোর্নের সাথে টম ক্রুজের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। নিউইয়র্কে তারা ১৯৮৩-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত একত্রে বসবাস করতেন।[১৭][১৮][১৯][২০]
৯ মে, ১৯৮৭ সালে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মিমি রজার্সকে বিয়ে করেন তিনি। পরবর্তীতে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ সালে তাদের মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে।[২১] ডেজ অব থান্ডার চলচ্চিত্রের সেটে ক্রুজের সাথে নিকোল কিডম্যানের প্রথম দেখা হয়। তারা ১৯৯০ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিয়ে করেন। এ সংসারে ইসাবেলা জেন (জন্মঃ ডিসেম্বর, ১৯৯২) এবং কনর এন্টনী (জন্মঃ জানুয়ারি, ১৯৯৫) নামের দুই সন্তান রয়েছে।[২১]২০০১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ভ্যানিলা স্কাই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় অভিনেত্রী পেনেলোপি ক্রুজের সাথে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তিন বছরের সম্পর্কটি ২০০৪ সালে ভেঙ্গে যায়।[২২]
পরবর্তীতে ১৮ই নভেম্বর, ২০০৬ তিনি অভিনেত্রী কেটি হোমসকে বিয়ে করেন।[২৩] ২০১২ সালে হোমস বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন।[২৪][২৫] একই বছর তাদের উকিলের মাধ্যমে বিচ্ছেদটি চুড়ান্ত হয়।
সায়েন্টোলজি
[সম্পাদনা]চার্চ অব সায়েন্টোলজির প্রতি টম ক্রুজের এক ধরনের অন্ধ বিশ্বাস ছিল। ক্রুজ ‘সায়েন্টোলজিকে’ ইউরোপে ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচার চালিয়ে এই বিতর্কের জন্ম দেন। প্রথম স্ত্রী মিমি মিমি রজার্সের মাধ্যমেই ক্রুজ সায়েন্টোলজির সাথে জড়িত হন। অনেকেই মনে করেন সায়েন্টোলজি তার ক্যারিয়ারে খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আবার সায়েন্টোলজি ধর্মে বিশ্বাস করার জন্যও সর্বাধিক পরিচিত তিনি।
সম্মাননা
[সম্পাদনা]জনপ্রিয়তা
[সম্পাদনা]পিপল ম্যাগাজিন পত্রিকায় তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ব্যক্তির মর্যাদা লাভ করেন। ১৯৯০, ১৯৯১ এবং ১৯৯৭ সালে তিনি ৫০ জন ব্যক্তির একজন হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে এম্পায়ার ম্যাগাজিন তাকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১০০ জন আবেদনময় পুরুষ তারকা হিসেবে তাদের তালিকায় স্থান দেয়। এর দু'বছর পর পত্রিকাটি সর্বকালের সেরা পাঁচ জনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০২ এবং ২০০৩ সালে তিনি প্রিমিয়ার ম্যাগাজিন কর্তৃক বার্ষিক আকারে প্রকাশিত পাওয়ার হান্ড্রেড তালিকায় শীর্ষ ২০-এ স্থান পান।[২১]
২০০৬ সালে প্রিমিয়ার ম্যাগাজিন টম ক্রুজকে হলিউডের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অভিনেতা হিসেবে মনোনীত করে; এতে তিনি ম্যাগাজিনের পাওয়ার হান্ড্রেড তালিকায় ত্রয়োদশ স্থান দখল করেন।[২৬][২৭] একই বছর ফোর্বস সাময়িকী তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর চিত্রতারকার আসনে অভিষিক্ত করে।[২৮]
টম ক্রুজ ডে
[সম্পাদনা]১০ অক্টোবর, ২০০৬ সালে জাপানে টম ক্রুজ ডে হিসেবে পালন করা হয়। জাপান মেমোরিয়াল ডে এসোসিয়েশন বিশেষ দিবস হিসেবে তার এ অর্জনের জন্য বলেছে যে, টম ক্রুজ অন্য যে কোন হলিউড তারকার তুলনায় তিনি জাপানে অধিকবার ভ্রমণ করেন।[২৯]
পুরস্কার
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Will Tom Cruise Be the Last Real Movie Star?"। এস্কোয়্যার। ২৫ মে ২০২২। ১৮ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "From 'Top Gun' to Hollywood icon: The best of Tom Cruise through the years"। ইয়াহু! ফাইন্যান্স। ২৭ মে ২০২২। ১৮ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ রাধাকৃষ্ণন, মঞ্জুষা (২৬ জুন ২০২৩)। "Hollywood icon Tom Cruise swoops down Abu Dhabi for 'Mission: Impossible—Dead Reckoning, Part One' premiere"। গাল্ফ নিউজ। ৩১ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ ডেভিস, ক্লেটন (১৭ জুন ২০২৫)। "Tom Cruise, Dolly Parton, Debbie Allen and Wynn Thomas to Be Presented Honorary Oscars"। ভ্যারাইটি। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ ল্যামারস, টিম। "Tom Cruise Among Honorary Oscar Recipients At Sunday's Academy Governors Awards"। ফোর্বস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Tom Cruise"। দ্য নাম্বারস। ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Top 100 Stars in Leading Roles at the Worldwide Box Office"। দ্য নাম্বারস। ১৫ জুন ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ ব্লক, অ্যালেক্স বেন; উইলসন, লুসি অট্রি, সম্পাদকগণ (২০১০)। George Lucas's Blockbusting: A Decade-By-Decade Survey of Timeless Movies Including Untold Secrets of Their Financial and Cultural Success। হার্পারকলিন্স। পৃ. ৬১৬–৬১৭, ৭১৪–৭১৫, ৮২৪–৮২৫ & ৮৩২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৬-১৭৭৮৮৯-৬।
- ↑ বামব্রে, ক্রিস (১৯ মার্চ ২০২৩)। "Cocktail: Revisiting Tom Cruise as the world's greatest bartender"। জোব্লো।
- ↑ চুবা, কার্স্টেন (১৯ মে ২০১৫)। "Tom Cruise Intends to Keep Making Movies Into His 100s: 'I Will Never Stop'"। দ্য হলিউড রিপোর্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Cruise's Family Tree Treat"। ১৩ জানুয়ারি ২০০৪। ১০ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Being Tom Cruise"। TIME। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Tom Cruise Biography"। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Ancestry of Tom Cruise"। Wargs.com। ২৭ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "I Can Create Who I Am"। Parade। ৯ এপ্রিল ২০০৬। ১২ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Risky Business Rotten Tomatoes"। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ TCM biography of De Mornay
- ↑ "Yahoo biography of De Mornay"। Sg.movies.yahoo.com। ১৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Cruise Control"। Vh1। ২৭ মে ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "MovieMotel biography of De Mornay"। Moviemotel.com। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - 1 2 3 ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে Tom Cruise (ইংরেজি)
- ↑ ক্যাগল, জেস (২৫ এপ্রিল ২০০৪)। "Tom & Penelope Split After 3 Years"। পিপল। টাইম ওয়ার্নার ইনক.। ১ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০১৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Tom Cruise, Katie Holmes to divorce"। CNN Entertainment। ২৯ জুন ২০১২। ২৯ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১২।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Heyman, J.D. (২৯ জুন ২০১২)। "Tom Cruise and Katie Holmes Are Divorcing"। People। ২৯ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১২।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Power LIst 2006"। Premiere। জুন ২০০৬। ২০ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Power List 2006 13) Tom Cruise"। Premiere। জুন ২০০৬। ২০ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Tom Cruise ranked 1 among The Top 100 Celebrities In 2006"। Forbes। ১ মে ২০০৭। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Tom Cruise Day"। Hollywood.com। ৮ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|অকার্যকর-ইউআরএল=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
- ফেসবুকে টম ক্রুজ
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে টম ক্রুজ (ইংরেজি)
- টম ক্রুজ - ইয়াহু মুভিজ
- কার্লিতে টম ক্রুজ (ইংরেজি)
- Transcript of the Matt Lauer interview
- Rolling Stone Interview: "The Passion of the Cruise"; 08/11/04 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে
- Tom Cruise at Rotten Tomatoes ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ আগস্ট ২০০৭ তারিখে
- টম ক্রুজ
- ১৯৬২-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা
- মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা
- আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- কানাডায় মার্কিন প্রবাসী
- জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- নিউ জার্সির অভিনেতা
- নিউ ইয়র্কের অভিনেতা
- প্রাক্তন রোমান ক্যাথলিক
- মার্কিন বৈমানিক
- একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কার বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেতা - সঙ্গীতধর্মী বা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র) বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেতা - নাট্য চলচ্চিত্র) বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা পার্শ্ব অভিনেতা - চলচ্চিত্র) বিজয়ী
- স্যাটেলাইট পুরস্কার বিজয়ী
- স্যাটার্ন পুরস্কার বিজয়ী
- ফোর্বস সাময়িকী মনোনীত