জাপান সাম্রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাপান সাম্রাজ্য

大日本帝国
১৮৬৮-১৯৪৭
জাপানের জাতীয় পতাকা
পতাকা
জাপানের
জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
সঙ্গীত: কিমিগায়ো
জাপান সাম্রাজ্য (১৯৪২ সালে)
জাপান সাম্রাজ্য (১৯৪২ সালে)
রাজধানীকিয়োতো(১৮৬৮-১৮৬৯)
টোকিও(১৮৬৯-১৯৪৭)
বৃহত্তম নগরীটোকিও
সরকারি ভাষাজাপানি ভাষা
স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাচীনা ভাষা
কোরীয় ভাষা
ধর্ম
শিন্তৌ ধর্ম
জাতীয়তাসূচক বিশেষণজাপানি
সরকার
সম্রাট 
• ১৮৬৮-১৯১২
মেইজি
• ১৯১২-১৯২৬
তাইশো
• ১৯২৬-১৯৪৭
শোয়া
প্রধানমন্ত্রী 
• ১৮৮৫-১৮৮৮ (প্রথম)
ইতৌ হিরোবুমি
• ১৯৪৬-১৯৪৭ (শেষ)
শিগেরু ইয়োশিদা
আইন-সভাডায়েট
ঐতিহাসিক যুগমেইজি যুগ • তাইশো যুগ • শোয়া যুগ
৩ জানুয়ারি ১৮৬৮
১৮৮৯
১৮৯৪
১৯০৪
১৯১৪
১৯৩১
১৯৩৭
১৯৪১
১৯৪৫
৩ মে ১৯৪৭
মুদ্রাজাপানি ইয়েন
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
তোকুগাওয়া শোগুনতন্ত্র
এজো প্রজাতন্ত্র
ফর্মোজা প্রজাতন্ত্র
কোরীয় সাম্রাজ্য
রুশ সাম্রাজ্য
জার্মান সাম্রাজ্য
প্রজাতন্ত্রী চীন (১৯১২-১৯৪৯)
ফরাসি ইন্দোচীন
ফিলিপাইন
নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ
ব্রিটিশ মালয়
ব্রিটিশ বোর্নিও
ব্রিটিশ ভারত
বার্মায় ব্রিটিশ শাসন
পর্তুগিজ তিমুর
জাপান
তাইওয়ান
উত্তর কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়া
জাপান ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য
বর্তমানে যার অংশ জাপান
 তাইওয়ান
 উত্তর কোরিয়া
 দক্ষিণ কোরিয়া
 চীন
 রাশিয়া
 ফিলিপাইন
 ইন্দোনেশিয়া
 মালয়েশিয়া
 সিঙ্গাপুর
 ব্রুনেই
 পূর্ব তিমুর
 পাপুয়া নিউ গিনি
 ভিয়েতনাম
 কম্বোডিয়া
 লাওস
 মিয়ানমার
 ভারত
 পালাউ
 মাইক্রোনেশিয়া যুক্তরাজ্য
 মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ

জাপান সাম্রাজ্য (大日本帝国, Dai Nippon Teikoku) ছিল ১৮৬৮ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত টিকে থাকা একটি শক্তিশালী জাতিরাষ্ট্র। ১৮৬৮ সালে মেইজি পুনর্গঠন এর মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ১৯৪৭ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এর পর জাপানের নতুন সংবিধান গৃৃহিত হলে এটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। সাম্রাজ্যটি জাপানের মূল ভূখণ্ড এবং উপনিবেশ, আশ্রিত রাষ্ট্র, প্রথম বিশ্বযুদ্ধত্তোর প্রাপ্ত অঞ্চলসমূহ ও অন্যান্য অধীনস্থ ভূখণ্ড নিয়ে অনেকটা বিস্তৃত হয়েছিল।

মেইজি পুনর্গঠন এর পর জাপান খুব দ্রুতই রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্য বিস্তারের লক্ষ্যে তৎকালীন চীন, রাশিয়া, তাইওয়ান, কোরিয়া, রিউকিউসহ অনেক দেশের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন অঞ্চল অধিকার করে নেয়। অবশেষে প্রথম বিশ্বযুদ্ধতে মিত্রশক্তির সাথে ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধতে অক্ষশক্তির সাথে যোগ দিয়ে জাপান এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশাল অংশের মালিকানা লাভ করে। এভাবেই জাপান বিশাল বড় সাম্রাজ্য তৈরি করে।

দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ (১৯৩৭-১৯৪৫)'র পর প্রাথমিকভাবে আন্তঃযুদ্ধ যুগ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিকে জাপান বিরাট আকারের সামরিক সাফল্য অর্জন করে ছিল। তবে ১৯৪২ সালের দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিডওয়ে যুদ্ধ (পার্ল হারবার আক্রমণ এর প্রতিশোধসরূপ জাপান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগর মিডওয়ে দ্বীপে পরিচালিত আমেরিকার একটি সামরিক অভিযান) ও গুয়াদানকানাল ক্যাম্পেইনের সময় জাপান প্রতিরক্ষামূকল অবস্থান গ্রহণে বাধ্য হয়। ধীরে ধীরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির প্রভাব বাড়তে থাকে এবং যুদ্ধের সময় জাপান যেসব অঞ্চল অধিকার করেছিল তা আস্তে আস্তে হারাতে শুরু করে। অবশেষে জাপানের মূল ভূখণ্ড সুরক্ষিত রেখে আমেরিকা জাপানের ইওয়ো জিমা ও ওকিনাওয়া দুটি প্রশাসনিক অঞ্চল দখল করে নেয়। এরপর হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা হামলাজাপানের আত্মসমর্পণ এর মধ্যে দিয়ে জাপান পুরোপুরি মিত্রশক্তির অধিনে চলে আসে।

১৯৪৭ সালে আমেরিকার হস্তক্ষেপে জাপানের নতুন সংবিধান গৃহীত হয় এবং জাপান সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিকভাবে অবসান ঘটে। তবে যুদ্ধত্তোর পুনর্গঠন ১৯৫২ সাল অবধি অব্যাহত ছিল যার ফলে বর্তমান সাংবিধানিক রাজতন্ত্রবাদী জাপান এর জন্ম হয়।

জাপান সাম্রাজ্যের তিনজন সম্রাট ছিলেন, যদিও হিরোহিতোর শাসনামল শেষ হওয়ার পূর্বেই সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে। তারা তিনজন হলেন- সম্রাট মেইজি (১৯৬৭-১৯১২) (মুৎসুহিতো), সম্রাট তাইশো (১৯১২-১৯২৬) (ইয়োশিহিতো) ও সম্রাট শোয়া (১৯২৬-১৯৮৯) (হিরোহিতো)।

নামটির ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

সাবেক এই দেশটিকে প্রায়শই "জাপান সাম্রাজ্য" বা "জাপানি সাম্রাজ্য" বলা হয়। ইংরেজিতে দেশটিকে বলা হয় "Empire of Japan" (বাংলা: জাপানের সাম্রাজ্য) বা "Imperial Japan" (বাংলা: রাজকীয় জাপান)। জাপানি ভাষাতে দেশটিকে ডাকা হয় "জাপানি: 大日本帝国"; রোমান হরফে- Dai Nippon Teikoku (বৃহত্তর জাপান সাম্রাজ্য) যেখানে, Dai অর্থ " বৃহত্তর" (ইংরেজি: Greater); Nippon অর্থ জাপান (জাপানি ভাষায়) Teikoku শব্দটিতে Tei- অর্থ "সম্রাটের" (ইংরেজি: Emperor's) আর -koku অর্থ "রাজ্য" বা "রাষ্ট্র" (ইংরেজি: State)। অর্থাৎ Dai Nippon Teikoku অর্থ "বৃহত্তর জাপান, সম্রাটের রাজ্য (সাম্রাজ্য)" বা "বৃহত্তর জাপান সাম্রাজ্য"।

পটভূমি[সম্পাদনা]

জাপানের উন্মুক্তকরণ[সম্পাদনা]

দুই শতাব্দী বিচ্ছিন্ন থাকার পর কানাগাওয়া কনভেনশনের মাধ্যমে এদো যুগের জাপান সরকার বিশ্বের সঙ্গে উন্মুক্ত বাণিজ্য করতে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় স্যার ম্যাথিউ পেরি ১৮৫৪ সালে আমেরিকা থেকে একটি জাহাজে করে জাপানে পৌঁছেন। জাপানিরা এই ঘটনাটিকে বলে বাকুমাৎসু, অর্থাৎ বাকুফু (শোগুনতন্ত্রের শাসন)’র সমাপ্তি।

পরবর্তী বছরগুলোতে জাপানের সাথে অন্যান্য দেশের বাণিজ্য ও মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে জাপানের বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই অসম চুক্তিগুলোর অবমাননাকর শর্তারোপের কারণে জাপানের তোকুগাওয়া শোগুনতন্ত্র শীঘ্রই অভ্যন্তরীণ বৈরিতার মুখে পড়ে ছিলো, যা একটি উগ্র, জেনোফোবিক আন্দোলনে রূপ নেয়, জাপানিরা যাকে বলে সোন্নো জোই (আক্ষরিক অর্থে "সম্রাটকে শ্রদ্ধা করো, বর্বরদের বহিষ্কার করো")।

১৮৬৩ সালের মার্চ মাসে সম্রাট বর্বরদের বহিষ্কার করার আদেশ জারি করেন। যদিও শোগুনতন্ত্রের আদেশ কার্যকর করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না, তবুও শোগুনতন্ত্র জাপানের বিদেশিদের আক্রমণকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। এদিকে ১৮৬২ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে "নামামুগি ঘটনা" (Namamugi Incident)টি ঘটে, যেখানে সাৎসুমার এক সামুরাইয়ের হাতে চার্লস লিনক্স রিচার্ডসন নামে এক ইংরেজ ব্যবসায়ী নিহত হন। ইংরেজরা এর বিচার দাবি করে। কিন্তু তোকুগাওয়া জাপানের সরকার পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করে এবং কোনো বিচার করেনি। এর প্রতিশোধ সরূপ ব্রিটিশ নৌবাহিনী জাপানের কাগোশিমা বন্দরে বোমা হামলা চালায় ১৮৬৩ সালে। শেষ পর্যন্ত তোকুগাওয়া (জাপান) সরকার রিচার্ডসনের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়।

এই ঘটনার পর তোকুগাওয়া শোগুনতন্ত্র অভ্যন্তরীণ ভাবে অনেকটাই দুর্বল হয়ে যায়। এরই মধ্যে ১৮৬৬ সালে তোকুগাওয়া জাপানের দুইটি শক্তিশালী সামান্ত বংশ সাৎসুমা বংশ ও চোশু বংশ শোগুনতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে, জাপানিরা যাকে বলে কিনমন ঘটনা। যদিও ১৮৬৮ সালে বিদ্রোহ দমন করা হয়, কিন্তু এতে শোগুনতন্ত্রের বিরাট আর্থিক ক্ষতি হয় ও বহু সৈন্য মারা যায়।

১৮৬৭ সালের শুরুর দিকে জাপানের সম্রাট কোমেই গুটিবসন্ত রোগে মৃত্যুবরণ করেন এবং স্থলাভিষিক্ত হন তার পুত্র, যুবরাজ মুৎসুহিতো (সম্রাট মেইজি)

১৮৬৭ সালের ৯ নভেম্বর জাপানের শেষ শোগুন তোকুগাওয়া ইয়োশিনোবু সরকারি চাপে পদত্যাগ করেন, যা শোগুনতন্ত্রের পতন ডেকে আনে। তবে ইয়োশিনোবুর পদত্যাগের ফলে সরকারের উচ্চ স্তরে নামমাত্র শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে ছিল, রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড অব্যাহত ছিল। তদুপরি, শোগুন নিয়ন্ত্রিত সরকার, বিশেষত তোকুগাওয়া পরিবার রাজনৈতিক শৃঙ্খলার একটি বিশিষ্ট শক্তি হিসাবে রয়েই গিয়েছিল এবং বহু কার্যনির্বাহী ধরে রেখেছিল।

৩ জানুয়ারি, ১৮৬৮ সালে কিয়োতোর রাজপ্রাসাদ অবরোধ করে এবং এরপরের দিন ১৫ বয়সী নবনির্বাচিত সম্রাট মেইজির বিখ্যাত পুনর্গঠন ঘোষণা করার দিন ছিল। রাজকীয় পরিষদের অধিকাংশই এই পুনর্গঠন প্রস্তাবের পক্ষে ছিল। কিন্তু সাৎসুমা বাহিনীর প্রধান সাইগো তাকামোরি রাজকীয় পরিষদকে হুমকি দিয়েছিল যেন এই পুনর্গঠন প্রস্তাব বর্জন করা হয় এবং ইয়োশিনোবুকে তার আগের পদে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

ইয়োশিনোবু ঘোষণা করে ছিলেন তিনি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দ্বারা আবদ্ধ নন এবং সম্রাটকে তা ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। সম্রাট ও তার পরিষদ এই প্রস্তাবে রাজি হননি। ফলে ইয়োশিনোবুর নেতৃত্বে থাকা সাৎসুমা ও চোশু বাহিনী দ্বারা দখলকৃত কিয়োতোতে আক্রমণ চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। সম্রাটের রাজকীয় বাহিনীও এর পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে। শুরু হয়ে যায় বিখ্যাত বোশিন যুদ্ধ

বোশিন যুদ্ধ[সম্পাদনা]

হাকোদাতে’এর যুদ্ধ (মে, ১৮৬৯ সালে)

বোশিন যুদ্ধ বা জাপানি বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। এই যুদ্ধে ইয়োশিনোবু তোকুগাওয়ার নেতৃত্বে থাকা সাৎসুমা-চোশু বাহিনীর সাথে সম্রাট-সমর্থিত রাজকীয় বাহিনীর যুদ্ধ হয়েছিল। প্রথম দিকে ইয়োশিনোবু কিয়োতোর রাজপ্রাসাদ দখলের উদ্দেশ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। যাইহোক, ইয়োশিনোবুর অধীনে থাকা সামান্ত-সমর্থিত বাহিনী ধীরে ধীরে যুদ্ধে পরাজয় বরণ করতে থাকে। মূলত তুলনামূলক কম সৈন্য সংখ্যা ও যথেষ্ট সমর্থন না পাওয়া তোকুগাওয়া বাহিনীর পরাজয়ের মূল কারণ। তোবা-ফুশিমি যুদ্ধের পর জাপানের বিভিন্ন স্থানে তোকুগাওয়ার সৈন্যরা আত্মসমর্পণ করতে থাকে। এদো বাহিনী (একটি সামান্ত-সমর্থিত বাহিনী)’র আত্মসমর্পণের পর ইয়োশিনোবু তোকুগাওয়া ব্যক্তিগতভাবে সম্রাটের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

সম্রাট মেইজির শাসনামল (১৮৬৮-১৯১২)[সম্পাদনা]

সম্রাট মেইজি

মেইজি পুনর্গঠন[সম্পাদনা]

সামাজিক শৃঙ্খলায় রূপান্তর[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক সংস্কার[সম্পাদনা]

অর্থনৈতিক উন্নতি[সম্পাদনা]

প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ[সম্পাদনা]

তাইওয়ান অধিকার[সম্পাদনা]

রুশ-জাপান যুদ্ধ[সম্পাদনা]

কোরিয়া অধিকার[সম্পাদনা]

সম্রাট তাইশোর শাসনামল (১৯১২-১৯২৬)[সম্পাদনা]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ[সম্পাদনা]

সাইবেরিয়া হস্তক্ষেপ[সম্পাদনা]

তাইশোর গণতন্ত্র[সম্পাদনা]

হিরোহিতোর শাসনামল (১৯২৬-১৯৩১)[সম্পাদনা]

জাপানে গণতন্ত্রের বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

সামরিকতন্ত্র[সম্পাদনা]

জাপানি জাতীয়তাবাদের বিকাশ[সম্পাদনা]

অর্থনৈতিক বিকাশ[সম্পাদনা]

হিরোহিতোর শাসনামল (১৯৩১-১৯৪০)[সম্পাদনা]

মাঞ্চুরিয়া অধিকার[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ[সম্পাদনা]

সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সংঘর্ষ[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ[সম্পাদনা]

ত্রিপাক্ষিক চুক্তি[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪০-১৯৪৫)[সম্পাদনা]

প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ[সম্পাদনা]

জাপানি বিজয়[সম্পাদনা]

যুদ্ধের দিক পরিবর্তন[সম্পাদনা]

জাপানের আত্মসমর্পণ[সম্পাদনা]

সাম্রাজ্যের অবসান[সম্পাদনা]

মিত্রশক্তির দখলে জাপান[সম্পাদনা]

শিক্ষা ও শাসনব্যবস্থা[সম্পাদনা]

অর্থনৈতিক ও কারিগরি উন্নতি[সম্পাদনা]

সামরিক ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

রূপরেখা[সম্পাদনা]

সম্রাটগণ[সম্পাদনা]

তালিকা

ক্রম রাজকীয় নাম প্রদত্ত নাম শৈশব নাম রাজত্ব যুগের নাম
০১ মেইজি তেন্নো
(明治天皇)
মুৎসুহিতো
(睦仁)
সাচি-নো-মিয়া
(祐宮)
১৮৬৮-১৯১২ মেইজি যুগ
০২ তাইশো তেন্নো
(大正天皇)
ইয়োশিহিতো
(嘉仁)
হারু-নো-মিয়া
(明宮)
১৯১২-১৯২৬ তাইশো যুগ
০৩ শোয়া তেন্নো
(昭和天皇)
হিরোহিতো
(裕仁)
মিচি-নো-মিয়া
(迪宮)
১৯২৬-১৯৮৯ শোয়া যুগ

পতাকা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]