সন্ত্রাসবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
১১ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে ঘটানো সন্ত্রাসবাদের ছবি

সন্ত্রাসবাদ (ইংরেজি: Terrorism) হল সন্ত্রাসের পদ্ধতিগত ব্যবহার যা প্রায়শই ধ্বংসাত্মক এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ঘটানো হয়। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সন্ত্রাসবাদের কোন বেধে দেওয়া সীমারেখা অথবা সঙ্গায়ন নেই।[১][২] প্রচলিত সঙ্গানুযায়ী যে সকল বিধ্বংসী কার্যকলাপ জনমনে ভীতির উদ্বেগ ঘটায়, ধর্মীয়, রাজনৈতিক অথবা নীতিগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কৃত রুচিবিরুদ্ধকাজ, ইচ্ছাপূর্বক সাধারণ জনগণের নিরাপত্তার বিষয় উপেক্ষা অথবা হুমকি প্রদান করা। আইন বহির্ভূত কার্যকলাপ এবং যুদ্ধকেও সন্ত্রাসবাদের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

ইউরোপোলের রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বে সন্ত্রাসীদের ৯৯.৬ শতাংশই অমুসলিম । [৩] ইসলাম ফোবিয়ার কারণে ব্যাপকভাবে দাবী করা হয়, ‘সব মুসলমান সন্ত্রাসী নয়, তবে (প্রায়) সব সন্ত্রাসীই মুসলমান’। অথচ বাস্তব পরিসংখ্যানে কোন কোন উৎসাহী মহলের এই প্রচারণার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রই পাওয়া গেছে। [৪]ইউরোপ ও আমেরিকার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিশ্বের মোট সন্ত্রাসী ঘটনার ৫ শতাংশের জন্যও মুসলমানরা দায়ী নয়। এফবিআই’র সরকারী নথিপত্রের আলোকে এক গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত সব সন্ত্রাসী আক্রমণের মাত্র ৬ শতাংশের জন্য দায়ী মুসলমানরা। বাকী ৯৪ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল অন্যরা (ল্যাতিনরা ৪২ শতাংশ, চরম বামপন্থীরা ২৪ শতাংশ, চরমপন্থী ইহুদীরা ৭ শতাংশ, কমিউনিষ্টরা ৫ শতাংশ, অন্য গ্রুপগুলো ১৬ শতাংশ)। আর ইউরোপে মুসলিম সন্ত্রাসী এক শতাংশেরও কম। হেগভিত্তিক ইউরোপিয়ান পুলিশ অফিস তথা ইউরোপোলের ইইউ টেরোরিজম সিচুয়েশন অ্যান্ড ট্রেন্ড রিপোর্টে প্রকৃত সন্ত্রাসের এ বাস্তব চিত্র পাওয়া গেছে। [৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. সন্ত্রাসবাদ এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন