ক্লাউস কিন্‌স্কি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ক্লাউস কিন্‌স্কি
Klaus Kinski Cannes-(retouched-cropped).jpg
কান চলচ্চিত্র উৎসবে কিন্‌স্কি, ১৯৮০-এর দশকের শেষদিকে
জন্ম
ক্লাউস গুন্টার কার্ল নাকৎসিন্‌স্কি

(১৯২৬-১০-১৮)১৮ অক্টোবর ১৯২৬
ৎসোপোট, ডানৎসিগ শহর (বর্তমান পোল্যান্ড)
মৃত্যু২৩ নভেম্বর ১৯৯১(1991-11-23) (বয়স ৬৫)
মৃত্যুর কারণমায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কসন
নাগরিকত্বজার্মানি
পেশাঅভিনেতা
কার্যকাল১৯৪৭-১৯৮৯
দাম্পত্য সঙ্গীগিস্লিন্ডে কুবেক (বি. ১৯৫২; বিচ্ছেদ. ১৯৫৫)
ব্রিজিট রুথ টকি (বি. ১৯৬০; বিচ্ছেদ. ১৯৭১)
মিনহোই জেনভিভ লোয়ানিক (বি. ১৯৭১; বিচ্ছেদ. ১৯৭৯)
ডেবরা কাপ্রোগ্লিও (বি. ১৯৮৭; বিচ্ছেদ. ১৯৮৯)
সন্তানপোলা কিন্‌স্কি, নাস্টাসজা কিন্‌স্কি, নিকোলাই কিন্‌স্কি

ক্লাউস কিন্‌স্কি (জন্ম: ক্লাউস গুন্টার কার্ল নাকৎসিন্‌স্কি;[১] ১৮ অক্টোবর ১৯২৬ - ২৩ নভেম্বর ১৯৯১) ছিলেন একজন জার্মান অভিনেতা।[২][৩][৪] তিনি ১৩০-এর অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ভের্নার হের্ৎসগের কয়েকটি চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে আগুইয়ার, দ্য র‍্যাথ অব গড (১৯৭২), নসফেরাটু দ্য ভ্যাম্পায়ার (১৯৭৯), উৎসেক (১৯৭৯), ফিৎজকারাল্ডো (১৯৮২) ও কোব্রা ভের্ডে (১৯৮৭)। তিনি কয়েকটি স্পাঘেত্তি পশ্চিমা ধাঁচের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে ফর আ ফিউ ডলারস মোর (১৯৬৫), আ বুলেট ফর দ্য জেনারেল (১৯৬৬), দ্য গ্রেট সাইলেন্স (১৯৬৮), অ্যান্ড গড সেইড টু কেইন (১৯৭০), শুট দ্য লিভিং অ্যান্ড প্রে ফর দ্য ডেড (১৯৭১), এবং আ জিনিয়াস, টু পার্টনার্স অ্যান্ড আ ডুপ (১৯৭৫)।

কিন্‌স্কি তার কর্মজীবনে বিতর্কিত ছিলেন এবং শুটিং সেটে তার বদমেজাজের চিত্র হের্ৎসগের প্রামাণ্যচিত্র মাই বেস্ট ফ্রেন্ড-এ ওঠে এসেছে।[৫] তিনি পোলা, নাস্টাসজা ও নিকোলাই কিন্‌স্কির পিতা, তিনজন তার ভিন্ন তিন স্ত্রীয়ের সন্তান। তারা তিনজনই অভিনয়ে যোগ দেন এবং জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে কাজ করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ক্লাউস গুন্টার কার্ল নাকৎসিন্‌স্কি ১৯২৬ সালের ১৮ই অক্টোবর ডানৎসিগের (বর্তমান সোপট, পোল্যান্ড) ৎসোপটে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ব্রুনো নাকৎসিন্‌স্কি অপেরা গায়ক হিসেবে ব্যর্থ হওয়ার পর ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। তার মাতা সুজান লুৎজ ছিলেন একজন সেবিকা ও স্থানীয় যাজকের কন্যা।[৪] ক্লাউসের অন্য তিন ভাইবোনেরা হলেন ইঙ্গে, আর্নে ও হান্স-ইওয়াখিম।

মহামন্দার কারণে কিন্‌স্কির পরিবারের ডানৎসিগে জীবন ধারণ দুর্বিষহ হয়ে ওঠে এবং তারা ১৯৩১ সালে তারা বার্লিনে চলে যায়, সেখানে তাদের সংগ্রাম করতে হয়। তারা শ্যোনেবার্গ জেলার ওয়ার্টবুর্গস্ট্রাব থ্রি এলাকায় একটি ফ্লাটে বসবাস শুরু করে এবং জার্মান নাগরিকত্ব গ্রহণ করে।[৪] ১৯৩৬ সালে কিন্‌স্কি শ্যোনেবার্গের প্রিনৎস-হাইনরিখ-জিমনেসিয়ামে ভর্তি হন এবং সেখানে পড়াশোনা করেন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. হ্যারিওয়েল, লরি (১৯৯৭)। Halliwell's filmgoer's companion (১২তম সংস্করণ)। লন্ডন: হারপার কলিন্স। আইএসবিএন 9780002557986 
  2. ডেভিড ২০০৮, পৃ. ১০-১৩।
  3. গেয়ার, পিটার (২০০৬)। Klaus Kinski: Leben, Werk, Wirkung। ফ্রাঙ্কফুর্ট: সুরকাম্প। আইএসবিএন 3-518-18220-X 
  4. ওয়াইজ ও ব্যারন ২০০২, পৃ. ১০৫।
  5. জ্যাকসন, প্যাট্রিক (৯ জানুয়ারি ২০১৩)। "Klaus Kinski 'was child abuser'"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৮ 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • ওয়াইজ জুনিয়র, জেমস ই.; ব্যারন, স্কট (২০০২)। International Stars at War। আনাপোলিস: নেভাল ইনস্টিটিউট প্রেস। পৃষ্ঠা ১০৫–১০৭। আইএসবিএন 1-55750-965-4 
  • ডেভিড, ক্রিস্টিয়ান (২০০৮)। Kinski. Die Biographie (১ম সংস্করণ)। বার্লিন: আউফবাউ-ভেরলাগ। আইএসবিএন 978-3-7466-2434-1 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]