ভিডিও গেম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ভিডিও গেম্‌স হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক গেম্‌স যা ব্যবহারকারীর সাথে ভিডিও ডিভাইজে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া জন্মায়। ভিডিও গেম্‌সকে আজকাল তার জনপ্রিয়তার জন্যে যন্ত্রে ডিস্‌প্লে ডিভাইজ ব্যবহৃত হয়। ভিডিও গেম্‌স খেলার জন্য যে সকল ইলেকট্রনিক সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় প্লাটফর্ম। যেমন পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ভিডিও গেম কনসোল। তাছাড়া ভিডিও গেম্‌স ব্যবহৃত হয় ইনপুট ডিভাইজ। যেমন পি.এস.পিতে খেলার জন্য ব্যবহৃত গেম কন্ট্রোলার, জয়স্টিক। কম্পিউটারে খেলার জন্য কী-বোর্ড ও মাউজ ব্যবহৃত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভিডিও গেমের ইতিহাস জন্য ফিরে যেতে হবে ১৯৪০-এর দশকে, যখন থমাস টি. গোল্ডস্মিথ জুনি. এবং এস্টেল রে ম্যানন কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের প্যাটেন্টে আবেদন করে একটি আবিস্কারের জন্য যা তারা বর্ণনা করে ''বিনোদনমূলক ক্যাথোড রে টিউব ডিভাইস''। কিন্তু ভিডিও গেম জনপ্রিয়তায় পৌছায় না সত্তুর আশির দশকের আগে যতদিননা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ '''আর্কেড গেম্‌স''', কনসোল গেম্‌স, হোম কম্পিউটার গেমস্ এর সাথে পরিচিত হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত, ভিডিও গেম বিনোদনের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম এবং আধুনিক সংস্কৃতির অঙ্গ। ২০১৩ পর্যন্ত আট প্রজন্মের ভিডিও গেম কনসোল রয়েছে।

মূল প্লাটফর্মসমূহ[সম্পাদনা]

কম্পিউটার গেম্‌স[সম্পাদনা]

যেসব গেম্স সাধারণত কম্পিউটারে খেলা হয়ে থাকে তাকে কম্পিউটার গেম্স বলে। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারে গেমস খেলা, বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাধারণত গেম সফটওয়্যার হিসেবে থাকে। এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড অথবা কিনে খেলা যায়। এছাড়াও গেমসের বিভিন্ন সিডি বা ডিক্স পাওয়া যায়। বিভিন্ন অনলাইন গেমস রয়েছে।

আর্কেড গেম্‌স[সম্পাদনা]

আর্কেড গেম্‌স (ইংরেজি ভাষায়: Arcade game) (অথবা কয়েন-অপ) হচ্ছে মুদ্রা-চলিত বিনোদন-মূলক যন্ত্র, যা সাধারণত শুঁড়িখানা এবং প্রভৃতি বিনোদন দানকারী স্থাপনা(য়) স্থলভিষিক্ত থাকে। অধিকাংশই ভিডিও গেম, পিনবল যন্ত্র এবং যান্ত্রিক বৈদ্যতিক গেম (যেমন ক্লাও ক্রেনস্)।

কনসোল গেম্‌স[সম্পাদনা]

কনসোল গেমস হচ্ছে এমন গেমস যা কিছু বিশেষ ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে খেলা হয়ে থাকে। এসব যন্ত্রকে গেম কনসোল বলা হয়ে থাকে। কিছু উল্লেখযোগ্য গেম কনসোল হলঃ XBox, Playstation, Nintendo, Wii ইত্যাদি।

হ্যান্ডহেল্ড গেম্‌স[সম্পাদনা]

হ্যান্ডহেল্ড গেমস হল এমন গেমস যা এক হাতে বহনযোগ্য এক প্রকার ছোট যন্ত্রে খেলা হয়ে থাকে। এসব যন্ত্রকে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস বলে। এ যন্ত্রে একটি স্ক্রিন, একটি স্পীকার এবং কিছু বাটন থাকে। ১৯৭০ সালে্র দিকে এসব গেমের উৎপত্তি ঘটে। ২০০০ সাল পর্যন্ত এসব গেম অনেক জনপ্রিয় ছিল। মোবাইল গেমসের আবিষ্কারের পর এর জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। পরবর্তীতে কম্পিউটার গেমস, মোবাইল গেমস এবং কনসোল গেমসের উন্নতি ঘটায় এ জাতীয় গেম জনপ্রিয়তা হারায়।

মোবাইল গেম্‌স[সম্পাদনা]

যে সমস্ত গেম মোবাইল এ খেলা হয়ে থাকে তাকে মোবাইল গেম বলে। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এ জাতীয় গেমের উদ্ভব ঘটে। সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত মোবাইল গেম ছিল Tetris যা Hagenuk MT-2000 ফোনে ১৯৯৪ সালে প্রথম পাওয়া যায়। এরপর নোকিয়া তাদের Nokia 6610 ফোনে Snake গেমটি যুক্ত করে যা পরবর্তীতে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। স্মার্টফোনের আবিষ্কারের পর মোবাইল গেমের জনপ্রিয়তা বহুগুনে বেড়ে যায়। বর্তমানে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় গেম প্লাটফর্ম। বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল গেমগুলো হলঃ Clash Of Clans, Clash Royale, Modern Combat 5 ইত্যাদি।

উন্নয়ন[সম্পাদনা]

পরিবর্তনকরণ[সম্পাদনা]

প্রতারণাকরণ[সম্পাদনা]

ত্রুটিঘটা[সম্পাদনা]

তত্ত্ববিষয়[সম্পাদনা]

সামাজিক দিকসমূহ[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা পরিসংখ্যন[সম্পাদনা]

একাধিক গেমপ্লেয়ার[সম্পাদনা]

সুবিধাসমূহ[সম্পাদনা]

তর্কবিতর্ক[সম্পাদনা]

ব্যবসায়িক দিকসমূহ[সম্পাদনা]

গেম্‌স বিক্রয়[সম্পাদনা]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]