ন্যাটো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলো নীল রঙে চিহ্নিত

উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো (ইংরেজি: North Atlantic Treaty Organisation বা NATO; ফরাসি: Organisation du traité de l'Atlantique Nord বা OTAN) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত একটি সামরিক সহযোগিতার জোট। [১][২] ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ এই জোটের সদস্য। এছাড়া তুরস্কও এই জোটের সদস্য। প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি। ন্যাটোর বর্তমান সদর দপ্তর যদিও বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে, পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিলো ফ্রান্সের প্যারিসে। এই সামরিক জোটের এস্যোসিয়েট সদস্য দেশ রাশিয়া সদস্য নয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তুরস্কআলবেনিয়া ই মুসলিম দেশ। জেসন স্টলবারবার্গ বর্তমান ও তের ন্যাটো মহাসচিবরূপে দায়িত্ব পালন করছেন।"জেস স্টলবারবার্গ (জন্ম ১৬ মার্চ, ১৯৫৯) একজন নরওয়েজিয়ান রাজনীতিবিদ [৩] ন্যাটো একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা গোষ্ঠী। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। ন্যাটোর বর্তমান সদস্য-দেশের সংখ্যা ২৯। সর্বশেষ যোগ দেয় মন্টিনেগ্রো। ২০০৯ সালের ১লা এপ্রিল আলবেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া ন্যাটোতে যোগ দেয়। ন্যাটোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর খরচ পৃথিবীর সকল দেশের সামরিক খরচের প্রায় ৭০ ভাগ।[৪]

উদ্দেশ্য সমূহ[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠার প্রথম দুই বছর ন্যাটো একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ছিল, কিন্ত কোরিয় যুদ্ধের পর ন্যাটো সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং যুক্তরাষ্ট্রের দুই জন সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডারের অধীনে একটি সমন্বিত সামরিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়। ন্যাটোর প্রথম মহাসচিব ছিলেন লর্ড ইসমে। তিনি ১৯৪৯ সালে বলেন যে, "এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য হল রাশিয়ানদের দূরে রাখা, আমেরিকানদের কাছে আনা এবং জার্মানদের দাবিয়ে রাখা"।

১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হলে ন্যাটো যুগোস্লাভিয়ার দিকে মনোনিবেশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত বসনিয়ায় ন্যাটো মধ্যস্ততামূলক সামরিক অভিযান চালায় এবং পরে ১৯৯৯ সালে যুগোস্লাভিয়ায় অভিযান চালায়।

সদস্য দেশসমূহ[সম্পাদনা]

ইউরোপে ন্যাটোভুক্ত দেশসমূহের মানচিত্র পৃথিবীতে ন্যাটোভুক্ত দেশসমূহের মানচিত্র
A map of Europe with countries in blue, cyan, orange, and yellow based on their NATO affiliation. A world map with countries in blue, cyan, orange, yellow, purple, and green, based on their NATO affiliation.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "What is NATO?"। NATO Headquarters, Brussels, Belgium। ২৬ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৭ 
  2. Cook, Lorne (২৫ মে ২০১৭)। "NATO: The World's Largest Military Alliance Explained"MilitaryTimes.comThe Associated Press, US। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৭ 
  3. Fogh bliver ny Nato-chef (Danish ভাষায়). প্রকাশক: Politiken. 4 April 2009. Archived from the original on 5 April 2009। সংগৃহীত হয়েছে: 4 April 2009.
  4. "The SIPRI Military Expenditure Database"। Milexdata.sipri.org। ২৮ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১০ 

https://en.m.wikipedia.org/wiki/NATO

সর্বশেষ সম্মেলন:বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে, ১২-০৭-২০১৮।